|
গণতন্ত্রের খোঁজে জুনের শেষ সপ্তাহকুমার রাণা |
রাজনীতির প্রখর তাপে পুড়ছে জুনমাস। এ ঋতুতে চলছে গণতন্ত্রের নিধন। অথচ, মানুষ স্বভাবতই পরাঙ্মুখ হতে নারাজ। তাই, রাজ্য জুড়ে নানা দমন-পীড়নের মাঝেও এক চাপিয়ে দেওয়া ভবিতব্যের বিরুদ্ধে অনেকে মিলে ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করে চলেছেন। সেই কাজে, দুর্দিনের বিরুদ্ধে মানুষের পূর্ণতার সংগ্রামের স্মৃতিগুলিকে স্মরণে রাখাও একটা কাজ। বিশ্ব-গণতন্ত্রের জন্য পরম মূল্যবান এমনই তিনটি, ভিন্ন ভিন্ন কালের জুন মাসের শেষ সপ্তাহে ঘটা, স্মৃতির স্মরণ। |
অধুনা প্রতিটি মাসই উত্তপ্ত। প্রাকৃতিক উত্তাপ কখনো কিছুটা নিম্নগামী যদি হয়ও বা, রাজনৈতিক কারণে সামাজিক উত্তাপ নিয়ন্ত্রণের অন্যপারে। তারই মধ্যে এবছরের জুন মাসে দুর্বিপাকের সমাপতন: প্রাকৃতিক উত্তাপ যেন মূর্তিমান প্রতিশোধের রূপে আবির্ভূত হল, আর সুগ্রীব দোসরের মতো ঘোষিত হল এ-রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। মৃত্তিকা যে এত ছলনাময়ী হতে পারে, পশ্চিমবাংলাকে না দেখলে তা কল্পনা করা কঠিন। যে মাটির উপরিভাগে শ্যামল শষ্পরাজি, যার তলদেশে বহে যায় জলের ধারা, সেই মাটি যে কতখানি উগ্রাষ্ণ তা কেবল তিনিই জানেন, সেই তাপে যাঁর চামড়া পুড়েছে। পঞ্চায়েত গণতন্ত্রের সর্বনিম্ন, অর্থাৎ ভিত্তির স্তর। অথচ, সেই পঞ্চায়েতের নির্বাচন ঘিরে ইতোমধ্যেই রক্তপাত ও প্রাণহানি পর্যন্ত ঘটে গেছে। আশঙ্কা, আরো ঘটবে। লোকেদের ভোট দিতে না পারা থেকে নিয়ে বিরোধী প্রার্থী থেকে সমর্থকদের ঘরছাড়া-গাঁছাড়া হবার আশঙ্কা ‘অপপ্রচার’ নয়, এটা মানুষের অভিজ্ঞতার স্ফুট-অস্ফুট বর্ণনা। গণতন্ত্রের নিধনঋতু কি অনতক্রম্যই থাকবে? মানুষের কি এর থেকে মুক্তির কোনো উপায়ই নেই? এই নিরাশ, দিশাহারা বর্তমানই কি আমাদের ভবিতব্য? মানুষ স্বভাবতই পরাঙ্মুখ হতে নারাজ। সে ভবিষ্যৎ-প্রত্যাশী। সেই প্রত্যাশায় রাজ্য জুড়ে নানা দমন-পীড়ন-অত্যাচারের মাঝেও, এই চাপিয়ে দেওয়া ভবিতব্যের বিরুদ্ধে, অনেকে মিলে, ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করে চলেছেন। এই কর্মপ্রক্রিয়ার সূত্রে কয়েকটি অতীত অভিজ্ঞতার কথা মনে রাখা প্রাসঙ্গিক বোধ হতে পারে। দুর্বিপাকের এই জুন মাস শুধু বর্তমান শতাব্দীর বিশেষত্ব নয়। গত শতাব্দীর ১৯৭৫ সালের ২৬ জুন এদেশের ব্যাপক মানুষের জীবনে নেমে এসেছিল নিশ্ছিদ্র অন্ধকার, ঘোষিত হয়েছিল অভ্যন্তরীণ জরুরি অবস্থা, যা শুধু গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধই করেনি, মানুষের জৈব-জীবনের ওপরেও নিয়ন্ত্রণ কায়েম করেছিল। মানুষের জীবন হয়ে উঠেছিল দুর্বিষহ, কারণ তার কথা বলার স্বাধীনতাটুকুও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। হাজারে হাজারে মানুষকে জেলে পোরা হয়েছিল, কত মানুষ নিখোঁজ হলেন তারও কোনো খোঁজ রইল না। এমনকি নিতান্ত ভয়ার্ত ও নির্বাক লোকটির ওপরও নেমে আসত লাঠি বা জেলে যাবার পরোয়ানা–যদি সে কর্তৃপক্ষ বা স্থানীয় চরদের সন্দেহের মধ্যে পড়ত। অথচ, সেই ঘোর দুর্দিন থেকেও ভারতবাসী মুক্তি পেয়েছিল। এত ভয়, এত আঘাত, অগ্নিবর্ষী শাসনকে উপেক্ষা করে দু’বছরের মধ্যে, আর এক জুন মাস আসার আগেই মানুষ এক নতুন জয়স্তম্ভ পত্তন করল। জয় চিরস্থায়ী হয় না। অর্জিত বিজয়ের উদযাপনের মধ্যেই গড়ে উঠতে থাকে পরাজয়ের ছোট-বড় লগ্ন। তা কেবল এক দেশ বা এক রাজ্যের ব্যাপারই নয়, সমগ্র মনুষ্যসমাজের জন্যই এ-কথা খাটে। আজ যেমন, বিশ্বজোড়া আর্থ-রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতিতে উগ্র জন-বিরোধিতার ভয়ঙ্কর প্রাদুর্ভাব। দেশের বর্তমান শাসকরা, সংঘ পরিবারের প্রতিনিধিরা, যতই কেন না ভারতকে এক সংকীর্ণ মানসিক ভূগোলের মধ্যে ঢুকিয়ে দিতে চান, এমনটা হবার নয়। বস্তুত, তাঁরা আজ এ-দেশে জরুরি অবস্থার চেয়েও ভয়ঙ্কর যে দুঃসময়ের সামনে দেশবাসীকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন, তার অনেক রসদই তাঁরা সংগ্রহ করছেন বিশ্ব পরিস্থিতি থেকে। অনৈতিকতা, মানববিদ্বেষ, খণ্ডীকরণের যে শাসন তাঁরা প্রবর্তন করেছেন, বিশ্বের নানা ভূভাগেই তার সমতুল অনেক প্রকারের শাসন বিদ্যমান। সে-শাসনের মতাদর্শগত উৎস হচ্ছে, মানুষকে মানুষের থেকে আলাদা করা। এই মতাদর্শ জন্মজাতভাবেই মানববিদ্বেষী, কারণ তা মানুষের যে স্বাভাবিক চরিত্র, ভাব, কর্মপ্রক্রিয়া– একসঙ্গে মিলে থাকা ও অগ্রসর হওয়ার মতো অন্তর্বস্তুতে গণতান্ত্রিক ভাবনার বিরোধী। সে-কারণেই ইতিহাসে বারংবার মানুষ সহযোগী সভ্যতার জন্য ভয় ও লোভের মতো– নিজের ভেতরের– দুই শত্রুকে পরাজিত করে অগণতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে। এ এক চলমান সংঘাতের কাহিনি। মানুষ পর্যুদস্ত হয়, মানুষ অগ্রসর হয়, মানুষই অর্জন করে আকাঙ্ক্ষার দিন। তার স্মৃতিতে রচিত হয়ে থাকে জয়-পরাজয়ের নানা অভিজ্ঞান। এক আশ্চর্য সমাপতনের মতোই যে ২৬ জুন ভারতের মানুষের কাছে এক দুঃস্বপ্নস্বরূপ, সেই ২৬ জুনেই জন্ম হয়েছিল এক স্বপ্নের অভিজ্ঞানের, যার নাম সালভাদোর আয়েন্দে (Salvador Allende)। সেটা একশ পনেরো বছর আগে, ১৯০৮ সালে, দক্ষিণ আমেরিকার চিলে-তে। আয়েন্দে খেতিয়ার বা মজদুর বাড়িতে জন্মাননি, জীবিকার জন্য তাঁর পরিবারকে কায়িক শ্রম বিক্রয়ের ওপর নির্ভর করতে হত না, তিনি ছিলেন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসক, এবং মধ্যশ্রেণির সাধারণ সদস্যরা যে-জীবনকে কাঙ্ক্ষিত মনে করে, তেমন এক নিরুপদ্রব, সুনিশ্চিত জীবন তাঁর জন্য ছিল অনায়াসলব্ধ। অথচ, তিনি বেছে নিলেন রাজনীতি– তাও এমন এক ধারার যার অভিমুখ গণতন্ত্র। নির্বাচনী গণতন্ত্রকে ছাড়িয়ে তিনি বহুদূর এগিয়ে গেলেন মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ফলনশীল এক গণতান্ত্রিক প্রসারের দিকে। সে-গণতন্ত্র হল সবার জন্য শিক্ষা, সবার জন্য স্বাস্থ্য, সবার হাতে কাজ, শিশুর মুখে দুধ, মায়ের মুখে পুষ্টিকর খাবার; প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর কতিপয় মুনাফাখোরের জুলুমবাজি বন্ধ করা; মানুষের শ্রমের ফসলের ওপরের মানুষের অধিকার। সালভাদোর আয়েন্দের বিশেষ অবদান ছিল, সে-যুগের এক অগ্রণী জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে– আজকে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে জৈব-সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গীর (bio-social approach) যে প্রসার, তার প্রাথমিক সূত্রগুলো রচনায় তাঁর ভূমিকা ছিল বিরাট। চিলের স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে তাঁর লেখা কটি বই হয়ে ওঠে স্বাস্থ্য আন্দোলনের এক বিশেষ জ্ঞানভিত্তি। বস্তুত, স্বাস্থ্যের সঙ্গে গণতন্ত্রের সম্পর্কটি তিনি যেভাবে তুলে এনেছিলেন, তাঁর সময়ে সেটা ছিল একটা বিরাট আকারের চিন্তানুশীলন। অগণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় রক্ষক আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদের কাছে এই ধারণাগত গণতন্ত্র, স্বাভাবিক কারণেই, অসহনীয় হয়ে উঠল। সাধারণ মানুষের ভোটে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সালভাদোর আয়েন্দেকে ক্ষমতাচ্যুত করতে তারা কোটি কোটি ডলার খরচ করল। ষড়যন্ত্রের পর ষড়যন্ত্র রচিত হতে থাকল। অবশেষে এল সেই দিন, ১৯৭৩-এর ১১ই সেপ্টেম্বর। তথাকথিত ক্যু ঘটিয়ে চিলের আয়েন্দের সরকারের পতন ঘটানো হল। তাঁর জীবন নিবিষ্ট ছিল গণতন্ত্রের জন্য, সেই গণতন্ত্রের জন্যই তিনি প্রাণ উৎসর্গ করলেন– দেশ ছেড়ে পালিয়ে বাঁচার সুযোগকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে। পুঁজিবাদ আর্থিক লোকসান পর্যন্ত মেনে নিতে পারে, কিন্তু সকলের জন্য শিক্ষা, সকলের স্বাস্থ্য, সকলের সমান সুযোগ, প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর সাধারণের সাধারণ অধিকার– এমনধারা মতাদর্শের অস্তিত্ব তার কাছে বরদাস্তের বাইরে। তাই চিলের গণতন্ত্রের ওপর নেমে আসল আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদের আক্রমণ। তাঁর মৃত্যুর পঞ্চাশ বছর পরেও তাই সালভাদোর আয়েন্দের গণতন্ত্রের জন্য লড়াই সমান প্রাসঙ্গিক। তাঁর জন্মের জুন মাস তাই আমাদের কাছে প্রেরণাকে এক উচ্চতর আদর্শগত মাত্রায় স্থাপন করে– ধনতন্ত্র ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম ও সাধারণ মানুষের জৈবনিক ও মননগত বিকাশের অধিকারগুলোর লড়াইকে নামিয়ে আনে এক সাধারণ যুদ্ধের ময়দানে। এমনই এক রণাঙ্গন গড়ে উঠেছিল আর এক জুন মাসে, ১৮৫৫ সালে। অরণ্য, মৃত্তিকা, জলপ্রবাহ, জীবকুলের সমস্ত সদস্যের সহজীবী হয়ে বেঁচে থাকার অনুশীলনে রত ভারতের বর্তমানে যা ঝাড়খণ্ড প্রদেশ তার উত্তরভাগে বসত গড়া সাঁওতালদের ওপর নেমে আসল ব্রিটিশ উপনিবেশবাদ ও তার দেশীয় নায়েব-গোমস্তাদের নিপীড়ন। এই আক্রমণ একদিকে যেমন সাঁওতাল ও তার সঙ্গে তাঁদের সহজীবী অন্যান্য গ্রামীণ শ্রমজীবী গোষ্ঠীগুলোকে তাঁদের জীবিকার মূলোচ্ছেদ করল, তেমনি আবার তাঁদের জীবনের ধন, তাঁদের সাংস্কৃতিক চৈতন্য ও অনুশীলনকেও অবলুপ্ত করতে উদ্যত হল। এই অশুভের বিরুদ্ধে মানুষের বিদ্রোহের সংগঠনের রূপটাই বলে দেয়, তাঁদের সমাজটা কতখানি গণতান্ত্রিক ছিল– বিদ্রোহের ডাক দেবার অনতিবিলম্বে প্রায় অর্ধ লক্ষ মানুষ এতে যোগ দিলেন। দোর্দণ্ডপ্রতাপ ব্রিটিশ বাহিনী, তাদের দেশী গুপ্তচর, কামান-বন্দুকের বিরুদ্ধে, তীর-ধনুকের মতো কেবল দৈনন্দিন জীবনচর্যার অঙ্গ কিছু আয়ুধ নিয়ে, প্রবল খাদ্যাভাব ও স্বাস্থ্যগত অসুরক্ষাকে উপেক্ষা করে তাঁরা সাত মাস ধরে যে লড়াই লড়েছিলেন, যে-কোনো গণতান্ত্রিক মানুষের কাছেই তা এক উজ্জ্বল স্মৃতি। এটা তাঁরা করতে পেরেছিলেন তাঁদের সামাজিক সংগঠনে পরস্পরের হাত ধরে চলার দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা রীতির সুবাদে– একের সঙ্গে অন্যের সহজ আত্মীয়তার জোরে। কেবল আর্থিক শোষণের বিরুদ্ধেই নয়, কেবল বঞ্চনা ও অত্যাচারের বিরুদ্ধেই নয়, একটা স্ব-পূরক অর্থব্যবস্থাকে ধ্বংস করে গোটা একটা জনগোষ্ঠীটিকে মজদুরে পরিণত করে দেওয়ার বিরুদ্ধেই নয়, তাঁরা লড়েছিলেন মানুষের অস্তিত্বের মৌলিক শর্ত, তার আত্মমর্যাদা, তার সহভাগী চেতনা ও অনুশীলনের ওপর আঘাতের বিরুদ্ধে। অগণতন্ত্রের প্রচণ্ড তাপে উত্তপ্ত জুন মাসের শেষ লগ্নে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সুফলের বর্ষণ খুবই কাম্য। তার সঙ্গে অবশ্যকাম্য জুনের ঐতিহাসিক ধারাপাতকে অনুশীলনের মধ্য দিয়ে স্মৃতিতে বহমান রাখা। এই স্মৃতির কোনো দেশ-কালের গণ্ডী নেই। জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই কেবল ভারতবাসীর নয়, তাবৎ গণতন্ত্রাশ্রয়ী মানুষের লড়াই। অত্যাচার শেষ কথা নয়, তাকে অবলুপ্ত করার সংগ্রামটাই আসল কথা, আর সেই সংগ্রামের অভ্যাস মানুষের জন্মজাত। সালভাদোর আয়ন্দে কেবল বিপ্লবী সমাজতন্ত্রীদের কাছেই স্মরণীয় নাম নন, তিনি এবং তাঁর সহযোগী চিলের প্রতিরোধী মানুষেরা সারা বিশ্বের গণতন্ত্রকামীর আদর্শ। ধনতন্ত্র ও সাম্রাজ্যবাদকে পরাহত না করে যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা যায় না, চিলের এই মহামূল্যবান অভিজ্ঞতা সারা পৃথিবীর মানুষের সম্পদ। আর, ১৮৫৫-র সাঁওতাল বিদ্রোহ সম্পর্কে জ্ঞান যত গভীর হচ্ছে ততই জানা যাচ্ছে, এটা কেবল তাঁদের ওপর উপনিবেশবাদের আক্রমণের বিরুদ্ধে একটা প্রতিরোধই ছিল না। এটা ছিল বিশ্বমানবের সভ্যতার ওপর পুঁজিবাদের আক্রমণের বিরুদ্ধে একটা সংহতিও বটে। মানুষের সঙ্গে বিশ্বপ্রকৃতির যে যোগ আদিবাসীদের সভ্যতার মধ্যে দিয়ে গড়ে উঠেছিল, আজ প্রমাণ হচ্ছে, পুঁজির আগ্রাসনে সেই যোগ কত ভয়ংকরভাবে ছিন্ন হয়ে চলেছে। সাঁওতাল বিদ্রোহের মধ্যে বীজের আকারে নিহিত এই চিন্তাগত উৎকর্ষও আজকের দিনের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের একটা বড় উপাদান। দুর্দিনের অস্তিত্বকে স্বীকার করে নিতে হবে, কিন্তু দুর্দিনের বিরুদ্ধে মানুষের পূর্ণতার সংগ্রামের স্মৃতিগুলিকে স্মরণে রাখাও একটা কাজ।
প্রকাশের তারিখ: ২৯-জুন-২০২৩ |
© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |