মুক্তির সন্ধানে পদাতিক সেনা

শর্মিষ্ঠা দত্তগুপ্ত
একুশ শতকের প্রথম দুই দশকে যাঁরা নবতিপর অথবা শতবর্ষীয়ান, তাঁদের মধ্যে কয়েকজন পদাতিক স্বাধীনতা সংগ্রামী উল্লিখিত হয়েছেন বইটিতে এবং এঁদের অদৃশ্য হয়ে থাকার সম্ভাব্য কারণগুলো ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কিছু খুব জরুরি প্রশ্ন তুলেছেন সাইনাথ।

মুক্তির সন্ধানে পদাতিক সেনা
ভারতের অনামা স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বীরগাথা
লেখা: পি সাইনাথ
অনুবাদ: স্মিতা খাটোর 
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা, ২০২৬। 
৩৫০ টাকা। 

ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’-এর দামামা যখন বেজে উঠেছে, ঠিক সেই সময়ে অর্থাৎ বছর চারেক আগে পি সাইনাথের দ্য লাস্ট হিরোজ়: ফুট সোলজারস্ অফ ইন্ডিয়ান ফ্রিডম বইটি বেরোয়। মৌখিক ইতিহাস পদ্ধতির ভিত্তিতে রচিত বইটি গ্রামীণ ভারতের নারী, আদিবাসী, দলিত ও অন্যান্য পিছিয়ে-রাখা বর্গের মধ্যে থেকে ১৬ জন অনামা সেনার সংগ্রাম-কাহিনি তুলে ধরে। যাঁদের কথা সচরাচর মহাফেজখানার দলিলে এবং ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে আমাদের আজাদির লড়াই নিয়ে রচিত ইতিহাসের বেশিরভাগ প্রামাণ্য গ্রন্থে স্থান পায় নি। এঁদের মধ্যে কেউ কৃষক, কেউ বনজ সামগ্রী সংগ্রাহক, কেউ গৃহশ্রমিক, কেউ বা ছুতোর মিস্ত্রি। সাইনাথের বইটি পড়লে অনুভব করা যায় দেশের স্বাধীনতা আনতে লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষের ভূমিকা এবং ব্রিটিশ রাজ-বিরোধী উল্লেখযোগ্য অভ্যুত্থানে গ্রামীণ ভারতের মানুষজনের নেতৃত্ব ও উদ্দীপ্ত যোগদান। 

একুশ শতকের প্রথম দুই দশকে যাঁরা নবতিপর অথবা শতবর্ষীয়ান, তাঁদের মধ্যে কয়েকজন পদাতিক স্বাধীনতা সংগ্রামী উল্লিখিত হয়েছেন বইটিতে এবং এঁদের অদৃশ্য হয়ে থাকার সম্ভাব্য কারণগুলো ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কিছু খুব জরুরি প্রশ্ন তুলেছেন সাইনাথ। প্রশ্নগুলোয় পরে আসছি।

আগে বলি, অত্যন্ত আনন্দের কথা এই যে, স্বাধীনতার ৭৯-এ ভাষান্তরিত হয়ে বাংলায় প্রকাশ পেল মুক্তির সন্ধানে পদাতিক সেনা। বইটি—ঝরঝরে অনুবাদে, নির্ভুল ছাপায় এবং ছিমছাম সুদৃশ্য অবয়বে। এবার বাংলাভাষার অনুসন্ধিৎসু পাঠিকা/পাঠকের কাছে পৌঁছবে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের কিছু অশ্রুত ইতিহাস। 

দ্য হিন্দু কাগজের সাংবাদিক হিসেবে ভারতে কৃষি সংকট ও কৃষক আত্মহত্যার খবর নিতে যখন গাঁয়ে গাঁয়ে ঘুরে বেড়াতেন লেখক, সেই সময়েই বেশ কয়েকজন আজাদির যোদ্ধার সঙ্গে আলাপ হয় তাঁর। সেই অনামা যোদ্ধাদের নিয়ে সাইনাথের প্রথম দু-তিনটি লেখা বেরোয় দ্য হিন্দু-তে। তারপর আরো কয়েকটি লেখা ‘পারি’তে (পিপলস্ আরকাইভ অফ রুরাল ইন্ডিয়া) প্রকাশ পায়। এই বইয়ে মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, পাঞ্জাব, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ, তেলেঙ্গানা, তামিল নাড়ু ও কর্ণাটকের গ্রামীণ অঞ্চলগুলো থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের কথা আমাদের কাছে পৌঁছচ্ছে। পড়তে পড়তে ভাবছিলাম যদি উওরপূর্ব ভারতের পদাতিক সেনাদের কথাও পেতাম সাইনাথের কলমে! সেই ফাঁকটা ভরাট করা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব।  

এই বইয়ে যে উপেক্ষিত মানুষদের সংগ্রাম স্থান পেয়েছে, তাঁরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন তো বটেই। ঔপনিবেশিক শাসক বিদায় নেওয়ার পরও তাঁরা আজীবন লড়ে গেছেন অবিচার ও অসাম্যজনিত নানা পরাধীনতার বিরুদ্ধে। দু-একটা উদাহরণ দিই। মহারাষ্ট্রের সাতারা জেলায় তুফান সেনার প্রধান সংগঠক ক্যাপ্টেন ভাউ (রামচন্দ্র শ্রীপতি লাড), যিনি ১৯৪২-৪৩-এ সাম্রাজ্যবাদী সরকারের বিরুদ্ধে সমান্তরাল সরকার গঠন করেছিলেন প্রধানত ওই অঞ্চলের কৃষক-শ্রমিকদের নিয়ে, তিনিই ২০১৭ সালে ৯৫ বছর বয়সে রাস্তায় নামেন মহারাষ্ট্রের প্রতিবাদরত চাষীদের সমর্থনে। ওদিকে ওড়িশার কোরাপুটের কংগ্রেসকর্মী বাজী মহম্মদের কথা ধরুন। ১৯৪২-এর ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনে ওখানকার অন্যতম প্রধান মুখ তিনি, বিজু পট্টনায়েকের সঙ্গে একসঙ্গে জেল খেটেছেন। তাঁকে দেখা যায় ১৯৯২-এ বাবরি মসজিদের ঘটনার সময় একটি গান্ধীবাদী শান্তিরক্ষা দলের সদস্য হয়ে অযোধ্যা যেতে এবং হিন্দুত্ববাদীদের নৃশংস আক্রমণের শিকার হতে।  

ক্যাপ্টেন ভাউয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের সময় একটা কৌতুকপূর্ণ সংলাপের উল্লেখ করেন সাইনাথ, যার তাৎপর্য গভীর। তুফান সেনার কিংবদন্তি নেতার সঙ্গে সংসার করার অভিজ্ঞতার কথা ওঁর স্ত্রী কল্পনা লাডকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি ঠান্ডা গলায় বলেন, ‘কে, এই লোকটা? এই লোকটা আজও জানে না নিজের খেতজমির ঠিকানা। আমি একা ছেলেমানুষ হয়েও ছেলেমেয়ে, ঘরদুয়ার, খেতিবাড়ি সবকিছু একা সামলেছি। চিরটা কাল! হাজত থেকে বেরোনোমাত্র গ্রামেগঞ্জে উধাও হয়ে যেত [সে] . . .।’ স্ত্রীর কথাগুলো খানিক অপ্রতিভ মুখে মেনে নেন ক্যাপ্টেন ভাউ। কল্পনা লাডের তীক্ষ্ণ মন্তব্য থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামে মেয়েদের ভূমিকার মূল্যায়ন আমরা কীভাবে করি সেটা নিয়ে একটা বড় প্রশ্ন উঠে আসে। পুরুষ সংগ্রামীদের দীর্ঘ অনুপস্থিতির সময়, ঘরের মধ্যে এবং খেতখামারে মেয়েরা যে কায়িক পরিশ্রম করেছে এবং বহু রাজনৈতিক কর্মীকে আশ্রয় দিয়ে, শুশ্রূষা করে, রেঁধেবেড়ে বা রান্না করা খাবার গোপনে পৌঁছে দিয়ে তাঁদের যুদ্ধ করার রসদ যুগিয়েছে, সেগুলোকে কি আমরা ঘরের কাজ/ ডোমেস্টিক লেবার বলেই ধরব শুধু? এই প্রশ্নটা ফিরে আসে পুরুলিয়ার ভবানী মাহাতোর শ্রমে পুষ্ট বিপ্লবী অধ্যায় আলোচনার সময়। 

ভবানীর স্বামী বৈদ্যনাথ মাহাতো ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের সময় জঙ্গলমহল অঞ্চলে—যেখানে কুড়মিরা সে সময় আন্দোলনের পুরোভাগে—একজন প্রধান নেতা ছিলেন। ন’বছর বয়সে বিয়ে হওয়ার পর ১৯৩০ ও ’৪০-এর দশকের প্রায় পুরোটা তাঁদের বিরাট যৌথ পরিবারের সব দায়িত্ব ও কয়েক বিঘা জমির চাষবাস দেখা, মুনীশদের তদারকি ভবানীকে করতে হয়েছে স্বামীর দীর্ঘ কারাবাস ও গোপন আস্তানায় থাকার সময়কালটায়। অনেকদিন পর্যন্ত রোজ চরকা কাটতেন ভবানী কিন্তু তিনটি সন্তানের জন্মের পর সবদিক সামলে আর সময় করে উঠতে পারেন নি। তাঁর কথায়—‘বৈদ্যনাথ ও তাঁর সাথীরা সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। আমার কাজ ছিল সবাইকে খেতে দেওয়া’। সবাই বলতে এখানে ভবানীর স্বামীর সহযোদ্ধাদের কথাও বলা হচ্ছে, যাঁরা জঙ্গলে লুকিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন। ভবানী মাহাতো সেই অগণিত মেয়েদের একজন যাঁরা নির্ভয়ে ঝুঁকি ও দায়িত্ব নিয়ে, হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে স্বাধীনতা সংগ্রামী হিসেবে স্বীকৃত বহু যোদ্ধার অংশগ্রহণকে সম্ভব করে তুলেছিলেন। অথচ নিজেরা থেকে গেছেন অদৃশ্য!   

এই বইয়ে তোলা আরো কিছু প্রশ্নের মধ্যে একটির কথা এখানে বিশেষ করে বলতে চাই। প্রশ্নটা যোগ্যতার মানদণ্ড নিয়ে। স্বাধীনতার ২৫শে, ১৯৭২ সালে যে নিয়ম তৈরি হয়, তা-ই নিয়ন্ত্রণ করে এসেছে যে সরকারি নথিতে নাম তুলতে হলে এবং স্মারকস্তম্ভ ইত্যাদিতে জায়গা পেতে গেলে, কোন কোন যোগ্যতা থাকা দরকার। ওই নিয়ম আসলে কত শত স্বাধীনতা সংগ্রামীকে, স্বীকৃতি ও সম্মান থেকে বঞ্চিত করেছে এতকাল ধরে সেটা স্পষ্ট হয়ে যায়। বিশেষত যাঁরা স্থানীয় আদিবাসী অভ্যুত্থানগুলোতে অংশ নিয়েছিলেন এবং যাঁরা বিপ্লবী দলের হয়ে সশস্ত্র সংগ্রামে দিনের পর দিন আত্মগোপন করে গ্রেপ্তারি এড়িয়ে যেতে পেরেছিলেন, তাঁরা যদি প্রমাণ করতে পেরে থাকেন যে কোনো না কোনো জেল রেকর্ডে তাঁদের নাম আছে, তাহলেই তাঁদের ভাগ্যে স্বাধীনতা সংগ্রামীর স্বীকৃতি এবং সেই সুবাদে আজীবন পেনশন জুটেছে। নচেৎ নয়! দৃষ্টান্তস্বরূপ সাইনাথ ওড়িশার লক্ষ্মী পন্ডার কাহিনি তুলে ধরেছেন। 

লক্ষ্মী পন্ডার জন্ম বর্মায়। তাঁর মা-বাবা ওখানে রেললাইন পাতার কাজে তখন নিযুক্ত। লক্ষ্মী সম্ভবত নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর আজাদ হিন্দ ফৌজের কনিষ্ঠতম সদস্য ছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতার ২৫ বছরে চালু হওয়া কেন্দ্রীয় সরকারের ‘স্বতন্ত্র সৈনিক সম্মান পেনশন স্কিম’-এর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন লক্ষ্মী। ফলে তাঁকে কোরাপুটের কাছে জয়পুর টাউনে লোকের বাড়ি ঝাড়ুমোছা ও অন্যান্য সাফাইয়ের কাজ করে পেট চালাতে হয়েছে। পেনশনের জন্য তাঁর আবেদন দিল্লিওয়ালারা নাকচ করে দেন কারণ লক্ষ্মী কখনো জেলে যান নি এবং এই পেনশন প্রকল্পের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো পুরুষের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ছ’মাস কারাবাস এবং নারীর ক্ষেত্রে অত্যন্ত তিনমাস। এই বিষয়ে সাইনাথের সঙ্গে তাঁর আলাপচারিতার সময় গভীর দুঃখে লক্ষ্মী পন্ডা জিজ্ঞেস করেন:  

না হয় আমি কখনো জেলে যাই নি, রাইফেল চালনায় হাত পাকিয়েও কাউকে গুলি করি নি, তার মানে আমি স্বাধীনতা সংগ্রামী নই? অথচ আমি আইএনএ-এর জঙ্গল ক্যাম্পে কাজ করেছি, এই ক্যাম্পগুলিতে ব্রিটিশরা মুহুর্মুহু বোমা ফেলে হামলা করত। যারা বাইরে গিয়ে যুদ্ধ করছিল, তাদের জন্য আমি যে সেই ১৩ বছর বয়স থেকেই ক্যাম্পের পাকশালায় রান্না করছিলাম, তাহলে বুঝি আমি সেই যুদ্ধে শরিক ছিলাম না?

জেলে অন্তত তিন থেকে ছ’মাস কাটানো যদি স্বাধীনতা সেনানী হিসেবে গণ্য হওয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত হয়, তাহলে খুব সহজে অদৃশ্য করে দেওয়া যায় আরো অজস্র পদাতিক সেনাকে, যেমন হয়েছিল এই বইয়ে আলোচিত আরেক যোদ্ধা, ওড়িশার সালিহা গ্রামের আদিবাসী মেয়ে দেমাথী দেই শবরের বেলায়, যিনি ১৯৩০ সালে লাঠি হাতে তাঁদের গ্রামের ‘সালিহা বিদ্রোহ’-এর সামনের সারিতে ছিলেন। আর যাঁরা জেল খেটেছেন কিন্তু ‘যোগ্যতা’র প্রমাণ দিতে পারেন নি কারণ তাঁদের কাছে ‘কাগজ’ ছিল না—গ্রেপ্তারির পরোয়ানা যোগাড় করে, ট্রাঙ্ক/আলমারিতে তুলে রেখে সময়মত জমা দেওয়া যে সব পদদলিত মানুষের পক্ষে সম্ভব ছিল না এবং ধারণার বাইরে ছিল—বলা বাহুল্য তাঁরাও বাদ পড়েছেন। পেনশন পান বা না পান, এঁদের বেশিরভাগের কাছে স্বাধীনতা সংগ্রামের অংশীদার হিসেবে    সম্মান ও স্বীকৃতি পাওয়াটাই সব চেয়ে বড় কথা ছিল। 

স্বীকৃতির প্রশ্নে একটা কথা মনে এল। কয়েকদিন আগেই পড়ছিলাম প্রথম বিশ্বযুদ্ধে এশিয়া ও আফ্রিকার উপনিবেশগুলো থেকে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর হয়ে লড়াইয়ের ময়দানে নেমে যে হাজার হাজার কালো ও বাদামী মানুষ প্রাণ দিয়েছেন—যাঁদের বেশিরভাগের নামই খুঁজে পাওয়া যায় না ইউরোপের আর্কাইভ ও মেমোরিয়ালগুলোতে—তাঁদের মধ্যে ১০,০০০ পাঞ্জাবী সেনার নামের একটি হাতে-লেখা লিস্ট সম্প্রতি পাওয়া গেছে লাহোরের একটি আর্কাইভে। সেই তালিকায় নিজের পূর্বপুরুষদের নাম আবিষ্কার করে অভিভূত হয়ে পড়েছেন কয়েকজন পাকিস্তানি ও ভারতীয় কারণ এই প্রথম ওই নামগুলো ব্রিটেনের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শহীদ তালিকায় উঠতে চলেছে। 

মুক্তির সন্ধানে পদাতিক সেনা ’র মতো বই আজাদীর যোদ্ধাদের হাতে আর পৌঁছোনো না গেলেও, তাঁদের পরিবার, গোষ্ঠী ও গ্রামের মানুষদের কাছে আরো অনেক ভাষায় অনুবাদ করে পৌঁছোতে পারাটাও তাঁদের প্রতি আমাদের সম্মান জানানোর কাজের মধ্যে পড়ে। আর আমরা যদি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইতিহাসে অবহেলিত ও বিস্মৃত স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নিয়ে এই বই আলোচনা স্তরে নিয়ে যেতে পারি, তাহলে আজকের ছাত্রীছাত্রদের সামনে নতুন জানলা খুলবে, তারা নতুন করে ভাববে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস নিয়ে।


প্রকাশের তারিখ: ২৫-আগস্ট-২০২৬

© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
৩১ আলিমুদ্দিন স্ট্রীট , কলকাতা ৭০০০১৬, +91 33 2217 6638, +91 70599 23957
marxbadipath.22@gmail.com
www.marxbadipath.org