সংগ্রাম ও শিল্পী

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এই ফ্যাসিবাদের অধীনে যে সাহিত্য যে শিল্প রচিত হবে তার কথা চিন্তা করতে গেলে আমার মনে পড়ে জেলখানার সতরঞ্জির কথা, ছোবড়া-পাকানো দড়ির কথা; যার গ্রন্থিতে গ্রন্থিতে পাকে পাকে নির্যাতিত মানবাত্মার অভিশাপ। এমন কূট কৌশলে রচিত ধনবণ্টন-ব্যবস্থার উপর এদের নববিধান রচিত হবে যে, এক পুরুষ কি দু-পুরুষ পরে মানুষ আর কল্পনাই করতে পারবে না যে, সাম্য মৈত্রী স্বাধীনতায় তাদের অধিকার আছে। উন্নততর জীবন, বৃহত্তর কল্যাণ, মহত্তর কল্পনা, সুন্দরতর সম্ভাবনার সাধনার কথা মনে করতে তারা শিউরে উঠবে। এক কথায় মানুষের জীবনের সুদীর্ঘ গৌরবময় উর্ধ্বমুখী প্রেরণা এবং আত্মদানের যজ্ঞের বিরুদ্ধে এতবড় আসুরিক অভ্যুত্থান আর পৃথিবীর ইতিহাসে হয়নি।

[১৯৪২ সালের ১৯-২০ ডিসেম্বর কলকাতা ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত 'ফ্যাসিস্ত-বিরোধী লেখক ও শিল্পী সঙ্ঘ’র প্রথম সম্মেলনে সভাপতিমণ্ডলীর সভাপতি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় একটি লিখিত অভিভাষণ পাঠ করেন। হাওড়া থেকে শান্তিরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত 'অভিবাদন' নামে যে ‘একমাত্র দ্বিমাসিক’ পত্রিকাটি প্রকাশিত হত, তার প্রথম বর্ষ তৃতীয় সংখ্যায় (পৌষ-মাঘ ১৩৪৯) ‘ফ্যাসিবিরোধী লেখক ও শিল্পী সঙ্ঘের সৌজন্যে’ সে-অভিভাষণ 'সংগ্রাম ও শিল্পী' নামে প্রবন্ধ হিসেবে ছাপা হয়।
তারাশঙ্কর ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত বাঙলার প্রগতি সাহিত্য আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৪৪ সালের ১৫-১৭ জানুয়ারি 'ফ্যাসিস্ত-বিরোধী লেখক ও শিল্পী সঙ্ঘ'র যে-দ্বিতীয় সম্মেলন হয়, তারাশঙ্কর ছিলেন তার অভ্যর্থনা সমিতির সভাপতি। ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন হলে প্রথম দিন তিনি যে ভাষণ দেন, 'জনযুদ্ধ' পত্রিকায় (২৬ জানুয়ারি ১৯৪৪) তার সারমর্মটি প্রকাশিত হয়। তিনি বলেন: ‘আমরা মানব জাতির পক্ষে। যে শক্তি মানুষকে পদানত করার জন্য উদ্যত হইয়াছে, ফ্যাসিস্ত-বিরোধী লেখক ও শিল্পী সঙ্ঘ তারই বিরুদ্ধে। আজ পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যের মধ্যে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা নানাভাবে ভাষা পাইয়াছে— দেশের এই সংকটও বাংলা সাহিত্যকে যথেষ্ট নাড়া দিয়াছে। আমরা ভুলি নাই যে যখন গত কয়েক মাস ধরিয়া লক্ষ লক্ষ লোক অন্নহীন ও বস্ত্রহীন অবস্থায় পথে পথে ঘুরিয়া বেড়াইতেছে, তখন অনেকগুলি দেশী মিল কাপড় ও চাউলের ব্যবসায় লক্ষ লক্ষ টাকা সুপার ইনকাম ট্যাক্স দিয়াছে। এই সমস্ত মুনাফাখোরদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহিত্যিক কর্তব্য পালন করিব আর এই সংকটের মধ্যে আমাদের দুঃস্থ দেশ কর্মীকে সান্ত্বনা, আশা ও নূতন জীবনের ভরসা শুনাইব। অনাগত মুক্তির বাণী বহন করিবার ভার লইয়াছে এই লেখক ও শিল্পী সঙ্ঘ।
১৯৪৫ সালের ৩-৮ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত তৃতীয় যে- সম্মেলনে ‘ফ্যাসিস্ত-বিরোধী লেখক ও শিল্পী সঙ্ঘ পুনরায় 'প্রগতি লেখক সঙ্ঘ' হয়, তারাশঙ্কর ছিলেন সেই সম্মেলন পরিচালনার জন্য নির্বাচিত সভাপতিমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য।
‘অভিবাদন'-এর প্রথম বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা থেকে ইতিহাসগত কারণে মূল্যবান তারাশঙ্করের এই দুষ্প্রাপ্য রচনাটি ঈষৎ সংক্ষেপিত আকারে প্রকাশ করে ‘পরিচয়’ পত্রিকা। মে-জুলাই ১৯৭৫, ফ্যাসিস্ত-বিরোধী সংখ্যায়। তারাশঙ্করের ১২৫-তম জন্মবর্ষ উপলক্ষে বানান ও যতিচিহ্নের প্রয়োজনীয় সংশোধন-সহ আমরা তা পুনঃপ্রকাশ করলাম।]

...তারপর অকস্মাৎ ইয়োরোপে ইটালির আবিসিনিয়া আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে আমি এক প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছিলাম। মনে হয়েছিল মানুষের জীবনে বর্বরতার আর মনুষ্যত্বের এক টাগ অব ওয়ার আরম্ভ হয়ে গেল এই বিংশ শতাব্দীতে। মানুষ যখন সর্ব বর্বরতাকে সমাহিত করে বৃহত্তর কল্যাণের দিকে চলেছে ঠিক সেই সময়েই মানুষের আত্মস্বার্থপন্থী পদ্ধতি সকল মুখোশ খুলে তাণ্ডব নৃত্য আরম্ভ করে দিয়েছে। জার্মানিতে ইহুদি নির্যাতন দেখে শিউরে উঠলাম। ফ্রয়েড আইনস্টাইনের দুর্দশা ও অপমান, মেয়েদের অধিকার লোপ, স্পেনের গৃহযুদ্ধ, চীনের বিরুদ্ধে জাপানের অভিযান দেখলাম। মনে মনে বার বার প্রশ্ন করেছিলাম-মানুষ কি এই সহ্য করবে, এক-এক সময় প্রত্যাশা করতাম-ওই ওই দেশের মানুষেই এই বর্বরতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে মনুষ্যত্বের এই চরম অপমানের অবসান করবে। তারপর আরম্ভ হল পোলান্ডের বিরুদ্ধে জার্মানির অভিযান। তখন সবচেয়ে দুঃখ হয়েছিল জার্মানির জনসাধারণের জন্যে। তাদের আজ সর্বস্ব অপহৃত হয়েছে বিনা যুদ্ধে, মাদকতায় মাতাল করে তাদের সব অপহরণ করেছে একদল স্বার্থান্ধ লোক। তারপরই লাগল ইংরেজের এবং ফরাসীদের সঙ্গে জার্মানির। বিস্মিত হই নি। ধীরে ধীরে যুদ্ধ প্রসারিত হল সমগ্র বিশ্বব্যাপী হয়ে। ফ্যাসিবাদীরা আক্রমণ করলে তাদের প্রাচীনতম শত্রু রাশিয়াকে। রাশিয়াকে বাদ দিয়ে সমগ্র বিশ্ব অধিকার করেও সে নিরাপদ নয়। কারণ মানবকল্যাণের সর্বোত্তম ধর্ম এক বিরাট মূর্তিতে আত্মপ্রকাশ করেছে সেখানে। সেই তার সবচেয়ে বড় ভয়। অন্ধকার যে ভয় করে আলোকে, পাপ যে ঘৃণা করে পুণ্যকে সেই ভয় সেই ঘৃণা তার রাশিয়ার ধর্মকে। এ দিকে প্রশান্ত মহাসাগরে জাপান পড়ল ঝাঁপ দিয়ে। সে আজ ভারতবর্ষের দ্বারদেশে উপস্থিত।

ভারতবর্ষের জনশক্তি, তার নেতৃবৃন্দ, তার বুদ্ধিজীবীগণ তার সংবাদপত্র কোনো দিনই তার সত্য কর্তব্য করতে বিস্মৃত হয় নি। তার শ্রেষ্ঠ জাতীয় প্রতিষ্ঠান ফ্যাসিবাদের উদ্ভবকাল থেকেই ওই আদর্শকে হীন বলে ঘোষণা করে এসেছেন। ভারতের জাতীয় সংবাদপত্র ফ্যাসিবিরোধী নীতি এবং আদর্শকে জনসাধারণের মধ্যে আন্তরিকতার সঙ্গে প্রচার করে এসেছেন। ভারতের জনসাধারণ, তার শ্রেষ্ঠ জাতীয় প্রতিষ্ঠান, তার সংবাদপত্র, তার সাহিত্যিক, তার মনীষিবর্গ কেউই চায় না ফ্যাসিবাদী জার্মানিকে, জাপানকে অথবা ইটালিকে। কিন্তু তবু আমাদের সম্মুখে এক অদ্ভূত সমস্যা। ব্রিটিশ আমলাতন্ত্রের দমননীতি, ভেদনীতি কূটনীতি ভারতে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে উত্তোলিত জনশক্তির উদ্যত হাত পঙ্গু করে দিয়েছে। ভারতের শ্রেষ্ঠ জাতীয় প্রতিষ্ঠান আজ বিপর্যন্ত, নেতারা বন্দী। উন্মত্ত জনসাধারণ সমগ্র দেশে তাণ্ডব শুরু করে দিয়েছে -তার ফলে জনশক্তির ব্যর্থ অপচয় হয়ে চলেছে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে।

আজ সেই একটি সংকটপূর্ণ মুহূর্তে বাঙলার এবং সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র ভারতের প্রতি প্রদেশেই সাহিত্যিক এবং পণ্ডিতমণ্ডলী যে সংঘবদ্ধ হয়ে শুভ এবং নির্ভীক সত্যবাদী উচ্চারণে উদ্যত হয়েছেন, এতে যাঁরা সুখী আমি তাঁদেরই একজন।

প্রবাদ শুনে আসছি, পলাশির যুদ্ধের পূর্বে যে ষড়যন্ত্র হয়েছিল তাতে রানী ভবানী বলেছিলেন- রাঘব বোয়াল বিনাশের জন্য খাল কেটে কুমির এনে ঢুকিয়ো না। প্রবাদটা ঐতিহাসিক প্রমাণে সত্য হোক আর নাই হোক, কথা হিসাবে এত বড় সত্য আর নাই। সে দুর্মতি যদি কারও থাকে, তার সে মতির ধ্বংসই কামনা করি। তবে এটা ঠিক কথা, ভারতের জনসাধারণ একটা শিকল খসাবার জন্য আর-একটা শিকল পরতে চায় না এবং চাইবে না। ভারতের ইতিহাসে এই ভুলের বহু পুনরাবৃত্তি হয়েছে। সে-ভুলের মাশুল দিতে দিতে আবার সেই ভুল আমরা করব না। একদল লোক মুষ্টিমেয় হলেও আছে, যারা বলে-আমরা তো গোলামী করতে আছিই, গোলামী আমরা করব। হয় এর নয় ওর। তাদের আমি বলি ক্লীব। এই ক্লীব জাতির মধ্য হতে বিলুপ্ত হোক। এদেরই সমগোত্রীয় একদল সুবিধান্বেষী কৌশল-তান্ত্রিক আছে, তারা বলে-ষাঁড়ের শত্রু বাঘে মারছে। প্রদীপের নিচেই অন্ধকারের মতো এই অতি-বুদ্ধিমানদের বিষয়বুদ্ধির মধ্যে প্রকাণ্ড বোকামির ফাঁক রয়েছে, সেটা তারা বুঝতেই পারে না। ষাঁড়ের শত্রুকে বাঘে যদি মেরেই ফেলে তবে ষাঁড় নাচে কি আশ্বস্ত হয় কোন আনন্দে কোন আশ্বাসে? কারণ বাঘের চেয়ে বড় শত্রু ষাঁড়ের আর কে আছে? এই ফ্যাসিবাদের স্বরূপ তারা বোধ করি কল্পনা করতে পারে না। নির্মম ক্রুর স্বার্থান্ধ এক যুথবদ্ধ মানব-সম্প্রদায়। দৈহিক এবং সর্বপ্রকার আসুরিক শক্তিতে উদ্বুদ্ধ এক বিশেষ জাতি। অন্তরলোকে উগ্র স্বার্থবুদ্ধির হিংস্র ক্ষুধা। আসুরিক শক্তিতে হিংস্র ক্ষুধায় তারা সমস্ত পৃথিবীকে জয় করে পদানত করবে; তারা হবে প্রভু, কর্তা; দণ্ডমুণ্ডের বিধাতা; আর সমগ্র পৃথিবীর মানুষ তাদের গোলামী করবে; যে ধারায় তারা চিন্তা করতে বলবে সেই ধারায় মানুষকে চিন্তা করতে হবে-যে-রীতি যে-নীতি তারা প্রবর্তন করবে সেই রীতি-নীতি অনুযায়ী সমাজকে চলতে হবে, সামরিক নিষ্ঠুর হিংস্র বিধিবিধানে তার ক্ষীণতম প্রতিবাদের দণ্ডবিধি নির্দিষ্ট হবে। মানুষের স্বাধীন চিন্তা, স্বতঃস্ফূর্ত প্রাণময় সার্থকতার আকাঙ্ক্ষা, কাব্য, সাহিত্য, দর্শন, শিল্প, এক কথায় সত্য সুন্দর ও মঙ্গলের সাধনার পথ রুদ্ধ হবে। এই ফ্যাসিবাদের অধীনে যে সাহিত্য যে শিল্প রচিত হবে তার কথা চিন্তা করতে গেলে আমার মনে পড়ে জেলখানার সতরঞ্চির কথা, ছোবড়া-পাকানো দড়ির কথা; যার গ্রন্থিতে গ্রন্থিতে পাকে পাকে নির্যাতিত মানবাত্মার অভিশাপ। এমন কূট কৌশলে রচিত ধনবণ্টন-ব্যবস্থার উপর এদের নববিধান রচিত হবে যে, এক পুরুষ কি দু-পুরুষ পরে মানুষ আর কল্পনাই করতে পারবে না যে, সাম্য মৈত্রী স্বাধীনতায় তাদের অধিকার আছে। উন্নততর জীবন, বৃহত্তর কল্যাণ, মহত্তর কল্পনা, সুন্দরতর সম্ভাবনার সাধনার কথা মনে করতে তারা শিউরে উঠবে। এক কথায় মানুষের জীবনের সুদীর্ঘ গৌরবময় উর্ধ্বমুখী প্রেরণা এবং আত্মদানের যজ্ঞের বিরুদ্ধে এতবড় আসুরিক অভ্যুত্থান আর পৃথিবীর ইতিহাসে হয় নি। পঙ্গপাল আসে, একটা ঋতুর ফসল একদিনে ধ্বংস করে দিয়ে চলে যায়; বুনো কুকুরের দল তাদের পথে চলে, চলার পথের অধিবাসীদের টুঁটি কামড়ে ছিঁড়ে রক্ত মাংসে উদরপূর্তি করে চলে যায়, তারা থাকে না। নব-ঋতুতে আবার ক্ষেত্র শস্য-সমৃদ্ধ হয়। কুকুরের দল চলে গেলে, যারা থাকে তারা আবার সংহত হয়, শাস্তি ফিরিয়ে আনে। কিন্তু এই ফ্যাসিবাদ যদি জয়ী হয়, তবে সে হবে পৃথিবীর মানুষের জীবন-ক্ষেত্রে পঙ্গপালের স্থায়ী স্থিতি। ফ্যাসিবাদের জীবননৈতিক এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বিশ্লেষণ বহু পণ্ডিতজনে করেছেন, করবেন। তাছাড়া মুষ্টিমেয় ক্লীব এবং সুবিধাবাদীদের যুক্তির প্রতিবাদে অধিক কথা বলার কোনো প্রয়োজনও আছে বলে মনে করি না। কিন্তু আজ ভারতবর্ষে যে-বিক্ষোভ উঠেছে, সাম্রাজ্যবাদী আমলাতন্ত্রের ভ্রান্ত দম্ভভরা শাসন-পদ্ধতির প্রতিক্রিয়ার সেই বিক্ষোভই একমাত্র অন্তরায় হয়ে উঠেছে জনশক্তির সংহতি গঠন এবং প্রেরণা উদ্বোধনের পথে। কেমন করে উন্মত্ত জনশক্তিকে তাণ্ডব থেকে সংহত করে আজ এই বিশ্বমানবের এবং মানবতার বিরুদ্ধবাদী ধ্বংসকামী আসুরিক শক্তির বিপক্ষে উদ্যত করা যায় সেই হয়েছে সর্বাপেক্ষা বড় সমস্যার বিষয়।

এ-বিষয়ে আমি এই সাহিত্যিক এবং শিল্পী সংঘেরই মুখের দিকে চেয়ে আছি আপনাদের কণ্ঠোচ্চারিত বাণীর সঙ্গে আমিও আমার কণ্ঠস্বর মিশিয়ে দেব। ভারতের জনগণকে বুঝতে হবে-এ সংগ্রাম শুধু তোমার মুক্তি-সংগ্রাম নয়, সমগ্র বিশ্বের জনগণের মুক্তিসংগ্রাম। এই সংগ্রামে যোগ দেবার জন্য বাংলার মহাকবি যে-বাণী উচ্চারণ করে গিয়েছেন তা আজও আকাশে বাতাসে ধ্বনিত রয়েছে-তারই প্রতিধ্বনি আমাদের তুলতে হবে:

 
নাগিনীরা চারিদিকে ফেলিতেছে বিষাক্ত নিশ্বাস,
শান্তির ললিত বাণী শোনাইবে
ব্যর্থ পরিহাস—
বিদায় নেবার আগে তাই
ডাক দিয়ে যাই
দানবের সাথে যারা সংগ্রামের তরে
প্রস্তুত হতেছে ঘরে ঘরে।



প্রকাশের তারিখ: ২৩-জুলাই-২০২৪

© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
৩১ আলিমুদ্দিন স্ট্রীট , কলকাতা ৭০০০১৬, +91 33 2217 6638, +91 70599 23957
marxbadipath.22@gmail.com
www.marxbadipath.org