|
ভোট, রাজনীতির নৈতিকতা ও ফ্যাসিবাদসাত্যকি রায় |
|
উপযোগবাদীরা রাজনৈতিক নির্বাচনকে অনেকটা বাজারের সঙ্গে তুলনা করে থাকেন। যুক্তিটা অনেকটা এরকম যে— বাজারে গিয়ে মানুষ তার ক্রয়ক্ষমতা অনুযায়ী সেই জিনিসটিই পছন্দ করে কেনেন যার থেকে সে সবচাইতে বেশি উপযোগিতা পাওয়ার আশা করে থাকে। সেরকমই রাজনৈতিক বাজারে ভোটার হল ক্রেতা এবং সে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে বা প্রার্থীদের মধ্যে তাকেই বেছে নেওয়ার চেষ্টা করেন যে নির্বাচিত হলে তিনি সবচাইতে বেশি উপযোগিতা পাবেন। রাজনীতির এই চরম সংকীর্ণ বুর্জোয়া ধারণাটিতেও একটি আবশ্যিক প্রতিপাদ্য হল ক্রেতাকে বিক্রির আগে জিনিসটি সম্পর্কে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা নির্ভরযোগ্য। বাজারের এই অনুমানটি অনেক ক্ষেত্রে লঙ্ঘিত হয় এবং সে ক্ষেত্রে বাজারের বণ্টন ব্যবস্থার দক্ষতাও কমে আসে। এরকম একটি সমস্যা হল অর্থনীতির পরিভাষায় বিষম তথ্যের সমস্যা— অর্থাৎ, ক্রেতা জিনিসটি সম্পর্কে এমন কিছু কথা জানেন না যেটা বিক্রেতা ইচ্ছে করে গোপন করে রেখেছেন। উদাহরণস্বরূপ কোনও পুরোনো গাড়ি বিক্রি করার সময় যিনি গাড়িটি কিনছেন তার কাছে বিক্রেতা এমন কিছু তথ্য গোপন রাখতে পারেন যা জিনিসটির দামকে উপযুক্ত অংকের চাইতে বেশি দামে বিক্রি করতে সাহায্য করবে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাজারের এই ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করতে বেশ কিছু বাজার-বহির্ভূত নিয়মবিধি চালু করতে হয়। জিনিসের উপর লিখে দিতে হবে এটা কী, কী কাজে ব্যবহৃত হবে, কতদিন পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য, ওষুধের ক্ষেত্রে গঠন কাঠামো, শরীরের পক্ষে কখন ক্ষতিকারক হতে পারে ইত্যাদি ইত্যাদি। নিদেন পক্ষে বাজার এই ব্যবস্থাও মেনে নেয় যে ক্রেতা যদি জিনিসটি কেনার পর দেখেন যে, যা বলে জিনিসটা বিক্রি করা হয়েছিল দেখা গেল বাস্তবে তা নয় তবে ক্রেতা সেই জিনিসটি ফেরত নিতে পারবে। অ্যামাজন বা ফ্লিপকার্ট অথবা পাড়ার দোকানেও এই নীতি গ্রহণযোগ্য হয়ে থাকে। এটি বাজারের সাধারণ নৈতিকতা হিসেবে মানুষ মেনে নেয়। রাজনীতির বাজারে ইদানিং আমরা এরকম একটি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। আমি ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলাম যাকে এবং যে মতের পক্ষে, দেখা গেল আমি নির্বাচিত করার পরে সেই রাজনীতিবিদ হয় অন্য দলে, এমনকি যাদেরকে পরাজিত করার উদ্দেশ্যে আমি ভোট দিয়েছিলাম তাদের দলে বা জোটে অংশগ্রহণ করলেন। তাঁর এই গোপন অভিসন্ধি যেহেতু নির্বাচকমণ্ডলীর কাছে আগে জানা ছিল না, তাই বিষম তথ্যের সমস্যা তৈরি হল। বড়ো কথাটা হল বাজারের নৈতিকতায় যা গ্রহণযোগ্য হয়ে থাকে অর্থাৎ প্রয়োজনে জিনিসটি ফেরত দেওয়া— এরকম একটি ব্যবস্থা নির্বাচনী কাঠামোয় নেই। পুনর্নির্বাচনের অধিকার বা ‘রাইট টু রিকল’ এক্ষেত্রে না-থাকার দরুন নির্বাচকমণ্ডলীর গভীরভাবে প্রতারিত হওয়ার ঘটনা ঘটে থাকে। বাজারে ক্রেতার সুরক্ষার জন্য যদি আইন থাকতে পারে, তবে ভোটারকে প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করার জন্যও শক্তিশালী আইন দরকার। নির্বাচন প্রক্রিয়ার অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিপদ হল বিপুল অর্থের আস্ফালন। ভোটারের মতামতকে প্রভাবিত করার জন্য টাকা, প্রচারে টাকা, প্রচার মাধ্যমকে হস্তগত করার টাকা, প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করার জন্য টাকা এবং সর্বোপরি ভোটারের মতামতকে সরাসরি কেনার জন্য টাকা— এসবই নির্বাচন প্রক্রিয়ার অনিবার্য অংশ হয়ে উঠছে। আরও বিপজ্জনক হল টাকা দিয়ে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে বশ করতে পারার ক্ষমতার বিকট সামাজিক স্বীকৃতি। সবাই এখন বেশ স্বছন্দে প্রাক্-আধুনিক যুগের চাণক্যর সাম-দাম-দন্ড-ভেদ নীতি মন্ত্রের মত উচ্চারণ করছেন— যেন সেটা কত ভালো ছিল এবং সেই নীতি একইভাবে আধুনিক যুগেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত! ভোটার কিনতে টাকা, তারপর তাতে কার্যকরী না-হলে নির্বাচিত প্রতিনিধিকেই নিজের দলে শামিল করতে টাকা অথবা বিরোধী দলকে ভাঙতে টাকা এগুলো বেশ স্বাভাবিক হয়ে আসছে। সমর্থন, মতামত এবং পারস্পরিক বিশ্বাস সবই বাজারে বিক্রয়যোগ্য হয়ে উঠছে। টাকার জোর বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আগে ছিল না এমনটা নয়। বড়ো লোকেদের স্বার্থের পাটিগুলিকে বড়োলোকেরা চাঁদা দেবে, তাদের প্রচারের জাঁকজমক বেশি হবে এবং গরিব লোকের পক্ষের পার্টিগুলি সাধারণ মানুষের থেকে অর্থ সংগ্রহ করে কখনোই টাকার জোরে এদের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারবে না— এটা নতুন কিছু নয়। কিন্তু গণতন্ত্রের একটি অন্যতম প্রতিপাদ্য বিষয় হল ক্ষমতা ও অর্থবলের বাইরের মানুষেরও মতামতের স্বীকৃতি। এ ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই যে এই গণতান্ত্রিক কাঠামোয় পাঁচ বছরে ওই একটি দিনই কেবলমাত্র ভোটের লাইনে আম্বানি এবং রিক্সাচালক সমান। ওই ভোট দেওয়া ছাড়া অন্য কোনওক্ষেত্রেই গরিব ও বড়োলোকের প্রভাব ও সুযোগ সমান হয় না। রাজনৈতিক মতামতের এই সমান অধিকারের স্বীকৃতিটুকুও শ্রমজীবীদের সংগ্রামের মধ্যে দিয়েই অর্জিত হয়েছিল। এই সমানাধিকারকে সীমিত স্বীকৃতির ঘেরাটোপ থেকে মুক্ত করে প্রকৃত অর্থে শ্রমজীবীর অধিকার কার্যকরী করার আহ্বানই সাম্যবাদের প্রতিজ্ঞা। মানুষের কাছে তা এখনই বাস্তব মনে না-হলেও অন্তত যুক্তিপূর্ণ বলে মনে হয়। সামন্তবাদী ব্যবস্থায় ধনী ও ক্ষমতাবানরাই মতামত জানানোর অধিকারী হবে, এটাই সমাজে স্বীকৃত ছিল। অর্থ অথবা ক্ষমতার নিরিখে যে মানুষেরা দুর্বল তাঁদের মতামতের স্বীকৃতি থাকবে না, এটাই ছিল স্বাভাবিক। আধুনিক গণতন্ত্র দরিদ্র ও ক্ষমতাহীনদেরও মত প্রকাশের অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে। কিন্তু ঘুরপথে আমরা দেখতে পাচ্ছি ক্ষমতার আস্ফালনের সামাজিক স্বীকৃতি কিভাবে তৈরি করা হচ্ছে। দক্ষিণপন্থী রাজনীতির মূল কথা হল সমাজের যে কাঠামোগত আর্থ-সামাজিক বৈষম্যের বিন্যাস রয়েছে তাকে অক্ষত রাখা। কারণ এই বৈষম্যকে তারা সামাজিক ভারসাম্যের জন্য অপরিহার্য মনে করে। তাই ধর্ম, জাত, বর্ণ, আয়, সম্পত্তি, লিঙ্গ এই সব কিছুর নিরিখে যে বৈষম্য সমাজে চলে এসেছে তাকে আরও গভীর করে তোলাই এই রাজনীতির মূল দর্শন। এই রাজনীতি যে মনস্তত্ত্বের জন্ম দেয়, তা হল শক্তিমান ও ঊর্ধ্বতনের অধীনতাকে বিনাপ্রশ্নে মেনে নেওয়া— আবার অন্যদিকে, নিচের স্তরের মানুষকে পদদলিত করে নিজের শক্তি জাহির করা। বুর্জোয়া উদারবাদ আর্থিক বৈষম্যের কাঠামোটিকে অক্ষুন্ন রাখলেও মানুষের সমানাধিকারের স্বীকৃতিকে যুক্তিযুক্ত হিসেবে তুলে ধরেছিল। ফ্যাসিবাদ অন্যদিকে এই কাঠামোর বৈষম্য ভিত্তিক আধিপত্যকে খোলাখুলি প্রসারিত করার কথা বলে থাকে। যার টাকা আছে সে ক্ষমতাকে কিনতে পারবে এবং তার মধ্যে দিয়ে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে পারলে তাতে অন্যায়ের কিছু নেই। সে কারণেই নির্বাচনী ব্যবস্থায় অর্থের আস্ফালন স্বাভাবিক হিসেবেই মেনে নিতে হবে। যার টাকার জোর আছে সে কথা বলবে, তার মতো করে অন্যদের কথা বলাবে, যারা অন্য কথা বলতে চায় তাদেরও টাকার বিনিময় নিজের মতো করে বলাবে অথবা কথা বলা বন্ধ করিয়ে দেবে। মোটের উপর আর্থিক ক্ষমতার বিরোধী সত্তা বলে কোনও কিছু অবশিষ্ট রাখা যাবে না। আর এই প্রক্রিয়ার গর্তে যারা পড়েছেন, তারা আবার অদ্ভুতভাবে নিজের মতো করে যুক্তি সাজিয়ে থাকেন। টাকা দিয়ে ভোটার কিনতে হয়, জেতার পর সেই টাকা ভোটারদের কাছ থেকেই তুলে নিতে হয়— হয় তোলাবাজি করে, না-হলে সরকারি পরিষেবার অর্থ লুঠ করে। এটাই যেন রাজনীতির চেনা রাস্তা। ক্ষমতা ও দুর্নীতির এই দুষ্টচক্র শেষ বিচারে অর্থ ও ক্ষমতার নিরিখে দুর্বল মানুষদের ক্রমাগত মতামত প্রকাশের আঙিনার বাইরে ঠেলে দেয়। এই অর্থ ও বাহুবলিদের পরাজিত করে কোন ভাগ চাষী, কারখানার শ্রমিক অথবা মধ্যবিত্ত কর্মচারীর নিজের শ্রেণির স্বার্থ রক্ষা করতে আইনসভায় জিতে আসার লড়াই ক্রমাগত কঠিন হতে থাকে। সবচেয়ে বড়ো কথা হল টাকার বিনিময় ভোট কিনলে নির্বাচকমণ্ডলী ও জনপ্রতিনিধির লেনদেন নির্বাচনের সঙ্গেই যেন চুকে যায়। আপনি ভোট দিয়েছেন, আমি আপনাকে টাকা দিয়েছি। অথবা সাইকেল বা স্কুটার টিভি বা মোবাইল ফোন দিয়েছি— মামলা মিটে গেল। ওই ভোটে জিতে এসে আমি কী করব, তার জন্য জবাবদিহি করার দায় কমে যায়। ভোটারদেরও ভাবানো হয় এবারের ভোটের বিনিময় যা পাওয়ার তা তো পাওয়া হয়ে গেছে, আবার পাঁচ বছর বাদে সুযোগ আসবে। মাঝখানে কে কী করল তা নিয়ে মাথা ঘামিয়ে লাভ নেই। ফলে নির্বাচনের পরিণতি থেকে ভোটার এবং জনপ্রতিনিধি দু’জনকেই যেন বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারে টাকার শক্তি। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি খোলাবাজারে মুক্তবিহঙ্গের মতো বিক্রি হতে বেরিয়ে পড়ে। আর ভোটার তাকিয়ে থাকে আবার পাঁচ বছর বাদে সেই দিনটার আশায়— যখন নীতিভ্রষ্ট প্রার্থী আবার তাদের সঙ্গে সওদা করতে বাধ্য হবে। অতএব সংসদীয় গণতন্ত্রের মধ্যে দিয়ে ক্ষমতাহীনদের শাসকের উপর ন্যূনতম নিয়ন্ত্রণ কায়েম করার যতটুকু সুযোগ এই বুর্জোয়া গণতন্ত্রে থাকে, তাকেও অকেজো করে দেওয়া হয়। ক্রমাগত মানুষ একথা ভাবতে শুরু করবেন যে নির্বাচিত হওয়া অথবা নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করা এর কোনওটাই আর আম জনতার কারবার নয়। অতএব ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষও ‘বাস্তবোচিত’ পছন্দ খুঁজতে বড়োলোকদের স্বার্থ রক্ষাকারী দলগুলোর মধ্যেই নিজের নির্বাচনী পছন্দ সীমিত রাখবে। মনে রাখা দরকার, ফ্যাসিবাদী রাজনীতি ও আন্দোলন এবং ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র এক কথা নয়। ফ্যাসিবাদী রাজনীতির মূল কথা হল একচেটিয়া পুঁজির নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব স্থাপন করা। এই কাজ করা হয় গরিব নিম্নবিত্ত মানুষের সমর্থন নিয়েই। এই রাজনীতির প্রয়োগ সব সময় ভারী বুটের ডগায় হবে— এরকম কোনও কথা নেই। একচেটিয়া সর্বময় কর্তৃত্ব স্থাপনের পক্ষে অস্বস্তিকর সমস্ত স্বরকে স্তব্ধ করার প্রক্রিয়াটা সব দেশে এবং সব কালে একইভাবে হয় না। এর নানা পর্যায় থাকে। প্রথমে শ্রমজীবীদের সংগঠিত শক্তিকে দুর্বল করা হয়, তারপর সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ সংঘঠিত করা হয়, তারপর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলিককে দুর্বল করা হয় এবং সর্বোপরি নিয়ম ও যুক্তির পরিবর্তে ক্ষমতার বশ্যতা স্বীকার করার মনস্তত্ত্বকে স্বাভাবিক করে তোলা হয়। মনে রাখা দরকার, নির্বাচনী প্রতিষ্ঠান ও নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে মানুষের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েও অকেজো করে দেওয়া যায়। আজকের পৃথিবীতে কোনও চরম দক্ষিণপন্থী দলও নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলছে না। কিন্তু গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ভিতর থেকে অকেজো করে দেওয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত। ভোটার ও জনপ্রতিনিধি কেনা-বেচার সংস্কৃতি আসলে নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাকে কমিয়ে আনার অন্যতম কৌশল। মানুষ যদি দেখতে পায় যে শাসক দল আর বিরোধী দলের মধ্যে কার্যত কোনও পার্থক্য নেই, উলটে তাদের মধ্যে জনপ্রতিনিধিদের অবাধ আদান-প্রদান চলছে, জনগণের ভোটে কোনও একটি দলের বিরোধিতা করে নির্বাচিত হয়ে আসার পরেও অনায়াসে দলবদল করা যায়, অথবা শাসক দলেরই ‘পছন্দের বিরোধী’ হিসেবে নিজেদের প্রাসঙ্গিকতা ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করা যায় এবং তার মধ্যে দিয়ে নিজেদের অনৈতিক আয় ও ক্ষমতাকে সুরক্ষিত রাখা যায়— সর্বোপরি তা নিয়ে সমাজে যদি বিশেষ কোনও হেলদোল না থাকে— তা হলে বুঝতে হবে ফ্যাসিবাদী রাজনীতি এগিয়ে চলেছে। শাসকও আমার, বিরোধীও আমার— এই মডেলে গণতন্ত্র ধীরে ধীরে অসাড় হয়ে যায়। বিরোধীদের অদৃশ্য ও হাস্যকর করার মধ্যে দিয়ে ফ্যাসিবাদী দল নিজেদের জনসমর্থনকে সংহত করে। এই সংহত শক্তির ভিত্তিতেই ফিন্যান্স পুঁজির সন্ত্রাসবাদী একনায়কত্ত্ব কায়েম হয়। তৈরি হয় ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র— যখন পুঁজির কর্তৃত্বের বিরোধী বলে সমাজে কার্যত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না— যাঁরা থাকেন, তাদের স্থান হয় জেলখানায়। প্রকাশের তারিখ: ২৭-জুন-২০২৬ |
© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |