|
ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মুজফ্ফর আহ্মদ – শেষ পর্বরাহুল সাংকৃত্যায়ন |
১৯২৬ সালে মুজফ্ফর আহ্মদ কলকাতাতে কাজ করতে থাকেন। তিনি কৃষ্ণনগরে একটি কৃষক সম্মেলনেও যোগদান করেন এবং সেখানেই কৃষক – শ্রমিক দল স্থাপিত হয়। এই পার্টিরই নাম ১৯২৭ সালে ‘মজুর-কৃষক পার্টি’ রাখা হয়। মুজফ্ফর ও তাঁর সহকর্মীদের মজুরদের সঙ্গে সম্বন্ধ স্থাপন করার দিকেই বেশি লক্ষ্য ছিল। ১৯২৭ সালের ডক-মজদুর ধর্মঘটে মুজফ্ফর আহ্মদ অংশগ্রহন করেন। কলকাতায় এই ধর্মঘটেই সর্বপ্রথম লালঝান্ডা উত্তোলন করা হয়। |
|
মুজফ্ফর আহ্মদ ১৯১৮ সাল থেকেই ভারতীয় নাবিক ইউনিয়নে যাতায়াত করতেন। এই সময় তিনি ‘ভ্যানগার্ড অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেনডেন্স’ ও ‘ইম্প্রেকার’ কাগজ পেতে শুরু করেন এবং কমিউনিজম ও মজদুর আন্দোলন সম্বন্ধে তাঁর জ্ঞান বাড়ে। মার্কসবাদী বহু পুস্তকের নাম, কিছু উদ্ধৃতি এবং কিছু পুস্তকও তিনি পান। ১৯২২ সালে এঙ্গেলসের 'সমাজবাদী' এবং বুখারিনের 'কমিউনিজমের ক খ গ' তিনি পড়তে পান। পরে মার্কসবাদী বই পড়ার আরও সুবিধা হয়। এই সময় তাঁর আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় হয়ে পড়ে এবং রাস্তার ভিখারীর মত তাঁর অবস্থা হয়। বিভিন্নকাজে ব্যস্ত থাকায় টিউশনি করারও সময় পেতেন না। ১৯২২ সালের গোড়ার দিকে নজরুল ইসলামও চুপচাপ ছিলেন। কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে আবদুল হালিম যিনি অসহযোগ আন্দোলনে তিনবার জেলে গিয়েছিলেন এবং আরও কয়েকজন তরুণ তাঁর সাথী হয়েছিল। কিছু সন্ত্রাসবাদী মুজফ্ফর আহ্মদের সঙ্গে কথাবার্তা বলবার জন্য আসতেন। তাঁদের ধারণা ছিল যে, মুজফ্ফর আহ্মদ মস্কো থেকে টাকা পান এবং তা থেকে তাদের কিছু ভাগ মিলতে পারে। তাঁদের ধারণাই ছিল না যে, কোন কোন সময় মুজফ্ফর আহ্মদকে উপর্যুপরি দু'দিনও উপোস করতে হয়েছে। বাঙালী মুসলমানদের সম্বন্ধে উর্দু-ভাষী মুসলমানদের মনোভাবের ফলস্বরূপই বোধহয় মুজফ্ফর আহ্মদের সঙ্গে কুতুবুদ্দিনের এত ঘনিষ্ঠতা ছিল না- যাতে তাঁর কাজের গোপন দিকটা তাঁকে জানাতে পারেন। পরে অবশ্য মুজফ্ফর আহ্মদ কুতুবুদ্দিনকে সমস্ত কথা খুলে বলেন। কুতুবুদ্দিনও তখন মার্কসবাদী সাহিত্য পড়তে উৎসুক হয়ে ওঠেন। ফলে মুজফ্ফর আহ্মদের খুব সুবিধা হয়। কুতুবুদ্দিন মার্কসবাদী সাহিত্য কিনতেন এবং তিনি সেগুলি পড়বার সুবিধা পেতেন। ১৯২২ সালে মুজফ্ফর আহ্মদ ডাঙ্গের পত্রিকা 'সোস্যালিস্ট' পেতে শুরু করেন এবং তিনি বুঝতে পারেন যে, বোম্বাইয়ের ডাঙ্গে ও তাঁর সহকর্মীরাও কমিউনিজমের জন্য কাজ করছেন। মস্কো থেকে ফিরে ১৯২২ সালের শেষদিকে শওকত উসমানী কলকাতায় আসেন এবং মুজফ্ফর আহ্মদের সঙ্গে পরিচিত হন। ক্রমে ক্রমে সকলেই বুঝতে পারে যে, পুলিস ও কাস্টমস বিভাগের সমস্ত সতর্কতাকে ফাঁকি দিয়ে বিদেশ থেকে ভারতবর্ষে অনেক কমিউনিস্ট সাহিত্য এসে প্রচারিত হচ্ছে এবং এতে মুজফ্ফর আহ্মদের যথেষ্ট হাত রয়েছে। পুলিসও সতর্ক হয়ে যায়। ১৯২৩ সালের শুরু থেকে খোলাখুলিভাবে গোয়েন্দা বিভাগের সাব-ইনসপেক্টারদের মুজফ্ফর আহ্মদের পেছনে লাগিয়ে দেওয়া হয়। কুতুবুদ্দিনের বৈঠকখানায় তিনি বসে থাকলে গোয়েন্দা বিভাগের লোকেরা বাইরে ঘোরাফেরা করত। কিন্তু এতেও সন্তুষ্ট না হয়ে মে মাসে তাঁকে ১৯১৯ সালের তিন নং রেগুলেশন অনুযায়ী গ্রেপ্তার করে রাজবন্দী করে রাখা হয়। সেই সময় পেশোয়ারে ভারতবর্ষের প্রথম 'কমিউনিস্ট ষড়যন্ত্র' মামলা চলছিল। মুজফ্ফর আহ্মদকে সেই মামলায় জুড়ে দেওয়ার চেষ্টা প্রমাণাভাবে ব্যর্থ হয়। তখনই মুজফ্ফর আহ্মদ কমিউনিজমে দৃঢ় বিশ্বাসী - ধর্ম ও ঈশ্বরে বিশ্বাস শেষ হয়েছে। ভারতবর্ষে হিজরাৎ আন্দোলনের ফলে যে সব মুসলিম যুবক আফগানিস্তানের পথে মস্কো পৌঁছেছিল তাঁদের মধ্যে থেকে কয়েকজন সেখানকার ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষালাভ করে পামির পার হয়ে ভারতে আসার সময়ে চিত্রলে ধরা পড়েন। তাঁদের বিরুদ্ধেই চলেছিল 'পেশোয়ার কমিউনিস্ট ষড়যন্ত্রের মোকদ্দমা।' ১৯২৪ সালে মার্চ মাসে কানপুরে 'কমিউনিস্ট ষড়যন্ত্র' মামলা শুরু হয়। মুজফ্ফর আহ্মদ, ডাঙ্গে, শওকত উসমানী ও নলিনী গুপ্তের এই মোকদ্দমায় চার বছরের শাস্তি হয়। জেলে মুজফ্ফর আহ্মদ ক্ষয়রোগে আক্রান্ত হন- তাঁর জ্বর শুরু হয় এবং মুখ দিয়ে রক্তও পড়ে। শরীরের ওজনও অনেক কমে যায়। চিকিৎসকেরা জীবনাশঙ্কার কথা বলেন এবং আলিপুর, ঢাকা, কলিকাতা, প্রেসিডেন্সি, কানপুর, রায়বেরিলি ও আলমোড়া প্রভৃতি বিভিন্ন জেল ঘুরে ১৯১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি মুক্ত হন। মুক্ত হবার পর তাঁর স্বাস্থ্য কিছুটা ভাল হয়। কিছু দায়িত্বহীন লোক এক 'ইন্ডিয়ান কমিউনিস্ট পার্টি' স্থাপন করে কানপুর কংগ্রেসের সময় পার্টি কংগ্রেস ডেকে বসে। পুরনো কমিউনিস্টদের বদনাম ও পার্টির ভিতরে সি আই ডি-র লোকের প্রবেশের ভয় দেখা দেয়। তাই মুজফ্ফর আহ্মদের কানপুর যাওয়ার দরকার হয়। ঘাটে ও অন্যান্য কর্মীরাও সেখানে আসেন। তাঁদের চেষ্টা সত্ত্বেও সিআইডির একজন লোক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯২৬ সালে মুজফ্ফর আহ্মদ কলকাতাতে কাজ করতে থাকেন। তিনি কৃষ্ণনগরে একটি কৃষক সম্মেলনেও যোগদান করেন এবং সেখানেই কৃষক – শ্রমিক দল স্থাপিত হয়। এই পার্টিরই নাম ১৯২৭ সালে ‘মজুর-কৃষক পার্টি’ রাখা হয়। মুজফ্ফর ও তাঁর সহকর্মীদের মজুরদের সঙ্গে সম্বন্ধ স্থাপন করার দিকেই বেশি লক্ষ্য ছিল। ১৯২৭ সালের ডক-মজদুর ধর্মঘটে মুজফ্ফর আহ্মদ অংশগ্রহন করেন। কলকাতায় এই ধর্মঘটেই সর্বপ্রথম লালঝান্ডা উত্তোলন করা হয়। ইংরেজদের পত্রিকা 'স্টেটসম্যান' লাল-আতঙ্কের কথা বলে বিষোদ্গীরণ করতে শুরু করে। মুজফ্ফর আহ্মদ নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির সভ্য ছিলেন এবং কংগ্রেসেও কাজ করতেন। তাঁর বেশিরভাগ সময়ই মজুরদের ভিতরে কাটত, মোটেই অবসর ছিল না। কলকাতার মেথরদের সংগঠনে তিনি বিশেষ অংশগ্রহণ করেন। চটকল মজুরদের সঙ্গেও য়োগাযোগ হয়। ১৯২৭ সালের মাদ্রাজ কংগ্রেসে তিনি যোগ দেন। ইংল্যান্ড থেকে সদ্য-প্রত্যাগত জওহরলাল 'স্বাধীনতা'র প্রস্তাব পেশ করেন। মুজফ্ফর আহ্মদ এবং তাঁর সহকর্মীরা জওহরলালকে সমর্থন করেন, প্রস্তাব পাশ হয়ে যায়। ১৯২৮ সালে কলকাতার মেথরেরা ধর্মঘট করলে তাতে কমিউনিস্ট নেতাদের নাম ঘরে ঘরে পৌঁছায়। কর্পোরেশন পরাজয় স্বীকার করে। মেয়র সেনগুপ্ত দুই টাকা মজুরি বাড়াবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কিন্তু ধর্মঘট তুলে নেবার পর প্রতিশ্রুতি পালন করেন না। বিভিন্ন কারখানাতে মজুরি কাটা প্রভৃতি আঘাত আসতে শুরু করলে মজুররা তা সহ্য করতে না পারায় কমিউনিস্টদের নেতৃত্বে চারদিকে ধর্মঘট শুরু হয়। ইংল্যান্ডের পার্টিও কয়েকজন কর্মীকে ভারতে পাঠান। অন্যান্য পশ্চিমীদেশ থেকেও আরও কয়েকজন কমিউনিস্ট ভারতে প্রবেশ করেন। এই সমস্ত দেখে সরকার কিছুটা ভীত হয় এবং সর্বগ্রাসী 'রক্ষা-আইন' পাশ করে দমন করার চেষ্টা করে। আইনের খসড়া পেশ করার সময় সরকার যে-কয়েকজন কমিউনিস্টদের নাম কাউন্সিলে উল্লেখ করে তাঁদের মধ্যে মুজফ্ফর আহ্মদের নামও ছিল। অ্যাসেম্বলীর সভাপতি বিটলভাই প্যাটেলের দৃঢ়তার জন্য আইন পাশ হতে পারে না, কিন্তু সরকার দমনের জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল। ১৯২৮ সালে মীরাট মজুর-কিসান পার্টির সম্মেলনে মুজফ্ফর আহ্মদ উপস্থিত ছিলেন। দেশের অন্যান্য প্রদেশের কমিউনিস্টরাও সেখানে জমায়েত হয়। যুক্তপ্রদেশের মজুর-কিসান পার্টির তদানীন্তন সম্পাদক পূরণচন্দ্র যোশীর সঙ্গে মুজফ্ফর সেখানে পরিচিত হন। ডিসেম্বরে কলকাতা কংগ্রেসের সময় কলকাতাতে নিখিল ভারত মজুর-কিসান পার্টির সম্মেলন হয়। বিভিন্ন প্রদেশের বিচ্ছিন্ন কমিউনিস্টরা সেইসময় একটি সর্বভারতীয় সংগঠনে সংঘবদ্ধ হন এবং পরস্পরের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষালাভ করেন। মন্দার জন্য অনেক ধর্মঘট হতে থাকে এবং ১৯২৯ সালে বাংলাদেশে একটি সর্বব্যাপী ধর্মঘটের প্রস্তুতি শুরু হয়। বৃটিশ পুঁজিপতিওয়ালাদের কাগজে কমিউনিস্টদের দমন করার জন্য সরকারকে অনুরোধ করে লেখার পর লেখা বের হতে থাকে। অবশেষে ১৯২৯ সালের ২০শে মার্চ অন্যানা প্রদেশের কমিউনিস্টদের সঙ্গে মুজফ্ফরকেও গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁদের বিরুদ্ধে ইতিহাসপ্রসিদ্ধ 'মীরাট ষড়যন্ত্র মামলা' চাপানো হয়। ১৯৩৩ সালের ৯ই জানুয়ারি মুজফ্ফর যাবজ্জীবন দ্বীপান্তর দন্ডে দণ্ডিত হন। আপিলে এই সাজা কম করে তিন বছর করা হয়। ঐ তিন বছর তিনি মীরাট, নৈনি, আলমোড়া, দার্জিলিঙ, বর্ধমান এবং ফরিদপুর জেলে অতিবাহিত করেন। ১৯৩৫ সালের জুলাই মাসে জেল থেকে মুক্ত হবার সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে 'বেঙ্গল ক্রিমিন্যাল ল অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাকট' অনুযায়ী নজরবন্দী করা হয়। এই দু'মাস ফরিদপুরে রাখবার পর তাঁকে তার জন্মভূমি মুসাপুরে নজরবন্দী করা হয়। ১৮ বৎসর তিন মাস নজরবন্দী অবস্থার কল্যাণে তিনি মুসাপুর দেখবার সুযোগ পান। এই দেশভক্তের ত্যাগের কথা ঘরে ঘরে আলোচিত হতে থাকে। এতদিন যাঁরা বোমা এবং পিস্তল চালানোই দেশভক্তি বলে বিবেচনা করতেন, তাঁরা এক নতুন ধরণের দেশভক্তের দেখা পান - যাঁকে সরকার সম্প্রাসবাদী থেকেও বেশি ভয়ঙ্কর বলে মনে করত। পরে তাঁকে মেদিনীপুরের এক গ্রামে নজরবন্দী করা হয়। "ক্রিমিন্যাল ল অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাকট" সন্ত্রাসবাদীদের দমন করার জন্য প্রণীত হলেও সন্ত্রাসবাদে অবিশ্বাসী কমিউনিস্ট মুজফ্ফর আহ্মদকেও এই আইন অনুযায়ী নজরবন্দী করা হয়। বিলেতে তাঁর বন্ধুরা ভারত সচিবের কাছে এক ডেপুটেশন পাঠান এবং এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন। সরকার বিশেষ কিছু অজুহাত দেখাতে না পেরে এক বছর পর ১৯৩৬ সালের ২৫শে জুন মুজফ্ফর আহ্মদকে মুক্তি দেয়। সাড়ে সাত বৎসর পর মুজফ্ফর আহ্মদ কলকাতার মুক্ত বায়ুতে নিঃশ্বাস ফেলেন। নিরাশাপূর্ণ অবস্থাতে তিনি আশা নিয়ে যে কাজ শুরু করেছিলেন তা তখন অনেক বেড়ে গিয়েছিল। যে লালঝান্ডাকে তিনি ২৫ বৎসর আগে একা নিজের কাঁধে তুলেছিলেন সেই লালঝান্ডাকে তখন উঁচু করে ধরেছিলেন অনেক বাঙালি তরুণ যাঁরা সর্বক্ষণই লালঝান্ডার কাজে কাটাতেন। আজ তাঁকে সকলেই পিতামহ বলে সম্মান করে। খারাপ স্বাস্থ্যের জন্য সময়ের আগেই বৃদ্ধ হয়ে পড়লেও তখনও তিনি যুবকের মত কৃষক ও মজুর আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতেন। ১৯৩৩ সালের জুট-মজুর ধর্মঘটে তিনি অংশগ্রহণ করেন। ঐ বছরেই তিনি নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির সভ্য নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ১৯৪০ সালে সরকার আবার কমিউনিস্টদের বাঁকা চোখে দেখতে শুরু করে। কলকাতার মজুরদের উপর মুজফ্ফর আহ্মদের প্রভাব দেখে ১৯৪০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁকে কলকাতা ছেড়ে যাবার আদেশ দেওয়া হয়। আদেশ অমান্যের জন্য তাঁর একমাসের জেল হয়। মুক্ত হবার পর আবার কলকাতা ছাড়ার হুকুম হয়। তিনি কলকাতার বাইরে চলে যান কিন্তু ১৯৪০ সালের ২৩শে জুন গোপনভাবে আবার কলকাতায় ফিরে আসেন। সেই সময় থেকে ১৯৪২ সালের ২৩শে আগস্ট পর্যন্ত তিনি গোপনে পার্টির কাজ করতে থাকেন। তাঁর উপর থেকে ওয়ারেন্ট তুলে নেওয়ার পর তিনি আত্মপ্রকাশ করেন। মুজফ্ফর আহ্মদের জীবন সংক্ষেপে লিখলে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসও সংক্ষেপে লেখা হয়। পার্টিই তাঁর জীবন ছিল- -আজও আছে। ১৯০৪ সালে মুজফ্ফর আহ্মদের বিয়ে হয়। ১৪ বৎসর পরে নজরবন্দী থাকাকালীন স্ত্রীর সঙ্গে দেখা হবার সুযোগ হয়। তাঁর একটি মেয়ে আছে। একজন প্রগতিশীল কবির সঙ্গে তাঁর মেয়ের বিবাহ হয়েছে। লেখাটি প্রথম অনুবাদ আকারে প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালের শারদীয় স্বাধীনতায়। অনুবাদক: অসিত সিংহ রায়। পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে গণশক্তি পত্রিকার মুজফ্ফর আহ্মদ জন্মশতবর্ষ সংখ্যায় লেখাটি আবার প্রকাশ করা হয়। প্রকাশের তারিখ: ০৭-আগস্ট-২০২৬ |
© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |