সিরিয়া, সাম্রাজ্যবাদ, বৃহত্তর ইজরায়েল

টিম মার্কসবাদী পথ
ইজরায়েল ‘অল্প অল্প করে’ নিজেদের সম্প্রসারিত করছে। এবং শেষ পর্যন্ত জর্ডন, লেবানন, মিশর ও অন্যান্য আরব দেশগুলি ছাড়া পুরো প্যালেস্তিনীয় ভূখণ্ডকেই ঘিরে ফেলবে। ‘জেরুজালেমের ভবিষ্যৎ যে দামাস্কাস (সিরিয়ার রাজধানী) পর্যন্ত প্রসারিত হবে, তা লেখা হয়ে আছে।’ আসলে লক্ষ্য পুরো ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক, স্মোত্রিচরা যাকে বলেন ‘জুদেয়া ও সামারিয়া’ অঞ্চল।

সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদ সরকারের পতন হয়েছে। একসময়ে আল-কায়েদা, আইসিসের শাখা আল-নুসরা  নাম বদলে ইসলামি হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচএসটি) এখন দেশের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী শক্তি। একটি ধর্মনিরপেক্ষ-স্বৈরতন্ত্র, যেটি ভেঙে পড়েছে তাসের ঘরের মতো, আর একটি ভয়ঙ্কর সাম্প্রতিক অতীত-সহ জিহাদিদের একটি ক্রমবর্ধমান গোষ্ঠী– এই দুইয়ের মধ্যে নিহিত রয়েছে ২ কোটি ৩৫ লক্ষ সিরীয় জনগণের বর্তমান ও ভবিষ্যত। 

এইচএসটি এখনও রাষ্ট্রসঙ্ঘ এবং বেশিরভাগ দেশের খাতায় জিহাদি গোষ্ঠী হিসেবে নথিভূক্ত রয়েছে। গোষ্ঠীর প্রধান আবু মহম্মদ আল-জোলানি পাঁচবছর ছিলেন আবু ঘ্রাইব-সহ অন্যান্য মার্কিন জেলে। আমেরিকা তাঁকে একসময় ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে দাগিয়েছিল। মাথার দাম ধার্য করেছিল ১ কোটি ডলার। পশ্চিমের মিডিয়ার ভাষ্যে এহেন জোলানিই সন্ত্রাসবাদী থেকে এখন বেমালুম বনে গিয়েছেন ‘বিদ্রোহী রাজনীতিবিদ’! আর তাঁর জিহাদি বাহিনী ‘মুক্তিদাতা’! এই গোষ্ঠীর যোদ্ধাদেরই ইজরায়েল চিকিৎসা করেছিল সিরিয়ার অধিকৃত গোলান মালভূমি অঞ্চলে। আহতদের দেখতে নিজে গিয়েছিলেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। দাবি করেছিলেন এটি ইজরায়েলের ‘মানবতাবাদী’ পদক্ষেপ! ইজরায়েল আর মানবতা! এই আল-নুসরা কখনও আঘাত করেনি ইজরায়েলকে। স্বাভাবিক। কারণ, তাদের নেপথ্যে রয়েছে ইজরায়েল আর সিআইএ (প্রাক্তন ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত ক্রেগ মারি)। এমনকি বাইডেনের বর্তমান জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক স্যুভিলিয়ন পর্যন্ত ২০১২-তে তৎকালীন বিদেশসচিব হিলারি ক্লিন্টনকে লিখেছিলেন: ‘এ কিউ (আল-কায়েদা) সিরিয়াতে রয়েছে আমাদের পক্ষে।’

আসাদ-জমানার পতনকে এই অঞ্চলের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও সামরিক রসায়ন থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখা মোটেই ঠিক হবে না। ঘটনা হল, এই ধারাবাহিক আন্ত:সম্পর্কিত সংকটগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করছে সাম্রাজ্যবাদ। 

প্যালেস্তিনীয় জনগণের ওপর ইজরায়েলের আগ্রাসন, নেপথ্যে ওয়াশিংটন-ব্রাসেলসের মদত থাকায় আন্তর্জাতিক মহলকে তোয়াক্কা না করার তেল আভিভের বেপরোয়া মনোভাব, ইজরায়েলের যুদ্ধে শরিক হয়ে সক্রিয় মার্কিন সামরিক সহায়তা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ব্রিটেনের সরাসরি অংশগ্রহণ, মার্কিন নৌবহর ও যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি, ব্রিটিশ বায়ুসেনার অভিযান– বদলে দিয়েছে পশ্চিম এশিয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্য। তথাকথিত ‘প্রতিরোধের অক্ষের’ আপেক্ষিক দুর্বলতা সাম্রাজ্যবাদকে করে তুলেছে আরও আগ্রাসী। 

লেবাননের সঙ্গে ‘যুদ্ধবিরতি’ স্বীকার করে নিয়েছে ইজরায়েল। কারণ, অসহায় মানুষদের গণহত্যা ছাড়া জমিতে তারা বিশেষ এগোতে পারেনি। এই যুদ্ধবিরতি তাই সাময়িক। বিলম্ব একটি কৌশল মাত্র। যুদ্ধবিরতির আরেকটি উদ্দেশ্যও ছিল। যুদ্ধবিরতির চুক্তি সইয়ের পরই সিরিয়া আক্রমণ। মাত্র দশদিন আগে ‘সিরিয়াতে মার্কিন ও জোট বাহিনী হুমকির মুখে’ ধুয়ো তুলে সিরিয়ার সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হানা চালায় আমেরিকা। দক্ষিণ গাজা অধিগ্রহণ করে ইজরায়েল এখন হাত বাড়িয়েছে উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার দিকে। সিরিয়ার সীমান্তে গোলান মালভূমি বহুদিন ইজরায়েলের দখলে। এবারে তারা গোলানের বাফার জোনের (অসামরিক এলাকা বলে চিহ্নিত) দিক থেকে সিরিয়ার জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে। বৃহস্পতিবার আল জাজিরা-র খবর, সিরিয়ার সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা জারি রেখেছে ইজরায়েল। আসাদের পতনের পর এখনও পর্যন্ত তারা সিরিয়ায় পাঁচ শতাধিক হামলা চালিয়েছে। সবশেষ লাতাকিয়া ও তারতাসের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। সিরিয়ার সেনাবাহিনীর দাবি, রাজধানী দামাস্কাসের ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে চলে এসেছে ইজরায়েল সেনা। দামাস্কাস-সহ সিরিয়ার একাধিক জায়গায় আকাশপথে হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েল। হামলার লক্ষ্যবস্তু সিরিয়ার যুদ্ধজাহাজ, বিমানঘাঁটি, সামরিক যান, বিমানবিধ্বংসী অস্ত্র, অস্ত্র উৎপাদন কারখানা, অস্ত্রাগারসহ বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা।

সাত-সাতটি ফ্রন্টে লড়ছে ইজরায়েল। সত্য হলো, সাতটি ফ্রন্টে লড়ার পথ বেছে নিয়েছে ইজরায়েল। গাজা, ইরান, লেবানন, ইয়েমেন-সহ সিরিয়া, ইরাক এবং ওয়েস্ট ব্যাঙ্কের গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে অভিযান ঠিক করেছে তারা নিজেরাই। লক্ষ্য: বৃহত্তর ইজরায়েল।

গাজা আগ্রাসনের একবছর অতিক্রান্ত। ক্রমশ অবনতি হচ্ছে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি। ইজরায়েল প্রতিদিন যুদ্ধের উত্তেজনা বাড়িয়ে চলেছে। শুরুতে যা ছিল গাজায় ইজরায়েলের একতরফা আগ্রাসন, ক্যালেন্ডারের পাতা ওলটাতে না ওলটাতেই ছায়াযুদ্ধের পর্দা উড়িয়ে তা-ই হয়ে উঠেছে ইরান, লেবাননে ইজরায়েলের পুরোদস্তুর যুদ্ধ। শুধু প্যালেস্তাইন নয়। ইজরায়েলের তাণ্ডবে এখন অশান্ত গোটা পশ্চিম এশিয়া। ঘোরতর সংকটে। বৃহত্তর যুদ্ধের কিনারে। ফুটন্ত কড়াইয়ে। লক্ষ্য স্পষ্ট: পুরো অঞ্চল জুড়ে যুদ্ধকে ছড়িয়ে দেওয়া। পশ্চিম এশিয়ার আকাশ আবারও ঢাকা পড়েছে যুদ্ধের কালো মেঘে।

ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু অক্টোবরের গোড়ায় এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেছেন তাঁর দেশ সাতটি পৃথক যুদ্ধে লড়ছে। সবক’টির লক্ষ্য এক: ‘বর্বরতার বিরুদ্ধে আত্মরক্ষা’। যেন ‘ডিফেন্সিভ ওয়ার’! যুদ্ধে যেতে বাধ্য হচ্ছে তেল আভিভ! নেহাতই আত্মরক্ষার খাতিরে! নেতানিয়াহুর দাবি, ‘সভ্যতার বিরুদ্ধে যারা আমাদের সবার উপর উন্মত্ততার একটি অন্ধকার যুগ চাপিয়ে দিতে চায়।’ কে বলবে, গণহত্যাকে ‘আত্মরক্ষা’ হিসেবে বর্ণনা করা যায় না! ‘সভ্যতা’ রক্ষার নামে মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা যায় না! যদিও, প্রকৃত লক্ষ্য গোপন করেননি তিনি। জানুয়ারিতে এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেছেন, ‘জর্ডনের পশ্চিমে সমস্ত ভূখণ্ডে নিরাপত্তার নিয়ন্ত্রণ ইজরায়েলের থাকা উচিত।’ আরও সুনির্দিষ্ট করলে, ‘সমুদ্র আর জর্ডনের মধ্যে কেবলই থাকবে ইজরায়েলের সার্বভৌমত্ব।’ আর কে না জানে, ‘নিরাপত্তার নিয়ন্ত্রণ’ হল আঞ্চলিক সম্প্রসারণের জন্য ইজরায়েলের প্রিয় ভাষ্য। 

আরও স্পষ্ট করে বলেছেন নেতানিয়াহুর অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ। ইউরোপীয় চ্যানেল আর্তের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে স্মোত্রিচ বলেছেন, ইজরায়েল ‘অল্প অল্প করে’ নিজেদের সম্প্রসারিত করছে। এবং শেষ পর্যন্ত জর্ডন, লেবানন, মিশর ও অন্যান্য আরব দেশগুলি ছাড়া পুরো প্যালেস্তিনীয় ভূখণ্ডকেই ঘিরে ফেলবে। ‘জেরুজালেমের ভবিষ্যৎ যে দামাস্কাস (সিরিয়ার রাজধানী) পর্যন্ত প্রসারিত হবে, তা লেখা হয়ে আছে।’ আসলে লক্ষ্য পুরো ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক, স্মোত্রিচরা যাকে বলেন জুদেয়া ও সামারিয়া অঞ্চল।

পশ্চিম এশিয়ার এই গুরুতর ও বিপদজনক পরিস্থিতির জন্য দায়ী ইজরায়েল। সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা ও রাজনৈতিক সমর্থন। ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে, গতবছর ৭ অক্টোবর থেকে মার্কিন প্রশাসন ইজরায়লকে দিয়েছে ১,৭৯০ কোটি ডলার। ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ধারাবাহিকভাবে এই গণহত্যাকে নিশ্চিত করে চলেছে। ইজরায়েলের সুরক্ষায় সরাসরি দাঁড়িয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ অন্যান্য সাম্রাজ্যবাদী শক্তি। চাইছে পুরো প্যালেস্তাইনের দখলদারি। সঙ্গে তাবৎ অঞ্চলের আধিপত্য।

আট বছর আগে মনে হয়েছিল আসাদ গৃহযুদ্ধে জয়ী হয়েছেন। রাশিয়া, ইরান ও হিজবুল্লার সহায়তায় তিনি হারানো বেশিরভাগ অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেছিলেন। ইদলিব প্রদেশের উত্তরপশ্চিমে একরত্তি অঞ্চলে কেবল গুমোট উত্তেজনার আপাত-শান্তি বিরাজ করছিল। দক্ষিণপূর্বে কুর্দিরা দামাস্কাসের কাছে শান্তি কিনে উপভোগ করছিলেন সীমিত সায়ত্তশাসন। সিরিয়াকে আবার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল আরব লীগে। উপসাগরীয়-রাজতন্ত্র, যারা একসময় আসাদ-বিরোধী জিহাদিদের অস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন, আলিঙ্গন করেছিলেন তাঁকে। তবে তাঁর এই জয় ছিল ফাঁপা। কারণ, নিরাপত্তার জন্য তিনি ছিলেন বাইরের ওপর নির্ভরশীল। তাঁর সেনাবাহিনী, যারা বছরের পর বছর গৃহযুদ্ধে লড়েছে, তারা ছিল রণক্লান্ত, ছন্নছাড়া। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ভেঙে পড়েছিল সরকারি অর্থব্যবস্থা। গৃহযুদ্ধের ক্ষত কখনোই কাটিয়ে উঠতে পারেনি দেশ। অসন্তোষকে মোকাবিলা করতে নেমে আসাদ-জমানা নেয় দমনপীড়নের পথ। যা আরও প্রশস্ত করে সামাজিক বিভেদকে।

যাইহোক, আট ডিসেম্বর আসাদের নাটকীয় পতন অবধারিত ছিল। কারণ পরিস্থিতি একেবারেই ছিল তাঁর নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ২০২৩, গাজায় ইজরায়েলে আগ্রাসনের পর তেল আভিভ সিরিয়ায় বিমান হানা চালিয়েছে, যা তাঁর সশস্ত্র বাহিনীকে দুর্বল করেছে। লেবাননে হিজবুল্লা ব্যস্ত ছিল ইজরায়েল যুদ্ধে। ফলে আসাদ পায়নি হিজবুল্লার সহায়তা। ইরান তার অফিসারদের হারিয়েছে সিরিয়ায়। তেহেরান তাই পিছিয়ে গিয়েছে। রাশিয়া ব্যস্ত ইউক্রেন নিয়ে। 

আসাদ-জোটের এই দুর্বলতা এইচএসটি-র কাছে এনে দিয়েছে সুবর্ণ সুযোগ। এইচএসটি-সহ অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর দামাস্কাসে পৌছতে সময় লেগেছে মাত্র বারো-দিন। কারণ আসাদ-বাহিনী কার্যত ভেঙে পড়েছিল।

আসাদের বিদায়ের পর সিরিয়ার সামনে রয়েছে একটি নতুন ভবিষ্যত গড়ার সুযোগ। কিন্তু পরিবর্তনের মূল নিয়ন্ত্রকরা এখনও প্রতিশ্রুতি থেকে অনেক দূরে। সুন্নি, আলাউইট, খ্রিস্টান, শিয়া ও দ্রুজ-সহ একটি বৈচিত্র্যময় দেশ সিরিয়াকে এইচএসটি পরিণত করতে চায় একটি পুরোদস্তুর ইসলামি রাষ্ট্রে। এইচএসটি-র সহযোগী সিরিয়ান ন্যাশনাল আর্মি বকলমে তুর্কি প্রতিনিধি। দক্ষিণে রয়েছে একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠী। এখন দেখার গৃহযুদ্ধের বিজয়ীরা একটি জাতীয় পতাকার নীচে সকলকে একত্রিত করে চলছেন, নাকি কমিউনিস্ট-উত্তর আফগানিস্তান, গদ্দাফি-উত্তর লিবিয়ার পথে হাঁটছে সিরিয়া? 

সকলের আশা, সন্ধিক্ষণে একটি সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির নিরস্ত্রীকরণ হবে, যা তৈরি করবে সকলের অন্তর্ভুক্তির মধ্যে দিয়ে একটি সাধারণতন্ত্রের ভিত। যদিও, সে আশা দূরায়ত। দস্তুর হলো, সিরিয়ার অশান্ত ইতিহাস, সামাজিক ফাটল, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির মধ্যে আদর্শগত ও চারিত্রিক ফারাক ও বৈরিতার অনিবার্য ফল ডেকে আনবে আরও বিশৃঙ্খলা, নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতা। ইরাক এবং লিবিয়ার মত, যেসব দেশের তেলকে নিয়ন্ত্রণ করে আমেরিকা, সিরিয়া হবে সেই তালিকায় নতুন দেশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের ভাগ করে নেওয়া উপনিবেশ। ২০০৩, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাগদাদের পতনের পর উচ্ছ্বসিত ওয়াশিংটনে ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত জর্জ বুশকে অভিনন্দন জানিয়ে পরামর্শ দিয়েছিলেন, এখানে থামবেন না, এগিয়ে চলুন দামাস্কাস, তেহেরানের দিকে।   

আসাদের পতন আসলে ওয়াশিংটন আর তেল আভিভের জয়!  


প্রকাশের তারিখ: ১৩-ডিসেম্বর-২০২৪

© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
৩১ আলিমুদ্দিন স্ট্রীট , কলকাতা ৭০০০১৬, +91 33 2217 6638, +91 70599 23957
marxbadipath.22@gmail.com
www.marxbadipath.org