কেরালা, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ ও পুডুচেরির সাথে এ বছরের মার্চ-এপ্রিলে আসামেও বিধানসভার নির্বাচন হতে চলেছে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন শাসকপক্ষ চাইছে তৃতীয়বার ক্ষমতায় যেতে। অন্যদিকে, সমস্ত বিজেপি-বিরোধী শক্তি কোমর বাঁধছে শাসকদলকে ক্ষমতাচ্যুত করতে।
কল্যাণমুখী প্রকল্প
নির্বাচন কাছে আসতেই বিজেপি সরকার নতুন নতুন প্রকল্প ঘোষণার মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের পরিসরকে আরও প্রসারিত করতে চাইছে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে নির্বাচনকে মাথায় রেখে সুবিধাভোগীদের সামনে টোপ ফেলা। তারা একইসঙ্গে সুবিধাভোগীদের ভয়ও দেখাচ্ছে, বিজেপির নির্বাচনী প্রচারে যোগ না দিলে কোনও সুবিধা পাওয়া যাবে না। অথচ বিপরীতে করুণ সত্যটি হল যে, সুবিধাভোগী তালিকাভুক্ত নারীর চেয়ে তালিকাভুক্তি বঞ্চিত নারীর সংখ্যা অনেক বেশি। ফলে এই কল্যাণমুখী প্রকল্প ঘিরে একটি প্রবল বিরুদ্ধ জনমতও রয়েছে নারীদের মধ্যে।
ছ’টি জনগোষ্ঠীকে অনুসূচিত জনজাতির মর্যাদা
তাই-আহোম, মরান, মটক, চুতিয়া, চা জনগোষ্ঠী এবং কোচ-রাজবংশীদের অনুসূচিত জনজাতির মর্যাদাপ্রদান আসামের দীর্ঘদিনের একটি দাবি। সেই ২০০৪ সালের বিধানসভা সর্বসম্মত প্রস্তাব গ্রহণের মাধ্যমে কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ করেছিল এই ছ’টি জনগোষ্ঠীকে অনুসূচিত জনজাতির মর্যাদা প্রদানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে। ২০১৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে এসে নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করে দিয়েছিলেন যে, ক্ষমতায় আসার ছ’মাসের মধ্যে এই দাবি মেটাবেন। পাঁচ বছর স্থবির হয়ে বসে থাকার পর ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগে, কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যসভায় একটি বিল পেশ করে ছ’টি জনগোষ্ঠীকে অনুসূচিত জনজাতি হিসেবে স্বীকৃত দিতে। তবে বিলটি তখন অনুমোদিত হয়নি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এই বিলের বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে আসাম সরকারকে জানাতে বলা হয়। বিজেপি নেতৃত্বাধীন আসাম সরকার তারপর হিমন্ত বিশ্বশর্মার নেতৃত্বে একটি মন্ত্রীগোষ্ঠী গঠন করে ছ’মাসের মধ্যে এ বিষয়ে সুপারিশ জানাতে বলে—যাতে ছ’টি জনগোষ্ঠীকে অনুসূচিত জনজাতির মর্যাদার প্রদানের বিষয়টিকে এগোনো যায়। কিন্তু নিজে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরও এ বিষয়ে তিনি কিচ্ছুটি করলেন না। বিজেপি সরকারের এই তঞ্চকতায় ক্ষুব্ধ হয়ে এই জনগোষ্ঠীর সংগঠনগুলি ব্যাপক সংখ্যায় জনগনকে সংগঠিত করে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগেই অনুসূচিত জনজাতির মর্যাদা প্রদানের দাবি জানায়।
ভোটের বাধ্যতায় হিমন্ত বিশ্বশর্মা সরকার আসাম বিধানসভার বিগত অধিবেশনের শেষদিন, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫-এ মন্ত্রীগোষ্ঠীর প্রতিবেদনটি উত্থাপন করে, কোনও ধরনের আলোচনার অনুমতি না দিয়েই। সুদীর্ঘ এই প্রতিবেদনটি পাঠ করলেই এর অন্তঃসারশূন্যতাটি ধরা পড়বে। মন্ত্রীগোষ্ঠীর সুনির্দিষ্ট কার্যপরিধিতে ছিল:
(১) ছ’টি জনগোষ্ঠীর জন্যে সংরক্ষণের পরিমাণ (২) ছ’টি জনগোষ্ঠীকে অনুসূচিত জনগোষ্ঠীতে স্থানান্তর করার পর অন্যান্য পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠী (ওবিসি)-র সংরক্ষণের পরিমাণ। (৩) ছ’টি জনগোষ্ঠীকে অনুসূচিত জনজাতিতে অন্তর্ভুক্ত করার পর বিদ্যমান অনুসূচিত জনজাতিদের স্বার্থরক্ষা।
আশ্চর্যের বিষয় হল, প্রথম দু’টি বিষয়ে প্রতিবেদনে কোনও কথাই বলা হয়নি। বিগত সাত বছর ধরে এমন একটি প্রতিবেদন তৈরির জন্যে যে মন্ত্রীগোষ্ঠী এই বিষয়টি নিয়ে কোনও অধ্যয়ন বা সমীক্ষাই করেনি। এটা পরিষ্কার হয়ে যায় যে, নির্বাচনের আগে শুধুমাত্র বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করার জন্যেই এই প্রতিবেদনটি বিধানসভায় পেশ করা হয়েছে। এই বিষয়ে আমাদের পার্টির অবিচল অবস্থানটি হল, আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগেই, বিদ্যমান অনুসূচি জনজাতিদের সংরক্ষণের পরিমাণকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে এই ছ’টি জনজাতি গোষ্ঠীকে অনুসূচিত করার বিষয়টি সম্পন্ন করতে হবে।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন
নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা ছিল আসামেও বিধানসভার আগামী নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর করে ফেলার। কিন্তু রাজ্যে এনআরসির তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে আসামের জনগন এই প্রস্তাবকে সমর্থন করতে পারে নি। আমাদের পার্টি সিদ্ধান্ত নেয় এসআইআর বিরোধিতার এবং মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের ডাকা ২৪ সেপ্টেম্বরের সর্বদলীয় সভায় পার্টির তরফ থেকে এই মর্মে একটি স্মারকলিপি পেশ করা হয়। পার্টির অবস্থানটি হল, এনআরসি নবীকরণ অসম্পূর্ণ রেখে রাজ্যে কোনও ধরনের এসআইআর করা যাবে না। শেষ পর্যন্ত, নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করে যে, এনআরসি নবীকরণের চলমান প্রক্রিয়ার কথা মাথায় রেখে আসামে আপাতত এসআইআর করা হবে না।
ফলে, এসআইআর-এর পরিবর্তে রাজ্যে শুধুমাত্র বিশেষ সংশোধন বা এসআর করার ঘোষণা প্রদান হয়। এটাকেও ব্যবহার করা হচ্ছে রাজ্যের ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে কর্তন করার জন্যে। ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫-এ খসড়া তালিকা প্রকাশিত হওয়া অবধি ছিল সম্পূর্ণ নীরব ছিল বিজেপি। দাবি ও আপত্তি জানানোর পরের পর্বটি শুরু হতেই, বিজেপি পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মুসলিম ভোটারদের নিয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করা শুরু করে। একজন বিজেপি বিধায়ক বা একজন বিজেপি কর্মী একসাথে অসংখ্য, কোনও কোনও ক্ষেত্রে শত শত মানুষের বিরুদ্ধে আপত্তির আবেদন জানিয়েছে। এক অংশের সরকারি কর্তারাও যে বিজেপির সাথে যোগসাজশে রয়েছে সেটাও স্পষ্টতই দৃশ্যমান।
যে যে বিধানসভা আসনে মুসলিম ভোটদাতার সংখ্যা ৩৫-৭০ শতাংশ, বিজেপি নিশানা করেছে সেই আসনগুলিকেই। যত ধরনের বেআইনী ও গোপন পথ থাকতে পারে তার সবটাই অবলম্বন করছে তারা আপত্তির আবেদন জানাতে। বিভিন্ন মানুষের অজ্ঞাতসারে তাঁদের এপিক কার্ড ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে হাজার হাজার আপত্তির আবেদন জানিয়েছে বিজেপি। পরে যখন সংশ্লিষ্ট মানুষেরা জানতে পারছেন যে বিজেপি দুষ্কৃতীরা তাঁদের নাম ব্যবহার করে মিথ্যা আপত্তি জানিয়েছে তখন তারা প্রকাশ্যে এসে বলছেন যে তাঁরা এগুলোর সাথে কোনওভাবেই যুক্ত নন এবং নির্বাচন কমিশনকে তাঁরা লিখিতভাবে জানাচ্ছেন যে গোপনে তাদের অজ্ঞাতসারে এই আপত্তির আবেদন তাদের নামে জমা দেওয়া হয়েছে। কোনও কোনও জায়গায় সেই অঞ্চলের বিএলও-কে মৃত দাবি করে তাদের নাম অন্তর্ভুক্তিতেও আপত্তি জমা পড়ছে। বিস্ময়কর ব্যাপার হল, নির্বাচন কমিশন সেই মৃত ঘোষিত বিএলও-কেও তাদের নামে ব্যক্ত আপত্তির শুনানিতে হাজির থাকার নোটিশ পাঠিয়েছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক যে নির্বাচন কমিশন আপত্তির সত্যতা ও যৌক্তিকতা বিচার না করেই একলপ্তে যে আপত্তি এসেছে তাতে অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি মানুষকেও নোটিশ পাঠাচ্ছে। যার ফলে সংখ্যালঘু ভোটাররা চরম অমানবিক পরিস্থিতি ও অবর্ণনীয় দুর্দশায় পড়ে হাজারে হাজারে শুনানি কেন্দ্রে হাজির হয়ে সারা রাত ধরে দীর্ঘ কাতারে দাঁড়াতে বাধ্য হচ্ছে।
📲 এখন এক ক্লিকেই মার্কসবাদী পথ আপনার হোয়াটস অ্যাপে
নির্বাচনী জেলা বজালিতে ১১৫টি ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত হয়েছে যেখানে বিএলওরা মুসলিম এবং অেধিকাংশ ভোটারই মুসলিম। এর মধ্যে ৭৬টি ভোট কেন্দ্র ভবানীপুর-সরভোগ বিধানসভা আসনে অন্তর্ভুক্ত যেখান থেকে সিপিআইএম প্রার্থী পুনর্নির্বাচিত হতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ৩৬টি বজালি বিধানসভা আসনের। এই ১১৫টি ভোটকেন্দ্রের জন্যে ১১৫জন অ-মুসলিম শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করে এদেরকে জেলা কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে ডেকে পাঠানো হয় জেলা শাসকের ঘরে সভায় যোগ দিতে যেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় মন্ত্রী রঞ্জিত কুমার দাস। এই শিক্ষকদের বলা হয় ১১৫টি ভোটকেন্দ্রের ভোটদাতাদের চিহ্নিত করতে যাদের নাম যে কোনও একটি অজুহাত বা আপত্তিতে কর্তন করা যায়। যখন কিছু শিক্ষক এই মর্মে প্রশ্ন তোলেন যে এর জন্যে কি কোনও আনুষ্ঠানিক নির্দেশ দেওয়া হবে কিনা, তখন তাদের জানানো হয়, অনানুষ্ঠানিকভাবেই তাদেরকে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে।
প্রতিবাদ
শুধুমাত্র ধর্মীয় পরিচিতির জন্যে নিশানা করা বৈধ ভোটারদের স্বার্থরক্ষায় সীমিত শক্তি নিয়েই জোরদার লড়াই চালাচ্ছে সিপিআইএম। পার্টির রাজ্য কমিটি আসামের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগপত্রও পেশ করে বজালি জেলার ১১৫ি ভোটকেন্দ্রে যে বেআইনী ও সংবিধান বিরোধী কর্মতৎপরতা চলছে তার সাথে যুক্ত সমস্ত সরকারি কর্তাদের তদন্তের আওতায় এনে কঠোর শাস্তিপ্রদানের দাবি জানিয়েছে। নগাঁও জেলার বঢ়মপুর বিধানসভা আসনের ১১৬ নম্বর ভোটকেন্দ্রের ৪৬জন ভোটদাতার নামে মিথ্যা আপত্তি জানানো হয়েছে। তাদেরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীনভাবে মৃত অথবা স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত বলা হয়েছে। পার্টির লোকাল ও জেলা কমিটির উদ্যোগে সঙ্গেসঙ্গেই বিশাল সংখ্যক মানুষকে সংগঠিত করে নির্বাচনী পঞ্জীয়ন আধিকারিকের কাছে স্মারকপত্র পেশ করা হয়। তথাকথিত আপত্তিকারীও এতে নিজের যুক্ত থাকার কথা অস্বীকার করে অভিযোগকে জাল বলে বর্ণিত করেন। পরিশেষে নির্বাচনী পঞ্জীয়ন আধিকারিক এই ৪৬টি আপত্তি বাতিল করতে বাধ্য হয়। বঢ়মপুর আসনেরই ১৬৭ নম্বর ভোটকেন্দ্রে ১৪১জন ভোটদাতাকে মৃত দাবি করে আপত্তি জানানো হয়। যোগাযোগ করার পর এই তথাকথিত আপত্তিকারী নারীও তার যুক্ত থাকার কথা অস্বীকার করে এই আপত্তিকে জাল বলে অভিহিত করে লিখিতভাবে জানান যে তাঁর নাম অবৈধভাবে তার সম্মতি ব্যতিরেকে এই জাল অভিযোগে ব্যবহার করা হয়েছে। জেলা সিপিআইএম-এর ২০ জনের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন আধিকারিকদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। পরে এই আপত্তিও বাতিল হয়।
৩৮ নম্বর বরক্ষেত্রী বিধানসভা আসনে ১০ হাজার মুসলিম ভোটদাতাদের নামে আপত্তি জানানো হয়। তাদের একাংশ উচ্ছেদ হয়ে আছেন ইতিমধ্যে। সিপিআইএম-এর লোকাল ও জেলাস্তরের কর্মীরা যথাযথভাবে শুনানির মুখোমুখি হওয়ার ক্ষেত্রে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত জনগনকে সহায়তা করছে এবং শুনানি কেন্দ্রের যেখানেই অনিয়ম দেখা দিচ্ছে সেখানে স্মারকপত্র প্রদানের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। বরপেটা (ভবানীপুর-সরভোগ বিধানসভা আসন সহ), করিমগঞ্জ, কাছাড়, গোয়ালপাড়া সহ বিভিন্ন জেলায় সিপিআইএম বৈধ ভোটদাতাদের স্বার্থরক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করছে। বিভিন্ন স্থানে পার্টির নেতৃত্বে প্রতিবাদ সমাবেশ সংগঠিত হয়েছে। আপত্তি নথিভুক্তির নামে লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটারদের হয়রানি অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানিয়ে গত ৯ ডিসেম্বর রাজ্যের বিরোধী দল কংগ্রেস, সিপিআইএম, সিপিআই, সিপিআইএমএল, রাইজর দল, এজেপি, এপিএইচএলসি-এর তরফ থেকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিককে নিজের অপকর্মের একটি স্মারকপত্র প্রদান করা হয়। দলগুলির তরফে একইসাথে রাজ্যের খসড়া ভোটার তালিকায় হাজার হাজার অজানা ভোটদাতার নাম অন্তর্ভুক্তির তদন্তেরও দাবি জানানো হয় নির্বাচন কমিশনের কাছে। আসামের বিজেপি সভাপতি দিলীপ শইকিয়া একটি ভিডিও বার্তায় ৬০টি বিধানসভা আসনে ৫-১০ হাজার ভোটারের নাম কর্তনের যে নির্দেশ দিয়েছিলেন জেলা সভাপতিদের সেই নিয়েও রাজনৈতিক দলগুলির তরফ থেকে দিসপুর থানায় এজাহার দেওয়া হয়।
রাজ্যের ৭টি বিরোধী ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলের তরফ থেকে গত ২৫ জানুয়ারি একটি সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার কুৎসিত সাম্প্রদায়িক ভাষণের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। নিজের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভিত্তিহীন কটুক্তির সাফাই গেয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন তিনি ক্ষমতায় থাকলে মিয়াঁদের (বঙ্গীয়মূলের মুসলিম) হয়রানি অব্যাহত থাকবেই। বিরোধী দলগুলি জোরালো ভাষায় বলেন যে হিমন্ত বিশ্বশর্মার কোনও অধিকার নেই সাংবিধানিক পদে আসীন থেকে সাম্প্রদায়িক বিষ বমন করার। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে বিরোধী দলগুলির তরফে আসামের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিককে একটি স্মারকপত্রও পেশ করা হয়।
প্রকাশের তারিখ: ০২-ফেব্রুয়ারি-২০২৬ |