১৯৪২ (দ্বিতীয় পর্ব)

ইলিয়া এরেনবুর্গ
যুদ্ধবন্দিদের কাছ থেকে পাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী জার্মানদের ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক। ২৫৬ নম্বর পদাতিক বাহিনীর কথাই ধরা যাক। এই বাহিনীর কম্যান্ডার চোদ্দোই জুলাই যে নির্দেশ জারি করে তা আমার কাছে রয়েছে। ওইদিন মেজর জেনারেল ওয়েবের তার সৈন্যদের ডানকার্ক আর ব্রিট্টানির 'চমৎকার জয়ের কথা' মনে করিয়ে দেয়। মাত্র তিন মাস বাদে ২৫৬ নম্বর ডিভিশনের জায়গায় শুধু নম্বর আর অসংখ্য ক্রশচিহ্নিত কবর পড়ে ছিল। এই ডিভিশনের ডাক্তার উলফগ্যাঙ ক্রগার বন্দি হয়েছিলেন।

৭ অক্টোবর, ১৯৪২

মানচিত্র বলছে, একদা এখানে এক গ্রাম ছিল। বিশ্বাস করা শক্ত। জার্মান ডাগআউট, গভীর সব গর্ত, রাস্তার ওপর বিপক্ষের বোমাবর্ষণের ঘ্যানঘ্যানানি। শরতের শান্ত উজ্জ্বল সূর্য রং হারাচ্ছে। হাওয়ায় ঘূর্ণিপাক। লোকজন সিগারেট পাকাচ্ছে আর অলসভাবে বলে চলেছে, ‘উড়ে গেল..., কাছে এল... আবার উড়ে গেল’। তাদের চোখগুলো ফোলা আর রক্তিম। এর মধ্যেই অনেকদিন হয়ে গেল– লড়াই চলেছে। এক মুহূর্তের নিস্তব্ধতাতেই প্রত্যেকে অস্বস্তি বোধ করে। কয়েকজনকে এই পরিবেশে বেমানান লাগে: মাথায় রুমাল বাঁধা এক কৃষাণী, পাতলা বেণি বাঁধা এক যুবতী, একটা ছোট্ট সাদা কুকুর। মাটির তলায় তাদের চাপা পড়া জিনিসপত্র উদ্ধার করতে এসেছে তারা: একটা সামোভার, আলুর একটা বস্তা, একটা ফ্রাইং প্যান। একসপ্তাহ আগেই জার্মানরা এখানে ছিল।

মাথার ওপর গোলার ঘ্যানঘেনে আওয়াজ হল। কৃষাণী নিয়মমাফিক মাটিতে শুয়ে পড়ল, কুকুরটা গুটিসুটি মেরে গেল আর অল্পবয়সী মেয়েটা নিরাসক্ত গলায় ব্যাখ্যা শুরু করল, ‘ওদের চিফ এই ডাগআউটে থাকত... সে আরও গভীর করে খুঁড়তে বলেছিল। লোকটা ভয় পেত। এটা ছিল কুয়ো কিন্তু সেই লোকটার জন্য এটাকে ওরা ডাগআউট করে দিল। আমাদের ছেলেরা কাছাকাছি আসতেই সে আন্ডারপ্যান্ট পরা অবস্থাতেই দৌড়ে একটা সাইকেলে উঠে পড়ে। কিন্তু আমাদের ছেলেরা তাকে পেড়ে ফেলে। ওখানে ওই সাইকেলটা পড়ে আছে। ওটা এখন ভেঙে গেছে। ...’

একটু উঁচু থেকে রঝেফ অথবা রঝেফের অবশেষ দেখা যায়। পাথরের বিশাল বাড়িগুলোর ধ্বংসাবশেষ থেকে শহরের একটা চেহারা ভেসে ওঠে। বাঁদিকে দুটো বাড়ি, একটা উঁচু, অন্যটা নিচু। লোকে নাম দিয়েছে কর্নেল আর সার্জেন্ট। এখান থেকে গভীর গর্তগুলো আর আলাদা করে খুঁজে পাওয়া যাবে না। প্রত্যেকটা গর্ত পরেরটার সঙ্গে মিশে গেছে।

জার্মানরা ভারি মর্টার চালাতে শুরু করেছে।

আমাদের ইউনিটগুলো রঝেফ এর উত্তর প্রান্তের তিরিশটার মতো ব্লক দখলে রেখেছে। এখানে একটা বাড়িও অক্ষত নেই কিন্তু জার্মানরা প্রতি মিটার সুরক্ষিত রেখেছে। গোটা শহর জুড়ে পিলবক্স আর ট্রেঞ্চ। প্রতিটি ব্লক, প্রতি ডজন বর্গমিটার বা প্রত্যেকটা ডাগআউটের জন্য দীর্ঘ ও ভয়াবহ লড়াই চলেছে।

শত্রুর বোমারু বিমানগুলো ঝাঁপ দেয়। ধোঁয়া পাক খেয়ে ওঠে। আরও জোরে গর্জে ওঠে কামান। সবসময়ে এত তীক্ষ্ণ আওয়াজ বড়ো একটা শোনা যায় না। লড়াই চলেছে শহরপ্রান্তের এক ক্ষুদ্র বনভূমিতে, তা প্রায় টুকরো টুকরো হয়ে গেছে। জার্মানরা আক্রমণ করছে। তারা আমাদের উত্তর দিকের ইউনিটগুলোকে বিচ্ছিন্ন করে দিতে চাইছে। আজ এই নিয়ে ছ'বার আক্রমণ হল। জার্মানরা প্রায় তিরিশটা ট্যাঙ্ক নিয়ে এসেছে। প্রায় তিনশ' মিটার এগিয়ে এসেছিল তারা। জার্মান পদাতিকরা এগিয়ে আসে, আবার তাদের হটিয়ে দেওয়া হয়। ট্যাঙ্কগুলো পিছু হটে, তার মধ্যে চারটে অকেজো হয়ে গেছে।

ডাগআউট-এর মধ্যে কানে তালা ধরানো শব্দকে ছাপিয়ে সিগন্যালার ফিল্ড টেলিফোনে চিৎকার করার চেষ্টা করছে, একগুঁয়ের মতো সঙ্কেতগুলো বারবার বলে চলেছে, ‘ভ্যালি... ভ্যালি... ড্যানিয়ুব বলছি... ড্যানিয়ুব বলছি ...।’  তারপরে কর্নেল টেলিফোনের কাছে এসে চেঁচিয়ে উঠল, ‘পজিশন ফিরে পাওয়া গেছে।’

দ্রুত নেমে এল শরতের রাত্রি। কমলা ও সবুজ রঙের বিচ্ছুরণে আকাশ বিভক্ত। কামান গর্জন চলেছে। আমাদের লোকেরা প্রতি-আক্রমণ শুরু করেছে। আরও একটা ব্লক ছিনিয়ে নেওয়া গেছে।

জখম হওয়া লোকদের চোখ দেখে মনে হয় যেন তারা মাঝরাতেও কাজ করেছে এবং এখনও ঠিকমতো জাগেনি। চিকিৎসার জন্য যেতে একজন অস্বীকার করে। ‘আমি ফিরে যেতে চাই...’, দক্ষিণদিকে আঙ্গুল দেখিয়ে সে বলে। সেখানে তখন এক আগুনের সমুদ্র। রঝেফ জ্বলছে। এই শহরে পোড়ার জন্য যা কিছু রয়েছে তা আগে কয়েক ডজনবার পুড়েছে। ‘ওখানে প্লাইউড মজুত ছিল’, ‘আর ওইখানে রেলগাড়ি...’, এক জার্মান যুদ্ধবন্দি জানায়।

চাঁদের রুপোলি রেখা দেরিতে দেখা গেল। লেফটেন্যান্ট জেনারেল লেলিউশেঙ্কো যুদ্ধ থেকে ল্যাণ্ডরোভারে করে ফিরছিলেন। সরল এবং প্রাণচঞ্চল এক তরুণ। তেলের বাতির স্বল্প আলোয় রং পেন্সিলে রেখায়িত একটা মানচিত্র দেখিয়ে তিনি রঝেফের যুদ্ধ বোঝাচ্ছিলেন।

এইটা কোনো স্থানীয় সংঘর্ষ নয়, এ ছিল এক বিরাট দীর্ঘ লড়াই। বলা বাহুল্য, দ্বিতীয় শ্রেণির এক শহরের ধ্বংসাবশেষের জন্য এ লড়াই চলছিল না। রঝেফ এক প্রবেশদ্বার। এই শহর একই সঙ্গে পূর্ব আর পশ্চিম দিক উন্মুক্ত করতে পারে। ‘এ যুদ্ধের সঙ্গে রঝেফের কী সম্পর্ক?’ এক বন্দি আমাকে বলেছিল, ‘তুচ্ছ কারণে এই লড়াইয়ের শুরু কিন্তু বার্লিনে গিয়ে তা শেষ হতে পারে।’

জার্মানরা রঝেফে প্রচুর শক্তি জড়ো করেছে। ফিল্ড মার্শাল মডেল নাইনথ আর্মির প্রধান। শুরুতে ৬, ৮৭, আর ২৫৬ নম্বর পদাতিক বাহিনী এখানে ছিল। তারপরে জার্মানরা ১০২, ২৫১, ১২৯ এবং ২০৬ নম্বর ডিভিশনের একটা ইউনিট নিয়ে আসে। সবশেষে, আজকে ফিল্ড মার্শাল মডেল ১১০ নম্বর পদাতিক বাহিনী ও পাঁচ নম্বর প্যানজার ডিভিশন, এই নতুন দুটো ডিভিশনকে নামিয়েছে। আমার সামনে বন্দিরা রয়েছে। তারা মাত্র দশ ঘন্টা এমনকি মাত্র চার ঘণ্টা রঝেফে কাটিয়েছে। তাদের সরাসরি যুদ্ধে পাঠানো হয়েছিল।

জেনারেল লেলিউশেঙ্কো একজন ট্যাঙ্ক বিশেষজ্ঞ। তিনি ট্যাঙ্কের ভূমিকা বোঝেন কিন্তু শুধু তা নিয়ে আটকে থাকার লোক নন। তিনি জানেন যে আমাদের কামান আর ট্যাঙ্কবিরোধী ইউনিট ওগুলোকে ছাতু করে দেবে। তিনি আমাকে বললেন যে আজ জার্মানরা কম করেও একুশটা ট্যাঙ্ক হারিয়েছে।

রুক্ষ একটা টেবিলের ওপরে একটা মোমবাতি আর স্তূপীকৃত জার্মান চিঠি। পোস্টকার্ডে ন্যুরেমবার্গের দৃশ্য, ফুরারের ছবি, কয়েকটি সন্দেহজনক মোহিনী নারীর চিত্র। গথিক লিখনে পড়লাম, ‘তোমার কাছ থেকে চিঠি পেয়ে আমরা খুব খুশি, কারণ তোমার সঙ্গে ছিল এমন অনেকে রঝেফ-এ নিহত হয়েছে আর খবরের কাগজ শোকসংবাদে ভরা...’। এইটা ল্যান্স - কর্পোরাল ফার্ডিনাণ্ড ওবেরহফ এর বাবা মায়ের লেখা। সৈন্যদের লেখা কয়েকটা না-পাঠানো চিঠিও রয়েছে। কর্পোরাল কার্ল হ্রিগস ওয়ারবুর্গকে লিখছে, ‘বিশ্বাস কর অ্যানি, ইদানিং আমরা যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি তা এই যুদ্ধে আমার দেখা কোনো কিছুর মতো নয়। রুশ ট্যাঙ্কগুলো আক্ষরিক অর্থেই আমাদের গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। মাথার চুল খাড়া হয়ে উঠবে, এমন সব কাণ্ড।’ আর ল্যান্স-কর্পোরাল উইলহেম হেইনরিখ তার মা-কে বলছে, ‘এখানে নরক। রুশরা প্রচণ্ড আক্রমণ করছে। এভাবে চলতে থাকলে আমরা কেউ বাঁচব না। আমাদের সব স্নায়ু ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।’ আমি ল্যান্স-কর্পোরাল রবার্ট কফ এর ভাইকে লেখা চিঠির অংশ থেকে আরও একটা উদ্ধৃতি দেব। ভাই তোরুণ-এর এক বিমানচালক। ‘তুমি নিশ্চয়ই নিজের অভিজ্ঞতা থেকে জান যে প্রকৃত যুদ্ধ কী জিনিস। এখানে চলেছে বাঁচার লড়াই। উভয়পক্ষ যে পরিমাণ অস্ত্র ব্যবহার করছে তা সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গেছে। বর্তমানে রুশরা এগিয়ে চলেছে। শহরটা নিজে তাদের কাছে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, অবশ্যই তাদের লক্ষ্য আরো সুদূরপ্রসারী। তারা আমাদের সেনাবাহিনীকে ধ্বংস করতে চায়। দুঃখের হলো, আমাদের রেজিমেন্ট এই অভিযানের আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি ক্ষতিস্বীকার করেছে। বেশ কয়েকদিন ধরে রঝেফ জ্বলছে। অনেক গুদাম জ্বলে গেছে এবং বিশ লক্ষের বরাদ্দ খাবার ধ্বংস হয়েছে। সাধারণভাবে, অবস্থা খুবই খারাপ....।’

যুদ্ধবন্দিদের কাছ থেকে পাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী জার্মানদের ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক। ২৫৬ নম্বর পদাতিক বাহিনীর কথাই ধরা যাক। এই বাহিনীর কম্যান্ডার চোদ্দোই জুলাই যে নির্দেশ জারি করে তা আমার কাছে রয়েছে। ওইদিন মেজর জেনারেল ওয়েবের তার সৈন্যদের ডানকার্ক আর ব্রিট্টানির 'চমৎকার জয়ের কথা' মনে করিয়ে দেয়। মাত্র তিন মাস বাদে ২৫৬ নম্বর ডিভিশনের জায়গায় শুধু নম্বর আর অসংখ্য ক্রশচিহ্নিত কবর পড়ে ছিল। এই ডিভিশনের ডাক্তার উলফগ্যাঙ ক্রগার বন্দি হয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের লোকদের দুই তৃতীয়াংশের বেশি নিহত অথবা আহত।’

১২৫ নম্বর অ্যান্টি এয়ারক্রাফট ডিভিশনের সৈন্য যুদ্ধবন্দি প্রাইভেট কার্ল শ্রেক জানাচ্ছে, ‘রেশনের ব্যাপারে আমি সোজা কথা বলছি। সবকিছুই চমৎকার। ওরা এখনও গোটা রেজিমেন্টের খাবার পাঠাচ্ছে আর এখানে প্রায় কেউই অবশিষ্ট নেই। সুতরাং পেট ভরানোর মতো কিছু অন্তত আমরা পেয়েছি। পরিহাসের চিহ্ন না রেখেই সে একথা বলেছে। তার আশাবাদ সংশোধনের অতীত।

একথা বলা কি দরকার যে আমাদেরও প্রচুর ক্ষতি হয়েছিল? রঝেফের ধ্বংসাবশেষ সত্যিই এক চমৎকার যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। ভলগার দিকে তাকালেই মন আমার তখনই চলে যায় স্তালিনগ্রাদে। আমেরিকানরা কি বোঝে যে রাশিয়া কিভাবে লড়ছে? নাকি এখনও ওরা এই যুদ্ধগুলোকে মিশর অথবা সলোমন দ্বীপপুঞ্জের খণ্ডযুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করবে?

দিনকতক আগে এক রাত্তিরে গাড়ি চালিয়ে রঝেফে যাচ্ছিলাম। গাড়িতে আমার সঙ্গে ছিল আমেরিকান সংবাদদাতা লেল্যাণ্ড স্টো। ঠাণ্ডায় আমরা জমে যাচ্ছিলাম। গরম হওয়ার জন্য এক কৃষকের বাড়িতে আমি কড়া নাড়লাম। আমরা জার্মান হতে পারি এই ভেবে বৃদ্ধা কৃষকরমণী আমাদের ঢুকতে দিতে চাননি (জার্মানরা এই গ্রামে কিছুদিন ছিল)। তারপর তিনি আমার ফৌজি গ্রেটকোট দেখে ঢুকতে দেন কিন্তু বিদেশি ভাষার ধ্বনি শুনে স্টো-র দিকে আঙুল দেখিয়ে চেঁচিয়ে ওঠেন, ‘দোহাই, ওই লোকটা জার্মান!’ আমি বুঝিয়ে বলি যে ও আমেরিকান। শুনে তিনি স্টো-র দিকে ঘুরে সহজভাবে বলেন, ‘আমাদের জন্য তোমাদের সাহায্য আর ভালোবাসা এত কম কেন? তোমাদের জন্য অপেক্ষা করতে করতে আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছি।’ বাড়িটা ফাঁকা, যা কিছু ছিল, জার্মানরা হয় পুড়িয়ে দিয়েছে অথবা নিয়ে গেছে। একটা খাটের এক কোণে একটা বাচ্চা ঘুমিয়ে ছিল। বৃদ্ধা বললেন, ‘আমার নাতি, রঝেফ থেকে এসেছে। ওর মা-কে ওরা মেরে ফেলেছে, হারামজাদার দল...’। ছেলেটা ঘুমের মধ্যে কী যেন বিড়বিড় করল আর আমি দেখলাম যে নিদারুণ যন্ত্রণায় লেল্যাণ্ড স্টো অন্যদিকে মুখ ফেরাল।

আবার চলেছি রঝেফের পথে। কামানগর্জন এক মুহূর্তের জন্য থেমে ফের শুরু হল। উরাল অঞ্চলের এক ইস্পাত কারখানা থেকে আসা বছর তিরিশের যুদ্ধশ্রান্ত সৈনিক ড্যারিল প্রিটকভ, কৃশ মুখ আর স্বপ্নচারী চোখদুটো তার। সে আমাকে বলল যে সে আটষট্টি জন জার্মানকে মেরেছে। ‘আমি আর জার্মান সাবমেশিনগান চাই না। ষোলোটা পেয়েছিলাম, সব কটাই দিয়ে দিয়েছি। জার্মান বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া পছন্দ করি না।’ সহসা থেমে গিয়ে সে ফুঁপিয়ে উঠল, রঝেফের দিকে আঙুল দেখিয়ে বলল, ‘আমি ওখানে যাচ্ছি।’ সকালের আলোর মাঝে আগুনের দীপ্তি সেখানে, যেন এক মোমবাতি, কেউ নেভাতে ভুলে গেছে।

ভাষান্তর: দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়

–শেষ পর্ব আগামীকাল


প্রকাশের তারিখ: ১৭-নভেম্বর-২০২৩

© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
৩১ আলিমুদ্দিন স্ট্রীট , কলকাতা ৭০০০১৬, +91 33 2217 6638, +91 70599 23957
marxbadipath.22@gmail.com
www.marxbadipath.org