ওমানের বিদেশমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আল বুসাইদি, যিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার মধ্যস্থতা করছিলেন, তিনি ২৭ ফেব্রুয়ারি একটি মার্কিন চ্যানেলকে জানান যে দু-পক্ষের মধ্যে চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত। তিনি জানান, ইরান কথা দিয়েছে তারা ‘কখনও’ পরমাণু বোমা তৈরির চেষ্টা করবে না। এবং পারমাণবিক মালমশলা মজুদ করবে না। এর ঠিক পরদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল ইরানে বোমাবর্ষণ শুরু করে। এবং তাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই এবং কয়েক ডজন ইরানি আধিকারিকের মৃত্যু হয়। ইজরায়েল জানায়, এই হামলা আসলে ‘আগাম প্রতিরোধমূলক’ যুদ্ধ যাতে রাষ্ট্র হিসাবে ইজরায়েলের ‘অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে না পড়ে’। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানিদের উদ্দেশে আর্জি জানান, ‘নিজেদের দেশের সরকার দখল করুন’, এবং বলেন, ‘কয়েক প্রজন্মের মধ্যে এটা আপনাদের কাছে শাসক বদলের একমাত্র সুযোগ।’ যেভাবে একেবারে গোড়া থেকে ইরানকে পঙ্গু করে দেওয়ার মতো হামলা চালানো হয়েছে এবং ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহু যে সব কথাবার্তা বলেছেন, তােত একথা স্পষ্ট যে আগ্রাসী এই দুই শক্তি ইরানের শাসক বদলই চাইছে।
প্রাথমিক ধাক্কা সহ্য করে ইরানের সরকার নিজেদের গুছিয়ে নেয় এবং পাল্টা প্রত্যাঘাত শুরু করে। ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর পদক্ষেপের কারণে পশ্চিম এশিয়া দেখছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী পর্বে এই অঞ্চলের অন্যতম ধ্বংসাত্মক মুহুর্ত। এ হল এমন একটা সংঘাত যার পরিণাম এই অঞ্চলের ভাগ্য কয়েক দশকের জন্য নির্ধারিত করে দেবে।
জুন ২০২৫ এ হয়েছিল ১২ দিনের যুদ্ধ। তারপর ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, তিনি ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে একেবার ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দিয়েছেন। তখন নেতনিয়াহু ঘোষণা করেন তিনি ‘ঐতিহাসিক জয়’ পেয়েছেন। তাহলে আট মাসের মধ্যে তাদের আরও একটা যুদ্ধ শুরু করতে হল কেন? ইজরায়েল সারাক্ষণই ইরানে শাসক বদল চায়। তেল আভিভের কাছে ইরান একমাত্র সংশোধনবাদী দেশ যারা পশ্চিম এশিয়ায় তাদের আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে। বেশির ভাগ আরব দেশেই রয়েছে মার্কিন ঘাঁটি কিংবা তারা মার্কিন সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল। ফলে হয় তারা ইজরােয়লের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক গড়ে তুলেছে অথবা ইজরায়েলের সামরিকবাদ ও তাদের প্যালেস্তাইন, সিরিয়া ও লেবাননের অঞ্চল দখল করার বিষয়টি মানিয়ে নিয়েছে। অন্যদিকে ৯ কোটি জনসংখ্যার দেশ ইরানের রয়েছে বিপুল আর্থিক সম্ভাবনা এবং উন্নত মিসাইল কর্মসূচি। ফলে ইরানকে ইজরায়েল দেখে তাদের অস্তিত্বের পক্ষে বিপজ্জনক একটা দেশ হিসাবে। যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইরানের সঙ্গে ২০১৫ সালে পরমাণু চুক্তি সই করেন, তখন তার নজর ছিল ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ঠিক কোথায় দাঁড়াচ্ছে তা ঠিক করে দেওয়া। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, পরমাণু শক্তিধর নয় এমন ইরান পশ্চিম এশিয়ার পক্ষে হবে সুসংবাদ এবং তার জেরে তেহরান ও তার বিরোধী দেশগুলির মধ্যে একটা ‘ঠান্ডা শান্তি’ প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে ইজরায়েল বিষয়টাকে এভাবে বুঝতে চায়নি। তাদের বোঝাপড়া ছিল আলাদা। ইজরায়েলের মাথাব্যথা শুধু ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়েই ছিল না, ছিল ইরানের প্রথাগত সামরিক শক্তি নিয়েও। সেই কারণেই ২০১৫ সালের চুক্তিতে সর্বশক্তি নিয়ে বাধা দিয়েছিলেন নেতানিয়াহু।
ইরানের ভূরাজনীতি
সাম্প্রতিক সময়ে যখন ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কথা চলছিল, তখন ইজরায়েল বার বার দাবি করছিল যে, দু-পক্ষের চুক্তির আওতায় ইরানের মিসাইল কর্মসূচিকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এবং ওই অঞ্চলের বিরাষ্ট্রীয় (নন স্টেট) মিলিশিয়াগুলিকে ইরান যে সমর্থন দেয় সেটিকেও চুক্তির মধ্যে আনতে হবে। আসলে নেতানিয়াহু চাইছিলেন ইরানের সামগ্রিক নিরস্ত্রীকরণ এবং এই দাবি, তেহরানের মসনদে ইজরায়েল কর্তৃক বসিয়ে দেওয়া কোনও শাসক ছাড়া অন্য কোনও ইরানি নেতা মানতে পারেন না। তেহরানের একজন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ২৪ ফেব্রুয়ারি স্পষ্ট ভাষায় দ্য হিন্দু পত্রিকাকে বলেছেন, নিজেদের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে কোনও চুক্তিতে ইরান সই করবে না। তিনি বলেন, ‘যদি আজ তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইলগুলি ইরান আমেরিকার হাতে তুলে দিতে রাজি হয় সেদেশের সঙ্গে যুদ্ধ এড়ানোর জন্য, তাহলেও কয়েক মাসের মধ্যে ইজরায়েল আমাদের ওপর বোমা ফেলবে। সেকারণেই ইরানের লোকেরা নিজেদেরই প্রশ্ন করছে, তাহলে কেন তারা তাদের শেষ হাতিয়ারটুকুও হাতছাড়া করবে?’
এই পরিস্থিতিতে একমাত্র যে পথে ইজরায়েল তাদের লক্ষ্য পূরণ করতে পারে সেটা হল ইরানে শাসক বদল। তেমনটা হলে সেটা ভূরাজনৈতিকভাবেও ইজরায়েলের পক্ষে লাভজনক হবে। সাদ্দাম হুসেনের ইরাক আর নেই। নেই গদ্দাফির লিবিয়া। বাশার আল আশাদ এখন মস্কোয়। প্রাক্তন জিহাদিরা এখন দামাস্কাস চালচ্ছে। হেজবুল্লা দুর্বল হয়ে পড়েছে। হামাসকে ঠেলে গাজার ধ্বংসস্তূপে পাঠিয়ে দেওয়া গেছে। এসবের নিন্দা করে চিঠি লেখা ছাড়া আরব দেশগুলো আর কিছুই করবে না। অতএব শেষ সংশোধনবাদী ক্ষমতা হিসাবে টিকে রয়েছে ইরান। যদি ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে ক্ষমতাচ্যুত করা যায়, তাহলে আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্য বূদলে যাবে এবং একটা একমেরু পশ্চিম এশিয়া গড়ে ওঠার পথ সুগম হবে। এবং ওয়াশিংটনের পূর্ণ মদতে তার মধ্যমণি হবে ইজরায়েল। এখানে ইরানিদের স্বাধীনতা দেওয়ার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল এখানকার ভূরাজনীতি এবং ইজরায়েলের নিজেদের স্বার্থ।
কোতল কৌশল
কিন্তু এখানে একটা সমস্যা রয়েছে। ইরান দেশটা চারপাশে উঁচু পাহাড়ের বলয়ে ঘেরা। এবং মোটের ওপর ইজরায়েলের চেয়ে ৭০ গুণ বড়। ফলে ভৌগোলিকভাবে ইরান আসলে একটা দুর্গের মতো। এখানে ইজরায়েল একার ক্ষমতায় শাসক বদল করতে পারে না। বিশেষত, শাসক বদল করাতে হলে সংশ্লিষ্ট দেশে স্থলবাহিনী ঢুকিয়ে দিতে হয়। তাতেও একথা বলা যাবে না যে এতে কাঙ্ক্ষিত ফল ফলবেই। ইজরায়েল গাজাকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিয়েছে। সেই গাজা যা আসলে ইজরায়েল ও ভূমধ্যসাগরের মধ্যে স্যান্ডউইচ হয়ে যাওয়া এক ফালি জমি মাত্র। সেখানে ২৪ মাস ধরে তাণ্ডব চালিয়েছে ইজরায়েল এবং ৭০ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। তবুও তারা হামাসের শক্তি নিঃশেষিত করতে পারেনি। কোনও দেশ, এমনকি আমেরিকাও, ইরানে স্থলবাহিনী পাঠাতে চায় না। যদি ইরাকের ধাঁচে স্থলবাহিনীর অভিযান করা না যায়, তাহলে অন্য পথ হল লিবিয়া কিংবা সিরিয়া। কিন্তু লিবিয়া ও সিরিয়ায় ছিল সরকার বিরোধী সশস্ত্র শক্তিগুলি। তারাই স্থল অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছিল। লিবিয়ায় ন্যাটোকে কয়েক মাস ধরে বোমাবর্ষণ চালিযে যেতে হয়েছিল গদ্দাফি সরকারকে ফেলার জন্য। ২০১২ সালে বিপর্যয়কর গৃহযুদ্ধের মধ্যে পড়ে যায় সিরিয়া। এরপর আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ১২ বছর লেগেছে। ইরানে কোনও সংগঠিত সশস্ত্র বিরোধী শক্তি নেই। তাই ২০২৫-এর জুন ও ২০২৬ -এর ফেব্রুয়ারিতে ইজরায়েল প্রয়োগ করছে কোতল করার কৌশল। তাদের নীতি হল, এমন আঘাত করো যাতে ইরানের শাসকেরা উঠে দাঁড়িয়ে পাল্টা লড়াই গড়ে তুলতে না পারে। ২০২৫ সালের জুনে হামলার প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠেছিল ইরান এবং পাল্টা মার দিতে শুরু করেছিল। তখন নেতানিয়াহু বলেছিলেন, এই যুদ্ধের কাম্য ফল হতে পারে শাসক বদল। তবে সেজন্য তাকে মার্কিন সাহায্য চাইতে হয়েছিল এবং ১২ দিন পর যুদ্ধবিরতিতে রাজি হতে হয়েছিল। ২০২৬-এর ফেব্রুয়ারিতে আরও আগ্রহী আমেরিকার মদত নিয়ে ইজরায়েল আরও বৃহত্তর হামলা চালিয়েছে। এবং এবার তারা আরও বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষী। তারা খামেনেইকে হত্যা করেছে। ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহু চান দ্রুত কিন্তু নির্ধারক বিজয়। কিন্তু যদি তারা ভেবে থাকেন ‘বিপ্লবের নেতাকে’ হত্যা করলে দলে দলে লোকে রাস্তায় নেমে পড়বে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলির দখল নিয়ে এখনকার শাসকদের পতন ঘটাবে, দেখাই যাচ্ছে আদৌ তেমনটা এখনও ঘটেনি। দেখে মনে হচ্ছে এমন একটা সময়ের জন্য তৈরি ছিল ইরান এবং তারা গোটা অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ঘাঁটিগুলির ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং ইজরায়েল যুদ্ধকে আরও ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে দিচ্ছে।
আঞ্চলিক যুদ্ধ
২০২৫-এর জুন মাসের যুদ্ধের সময় ইরানের নজর ছিল মূলত ইজরায়েলের বিরুদ্ধে। তখন কাতারের মার্কিন ঘাঁটিতে প্রতীকি হামলা মাত্র চালিয়েছিল ইরান। তার আগে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালায় আমেরিকা। এরপরেই যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সই করে দু-পক্ষ। কিন্তু ইরান এবার পারস্য উপসাগর এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা রাজতন্ত্রগুলির যে সব মার্কিন ঘাঁঁটি সেগুলির ওপর এবং ইজরায়েলের ওপর হামলা চালাচ্ছে। সাইপ্রাসের সামরিক ঘাঁটিকে নিশানা করেছে ইরানের মিসাইল ও ড্রোন, হামলা হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাশাহির ফরাসি ঘাঁটিতেও। ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। এটা হল সেই সঙ্কীর্ণ জলপথ যা পারস্য উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে আরব সাগরের সঙ্গে। এই পথের ওপর নির্ভরশীল বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ তেল ও গ্যাসের সরবরাহ। এটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ একটা খেলা।

দু-দিনের মধ্যে ইরান এই যুদ্ধকে আঞ্চলিক যুদ্ধে পরিণত করেছে। এটা একটা সর্বাত্মক যুদ্ধ, যে বিষয়ে ট্রাম্পের ইরান নীতির প্রায় সব সমালোচকেরাই সতর্ক করে দিয়েছিলেন। ওয়াশিংটনে যারা ট্রাম্পের এই যুদ্ধের সমর্থক, তারা বলেছিল প্রতিরোধ গড়ে তোলা নিয়ে ইরান স্রেফ ধাপ্পা দিচ্ছে। এখন দেখা যাচ্ছে ইরান মোটেই ধাপ্পা দেয়নি। যদি ইরান পারস্য উপসাগরের রাজতন্ত্র শাসিত দেশগুলিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে যায় (ইতিমধ্যে কয়েকটি ঘাঁটির ভালই ক্ষতি হয়েছে) , তাহলে এই দেশগুলিও যুদ্ধে যোগ দিতে বাধ্য হবে। এবং যদি তারা সত্যিই যুদ্ধে যোগ দেয়, তাহলে গোটা পারস্য উপসাগর এলাকার সঙ্ঘাতের বিপর্যয়কর প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানি বাণিজ্যের ওপর, এবং তারও মারাত্মক প্রভাব পড়বে বিশ্ব অর্থনীতিতে। যদি সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয় তার মানে দাঁড়াবে— যে মিসাইল প্রতিরক্ষার ঢাল মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে, ইজরােয়ল ও মার্কিন সম্পদকে রক্ষা করছে, সেগুলির মজুদ ফুরিয়ে যাবে।
এর মানে হল দু-পক্ষের ঘড়ির কাঁটাই দ্রুত ঘুরে চলেছে। হামলা ঠেকিয়ে ইরানি রাষ্ট্র টিকে যাবে — এই রকম একটা পরিস্থিতির জন্য ট্রাম্প তৈরি ছিলেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইলের মজুত সম্ভার এবং লঞ্চারগুলি ধ্বংস করতে চাইছে ওয়াশিংটন ও তেল আভিভ। এর লক্ষ্য হল ইরানের হামলার ক্ষমতা ক্রমশ হ্রাস করা। কিন্তু আক্রমণের ক্ষমতা যদি ধরে রাখতে পারে ইরান এবং যুদ্ধকে আরও সম্প্রসারিত করে তোলে, তাহলে ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়তে থাকবে। এটা ঠিকই যে, মার্কিন-ইজরায়েলের জোট এবং ইরানের প্রথাগত সামরিক ক্ষমতার মধ্যে বিরাট ফারাক রয়েছে। তবে প্রথাগত শ্রেষ্ঠত্বই বিজয় নিশ্চিত করতে পারে না। আসলে দরকার যুদ্ধ করে আমি যা অর্জন করতে চাই তার স্পষ্ট সংজ্ঞা নির্ণয় করা হয়েছে কিনা এবং স্থির করা লক্ষ্যগুলি অর্জন করা সম্ভব কিনা। যদি ট্রাম্প দ্রুত ও নির্ধারক জয় চান, তাহলে ইরানের স্পষ্ট নীতি হল ট্রাম্পকে সেই সুযোগ না দেওয়া। ট্রাম্প গেরিলাদের হত্যা করতে চান কারণ যদি তিনি নাও হারেন তাহলেও গেরিলারা জিতবে। একথা এমনকি মানতেন হেনরি কিসিঞ্জারও।
ঋণ:দ্য হিন্দু ৩ মার্চ, ২০২৬ ভাষান্তর: সুচিক্কণ দাস
প্রকাশের তারিখ: ০৪-মার্চ-২০২৬ |