৫ এপ্রিল, দিল্লি দেখবে বেনজির শ্রেণি সমাবেশ

তপন সেন
এই সরকার আমাদের দেশের কৃষক ও শ্রমিকদের বেঁচে থাকার অধিকারকে একচেটিয়া বহুজাতিক কোম্পানিগুলির দয়ার ওপর ছেড়ে দিচ্ছে। গণতান্ত্রিক অধিকার ও কর্মক্ষেত্রের অধিকারের ওপর আক্রমণ নামিয়ে আনছে। কোনওরকম তোয়াক্কা না করেই সাংবিধানিক ও সংসদীয় রীতিনীতিগুলিকে লঙ্ঘন করে চলেছে। সংখ্যালঘু, দলিত, আদিবাসী ও মহিলাদের ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। এই ধরনের প্রতিটি আক্রমণ ও নির্যাতনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে নয়া উদারবাদী নীতিসমূহের, যা পুরোপুরি ঔদ্ধত্যের সঙ্গে এবং বেপরোয়া মনোভাব নিয়ে কার্যকর করছে এই বিজেপি সরকার। এসবের একমাত্র লক্ষ্য হল তাদের কর্পোরেট প্রভুদের মুনাফা ও সম্পদ রক্ষা করার বেপরোয়া প্রচেষ্টা।

পুঁজিবাদী ব্যবস্থা ধারাবাহিকভাবে সামগ্রিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে চলেছে। সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সরকার পরিচালনা—  সব ক্ষেত্রেই সেই সঙ্কটের ক্ষয়িষ্ণু প্রতিফলন স্পষ্ট। শাসকশ্রেণির স্বৈরতান্ত্রিক ও বিভাজনের রাজনীতির  পিছনে শক্তি যোগাচ্ছে কর্পোরেট-সাম্প্রদায়িক অশুভ জোট। এবং সমস্ত ফ্রন্টেই শাসকশ্রেণি ও  কর্পোরেট-সাম্প্রদায়িক অশুভ জোটের খোলামেলা ফ্যাসিবাদী উদ্দেশ্য অনুভব করা যাচ্ছে। একই সময়ে এই শাসনের বিরুদ্ধে শ্রমিকশ্রেণির অসম্মতি ও তাদের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর আরো জোরদার এবং ব্যাপকতর হচ্ছে। এবং এর মধ্যে দিয়ে সামনে চলে আসছে সংগঠিত আকারে এই জোটের বিরুদ্ধে প্রত্যয়দৃঢ় সংঘাতে নেমে পড়ার বাস্তবতা। এই সংঘাতকে আরো জোরদার করে তোলার জন্য আমাদের সর্বশক্তি কাজে লাগাতে হবে। এটা করতে হবে ধারাবাহিকভাবে, বিভিন্ন ক্ষেত্রের সংগ্রাম ও জাতীয় স্তরে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামকে আরও তীব্র করে তোলার মধ্যে দিয়ে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে হোক কিংবা জাতীয় স্তরে, ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের এই ডাকে মেহনতী মানুষ যে সাড়া দিয়েছেন, তা খুবই উৎসাহব্যঞ্জক। 

এপ্রসঙ্গে বলা দরকার যে, আরও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সঙ্ঘাত গড়ে তোলার জন্য ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম বিকশিত করার লক্ষ্যে সিআইটিইউ ত্রিমুখী পন্থা কাজে লাগাচ্ছে—  প্রথম, সিআইটিইউ-র পক্ষ থেকে স্বাধীন পদক্ষেপ করা ও পরিস্থিতির ওপর হস্তক্ষেপ করার প্রক্রিয়াকে আরও জোরদার করা। দ্বিতীয়, ক্ষেত্র-ভিত্তিক এবং সব ক্ষেত্রকে সমন্বিত করে সাধারণভাবে যৌথ ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলন গড়ে তোলা। এবং তৃতীয়, শ্রমিক-কৃষক শ্রেণির মৈত্রীকে আরও গভীর এবং প্রসারিত করা। এগুলি করা হচ্ছে মূল ইস্যুগুলির ভিত্তিতে দুই শ্রেণির দেশব্যাপী যৌথ সংগ্রামকে  তীব্রতর করে তোলার মধ্যে দিয়ে। শাসকশ্রেণির আক্রমণের মোকাবিলায় আরও বিস্তৃত অংশের জনসাধারণকে শামিল করার জন্য মূল ইস্যুগুলিকে নিয়ে শ্রমিক-কৃষকের যৌথ সংগ্রামই হল ভিত্তি। 

সক্রিয় সংগ্রামের জমিতে শ্রমিক-কৃষক-খেতমজুরদের ঐক্য এই সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি। সরকারের জনবিরোধী নীতিসমূহ এবং শাসকশ্রেণির বিভাজনের কৌশল—  এই দুয়ের বিরুদ্ধে প্রত্যয়ী মনোভাব নিয়ে সংঘাতে শামিল হওয়ার জন্য সমগ্র জনগণকে টেনে আনার কাজে এই তিন শ্রেণির ঐক্যকে কাজে লাগানোর বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঐক্য ইতিমধ্যেই একটা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, এবং একে আরও বেশি উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। এই তিন শ্রেণির নিজস্ব দাবিগুলির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম এবং প্রতিটি অংশের লড়াইয়ে অন্যান্য অংশগুলির পারস্পরিক সহযোগিতা ইতিমধ্যেই পরিণতির একটা সাধারণ, চূড়ান্ত বিন্দুতে পৌঁছেছে। এই তিনটি শ্রেণিই একসঙ্গে জনবিরোধী শাসননীতির হামলা ও সাম্প্রদায়িক বিভাজনের কৌশলের মোকাবিলা করছে। জনবিরোধী শাসনীতি ও সাম্প্রদায়িক বিভাজনের ভয়ঙ্কর কৌশল সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকাকে তো বটেই, সমগ্র সমাজকেই বিপন্ন করে তুলেছে। 

এই দিশায় সিআইটিইউ অনেকদিন ধরেই নানান উদ্যোগ নিয়ে চলেছে। এজন্য সিআইটিইউ–এআইকেএস–এআইএডব্লিউইউ এর মধ্যে নিয়মিত-বৈঠক ও সলাপরামর্শের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে বিভিন্ন ইস্যুতে যৌথ প্রচারাভিযান গড়ে তোলা যায় এবং এই উদ্যোগগুলিকে একেবারে নীচুতলা পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া যায়। ২০১৮ সালে এই উদ্যোগে একটা বড় সাফল্য আসে। ওপরে উল্লেখ করা সংগঠনগুলি ওই বছর ৯ আগস্ট দেশজুড়ে এক বিপুল জেল ভরো আন্দোলন সংগঠিত করে। এবং সেই আন্দোলন দেশের বেশির ভাগ জেলাকে স্পর্শ করতে পেরেছিল। এরই ফলশ্রুতিতে ২০১৮-র ৫ সেপ্টেম্বর ‘‌মজদুর-কিষাণ সংঘর্ষ সমাবেশ’‌-র ডাক দেওয়া হয়। সেটা ছিল স্বাধীনতা পরবর্তী কালে রাজধানী দিল্লিতে শ্রমিক-কৃষকদের সবচেয়ে বড় লড়াকু মনোভাবাপন্ন জমায়েত।

নয়া উপনিবেশবাদী আক্রমণের বিরুদ্ধে কয়েক দশক ব্যাপী শ্রমিকশ্রেণির আন্দোলন ও হস্তক্ষেপ কোভিড অতিমারির সময়েও বন্ধ হয়নি। যার ফলে এমনকী ২০২০ এবং ২০২২ সালে ধারাবাহিক ভাবে বেশ কয়েকটি সর্বভারতীয় সাধারণ ধর্মঘট সফল হয়েছে। একইসঙ্গে শিল্পের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখা গেছে অসংখ্য সংগ্রাম ও ধর্মঘট, যাতে দেশজুড়ে বিপুল আকারে সক্রিয়ভাবে সমর্থন করেছেন কৃষকেরা। এবং প্রায় একই সময়পর্বে, কাজের মাধ্যমে ঐক্য অর্জনের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই অনেক গভীরে পৌঁছে গিয়েছিল, এবং সেই ঐক্যকে আরও শক্তপোক্ত করে তোলার কাজে সক্রিয় হয়ে উঠেছিল অন্য অনেক কৃষক সংগঠন। তারা নয়া উপনিবেশবাদী নীতিভিত্তিক শাসনের বিরুদ্ধে আরও বেশি যৌথ সংগ্রাম গড়ে তোলা ও হস্তক্ষেপের ওপর জোর দিয়েছিল। কারণ নয়া উপনিবেশবাদী শাসন ইতিমধ্যেই কৃষি সঙ্কটকে একটা বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা দেখেছি দেশজুড়ে কৃষক, খেতমজুরদের লড়াকু মেজাজের যৌথ সংগ্রাম, যার পিছনে ছিল শ্রমিকশ্রেণির আন্দোলনের সক্রিয় সমর্থন। এই আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত হাঁটু গেড়ে বসতে হয়েছিল আরএসএস-বিজেপিকে। এবং এই আন্দোলন সরকারকে কৃষক-বিরোধী কৃষি আইন ও সাবেকি জমি অধিগ্রহণ অর্ডিন্যান্স প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য করেছিল। 

২০২০ সালের ২৬ নভেম্বরের শ্রমিকশ্রেণির ঐতিহাসিক সাধারণ ধর্মঘটের পাশাপাশি সূচনা হয়েছিল কৃষি আইনের বিরুদ্ধে কৃষকদের ঐতিহাসিক সংগ্রাম, যা চলেছিল এক বছরেরেও বেশি সময় ধরে। সংসদকে পুরোপুরি অগ্রাহ্য করে ওই কৃষি আইন এনেছিল আরএসএস-বিজেপি সরকার। এখন সেই কৃষি আইন বাতিল হয়েছে। তবে ওই আইন আনাই হয়েছিল কৃষকদের জীবন-জীবিকাকে এবং সমগ্র কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে, যাতে খুব সহজেই এদেশের কৃষি অর্থনীতির পুরোটাই কবজা করে নিতে পারে কর্পোরেটরা। কৃষকদের সাহসী, দীর্ঘস্থায়ী লড়াই থেকে এই দাবিও তোলা হয়েছিল যে, বিদ্যুৎ সংশোধনী বিল (‌২০২০)‌ বাতিল করতে হবে। কারণ ওই বিলের লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রের অধীনে থাকা বিদ্যুৎ বণ্টন ব্যবস্থাকে পুরোপুরি শেষ করে দিয়ে সেখানে বৃহৎ আকারে বেসরকারিকরণ করা।  

এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই ঐতিহাসিক কৃষক সংগ্রাম প্রত্যক্ষ করেছিল দেশজুড়ে শ্রমিকশ্রেণির সংহতি। এই লড়াইয়ে বিপুল আকারে সক্রিয় সমর্থন যোগাতে সংহতিমূলক কর্মসূচি হিসাবে গড়ে তোলা হয়েছিল শ্রমিকশ্রেণির আন্দোলন। এবং সেই প্রয়াসের প্রথম সারিতে ছিল সিআইটিইউ। অবস্থান বিক্ষোভ, বিক্ষোভ প্রদর্শন, বন্‌ধের মতো সব ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল যার নেতৃত্বে ছিল সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা (এসকেএম)। এই সব লড়াই-সংগ্রামকে সক্রিয়ভাবে এবং শারীরিকভাবে হাজির থেকে সমর্থন যুগিয়েছিল সমগ্র শ্রমিকশ্রেণির আন্দোলন। এই সব সংগ্রামে সংহতি জানানোর কাজে সিআইটিইউ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এই প্রক্রিয়ার ফলশ্রুতিতে, পরবর্তী সমস্ত কার্যকলাপে, এসকেএম দুহাতে তাদের সমর্থন জুগিয়েছিল ট্রেড ইউনিয়নগুলির যৌথ মঞ্চের নানা সংগ্রাম ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে। দুই উৎপাদক শ্রেণির এইসব সংগ্রাম ও বিক্ষোভ নিজেদের কাজের মধ্যে দিয়ে তাদের সাধারণ শত্রু—  সরকারে আসীন কর্পোরেট-সাম্প্রদায়িক অশুভ চক্রের বিরুদ্ধে—  শ্রমিক-কৃষকের ঐক্যকে আরও সংহত করেছিল। প্রতিটি সংগ্রামের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল এক স্থায়ী, সূদূরপ্রসারী দৃষ্টি। 

এই পটভূমিতে ২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছিল মজদুর কিষাণ অধিকার মহা অধিবেশন। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, জনগণকে অবাধে লুঠ করে চলেছে যে বর্বর শাসন ব্যবস্থা, তার বিরুদ্ধে লড়াই ও প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০২৩ সালের ৫ এপ্রিল এতাবৎকালের সবচেয়ে বড় মজদুর কিষাণ সংঘর্ষ সমাবেশ সংগঠিত করা হবে। বর্বর এই শাসনের প্রতিফলন দেখতে পাওয়া যাচ্ছে ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি, চাকরি বা কাজ থেকে ছাঁটাই, বেকারি, ক্রমশ দুঃসহ হয়ে ওঠা বাঁচার ও কাজের পরিবেশের মধ্যে। একইসঙ্গে এই শাসকেরা বেপরোয়া বেসরকারিকরণের মধ্যে দিয়ে জাতীয় সম্পদ বেসরকারি কর্পোরেট গোষ্ঠীদের হাতে তুলে দিচ্ছে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্য সব পরিষেবার বাণিজ্যিকীকরণ করে চলেছে। 

এই সরকার আমাদের দেশের কৃষক ও শ্রমিকদের বেঁচে থাকার অধিকারকে একচেটিয়া বহুজাতিক কোম্পানিগুলির দয়ার ওপর ছেড়ে দিচ্ছে। গণতান্ত্রিক অধিকার ও কর্মক্ষেত্রের অধিকারের ওপর আক্রমণ নামিয়ে আনছে। কোনওরকম তোয়াক্কা না করেই সাংবিধানিক ও সংসদীয় রীতিনীতিগুলিকে লঙ্ঘন করে চলেছে। সংখ্যালঘু, দলিত, আদিবাসী ও মহিলাদের ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। এই ধরনের প্রতিটি আক্রমণ ও নির্যাতনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে নয়া উদারবাদী নীতিসমূহের, যা পুরোপুরি ঔদ্ধত্যের সঙ্গে এবং বেপরোয়া মনোভাব নিয়ে কার্যকর করছে এই বিজেপি সরকার। এসবের একমাত্র লক্ষ্য হল তাদের কর্পোরেট প্রভুদের মুনাফা ও সম্পদ রক্ষা করার বেপরোয়া প্রচেষ্টা। 

যখন নয়া উদারবাদের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামকে আরও উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি, তখন একইসঙ্গে বর্তমান শাসকদের পিছনে থাকা কর্পোরেট-সাম্প্রদায়িকতাবাদীদের অশুভ চক্রের বিভাজন ও মূল বিষয় থেকে নজর ঘুরিয়ে দেওয়ার বিষাক্ত কৌশলের স্বরূপও আমাদের উন্মোচন করে দিতে হবে। এবং শ্রমিকশ্রেণি ও মেহনতী জনতার সমস্ত অংশকে এসবের বিরুদ্ধে জমায়েতে শামিল করতে হবে। সুতরাং, শ্রমিক-কৃষক যৌথ সংগ্রামের উদ্যোগ, সমাজের প্রধান দুই উৎপাদক শ্রেণির ঐক্যবদ্ধ, প্রত্যয়দীপ্ত অবস্থানকে অবশ্যই মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে হিন্দুত্বের বিষাক্ত পরিকল্পনার বিরুদ্ধে। যে হিন্দুত্বকে দাঁড় করানো হয়েছে সংখ্যাগরিষ্ঠের সাম্প্রদায়িকতা হিসাবে, এবং রাজনৈতিক ও মতাদর্শগতভাবে সমাজের সবস্তরে, এমনকী একেবারে নীচুতলাতেও, তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। 

৫ এপ্রিলের মজদুর কিষাণ সংঘর্ষ সমাবেশ শেষ পর্যন্ত পরিণতি পাবে দেশজুড়ে নীচুতলায় একটানা প্রচার ও জমায়েতের একটা সর্বোচ্চ পরিণতি বিন্দু হিসাবে। এবং এসবের পরিণতিতে শাসন ক্ষমতায় আসীন কর্পোরেট-সাম্প্রদায়িক অশুভ চক্রের বিরুদ্ধে আরও উচ্চস্তরের লড়াই গড়ে তোলার দ্বার উন্মুক্ত হবে। আসুন, ৫ এপ্রিলের মজদুর কিষাণ সংঘর্ষ সমাবেশকে আমরা স্বাধীন ভারতের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ, লড়াকু শ্রেণি জমায়েতে পরিণত করি। 


প্রকাশের তারিখ: ২৯-মার্চ-২০২৩

© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
৩১ আলিমুদ্দিন স্ট্রীট , কলকাতা ৭০০০১৬, +91 33 2217 6638, +91 70599 23957
marxbadipath.22@gmail.com
www.marxbadipath.org