|
বিকৃতমনারা কি কেউ আছে এই স্টেডিয়ামে?বিজয় প্রসাদ |
আমার নীতি খুবই সহজ। জর্ডন নদীর দু’পার ও ভূমধ্য সাগরের দু’তীরের সহ পৃথিবীর আমার সব ভাইবোনদের জন্যে আমি ১৯৪৮ সালের সর্বজনীন মানবাধিকার সংক্রান্ত ঘোষণাপত্রের বাস্তবায়ন চাই। সর্বজনীন মানবাধিকারের প্রতি সমর্থনের প্রশ্নেও আমি সর্বজনীন। এটা ইহুদি বিদ্বেষ নয় কোনোমতেই। সকল চেহারার বর্ণবিদ্বেষের মত ইহুদি বিদ্বেষও ঘৃণ্য বর্ণবাদ, যা আমি দৃঢ়তার সাথে খণ্ডন করি। |
কমিউনিস্ট মা-বাবার সন্তান রজার ওয়াটার্স। জন্ম ১৯৪৩ সালে, ইংল্যান্ডে। পরের বছরই বাবা, সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট এরিক ফ্লেচার ওয়াটার্স ইতালিতে নিহত হন। বাবার মৃত্যু রজারের মধ্যে গড়ে তোলে যুদ্ধবিরোধী চেতনা। এটাই তাঁর সার্বিক বিশ্বাস, প্রত্যয়। যা চালিত করে রজারের রাজনীতিকে। রজার ওয়াটার্সের দিস ইজ নট ড্রিল নামের সফরে সান্তিয়াগোতে দু’রাতের সঙ্গী হয়েছিলেন বিজয় প্রসাদ, যা নানা দেশে জায়নবাদীদের বিরোধিতার মুখোমুখি হয়েছে। ভরা স্টেডিয়ামে রজার প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন, ‘বিকৃতমনারা কি কেউ আছে এই স্টেডিয়ামে?’ রজার ওয়াটার্সের মতো স্টেডিয়াম-অনুষ্ঠান আর কেউ করতে পারে না। সঙ্গীত তো বর্ণময়ই। সঙ্গে ধ্বনিপট, দৃশ্যপট, বিশাল ভেড়া ও শূকর, লেজারের ব্যবহার, চলচ্চিত্রাংশ, অনুরাগীদের উত্তেজনাও একই তারে বাঁধা। ভাষার পার্থক্য সত্ত্বেও তারা গানে গলা মেলায়, ডিড ইউ এক্সচেঞ্জ এ ওয়াক-অন পার্ট ইন দ্য ওয়ার ফর এ লিড রোল ইন দ্য কেজ? সব মিলিয়ে সেটা ছিল একটা আবেগের বিস্ফোরণ। সান্তিয়াগোর শান্ত পরিবেশ খান খান করে জেগে উঠছে পরিচিত ধ্বনি এবং প্রয়োজনীয় অনুভব: হ্যাঁ, আমরা এসেছি, হ্যাঁ, আমরা রয়েছি, হ্যাঁ, আমরা রুখবোই। সান্তিয়াগো শহরের গায়ে দগদগ করছে সামাজিক বৈষম্যের চিহ্ন। দু’রাত ধরে রজার ওয়াটার্স অনুষ্ঠান করলেন মাকুলের এস্তাদিও মনুমেন্টালে, যা শহরের অন্য জায়গার চেয়ে চরিত্রগতভাবে একটি মধ্যবিত্ত জনপদ হলেও, যে তীক্ষ্ণ বিভাজন ২০১৯ বিশাল সামাজিক অসন্তোষে রূপ পেয়েছিল সেটা থেকে মুক্ত হয়নি। তারপর রজার ওয়াটার্স কন্ঠে তুলে নিলেন নতুন লিখিত পদসহ ভিক্টর জারার এল ডেরেচো দে ভিডিও এন পাজ (শান্তিতে বেঁচে থাকার অধিকার)-এর একটি নতুন সময়োচিত সংস্করণ: আই ক্যান হিয়ার দ্য কাসেরোলাজো আই ক্যান স্মেল ইউ, পিনেরা অল ফাকিং র্যাটস স্মেল দ্য (আমি ঘটি-বাটি পেটানোর আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি আমি তোমার গন্ধ চিনি, পিনেরো সব হারামি ইঁদুরের গন্ধ একই হয়) কাসেরোলাজো হচ্ছে ঘটি-বাটি পেটানো। এটা একধরনের সামাজিক প্রতিবাদ যা প্রতিধ্বনিত হয়েছে বুয়েনোস আয়ারস (২০০১) থেকে সান্তিয়াগো (২০১১, তারপর আবার ২০১৯ থেকে ২০২১)। যখন আরেক ‘হারামি ইঁদুর’ চিলির প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি সেবাস্তিয়ান পিনেরা স্থায়ী ব্যয়সংকোচন নীতি চালু করে, তখন রাজপথে প্রতিদিন ঘটি-বাটি পেটানোর কারণ থেকে যায়। ব্যয়সংকোচন রয়েছে, আছে সামাজিক কল্যাণ ও সম্মানজনক কর্মসংস্থানের অবলুপ্তি আর দারিদ্র্য ও সামাজিক হতাশার আত্মপ্রকাশ। এছাড়াও রয়েছে তীব্রতর সামাজিক দ্বন্দ্ব, ক্রোধ যা কখনো উন্মাদের (আর্জেন্টিনার হবু রাষ্ট্রপতি জেভিয়ার মিলেই তাদের একজন) উপর ভরসায় পর্যবসিত হয়, আবার কখনো সংগঠিত ও বিক্ষিপ্ত প্রতিবাদের দিকে নিয়ে যায়। একটা ভেড়া স্টেডিয়ামের লক্ষাধিক মানুষের ওপর দিয়ে উড়ে গেল। এটা ওই মঞ্চ থেকে উড়ে আসা গানেরই শরীরী প্রতিরূপ। ব্যয়সংকোচনের সমাজে মানুষকে খণ্ডে খণ্ডে চূর্ণ করা ও তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জাগরণী গান। থ্রু কোয়ায়েট রিফ্লেকশন, এন্ড গ্রেট ডেডিকেশন মাস্টার দ্য আর্ট অব কারাটে লো, উই শ্যাল রাইজ আপ, এন্ড দেন উই উইল মেক দ্য বাগার’স আইজ ওয়াটার (নিঃশব্দ প্রতিদানে এবং গভীর আত্মনিবেদনে কারাটে-বিদ্যা করায়ত্ত কর শোনো, এবং ওই বজ্জাতদের চোখের জলে ভাসাব) আমরা উঠে দাঁড়াবই কেন নয়? কেন উঠে দাঁড়াবো না? অবশ্যই, যতটা পারি মরণপণ ছুট লাগিয়ে যারা ব্যয়সংকোচন থেকে জাগা সংঘাত ধামাচাপা দিতে চায় সেই শক্তির নিষ্পেষণ থেকে বেরিয়ে আসব। আর তারপরই, রজার যা করেন, তোমার দরজার গায়ে হাতুড়ির আঘাতের মত ধ্বনি মিলিয়ে যেতেই, ‘মরণপণ ছুট লাগাও’ লেখা গায়ের জামা খুলে ফেলেই নতুন একটি গায়ে গলিয়ে নেন যেখানে লেখা, ‘রুখে দাঁড়াও’। গোটা রাতকে ছিন্নভিন্ন করে গিটারের ঝঙ্কার চলতে থাকে, লেজার আলো ঝলসে ওঠে অসীম অবধি, এবং স্থায়ী ব্যয়সংকোচনের এই ব্যবস্থার আতঙ্ককে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে ফেলে দিয়ে প্রতিবাদে শামিল হওয়ার আকাঙ্ক্ষা বাড়তেই থাকে। চিত্রকল্পগুলি কিন্তু সুচিন্তিত। এটা রণকৌশল বিহীন ঝাঁপিয়ে পড়ার ডাক নয়। রজার গেয়ে বলেন, ‘কারাটে-বিদ্যা করায়ত্ত কর’। কারাটে যোদ্ধার মতই গভীর অধ্যয়ন জরুরি এবং যুদ্ধক্ষেত্রের দিকেও এগোতে হয় সতর্ক হয়ে, যাতে ‘বজ্জাতদের চোখের জলে ভাসানো যায়’। সবকিছু সম্পন্ন করতে হয় সুচিন্তিত রণকৌশলের মাধ্যমে। হাতুড়ির শব্দ একইসাথে পুলিশী হানাদারি, বিশেষ করে চিলির কুখ্যাত পুলিশ ক্যারাবিনেরোসের পদচারণার আওয়াজ আর জনগণের ঘটি-বাটি সহ অন্যান্য উপকরণ বাজানোর ধ্বনির কথা বলছে। স্টেডিয়াম ইলেকট্রিক গিটারের উন্মাদনায় ভরে যায় (বিশেষ করে যখন নিমীলিত চোখে ডেভ কিলমিনস্টার আঙুলে আগুন ছোটান), হৃদকম্পন রজারের ছন্দের মত চলে, পিয়ানোয় এক বোতল মেজকল সুরা, আকাশের দিকে ছুঁড়ে দেওয়া রজারের দুই বাহু, রাতের আকাশও পরিষ্কার এবং আশাবাদী কারণ ভোর তখন অদূরেই। সর্বজনীন মানবাধিকার এস্তাদিও মনুমেন্টাল থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরে এস্তাদিও ন্যাচিওনাল যেখানে ৫০ বছর আগে অগাস্তো পিনোচেতের সামরিক অভ্যুত্থানের জমানা ভিক্টর জারাকে হত্যা করেছিল। সান্তিয়াগোতে রজার ওয়াটার্সের অনুষ্ঠানের কয়েকদিন আগেই জীবনাবসান হয়েছে ভিক্টরের স্ত্রী জোয়ান জারার। কিন্তু রজারের কন্ঠে ভিক্টর জারার হত্যার স্মরণ শুনতে এবং ভিক্টর জারার প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য হিসেবে অনুষ্ঠানের উদ্বোধনে হো চি মিন ও ভিয়েতনামের যোদ্ধাদের নিয়ে লেখা এল দেরেচো-র ইন্তি-ইলিমানির (আলেন্দে জমানার সময় থেকে সক্রিয় গানের দল) জোরালো পরিবেশন শুনতে উপস্থিত ছিলেন তাঁদের কন্যা আমান্দা। দন্দে রিভিয়েনতান লা ফ্লর কন জেনোসিডিও ইয় নাপাম (কোথায় বিস্ফোরিত হল ফুলগুলি গণহত্যা আর নাপাম বোমায়) ইন্তি-ইলিমানি ব্যান্ডের হোর্সে কুলন গলায় কুফিয়া (প্যালেস্তানীয় উত্তরীয়) পরে সুতীব্র উচ্চারণে কথাগুলি গেয়ে যান। হাতে অ্যাকুস্টিক গিটার, গলায় কুফিয়া পাশে হৃদয় মাতানো কন্ঠস্বরের শ্যানয় জনসনকে নিয়ে রজার গেয়ে ওঠেন– লে ডাউন জেরুজালেম, লে ইওর বার্ডেন ডাউন ইফ আই হ্যাড বিন গড আই উড নট হ্যাভ চোজেন এনিওয়ান আই উড হ্যাভ লেইড এন ইভেন হ্যান্ড অন অল মাই চিলড্রেন এভরিওয়ান উড হ্যাভ বিন কনটেন্ট টু ফরগো রামাদান এন্ড লেন্ট টাইম বেটার স্পেন্ট ইন দ্য কোম্পানি অব ফ্রেন্ডস ব্রেকিং ব্রেড এন্ড মেন্ডিং নেটস (সংবরণ কর, জেরুজালেম, তোমাদের বোঝা নামিয়ে রাখো আমি যদি ঈশ্বর হতাম তবে আমি কাউকেই বেছে নিতাম না আমার সমস্ত সন্তানদের মাথায় আমি সমভাবেই হাত রাখতাম আমি খ্রিস্টীয় বা ইসলামী, দুটো উপবাসকেই পালন না করেও ভালোই থাকতাম সময় অনেক ভালো কাটত যারা রুটি তৈরি করে, জাল বোনে তাদের সহযাপনে) ব্যান্ডের সদস্যদের মাথার ওপরে পিছনের পর্দায় দেখা যাচ্ছিল লালের ওপর সাদা হরফে লেখা, ‘গণহত্যা বন্ধ কর’। কমিউনিস্ট মা মেরি ডানকান উইটের (১৯১৩-২০০৯) গর্ভে রজার ওয়াটার্স জন্মেছিলেন ১৯৪৩ সালে, ইংল্যান্ডে। তাঁর বাবা, তিনিও কমিউনিস্ট, সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট এরিক ফ্লেচার ওয়াটার্স ১৯৪৪ সালে ইতালিতে নিহত হয়েছিলেন (অমর হয়ে আছে এই ঘটনা, আমার প্রিয় দ্য গানারস ড্রিম ফ্রম ফাইনাল কাট, ১৯৮৩, গানে)। এর পাঁচ বছর পর রাষ্ট্রসঙ্ঘ প্রণয়ন করেছিল সর্বজনীন মানবাধিকার সংক্রান্ত ঘোষণাপত্র। এটাই রজারের বিশ্বাসভূমির ভিত। (‘আমার মনে নেই কবে প্রথম এটা পড়েছিলাম’, একটি অনুষ্ঠানের শেষে আমাকে একথা বলেছিলেন রজার। কিন্তু এর কথা উনি বারবার বলেন, এমনকী অনুষ্ঠানেও)। মানবাধিকারের জোরালো সমর্থন রজারের ভাবনাকে নিয়ন্ত্রণ করে। বাবার মৃত্যু তাঁর যুদ্ধবিরোধী চেতনাকে গড়ে তুলেছে। এটাই তাঁর সার্বিক বিশ্বাস, যা রজারের রাজনীতিকে চালিত করে। ‘বিকৃতমনারা কি এই স্টেডিয়ামে আছে?’, রজার প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন। আমরা বিকৃতমনা, কারণ আমরা রোগাক্রান্ত। কিন্তু একটা বিশাল ব্যবধান রয়েছে, যা আমরা সত্য বলে জানি, আর যা ক্ষমতাধরেরা সত্য বলে চেনাতে চায়– তার মাঝে। রজার ওয়াটার্স প্যালেস্তিনীয়দের অধিকারসহ মানবাধিকারের স্বপক্ষে রয়েছেন। আমরা এটাকে সত্য বলে মান্য করি, কারণ তিনি এই কথাই বলেন। এবং তিনি এই বিশ্বাসেরই অনুগমন করেন। ক্ষমতাধরেরা বোঝাতে চায়, রজার যা বলেন সেটা সত্য নয়, কারণ তিনি ইহুদি বিদ্বেষী। ক্ষমতাধরদের এই কথার জের ধরে তাঁর ফ্রাঙ্কফুর্টের অনুষ্ঠান বাতিল করতে চেয়েছিল এবং ভীষণ উদ্ভট কাণ্ডকারখানায় আর্জেন্টিনার হোটেলওয়ালারা তাঁর ব্যান্ডের সদস্যদের থাকতে দিলেও, তাঁকে ঘর দিতে অসম্মতি জানায় (উরুগুয়েতে তাঁকে থাকতে হয় এক বন্ধুর বাড়িতে)। কেটি হাপার ও আমি যখন তাঁর ওপর হওয়া এই আক্রমণগুলি নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, রজার উত্তরে বললেন: আমার নীতি খুবই সহজ। জর্ডন নদীর দু’পার ও ভূমধ্য সাগরের দু’তীরের সহ পৃথিবীর আমার সব ভাইবোনদের জন্যে আমি ১৯৪৮ সালের সর্বজনীন মানবাধিকার সংক্রান্ত ঘোষণাপত্রের বাস্তবায়ন চাই। সর্বজনীন মানবাধিকারের প্রতি সমর্থনের প্রশ্নেও আমি সর্বজনীন। এটা ইহুদি বিদ্বেষ নয় কোনোমতেই। সকল চেহারার বর্ণবিদ্বেষের মত ইহুদি বিদ্বেষও ঘৃণ্য বর্ণবাদ, যা আমি দৃঢ়তার সাথে খণ্ডন করি। রজার এই কথাগুলি বারবার বলছেন, তবু ক্ষমতাধরেরাও বারবার রজারকে কালিমালিপ্ত করতে চায়। বার্মিংহামের এক অনুষ্ঠানে রজার বলেন, ‘আমাকে বাতিল করা যাবে না’। কেন করা হবেই বা! সাম্প্রতিক সময়ে ইজরায়েলের সমালোচকদের বাতিল করার উদ্যোগের কিছু প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছিল, কিন্তু সেটার এখন আর গুরুত্ব নেই। গাজা ভূখণ্ডের প্যালেস্তিনীয়দের ওপর ইজরায়েলের নৃশংসতার প্রতিক্রিয়ায় নতুন প্রজন্মের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে, যারা দখলদারিত্বের কদর্যরূপ প্রত্যক্ষ করতে সক্ষম হচ্ছে এবং অস্বীকার করছে ক্ষমতাধরদের সামনে মাথা নোয়াতে। সান্তিয়াগোর মঞ্চ থেকে রজার বলেছেন, গাজায় বোমাবর্ষণে ‘বিরামের চেয়েও অনেক বেশি আমাদের দাবি। চাই যুদ্ধবিরতি যা হবে সুদীর্ঘকাল স্থায়ী।’ সিমাস ব্লেইকের স্যাক্সোফোন ও জোন ক্যারিনের ল্যাপ স্টিল বা হাওয়াইয়ান গিটারের সেই আবেগকেই বইয়ে দিল শব্দতরঙ্গে। অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল হুইলচেয়ারে, দ্য ওয়াল (১৯৮২)– ছবির শীর্ষ চরিত্র পিঙ্কের চেতনহীন অসাড়ত্বের দৃশ্য দিয়ে (কমফোর্টেবলি নাম্ব, পিঙ্কের গানের ভাষায়)। দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হয় হিংস্র বন্দীদের নিয়ন্ত্রণে রাখার পোশাক স্ট্রেইটজ্যাকেটে রজার ওয়াটার্সের হুইলচেয়ারে আবির্ভাবে, যাকে ক্ষমতাধরদের আজ্ঞাবাহকরা ছুঁড়ে মেরেছে সেখানে। ইজ দিস দ্য লাইফ উই রিয়েলি ওয়ান্ট (এটাই কি সেই জীবন যা আমরা সত্যিই চাই?)। সেটা না হওয়াই কাম্য। আই উইল সি ইউ অন দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন (চাঁদের অন্ধকার অন্য পারে তোমাকে বুঝে নেবো)। রজার ওয়াটার্সের দিস ইজ নট এ ড্রিল সঙ্গীত সফর অব্যাহত রয়েছে। পেরুতে (২৯ নভেম্বর), সান জোস, কোস্টারিকায় (২ ডিসেম্বর), বোগোতা, কলাম্বিয়ায় (৫ ডিসেম্বর) হয়ে শেষ হয়েছে কুইটো, ইকুয়েদরে (৯ ডিসেম্বর)। ভাষান্তর: শুভ প্রসাদ নন্দী মজুমদার
প্রকাশের তারিখ: ১০-ডিসেম্বর-২০২৩ |
© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |