|
ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মুজফ্ফর আহ্মদ – ১ম পর্বরাহুল সাংকৃত্যায়ন |
মুজফ্ফর আহ্মদের সমস্ত জীবনই সংগ্রামের জীবন। ছেলেবেলা থেকেই দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে তাঁকে সংগ্রাম করতে হয়েছে। কষ্ট করে শিক্ষালাভ করলেও প্রলোভন তাঁকে কখনও পথভ্রষ্ট করতে পারে নি। সঙ্গীহীন জীবনের অভিজ্ঞতা তাঁর প্রচুর আছে। হতাশাপূর্ণ অবস্থাতেও তিনি উৎসাহের সঙ্গে নিজের কাজে একাত্ম থেকেছেন। জেল, নজরবন্দী অবস্থা তাঁর শরীরকে বিশ্রাম দিয়েছে এবং মানসিক পরিশ্রম বাড়িয়েছে কিন্তু লক্ষ্য তাঁর একই আছে। |
রুশ বিপ্লবের পরে, বহু পরে – ১৯২৯-এর শুরুতে মীরাট ষড়যন্ত্র মামলার পর ভারতবর্ষের লোক কমিউনিস্ট বিচারধারার কথা শুনতে আরম্ভ করে, কিন্তু আজ মজুর-কৃষকের উপর কমিউনিস্টদের প্রভাব দিন দিন বেড়ে চলেছে। আজ কমিউনিস্টদের কাজের একাগ্রতা ও বিচারধারার স্বচ্ছতা স্বীকৃতি পেতে আরম্ভ করেছে। একদিন ভারতের সবচাইতে বড় শক্তি হিসেবে কমিউনিস্ট পার্টি নবভারত নির্মাণে উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ করবে তাতে সন্দেহ নেই। ভারতীয় কমিউনিস্টদের সবচাইতে পুরাতন কর্মঠ নেতা – তাঁদের পিতামহ কে? এই প্রশ্ন উঠলে বাংলার এক ছোট সামুদ্রিক দ্বীপে জন্ম, ছিপছিপে, লজ্জা ও সঙ্কোচের প্রতিমূর্তি এক ব্যক্তিকে সবাই দেখিয়ে দেবে। আজ ভারতের সমস্ত কমিউনিস্ট যাঁকে নিজের পিতামহ বলে সবচাইতে বেশি সম্মান করে - তিনি হচ্ছেন মুজফ্ফর আহ্মদ। মুজফ্ফর আহ্মদের সমস্ত জীবনই সংগ্রামের জীবন। ছেলেবেলা থেকেই দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে তাঁকে সংগ্রাম করতে হয়েছে। কষ্ট করে শিক্ষালাভ করলেও প্রলোভন তাঁকে কখনও পথভ্রষ্ট করতে পারে নি। সঙ্গীহীন জীবনের অভিজ্ঞতা তাঁর প্রচুর আছে। হতাশাপূর্ণ অবস্থাতেও তিনি উৎসাহের সঙ্গে নিজের কাজে একাত্ম থেকেছেন। জেল, নজরবন্দী অবস্থা তাঁর শরীরকে বিশ্রাম দিয়েছে এবং মানসিক পরিশ্রম বাড়িয়েছে কিন্তু লক্ষ্য তাঁর একই আছে। একদিন আসবে যেদিন তাঁর নামে শহর তৈরি হবে, মুজফ্ফরের নামানুযায়ী যৌথ কৃষি-প্রতিষ্ঠানের নাম রাখা হবে। বড় বড় কল-কারখানা তাঁর নামে হলে গর্ব বোধ করবে। নোয়াখালি জেলার স্থলভাগ থেকে কিছুদূরে বঙ্গোপসাগরে সন্দ্বীপ নামে একটি দ্বীপ আছে। সন্দ্বীপের এলাকা ১২৫ বর্গমাইল। জমিতে ফসল বেশি না হলেও সন্দ্বীপের জনসংখ্যা (১ লক্ষ ৬৯ হাজার) অল্প নয়। সন্দ্বীপের গ্রামগুলির মধ্যে মুসাপুর একটি বড় গ্রাম। ১৬ হাজার লোকের গ্রাম মুসাপুরে ২০ জন চৌকিদার সবাই 'ডিউটি'তে নিযুক্ত থাকে। সন্দ্বীপের জনসংখ্যার বেশিরভাগই মুসলমান কৃষক ও নাবিক। মুসলমানরা ইংরেজ মালিকের জাহাজে লস্করী নিয়ে পৃথিবীতে এমন জায়গা নেই যেখানে যায় নি। মুসাপুরের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানেরা ছাড়া অনেক হিন্দু কায়স্থ, বারুই, নাথ সম্প্রদায়ের লোকেরা, নাপিত এবং ধোপাও বাস করে। কেবলমাত্র নিজের জমির ভরসাতে সেখানে কেউই সন্তুষ্ট থাকতে পারে না। বাস্তবিকপক্ষে বেশিরভাগ লোকই গরিব। প্রথমে ওখানকার জমিদাররা মুসলমান ছিলেন। পরে দু'জন ফরাসী জমিদার এবং উন্নাও জেলার একজন তেওয়ারি জমিদারির বড় অংশ কিনে নেয়। তারও পরে রায়বাহাদুর সুখলাল করনানী ফরাসী জমিদারদের একজনকার জমিদারি কিনে নিয়েছেন। এছাড়া অনেক ছোট ছোট জমিদারও আছেন। মোগল শাসনের সময় সন্দ্বীপের শাসন কর্তা ছিলেন দিলাওর খাঁ। তিনি পরে স্বাধীন হন। মুজফ্ফর আহ্মদের পূর্বপুরুষ দিলাওর খাঁর কর্মচারী ছিলেন। এই বংশে ১৮৯২-এর কাছাকাছি মুজফ্ফর আহ্মদের জন্ম হয়। মুজফ্ফর আহ্মদের পিতা মুন্শী মনসুর আলি (মৃত্যু ১৯০৫) মোক্তার ছিলেন। মুন্শী মনসুর আলি বিত্তবান মোক্তার ছিলেন না, তাই তাঁর আয়ে তাঁদের সংসার অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে চলত। ধর্মের কঠোরতা ও সঙ্কীর্ণতা তাঁকে স্পর্শ করতে পারে নি। তখনকার সমস্ত মৌলবীই স্কুলে বাংলা-ইংরেজী শিক্ষার বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেছিলেন। সন্দ্বীপের অশিক্ষিত মুসলমানদের উপর মৌলবীদের প্রভাব থাকা সত্ত্বেও মুন্শী মনসুর আলি মাতৃভাষা শিক্ষার পক্ষপাতী ছিলেন। বাংলার অন্যান্য মুসলমানদের মত সন্দ্বীপের মুসলমানদেরও মাতৃভাষা বাংলা, এবং তাঁরা বাংলাভাষাতেই লেখাপড়া করেন। কিন্তু মৌলবীরা প্রচার করতেন যে ছেলেদের পার্সী-আরবীই পড়ানো দরকার। মুন্শী মনসুর আলি নিজের ছেলেকে প্রথমে কোরান না পড়িয়ে বাংলাই পড়িয়েছিলেন। চার বৎসর ছয় মাস বয়সের সময় মুজফ্ফর আহ্মদের পিতা তাঁকে হাতেখড়ির সাথে সাথে অ, আ পড়িয়ে বাংলার প্রথম পাঠ শেষ করেন। মুজফ্ফর আহ্মদের পিতা খুব কড়া শাসন পছন্দ করতেন, কিন্তু তাঁর মা চুনাবিবি (মৃত্যু ১৯১৪) ছেলেকে খুব ভালবাসতেন। ছেলেবেলা থেকেই মুজফ্ফর আহ্মদ খুব দুর্বল। প্রথমা স্ত্রীর মৃত্যুর পর তাঁর পিতা দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন। মুজফ্ফর আহ্মদ এই দ্বিতীয়া স্ত্রীর কনিষ্ঠ সন্তান। তিনিও খুব দুর্বল ছিলেন। স্বভাবতই মুজফ্ফর আহ্মদের স্বাস্থ্য ভাল ছিল না। মুজফ্ফর আহ্মদরা চার ভাই ও এক বোন। তাঁদের মধ্যে সর্বজ্যেষ্ঠ দু-জন তাঁর বৈমাত্রেয় ভাই ও বোন। মুজফ্ফর আহ্মদের তিন-চার বছর বয়সের সময় তাঁদের খড়ের ঘর পুড়ে যায়। সেটিই তাঁর সবচাইতে পুরনো স্মৃতি। ছেলেবেলায় মুজফ্ফর আহ্মদের মা তাঁকে অনেক রকম গল্প বলতেন। কিন্তু সমুদ্রের এক দ্বীপে বাস করলেও তিনি সমুদ্রের গল্প শুনতে পান নি। মধ্যম ভাই কলিকাতা মাদ্রাসাতে পড়তেন। তিনি যখন বাড়ি আসতেন তখন মুজফ্ফর আহ্মদ উর্দু পুস্তকের কিছু গল্প শুনতে পেতেন। বাঙালীর সাধারণত ধারণা যে সংস্কৃত-প্রধান বাংলাভাষার সৃষ্টিকর্তা কোন হিন্দু, কিন্তু এটা সত্য নয়। সৈয়দ আলায়ল তাঁর "পদ্মাবতী" দিয়ে এটা শুরু করেন। "পদ্মাবতী"র গল্প মুজফ্ফর আহ্মদের খুব প্রিয় ছিল। ১৮৯৭ সালে মুজফ্ফর আহ্মদ গ্রামের স্কুলে পড়তে শুরু করেন। লেখাপড়ায় তিনি খুব মনোযোগী ছিলেন, লেখাপড়ার জন্য পরিশ্রমও করতেন। স্কুলে কোনদিনই তাঁকে তিরষ্কৃত হতে হয় নি। হয়তো তাঁর পিতা দুর্বল ছেলেকে আরও দুর্বল করতে চাইতেন না। তাই বোধহয় কৃষকের ছেলেদের সঙ্গে খেলাধূলা করতে দেখলেই তিনি মুজফ্ফর আহ্মদকে প্রহার করতেন। মুজফ্ফর আহ্মদের শিক্ষক পূর্ণচন্দ্র নাথের (যোগী) হস্তাক্ষর খুব সুন্দর ছিল। ছাত্রদের লেখাও তাঁরই লেখার মত সুন্দর করতে চাইতেন। কলাপাতায় কালো কালিতে তিনি খুব সুন্দর সুন্দর অক্ষর লিখে দিতেন। ছাত্ররা সেই লেখার উপরে হাত বুলিয়ে লেখা অভ্যাস করত। মুজফ্ফর আহ্মদের বাংলা লেখা খুব সন্দর। গ্রামের স্কুলের পড়া শেষ করে তিনি (১৮৯৯) হরিশপুর মিডল ইংলিশ স্কুলে ভর্তি হন। স্কুল বাড়ি থেকে দূরে হওয়াতে রোজ যাতায়াতের অসুবিধা হত। তাই তিনি বিমাতার ভাইয়ের বাড়ি থেকে লেখাপড়া করতেন। পিতা বৃদ্ধ হওয়াতে কাছারি যাওয়া ছেড়ে দিলে তাঁদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ হতে আরম্ভ করে। স্কুলের বেতন দিতে না পারায় স্কুল থেকে তাঁর নাম কেটে দেওয়া হয়। এইভাবে হরিশপুরে দু'বছর পড়ার পর তাঁর লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। বাড়িতে অল্প জমিজমা থাকলেও চাষের হালবলদ ছিল না। ভগ্নিপতির কাছে হালবলদ চেয়ে নিয়ে তাঁরা জমি চাষ করতেন। নয় বৎসরের মুজফ্ফর আহ্মদের ক্ষুধার যন্ত্রণা সহ্য করা ছাড়া উপায়ান্তর ছিল না। গ্রামের ছেলেদের সঙ্গে মেলামেশা করতে না পারায় ক্ষেত চাষ, ফসল কাটায় তিনি সম্ভবমত সাহায্য করতেন। জমিতে ডাল, লঙ্কা ও ধান হত। নারিকেল ও সুপারির বাগানও ছিল - পুকুরেও মাছ ছিল। গ্রামে কুয়ো না থাকায় পুকুরের জলই পান করতে হত। সেই সময় একজন মাদ্রাসার ছাত্র তাঁদের বাসায় থাকত। বসে বসে সময় নষ্ট করা অপেক্ষা কিছু লেখাপড়া করা ভাল ভেবে মুজফ্ফর আহ্মদ সেই ছাত্রটির কাছে কোরান পড়া শিখলেন। ইসলাম ধর্মের বিধিবিধানের উপরে লেখা দুই-একখানা উর্দু বইও পড়তেন। সেই সময়ই তিনি শেখ সাদীর "পন্দনামা" শেষ করেন। বেতন দিতে না পারার জন্য স্কুলে পড়ার অসুবিধা ছিল কিন্তু মাদ্রাসার বেতনের কোন প্রশ্ন ছিল না। তাই মুজফ্ফর আহ্মদ মাদ্রাসাতে পড়তে শুরু করেন। ফার্সী শায়র এবং আরবী ব্যাকরণও মুখস্থ করতেন। ১৯০৫ সালে, তাঁর পিতার মৃত্যুর সময়ে তিনি নোয়াখালি জেলার স্থলভাগে বামনীর একটি মাদ্রাসায় পড়ছিলেন। এখানে তিনি ফার্সী আরবি পড়তেন। বামনীতে দুই বৎসর থাকাকালীন তিনি গুলিস্তা, বোস্তা এবং আরও বহু বই শেষ করেন। ডেপুটি স্কুল-ইন্সপেক্টর উমেশচন্দ্র দাশগুপ্ত একদিন স্কুল দেখতে এসে খুব জোর দিয়েই বলেন যে, মুজফ্ফর আহ্মদের ইংরেজী পড়া উচিত। কিন্তু কি করে ইংরেজী পড়বেন? বড় ভাইকে চিঠি লিখে ঠিকমত উত্তর না পেলেও তিনি প্রতিজ্ঞা করেন যে, যেভাবেই হোক ইংরেজী তিনি শিখবেনই। বাখরগঞ্জ জেলাতে কিছুদিন গ্রামবাসীদের পড়িয়ে কিছু রোজগার করা সম্ভব জানতে পেরে তিনি বুড়িরগড় (আমতলী থানা) চলে যান। তিনি সেখানে ছেলেদের ইসলাম ধর্মের কায়দা-কানুন শেখাতেন এবং সঙ্গে বাংলা পড়াতেন। বয়স অল্প ছিল এবং দুর্বল হওয়ার জন্য তাঁকে আরও ছোট মনে হত। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই গ্রামবাসীরা বুঝতে পারে যে, তাঁদের শিক্ষক বেশ পন্ডিত লোক। মুজফ্ফর আহ্মদ ভেবেছিলেন যে, ছয়-সাত মাস শিক্ষকতা করার পর ছাত্রদের অভিভাবকেরা যে টাকা দেবেন, তা থেকে পঁচিশ-তিরিশ টাকা বাঁচিয়ে তিনি কোন ইংরেজী স্কুলে ভর্তি হবেন। কিন্তু ইতোমধ্যে তাঁর বাড়ির লোক তাঁকে খুঁজতে শুরু করেন এবং দুই-তিন মাস শিক্ষকতার পর তাঁর বড় ভাই জানতে পেরে সেখান থেকে তাঁকে মুসাপুর নিয়ে যান। কিন্তু আবার পালানো বন্ধ করার একমাত্র উপায় ছিল তাঁকে স্কুলে ভর্তি করে দেওয়া। প্রথমবার স্কুল ছাড়ার পাঁচ বছর পর আবার তিনি সন্দ্বীপ হাইস্কুলে অষ্টম (বর্তমানে তৃতীয়) শ্রেণীতে ভর্তি হন। সেখানে পরের বাড়িতে ছেলে পড়িয়ে খাওয়া-থাকার ব্যবস্থা করেছিলেন। তাঁর ভাই মৌলবী মকবুল আহ্মদ খুলনা জেলার এক গ্রামে শিক্ষক ছিলেন। তিনিই মুজফ্ফর আহ্মদকে সাহায্য করতেন। একবার তিনি ডবল প্রমোশনও পেয়েছিলেন। তৃতীয় (বর্তমানের অষ্টম) শ্রেণীতে পড়ার সময় সেই স্কুলের পড়াশুনা পছন্দ না হওয়াতে ১৯১০ সালে তিনি নোয়াখালি জেলা স্কুলে চলে যান। এখানেও তিনি একটি মুসলমান পরিবারে ছেলে পড়িয়ে খাওয়া ও থাকার ব্যবস্থা করেছিলেন। প্রথম প্রথম পুরা বেতনই দিতে হত কিন্তু পরে অর্ধেক মাফ হয়ে যায়। মুজফ্ফর আহ্মদ অঙ্কে কাঁচা ছিলেন কিন্তু বাংলাতে খুব ভাল ছাত্র ছিলেন। বাংলা কাব্য ও সাহিত্য তিনি খুব মনোযোগের সঙ্গে পড়তেন। তাঁর সর্বপ্রথম বাংলা রচনা ১৯০৭ সালে কলকাতার সাপ্তাহিক 'সুলতানে' প্রকাশিত হয়। বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী দেশভক্ত মৌলবী মনীরুজ্জমান ইসলামাবাদী 'সুলতানে'র সম্পাদক ছিলেন। সন্দ্বীপে থাকতেই মুজফ্ফর আহ্মদ স্থানীয় খবর 'সুলতানে' পাঠাতেন। মৌলানা ইসলামাবাদী মুজফ্ফর আহ্মদকে লেখার জন্য খুব উৎসাহিত করেন। মুজফ্ফর আহ্মদের এক কলেজের ছাত্র-বন্ধু আবদুল আহাদ সাহেব মাসিক পত্রিকায় গল্প ও প্রবন্ধ লিখতেন। তিনিও তরুণ মুজফ্ফর আহ্মদকে লেখক হতে সাহায্য করতেন। মুজফ্ফর আহ্মদ কবিতা লেখারও চেষ্টা করেন, কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই বুঝতে পারেন যে কবিতা তার ক্ষেত্র নয়। ১৯১৩ সালে তিনি দ্বিতীয় বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করেন। জীবিকার জন্য তাঁকে টিউশনি করতে হত এবং অঙ্ককে এত ভয় করতেন যে বীজগণিত স্পর্শই করেন নি। লেখাটি প্রথম অনুবাদ আকারে প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালের শারদীয় স্বাধীনতায়। অনুবাদক: অসিত সিংহ রায়। পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে গণশক্তি পত্রিকার মুজফ্ফর আহ্মদ জন্মশতবর্ষ সংখ্যায় লেখাটি আবার প্রকাশ করা হয়। প্রকাশের তারিখ: ০৫-আগস্ট-২০২৬ |
© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |