সুকান্তর কাব্যনাটক: মন্বন্তর পাড়ি দেওয়া এক 'অভিযান’

সৈকত ব্যানার্জী
যা 'সভ্যতা' শব্দের যাবতীয় খুশবু আর পরিপাটি সাজগোজকে এক ঝটকায় মুছে দিয়ে হিংস্র গা ঘিনঘিনে চেহারাটাকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। গোটাটাই ছিল এক বিরাট রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। আসলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জুড়ে ভারতে যা বেড়েছিল তা উৎপাদন নয়, মুনাফা। যা এসেছিল ফাটকাবাজি, শেয়ার কেনা-বেচা আর কালোবাজারির মাধ্যমে। ১৯৪৩ সালে খাদ্যদ্রব্যের ক্ষেত্রে মুনাফাবাজিই বাংলায় ডেকে এনেছিল ভয়াবহ আকাল। খাদ্য শস্যের ঘাটতি আর ক্রমশ দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সময় ভারতে এসে ঢোকে মিত্রপক্ষের বিপুল সৈন্য।

১৯৪৩ সাল। ২৮ নভেম্বর 'হিন্দুস্তান স্টান্ডার্ড' পত্রিকায় প্রকাশিত হয় একটি ঘটনা। একজন বাবা তার ছোট্ট মেয়েকে কোলে করে নিয়ে ঘুরত। যার সঙ্গেই দেখা হতো তাকেই অনুরোধ করত তার মেয়েকে কিনে নেওয়ার জন্য। সঙ্গে রাখলে মেয়ের মুখে খাবার জোটাতে হবে তো! কেউ সেই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শেষ অবধি সেই বাবা নিজের মেয়েকে কুয়োর মধ্যে ফেলে পালিয়ে যায়। মেয়ের ক্ষুধার্ত কান্নার থেকে রেহাই পেতে আর কী করতে পারত সে! ১৫ সেপ্টেম্বর 'বিপ্লবী পত্রিকায় লেখা হয়, ছোঙরা গ্রামের জ্ঞানেন্দ্রনাথ পাণ্ডা ক্ষিদের জ্বালায় আউলে গিয়ে বাবা, মা, দাদু, ঠাকুমা, বউ, মেয়ে সবাইকে কেটে ফেলেছে। ৫ অগাস্ট 'বিপ্লবী' পত্রিকায় বেরোয়, সাপুরাপোতা গ্রামের এক তাঁতি ক্ষিদের জ্বালায় কোথায় চলে গিয়েছিল কেউ জানে না। তার স্ত্রীর ধারণা, সে কাঁসাই নদীতে ভেসে গেছে৷ বেশ কিছুকাল সে তার দুই ছেলের মুখে খাবার জোগাতে পারে না৷ ২৩ জুলাই ছোট ছেলেকে সে কোল থেকে কাঁসাইয়ের উত্তাল স্রোতে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। বড়ো ছেলেকেও তাই পাঠাতে চায়। কিন্তু চিৎকার করে সে তার মাকে জড়িয়ে ধরে৷ কিন্তু ছেলের পেটের ক্ষিদে না মেটাতে পারার দীর্ঘ যন্ত্রণায় মা তখন স্নেহের স্পন্দনহীন, উন্মাদ। একটা ছোট কবর খুঁড়ে সে তার মধ্যে ছেলেকে পুঁতে ফেলতে চায়। অবশেষে এক পথচারী দেখতে পেয়ে সেই শিশুকে বাঁচায়৷ তারপর সেই মা কোথায় চলে যায় কেউ জানে না। 

১৯৪৩-এর মন্বন্তর এমনই সব ভয়াবহ দৃশ্যদের সামনে আমাদের এনে দাঁড় করায় যা 'সভ্যতা' শব্দের যাবতীয় খুশবু আর পরিপাটি সাজগোজকে এক ঝটকায় মুছে দিয়ে হিংস্র গা ঘিনঘিনে চেহারাটাকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। গোটাটাই ছিল এক বিরাট রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। আসলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জুড়ে ভারতে যা বেড়েছিল তা উৎপাদন নয়, মুনাফা। যা এসেছিল ফাটকাবাজি, শেয়ার কেনা-বেচা আর কালোবাজারির মাধ্যমে। ১৯৪৩ সালে খাদ্যদ্রব্যের ক্ষেত্রে মুনাফাবাজিই বাংলায় ডেকে এনেছিল ভয়াবহ আকাল। খাদ্য শস্যের ঘাটতি আর ক্রমশ দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সময় ভারতে এসে ঢোকে মিত্রপক্ষের বিপুল সৈন্য। দেশের মজুত খাদ্যশস্যের বিরাট অংশ সেনাবাহিনীর জন্য বরাদ্দ হয়ে যায়। ব্রিটিশরা নিজেদের দেশে কঠোরভাবে সমতামূলক রেশন-ব্যবস্থা লাগু করলেও উপনিবেশগুলোকে ছেড়ে দিয়েছিল কালোবাজারির হাতে। ভারতবর্ষ থেকে খাদ্যশস্যের জন্য অনুরোধ করা হলেও ব্রিটিশ সরকার তা বাতিল করে দেয়। যুদ্ধের সময় ভারতবর্ষের আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়েছিল। হাতে টাকা আছে যাদের তারা বুঝতে পেরেছিল যে দুর্ভিক্ষ আসছে এবং সরকারী কোনো সাহায্যই পাওয়া যাবে না। একদিকে জমির মালিকরা নিজেদের জন্য, অন্যদিকে অর্থপিশাচ দালালরা ফাটকাবাজির জন্য খাদ্যশস্য মজুত করেছিল। আবার সরকারও মজুত করছিল যুদ্ধের প্রয়োজনে। এর মধ্যেই ভারতবর্ষ থেকে খাদ্যশস্য রপ্তানি জারি রেখেছিল ব্রিটিশ সরকার। ১৯৪২ এর ১ এপ্রিল থেকে ১৯৪৩-এর মার্চ পর্যন্ত ভারত রপ্তানি করেছিল ২৬০০০০ টন চাল। সিংহল, আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা যেখানে চাল ফুরিয়েছে সেখানেই ব্রিটিশদের প্রয়োজনে ভারত থেকে চাল রপ্তানি করেছে ভারত। আর বাংলার মানুষ দেখতে পেয়েছে জাহাজভর্তি অস্ট্রেলিয়ার গম ক্ষুধায় কাতর ভারতের পাশ দিয়ে চলে গেছে দক্ষিণ ইউরোপকে ভবিষ্যতের খোরাক জোগাতে। ফলে দুর্ভিক্ষ মোকাবিলার উপায় থাকেনি কোনো। 

নিষ্ঠুর এই সময়ের পটে সুকান্তর কাব্যনাটক 'অভিযান' নিজে তখন সুকান্ত ঝাঁপিয়ে পড়েছেন মানুষের সমুদ্রে। কমরেডদের সঙ্গে দল বেঁধে ভলেন্টিয়ারিং করছেন যাতে কিছু মানুষের মুখে অন্তত খাদ্য তুলে দেওয়া যায়৷ আর প্রতিদিন বুঝতে পারছেন, আরেকটু পারা যেত। যদি এই ভয়ঙ্কর সময়েও যদি একশ্রেণির মানুষ বিপুল মুনাফা তোলার সুযোগে না ঘুরত। কলকাতার রাস্তায় তখন নিরন্ন মানুষের ঢল। ফুটপাতে ফুটপাতে না খেয়ে মরা লাশেদের ভিড়। অথচ আড়তদাররা বস্তাবন্দি করে রেখেছে খাদ্যশস্য। চোখে কুলুপ এঁটেছে ব্রিটিশ সরকার। ত্রাণশিবিরে হাতে হাতে কাজ করতে করতে আরও বুঝতে পারছেন, এ যেন মৃত্যুর প্রবল স্রোতের মুখে বালিতে বাঁধ দেওয়া। দুঃখ বদলাচ্ছে রাগে৷ ক্ষোভ বদলাচ্ছে অঙ্গীকারে। সে অঙ্গীকার প্রতিধ্বনিত হচ্ছে কবিতার ছত্রে ছত্রে৷ আর তার মধ্যেই খুঁজছেন ভবিষ্যতের স্বপ্ন। 'পচা জল আর মশায় অহংকারী' গ্রামবাংলায় একত্রিত হচ্ছে মানুষ৷ জড়ো করছে জনমত। পথহীন অন্ধকারে পায়ে পায়ে পথ তৈরি করে নিচ্ছে। সুকান্তর কবিতা হয়ে উঠছে দ্রোহের আহ্বান:

"তবুও প্রতিজ্ঞা ফেরে বাতাসে নিভৃত,
এখানে চল্লিশ কোটি এখনো জীবিত,
ভারতবর্ষের 'পরে গলিত সূর্য ঝরে আজ-
দিগ্বিদিকে উঠেছে আওয়াজ,
রক্তে আনো লাল,
রাত্রির গভীর বৃন্ত থেকে ছিঁড়ে আনো ফুটন্ত সকাল।
"

সোনার দেশে মন্বন্তর নামার আর সেই মন্বন্তরের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণার নাটক 'অভিযান'। নাটকের ভাষাভঙ্গিতে, নাটকের বুনোটের মধ্যে খুব স্পষ্টভাবে রবীন্দ্রনাথের প্রভাব লক্ষ্য করা যাবে হয়তো। সে দিক দিয়ে নাটকটির অভিনবত্ব খুঁজতে গেলে ভুল করা হবে। রবীন্দ্রনাথকে শিরোধার্য করেও নিজের অবস্থানকে স্পষ্ট করতে দ্বিধা করেননি সুকান্ত৷ 'রবীন্দ্রনাথের প্রতি' কবিতায় লিখেছিলেন— 

"আমি এক দুর্ভিক্ষের কবি,
প্রত্যহ দুঃস্বপ্ন দেখি মৃত্যুর সুস্পষ্ট প্রতিচ্ছবি।"

'অভিযান' নাটক 'দুর্ভিক্ষের কবির' নিজস্ব অভিজ্ঞান, যা তার প্রতিদিনের জানাবোঝা আর রাজনৈতিক বোধ থেকে গড়ে উঠেছে। 

নাটকের শুরুতেই বৈজয়ন্তী নগরের বালকের দল উদয়ন, ইন্দ্রসেন, সত্যকামদের কথা থেকে জানা যায় সংকলিতা নামের এক মেয়ে এসেছে দুর্ভিক্ষের দেশ থেকে। সে দেশে 'পথের ধারে/ মরছে হাজার লোক বিনা আহারে।' তাই সেই মেয়ে মানুষের দরজায় দরজায় ভিক্ষা চেয়ে ফেরে। নিজের জন্য নয়, দেশের মানুষদের বাঁচাতে। তরুণ তরতাজা মনের বালকরা শপথ করে সংকলিতাকে তারা সাহায্য করবে। কিন্তু সেই সময়েই আসে কোতোয়াল— 'ইয়া বড়ো গোঁফ তার, হাতে বাঁকা তরোয়াল'। চাইলেই সে অনেক সাহায্য করতে পারে বটে। কিন্তু আসলে সে যেন ব্রিটিশ অধীনস্থ পুলিশ। অসহায়ের ওপর চোখ রাঙাতেই ব্যস্ত। সংকলিতা তাকে উদ্দেশ্য করে বলে, 'করো না প্রজার কোনো কল্যাণ,/তোমরা অন্ধ আর অজ্ঞান' সংকলিতাকে গ্রেপ্তার করতে গেলে বাধা দেয় ছেলের দল। সেই সময়েই জানতে পারা যায় দুর্ভিক্ষ আর অন্য দেশের উড়ো খবর নয়। বৈজয়ন্তী নগরেও নেমে এসেছে আকাল৷ রাজাকে বোঝায় সংকলিতা তার দেশে মন্বন্তরের চেহারা কেমন, যা বৈজয়ন্তী নগরেরও হতে চলেছে ভবিষ্যত—

লাখে লাখে তারা আজ পথের দুধার থেকে
মৃত্যুদলিত শবে পথকে ফেলেছে ঢেকে |

"চাষী ভুলে গেছে চাষ, মা  তার ভুলেছে স্নেহ,
কুটিরে কুটিরে জমে গলিত মৃতের দেহ ;
উজার নগর গ্রাম,  কোথাও জ্বলে না বাতি,
হাজার শিশুরা মরে, দেশের আগামী জাতি |
রোগের প্রাসাদ ওঠে সেখানে প্রতিটি ঘরে,
মানুষ ক্ষুধিতআর শেয়ালের উদর ভরে ;"

রাজা জানতে পারে, দেশের জনতা ক্ষেপে উঠেছে। শান্ত করতে না পারলে রাজশক্তি ধ্বসে পড়তেও দেরি হবে না। সংকলিতার পরামর্শ ছিল, 'ধনাগার আজ তাদের হাতে এখুনি দাও ফিরিয়ে' দান নয়, ফিরিয়ে দেওয়া। বিপুল রাজকোষ যে আসলে প্রজাদেরই ঘাম আর রক্তে গড়ে উঠেছে, তারাই যে প্রকৃত মালিক তা বুঝিয়ে দিতে ভুল হয় না সুকান্তর৷ কিন্তু কুবের শেঠ প্রজাদের হাতে ধন সম্পত্তি তুলে দিতে বারণ করতে থাকে। প্রজারা কেন অসন্তুষ্ট তা বোঝাতে গিয়ে কুবের বলে

"এ  এদের ছল, মহারাজ !
নতুবা নির্ঘাত দুষ্ট চাষীদের কাজ "

কুবের শেঠ আসলে যেন বাংলার মজুতদার শ্রেণির প্রতিনিধি, যাদের নির্মম মুনাফাবৃত্তি হাজার হাজার মানুষকে ঠেলে দিয়েছিল মৃত্যুর মুখে৷ অথচ বিন্দুমাত্র অনুশোচনা কিংবা অনুকম্পার চিহ্ন দেখা যায়নি তাদের মধ্যে। যাদের নিষ্ঠুরতায় অবাক হয়ে সুকান্ত লিখেছিলেন, 

"ভবিষ্যতের কোনাে যাদুঘরে
নৃতত্ত্ববিদ হয়রান হ’য়ে মুছবে কপাল তার,
মজুতদার ও মানুষের হাড়ে মিল খুঁজে পাওয়া ভার।
তেরশাে সালের মধ্যবর্তী মালিক, মজুতদার
মানুষ ছিলাে কি? জবাব মেলে না তার।"

অথচ রাজা দেশের মানুষদের দায়িত্ব কুবের শেঠের ওপরেই দিয়ে নিশ্চিন্ত হয় 'বাঘের ওপর দেওয়া হল ছাগ পালনের ভার'। যেমন হয়েছিল ভারতবর্ষে। শাসক আর শোষকের হাত মেলান্তির, সরকার আর মজুতদারের যে আঁতাত সুকান্ত দেখেছিলেন তার চারপাশের অভিজ্ঞতায়, তাই রাজা আর কুবেরের সাঁটের মধ্যে দিয়ে প্রকাশ করেছেন নাটকে। 

এদিকে বাড়তে থাকে কোতোয়াল ও ছেলের দলের মধ্যে বচসা৷ কোতোয়াল দুর্ভিক্ষের জন্য দায়ী করে সংকলিতাকেই। শাস্তি দিতে চায়৷ ছেলের দল রুখে দাঁড়ায়। সংকলিতা বলে, 'চিরদিনই তরুণেরা অন্যায়ের করে নিবারণ' উদয়ন, সত্যকাম, ইন্দ্রসেনরা যেন সেই আঠারোর বারণ না মানা বিদ্রোহ, স্পর্ধায় মাথা তোলবার ঝুঁকি নেয় যারা। ধীরে ধীরে প্রজারা যোগ দিতে থাকে বালকদের সাথে। প্রতিবাদ ক্রমশ বিদ্রোহে পরিণত হওয়ার দিকে এগোয় নাটকের সমাপ্তিতে৷ 

১৯৪৩ এর দুর্ভিক্ষকে আমরা ফেলে এসেছি অনেকটা পিছনে। 'সাইনিং ইন্ডিয়া'র 'ফিল গুড' সাইন বোর্ডকে পিছনে রেখে, 'স্বচ্ছ ভারত' এখন রাজধানী থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করে ভিক্ষুকদের, মার্কিন রাষ্ট্রপতি আসবে বলে। ২০২০ সালে সেই ভারতবর্ষই যখন দেখে কোভিডের মহামারীর সঙ্গে শুরু হয়ে গেছে কালোবাজারি, বন্ধ কল কারখানার শ্রমিক কিংবা ছাঁটাই হয়ে যাওয়া অফিস কর্মীরা অগ্নিমূল্যে কিনছে বেঁচে থাকার রসদ, কিনতে পারছে না, আত্মহত্যা করছে, কিংবা মরে পড়ে থাকছে রাস্তায়, তখন কী আমাদের আরেকবার মনে পড়ে না সুকান্তর অভিযানের কুবের শেঠের কারসাজি? ছোট্ট মেয়ে জুমলা মাকদুম, কোভিডে লঙ্কা ক্ষেতে কাজ হারিয়ে হেঁটে হেঁটে বাড়ি ফিরছিল। পারেনি। না খেয়ে রাস্তায় মরেছিল। ইন্দ্রসেনের মতো বলতে ইচ্ছা করবে না কি, 

'রাজার ওপর আর করব না নির্ভর
আমাদের ভাগ্যের আমরাই ঈশ্বর"
? 

শয়ে শয়ে ঘর-ছাড়া শ্রমিকদের আমরা তখন দেখেছি সার বেঁধে হাঁটতে হাঁটতে বাড়ি ফিরতে। আর দেখেছি তাদের খাদ্যের সংস্থান করার বদলে সরকারি পুলিশ বাহিনী তাদের রাস্তাত উবু করে বসিয়ে গায়ে ডিটার্জেন্ট মেশানো জল ছুঁড়েছে। ঘন্টার পর ঘন্টা আটকে রেখেছে। রাস্তা থেকে তুলে লক আপে নিয়ে গিয়ে ভরেছে৷ আর যারা প্রতিবাদ করেছে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এগিয়েছে সাহায্য করতে তাদের ওপর নামিয়ে এনেছে আক্রমণ। সেই আধুনিক কোতোয়ালজীদের উদ্দেশ্যে সংকলিতার মতো বলতে ইচ্ছা করবেই তো—

"ছেলের দলের সামনে সাহস ভারি,
যোগ্য লোকের কাছে গিয়ে ঘোরাও তরবারি'

শিশু-কিশোরদের জন্য লেখা সুকান্তর 'অভিযান' তাই আজও, আবারও সামনে এসে দাঁড়ায়। শপথ করায়। ডাক দিয়ে যায় 'মহাশ্মশানে' 'ভেদ ভুলে' একত্রিত হওয়ার।


প্রকাশের তারিখ: ১৪-আগস্ট-২০২৫

© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
৩১ আলিমুদ্দিন স্ট্রীট , কলকাতা ৭০০০১৬, +91 33 2217 6638, +91 70599 23957
marxbadipath.22@gmail.com
www.marxbadipath.org