|
যেন ভুলে না যাইসর্বজয়া ভট্টাচার্য |
পিতৃতান্ত্রিক সমাজ এবং রাষ্ট্রব্যবস্থা শুধু নারী কেন, লিঙ্গ, যৌনতা, জাতের দিক থেকে প্রান্তিক কারুর কন্ঠস্বরই খুব একটা পছন্দ করে না। যদি শুধু মেয়েদের কথাই ধরি, তাদের জোরে কথা বলা, ক্ষেত্রবিশেষে আদৌ কথা বলা, জোরে হাসা ইত্যাদিকে সমাজ (এবং রাষ্ট্র) পারলে বোধহয় নিষিদ্ধই ঘোষণা করত। পারে না। তাই চোখ রাঙায়। চিৎকার করে। ধমক দেয়। |
এক ক্লিকে ফলো করুন মার্কসবাদী পথের হোয়াটসঅ্যাপ তা, চিৎকারটা করতে গেলেন কেন নীতিশ কুমার? আসলে বিপক্ষ হাত-পা ছুঁড়ে প্রতিবাদ করছিল। তাই উনি ক্ষেপে গিয়ে (হয়তো চোখটি গোল করেও) চেঁচাতে শুরু করেছেন। তাও উনি করতেই পারেন। পার্লামেন্টে প্রতিবাদ যেমন হামেশাই হচ্ছে (সব্বাইকে একধারসে সাসপেন্ড না করে দিলে), তেমনি চেঁচামেচিও হচ্ছে। কিন্তু প্রতিবাদ তো আর রেখা দেবী একা করছিলেন না। করছিলেন অনেকে মিলে। তাই নীতিশ কুমারের উত্তেজিত বচন যদি শুধু একজন মহিলার দিকেই ধেয়ে যায়, তখন সেটা নিয়ে খানিক ভাবনাচিন্তা করা দরকার। আরেকবার একটু দেখে নিই নীতিশ কী বললেন। বললেন, “আপনি মহিলা। আপনি কিছু জানেন না।” শুধু দ্বিতীয় বাক্যটা বললে তাও হয়তো যাকে বলে, বেনেফিট অফ ডাউট, তা দেওয়া যেত। কিন্তু নীতিশ নিজেই লিঙ্গ পরিচয়কে টেনে আনলেন। তারপর বললেন, “আমি কী বলছি সেটা শুনুন।” উনি, অর্থাৎ পুরুষ। অর্থাৎ মহিলা রেখা দেবীকে পুরুষ নীতিশ কুমার কী বলছেন চুপচাপ সেটাই শুনতে হবে। আমরা জানি, এ কোনো নতুন কথা নয়। পিতৃতান্ত্রিক সমাজ এবং রাষ্ট্রব্যবস্থা শুধু নারী কেন, লিঙ্গ, যৌনতা, জাতের দিক থেকে প্রান্তিক কারুর কন্ঠস্বরই খুব একটা পছন্দ করে না। যদি শুধু মেয়েদের কথাই ধরি, তাদের জোরে কথা বলা, ক্ষেত্রবিশেষে আদৌ কথা বলা, জোরে হাসা ইত্যাদিকে সমাজ (এবং রাষ্ট্র) পারলে বোধহয় নিষিদ্ধই ঘোষণা করত। পারে না। তাই চোখ রাঙায়। চিৎকার করে। ধমক দেয়। কিন্তু সেসব উপেক্ষা করে প্রান্তিক মানুষ যে তার কথা নানাভাবে বলে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য। সেই প্রতিবাদের ভূত-ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা করা এই লেখার উদ্দেশ্য নয়। এই লেখা বরং ভাবিত এ জাতীয় নানা কথার একটি অন্য দিক নিয়ে। কোথায় বলা হচ্ছে এই কথা? বলা হচ্ছে বিধানসভায়, অর্থাৎ কিনা রাজ্যের গণতন্ত্রের একেবারে কেন্দ্রস্থলে। সেখানে একজন পুরুষ একজন মহিলার দিকে আঙুল তুলে বলতে পারছেন, আপনি মহিলা, আপনি কিছু জানেন না, আপনি চুপ করুন। যদি রাজ্যের বিধানসভায় এমন কথা বলা যায়, বলতে এক পুরুষ বিন্দুমাত্র দ্বিধা বোধ না করেন, তাহলে আমাদের রাস্তাঘাটে, বাসে-ট্রামে, ঘরের মধ্যে, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, কর্মস্থলেও এই একই জিনিস প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ঘটলে এবং ঘটে চললে, সেক্ষেত্রে খুব আশ্চর্য হওয়ার অবকাশ আর থাকে না। তাও আশ্চর্য লাগে! আশ্চর্য লাগে কলকাতায় ৯ আগস্ট ঘটে যাওয়া ভয়াবহ, নৃশংস ঘটনার খবরে। আমরা বলছি বটে অনেক সময় যে, যে মেয়েটি নিজের কাজের জায়গায় টানা ৩৬ ঘন্টা ডিউটি করার পর একটু বিশ্রাম নিতে চেয়েছিল, একটু ঘুমোতে চেয়েছিল, তাকে চিরঘুমের দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হল। তবে আসলে তো তা নয়। আসলে তো ঘটনার শুরু তার আগে বলেই শোনা যাচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, মেয়েটি কিছু কথা জেনে ফেলেছিল। এবং সেই কথার বিরুদ্ধে কিছু কথা সে বলেছিল। অথবা বলবে বলেছিল। সেই কথাগুলো যাতে আমরা শুনতে না পাই, যাতে আমাদের কান অবধি তার কন্ঠস্বর না পৌঁছতে পারে, আদতে সেই ব্যবস্থাই করা হল। এই প্রসঙ্গে আরও দুটি কথা বলা দরকার। প্রথমে ভাল কথাটা বলে নেওয়া ভাল। আর জি করের ঘটনার পর যেকটি প্রতিবাদ সভা বা মিছিলে আমি যেতে পেরেছি (সংখ্যায় হয়তো খুব বেশি নয়) সেখানে একটা জিনিস চোখে পড়ার মতো– তা হলো মহিলাদের যোগদান। দেখে বোঝা যাচ্ছে এঁরা অনেকেই জীবনে প্রথমবার কোনো মিছিলে হাঁটছেন। কোনো জনসভায় এসেছেন প্রথমবার। রাত এগারোটায় এইট বি বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছেন এক মহিলা, তাঁর কোলে ঘুমন্ত শিশু। বা অনেকে এসেছেন সঙ্গে তাঁদের বাচ্চাকে নিয়ে যারা আরেকটু বড়, হয়তো চার-পাঁচ বছর বয়স। এ দৃশ্য দেখার মধ্যে এক ধরনের আবেগ আছে। এই লেখা মাতৃত্বকে বড় করে দেখাতে চাইছে না। মাতৃত্ব নিয়ে কিছুই বলতে চাইছে না। যেমন এর পরের উদাহরণেই বলব সেই মহিলার কথা– জীর্ণ শাড়ি-পরিহিতা মাঝবয়সী যিনি। আমাকে এসে জিজ্ঞেস করলেন, তিলোত্তমার মা-বাবা কি এসেছেন? আমি কি একটু সামনে গিয়ে ওঁদের দেখতে পারি? এখানে তো অনেক লোকের ভীড়। আমি বললাম, আপনি এই পাশটা দিয়ে চলে যান, ওদিকে বেশি ভীড় নেই। হয়তো বা উনি কৌতূহলের বশেই দেখতে চান। কারণটা আমার কাছে তেমন বড় বলে মনে হয়নি। ঘড়ির কাঁটা বলছে রাত এগারোটা পেরোচ্ছে। আমি ভদ্রমহিলাকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি এখানেই কাছাকাছি কোথাও থাকেন? উনি মাথা নেড়ে বললেন, না, আমি এখানে ফুটপাথে তরকারি বিক্রি করি। আজ সভা আছে বলে আমরা রাস্তার ওপারে বসেছি। ওর মা-বাবা আসবে শুনে দেখতে এলাম। মিছিলে হাঁটতে হাঁটতে দেখি, কত কত মহিলা। কত বয়সের। কত পেশার। সমাজের কত বিভিন্ন স্তরের। স্লোগান দিচ্ছেন। স্লোগানে গলা মেলাচ্ছেন। তাঁদের কন্ঠে ঝরে পড়ছে আবেগ। স্লোগান দিতে গিয়ে কেঁদে ফেলছেন। চোখের জল মুছে নিচ্ছেন কতজন। কতজনের গলা থেকে ঝরে পড়ছে রাগ, ক্ষোভ। এই আবেগই তো আমাদের এই মিছিলের সম্পদ। এই আবেগই তো আমাদের মিছিল থেকে পাওয়া। আর কোথায় হবে এই আবেগের স্থান যদি না হয় জনসমক্ষে? আমাদের আবেগ– তা সে রাগ হোক বা দুঃখ, শোক হোক বা একসাথে আসার আনন্দ, হোক ভয়, আতঙ্ক, ট্রমা (যার বাংলা প্রতিশব্দ আমার ঠিক জানা নেই), তার স্থান আমাদের অন্ধকার করা ঘর নয়, বাথরুমে কল চালিয়ে কান্নার শব্দ আড়াল করা নয়। যে প্রান্তিক লিঙ্গ ও যৌন পরিচিতির মিছিলে, জনসভায়, রাজপথে নেমে এসেছে আজ তাদের প্রত্যেকের, প্রত্যেকের জীবনের কোনো না কোনো যৌন অথবা লিঙ্গভিত্তিক হয়রানির অভিজ্ঞতাকে তারা বয়ে নিয়ে এসেছে। এই কলকাতা শহরের রাজপথে সেই চেপে রাখা, বাধ্য হয়ে চেপে থাকা আবেগকে যদি সে উগরে না দেয়, আর কোথায় দেবে? তবে কেউ কি শুনছে? এই প্রসঙ্গে আসি তুলনায় খারাপ কথায়। চারিদিকে যত জনসভা ইত্যাদি হচ্ছে, আমার জানার ইচ্ছে সেখানে পুরুষ ভিন্ন অন্য লিঙ্গের বক্তা কতজন? হেটেরোসেক্সুয়াল ভিন্ন অন্য যৌন পরিচিতির কতজন মানুষ সেখানে নিজেদের কথা বলতে পারছেন? মিছিলে স্পষ্ট করে বলে না দিলে স্লোগান তুলতে পারছেন কতজন মেয়ে/ট্রান্স পুরুষ অথবা মহিলা? আমার নিজের চোখে পড়েছে এমন অনেক কনভেনশান, অনেক জনসভা যেখানে পুরুষ বক্তাদের সংখ্যা শুধু বেশি নয়, বেশ প্রকটভাবে বেশি। কেন? যদি আর কাউকে পাওয়া না যায়, কমানো যায় না কি বক্তাদের সংখ্যা? সদিচ্ছা থাকলে একটু বেশি সময় নিয়ে খুঁজে পাওয়া যায় না কি সিস-হেট পুরুষ ভিন্ন বলার মানুষ? বারবার টিভির পর্দায় শুনছি “ডাক্তারবাবু, ডাক্তারবাবু”। আরে মশাই, (মশাই বলছি কারণ এক পুরুষ সঞ্চালকই শব্দটি ব্যবহার করেছেন), স্রেফ ডাক্তার বললেই তো হয়। “বাবু” শব্দটি যোগ করার কীই বা প্রয়োজন? অবশ্য ডাক্তার বললেও হয়তো এখনো আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে পুরুষেরই চেহারা, যেমন নার্স বললে ভেসে ওঠে মহিলার। সেটা বদলানোর দিন যদি এখনো না এসে থাকে, তাহলে আর কবে আসবে কে জানে! বোধহয় একবার মনে করে নেওয়া দরকার, প্রান্তিক লিঙ্গ বা যৌন পরিচিতির মানুষের নিরাপত্তা শুধু তাদের “সমস্যা” নয়। সত্যি কথা বলতে কি সেটা তাদের সমস্যাই নয়। আমার তো রাত একটায় বাড়ি ফিরতে কোনো সমস্যা হত না, যদি না আমাকে ভাবতে হত আমারই শহরে, আমারই পাড়ায় রাস্তায় যে পুরুষ তখনও ঘুরে বেড়াচ্ছে সে আমার গায়ে হাত দিতে পারে, আমার দিকে তাকিয়ে থাকতে পারে, বাড়ি অবধি আমার পিছু নিতে পারে, আমার দিকে উড়ে আসতে পারে অবাঞ্ছিত শব্দবন্ধ, শিষ্, অথবা চটুল হিন্দি বা বাংলা গানের কলি। এছাড়াও, কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্থার বিশেষ দিকটি নিয়ে আলোচনা করতে গেলে আমাদের ভাবা দরকার পরিকাঠামো নিয়ে, শ্রম আইন নিয়ে। ভাবা দরকার ইউনিয়ন নিয়ে। সেই ইউনিয়নে বিভিন্ন লিঙ্গ পরিচিতির মানুষের উপস্থিতি নিয়ে। অর্থাৎ আমাদের ভাবা দরকার রাজনীতি নিয়ে। কারণ পিতৃতন্ত্র রাজনৈতিক। এবং তাকে মোকাবিলা করতে গেলেও আমাদের রাজনীতিই দরকার। রাজনীতির প্রসঙ্গ যখন এসেই পড়ল, তখন আরেকটা কথা চট করে বলে নেওয়া যাক। এই যে এখন মাঝেমধ্যে বলা হচ্ছে, পুরুষরা মিছিলে স্লোগান দেবেন না, পুরুষরা মেয়েদের রাত দখলে আসবেন না (তাও এলেন, এবং এসে মেয়েদের যৌন হেনস্থা করলেন), পুরুষ বক্তার সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হোক, এতে নানারকম প্রশ্ন উঠে আসতে পারে। যেমন, পুরুষরা কি তাহলে কিছু বলবেনই না? আমার মতে, এর উত্তর হল– না। কিছু বলবেন না। অনেক দিন, অনেক দশক, অনেক শতক ধরে অনেক কথা তাঁরা বলেছেন। এবার একটু চুপ করে কথা শোনার দিন এসেছে বলেই মনে হয়। কিন্তু পুরুষরা বোধ করি তাতে যথেষ্ট সন্তুষ্ট নন। তাঁরা যে সহযোদ্ধা এ তাঁরা প্রমাণ করেই ছাড়বেন। সেই প্রমাণ করার ঠেলায় যে মেয়েদেরই অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে বা তাঁদের কথা ঢাকা পড়ে যাচ্ছে, এ কথা একবার ভেবে দেখুন। আমার অনুরোধ, আপনাদের কোনো সভায় ভাষণ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করা হলে বলুন, না, আমি যাব না। এবং শুধু এটুকুই বলবেন না। সেই সঙ্গে পারলে চার-পাঁচজনের নাম উল্লেখ করবেন যাঁরা সিস-হেট পুরুষ নন, যাঁরা এই সভায় ভাষণ দিতে পারেন। মঞ্চ, মাইক এগুলো এবার একটু ছেড়েই দিন না হয়। তাহলে কি কোনো কথাই বলবেন না? কখনোই বলবেন না? না। তা নয়। বলুন। আর বলার আগে ভাবুন, সারা জীবন ধরে পিতৃতন্ত্রের কী কী সুবিধে আপনি ভোগ করেছেন এবং এখনো ভোগ করে চলেছেন। ভেবে দেখুন আপনার দৈনন্দিন জীবনে আপনার কাজে, কথায়, ভাবনায় কীভাবে পিতৃতন্ত্রের বীজ অঙ্কুরিত হয়ে হয়তো বা মহীরুহে পরিণত হয়েছে। ভাবুন কী করে তার গোড়ায় জল না দিয়ে বরং তাকে উপড়ে ফেলা যায়। আত্মসমালোচনা করুন। আত্মসমালোচনা করা রাজনৈতিক। এবং যদি সেই আত্মসমালোচনার প্রক্রিয়া থেকে কোনো উপলব্ধিতে পৌঁছতে পারেন, তাহলে নিজেকে বাহবা না দিয়ে যদি তা নিয়ে কথা বলতে পারেন, তাহলে বলুন। তাতে হয়তো খানিক উপকার হতে পারে। আরও ভালো হয় যদি শুধু না বলে নিজেদের জীবনে– বাড়িতে, কর্মক্ষেত্রে, বন্ধুবৃত্তে বদল আনার চেষ্টা করতে পারেন। নিজের মধ্যে। এবং সেই থেকে ক্রমে ক্রমে হয়তো অন্যদের মধ্যেও। এখানে একবার বলে রাখি, পড়তে পড়তে মনে হতে পারে এই লেখায় পুঞ্জিত রাগ উদ্গারিত হচ্ছে। যদি মনে হয়ে থাকে, তাহলে জানিয়ে রাখি, ঠিক মনে হচ্ছে। এই লেখা আমার রাগের, ক্ষোভের, শোকের, দ্রোহের, ভয়ের উচ্চারণ। আমার আবেগ ব্যক্তিগত এবং রাজনৈতিক। এই লেখা ব্যক্তিগত এবং রাজনৈতিক। ফলত দুইয়ের সহাবস্থানের মধ্যে বিরোধ আছে বলে আমি মনে করি না। যখন এই লেখা লিখছি, তখন আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন আংশিক জয় লাভ করেছে। বিভিন্ন পদ থেকে আধিকারিকদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অবশ্য সসম্মানে। লড়াই যে বাকি আছে তা এখনো আন্দোলনকারীরাই বলেছেন। এবং আমরা যেন ভুলে না যাই তিলোত্তমার কথা। যেন বেদনা পাই শয়নে-স্বপনে। তার বিচারের জন্যই এই লড়াই। যে মিছিলে ভেঙে পড়ছে কান্না, রাগে ফেটে পড়ছে জনসভায়, ভয় পাচ্ছে একা বাড়িতে থাকতে, যার বুক ঢিপ্ঢিপ্ করছে রাত দশটার পর একা হেঁটে বাড়ি ফিরতে – তাদের সবার জন্য এই লড়াই। সেই বিচার এক দিনে আসার নয়। সেই বিচারের জন্য অনেকে অনেক দিন ধরে পথ হেঁটেছেন। লড়াই করেছেন। তিলোত্তমার জন্য লড়াই যেন সেই সামগ্রিক লড়াইকে তীব্রতর করে। সেই আন্দোলনকে গতি দেয়। যেন রামধনু পতাকা ওড়ে আমাদের শহরের আকাশে। যেন ওড়ে প্রীতিলতার নিশান। অর্ধেক আকাশ জুড়ে নয়। আকাশের পুরোটাই আমাদের। আমাদের সব্বার। প্রকাশের তারিখ: ২৩-সেপ্টেম্বর-২০২৪ |
© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |