|
রুশ বিপ্লবে ‘ঊষাকাল’ দেখা এক ‘দিমাগী’ অ্যান্টিফ্যাসিস্টচন্দন দাস |
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ১৮৯৮-র ২৩ জুলাই। বীরভূমের লাভপুরে। প্রয়াত হয়েছেন কলকাতায়, ১৯৭১-এর ১৪ সেপ্টেম্বর। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন মায়ের থেকে। এক মামা ছিলেন উত্তর ভারতের সশস্ত্র বিপ্লবী দলভুক্ত। মায়ের সম্পর্কে তারাশঙ্করের অনেক কথার মাঝে একটি উল্লেখযোগ্য। আমার কালের কথা-য় তারাশঙ্কর লিখছেন, আমার মায়ের দেশপ্রেম ছিল আরও বাস্তব। তিনি পাটনার মেয়ে। বাস্তব রাজনীতি-বোধ তাঁর শুদ্ধমাত্র ধর্ম এবং অদৃষ্টের উপর নির্ভরশীল ছিল না। |
শৈলজা দেবী কাশী গেছিলেন সংসারের অশান্তি থেকে মুক্তি পেতে। সেখান থেকে ফিরে এলেন দেশপ্রেমের সংজ্ঞা ধারণ করে। ভাইপো, প্রাণের টুকরো শিবনাথকে ব্রিটিশের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে ‘স্বদেশী’ করার জন্য। শিবনাথ প্রথমে হয়েছিলেন গুপ্তহত্যায় বিশ্বাসী সংগ্রামী। পরে অভিজ্ঞতার আলোয় লক্ষ্য বেছে নিয়েছে ‘গণবিপ্লব’। শিবনাথের ধনী, শহরের বাসিন্দা ব্যবসায়ী শ্যালক ম্যাজিস্ট্রেটকে বলে রাজি করাবেন শিবনাথকে ছেড়ে দিতে। শুধু শিবনাথকে একটি ‘এগ্রিমেন্ট’-এ রাজি দিতে হবে। তাহলেই খালাস। স্ত্রী গৌরী ক্ষয়িষ্ণু জমিদার বাড়ির সন্তান শিবনাথের জীবনধারণ মেনে নিতে পারেনি। কিন্তু কলকাতায় বাবার বাড়ির বারান্দা থেকে দেশপ্রেমিকদের মিছিল আর সেই মিছিলে সংগ্রামীদের প্রত্যয় দেখতে দেখতে সে আবিষ্কার করে শিবনাথের মননকে। শিবনাথ জেলে। গৌরী ছুটে এসেছে কোলের শিশুকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি। সম্ভবত প্রথমবার গৌরী পিসীমার সঙ্গে একমত হলো জীবনে। যে পিসীমাকে সহ্য করতে না পেরে সে প্রথমবার শিবনাথকে ছেড়ে গেছিল, সেই পিসীমার কথায় সে পুরুষ অভিভাববকদের সামনে এসে দাঁড়ালো। পিসীমা বললেন,‘‘আমি তো ঘাট মানতে বলতে পারবো না। যদি সে অন্যায় করত, কথা ছিল। কিন্তু এ তো অন্যায় নয়। আজ চার বছর কাশীতে থেকে আমি দেখলাম, কাঁচা বয়েসের ছেলে— কচি কচি মুখ— হাসিমুখে জেলে গেল, দ্বীপান্তরে গেল, ফাঁসি গেল। আজ ছ’মাস ধরে দলে দলে ছেলে যুবা বুড়ো জেলে চলেছে দেশের জন্য। আগে শিবু ‘দেশ দেশ’ করত, বুঝতাম না; কিন্তু কাশীতে থেকে বুঝে এলাম, এ কত বড় মহৎ কাজ। এর জন্য ঘাট মানতে তো আমি বলতে পার না বাবা।’’ তারপর? ‘‘গৌরী আর থাকিতে পারিল না, সে আসিয়া শৈলজা দেবীর পায়ে প্রণাম করিয়া উঠিয়ে মৃদুস্বরে বলিল, আমিও পারব না পিসীমা, আপনি ওঁদের বারণ করুন।’’ এক নিমেষে ‘হিন্দুত্ব’র জনক বিনায়ক দামোদর সাভারকারকে ছিন্নভিন্ন করে দিলেন জাতীয়তাবাদী, আস্তিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। ধাত্রীদেবতা শেষ হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদী শাসনের বিরুদ্ধে বিনয়ী কিন্তু দৃঢ় শিবনাথের আপসহীন সংগ্রামের বার্তা দিয়ে। পিসীমা আর স্ত্রী গৌরীর সংকল্পের বর্ণনায় তারাশঙ্কর জানিয়ে দিচ্ছেন— সাম্রাজ্যবাদের কাছে মুচলেকা মানে অপরাধ, নিদারুণ লজ্জাজনক আত্মসমর্পণ। ৮৭ বছর আগে, ১৩৪৬-এর শরতে ধাত্রীদেবতা বই আকারে প্রকাশিত হয়েছিল। অর্থাৎ ১৯৩৯-এর শারদোৎসবের সময়। তার আগে শনিবারের চিঠি-তে তা ধারাবাহিকভাবে বেরিয়েছিল। মূলত প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে অসহযোগ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই উপন্যাস। উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের ভাবনার আলোকে গণদেবতা-র লেখক তাঁকে প্রভাবিত করা উপাদানের সন্ধান দিয়ে রেখেছেন। ধাত্রীদেবতা-য় তারাশঙ্কর প্রেক্ষাপটকে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে লিখলেন, ‘‘দ্রুততম গতিতে পৃথিবীর সকল দেশে বিপ্লব ঘটিয়া চলিয়াছে, রাশিয়ার স্বৈরাচার-তন্ত্র নিশ্চিহ্ন হইয়া গেল গণবিপ্লবের কালবৈশাখীর ঝঞ্ঝাতাড়নায়, তুর্কীতে বিপ্লবের কালো মেঘ দেখা দিয়াছে; সারা ইউরোপে সামাজিক জীবনে একটা বিপ্লব বহিয়া চলিয়াছে। ভারতবর্ষে জালিয়ানওয়ালাবাগের মাটি রক্তাক্ত হইয়া গেল।’’ প্রশ্ন ওঠে তিনি কী কমিউনিস্ট ছিলেন? জবাব দিয়েছেন তারাশঙ্কর স্বয়ং। লিখেছেন, ‘‘হাজার হাজার বৎসর ধরে মানুষের প্রতি মানুষের অন্যায়ের প্রায়শ্চিত্তের কাল একদিন আসবেই। এই আমি বুঝেছিলাম, উনিশশো ষোল, সতেরো সাল থেকে উনিশশো ত্রিশ-একত্রিশ সাল পর্যন্ত গ্রামে গ্রামে মানুষদের মধ্যে ঘুরে এটুকু বুঝেছিলাম যে, সেদিন আসতে আর দেরি হবে না। রুশবিপ্লব সেই দিনের ঊষাকাল তাতে সন্দেহ নাই। বাতাসটা উঠেছিল সেইখানেই প্রথম; সেখান থেকেই বাতাস উঠে এখানকার গুমোটের মধ্যে চাঞ্চল্য তুলেছে। এরজন্য মার্কসবাদ পড়তে হয়নি আমাকে। তবে, মার্কসবাদের এই তত্ত্ব অভিনব।’’ মার্কসবাদের সেই অভিনবত্ব কী? তারাশঙ্কর লিখেছেন, ‘‘এদেশে প্রকাশিত নানা প্রবন্ধের মধ্যে এইটুকু জেনেছি। এদেশে প্রকাশিত নানা প্রবন্ধের মধ্যে একটি সত্যের সন্ধান পেয়েছি, যেটি ভারতীয় সত্যের সঙ্গে সমন্বিত হওয়ার অলঙ্ঘীয় দাবি নিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে। সে হল অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রকে নিয়ন্ত্রণ করার শক্তি। সেই শক্তি যে কেমনভাবে ঠেলে নিয়ে চলেছে মানুষের সমাজকে, মানুষকে, সেই সত্যকে প্রবন্ধ মারফত জেনেছিলাম প্রথম— তারপর গ্রামে গ্রামে ঘুরে সেখানকার সামাজিক উত্থান-পতনের ইতিহাস সংগ্রহ করে মিলিয়ে দেখে উপলব্ধি করেছিলাম এই তত্ত্বকে।’’ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ১৮৯৮-র ২৩ জুলাই। বীরভূমের লাভপুরে। প্রয়াত হয়েছেন কলকাতায়, ১৯৭১-এর ১৪ সেপ্টেম্বর। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন মায়ের থেকে। এক মামা ছিলেন উত্তর ভারতের সশস্ত্র বিপ্লবী দলভুক্ত। মায়ের সম্পর্কে তারাশঙ্করের অনেক কথার মাঝে একটি উল্লেখযোগ্য। আমার কালের কথা -য় তারাশঙ্কর লিখছেন, ‘‘আমার মায়ের দেশপ্রেম ছিল আরও বাস্তব। তিনি পাটনার মেয়ে। বাস্তব রাজনীতি-বোধ তাঁর শুদ্ধমাত্র ধর্ম এবং অদৃষ্টের উপর নির্ভরশীল ছিল না।’’ সিপিআই-এর সাধারণ সম্পাদক যোশীকে চিঠি লিখে কমিউনিস্টদের সঙ্গে নিজের মতের পার্থক্য জানিয়েও তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বলশেভিক বিপ্লবের সাফল্যকে ‘ঊষাকাল’ হিসাবে উল্লেখ করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে তাঁর এখানে প্রবল মিল। তারাশঙ্কর মার্কসবাদের প্রাথমিক ভিত্তিকে পরখ করেছেন গ্রামে গ্রামে ঘুরে। সাহিত্যে সেই সত্যের প্রতিষ্ঠা করেছেন। প্রমাণ? রাত্রির প্রথম প্রহর শেষ হয়ে আসছে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। স্বভাবতই জমাট অন্ধকার নদীর পাড়ে— যতদূর চোখ যায়। গায়ে বর্ষাতি, মাথায় বর্ষাতি টুপি। সেই অন্ধকারে নদীর বালি ভেঙে অহীন্দ্র বাড়ি ফিরছিল। চলাফেরায় সতর্কতার স্পষ্ট ছাপ। ক্ষয়িষ্ণু জমিদার বংশের ছেলে অহীন্দ্র। কালিন্দী-তে তাঁকে এই অবস্থায় গ্রামের বাড়িতে ফেরাচ্ছেন তারাশঙ্কর। তাঁর এই ভাবে বাড়ি ফেরা কেন? সেই প্রশ্নের জবাব লিখেছেন তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তখনও অহীন্দ্র বোঝেনি যে সে অন্ধকারে দিক ভুল করেছে। রায়হাটের চরে না-নেমে সে নেমে পড়েছে কালিন্দীর বুকে জেগে ওঠা সেই চরে, যেখানে পুঁজিবাদের কৌশলের কাছে সামন্ততন্ত্র পরাজিত হয়েছে। যে-চর দেখিয়ে দিয়েছে পুঁজিবাদ কত নোংরা, কতটা নৃশংস, কতটা নিপিড়নের ক্ষমতা সে ধরে। কেন এত সংগোপনে বাড়ি ফিরছে শহরে পড়তে যাওয়া রায়হাটের জমিদার বাড়ির ছেলে? তারাশঙ্কর লিখলেন কারণ— ‘‘বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকের মহাযুদ্ধের পর তখন ভারতের গণ আন্দোলনের প্রথম অধ্যায় শেষ হইয়াছে। নূতন অধ্যায়ের সূচনায় রাশিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত সমাজতন্ত্রবাদী যুবক-সম্প্রদায়ের এক ষড়যন্ত্র আবিষ্কৃত হইয়া পড়িল। ভারতের নানা স্থানে খানাতল্লাসী এবং ধরপাকড় আরম্ভ হইয়া গিয়াছে। অহীন্দ্র ছিল ইউ.পি-র কোন একটা শহরে। সেখান হইতে আত্মগোপন করিয়া আসিতেছে। আবার আজই, রাত্রির অন্ধকার থাকিতে থাকিতেই বাহির হইয়া পড়িতে হইবে। দৃঢ় দীর্ঘ পদক্ষেপে বালি ভাঙিয়া কুলে আসিয়া উঠিল।’’ তখনই অহীন্দ্র বুঝল সে ভুল চরে উঠেছে। অহীন্দ্র কে? ‘সমাজতন্ত্রবাদী’ যুবক, মীরাট ষড়যন্ত্র মামলার পর দেশজুড়ে ব্রিটিশের ধরপাকড়ের সময় অহীন্দ্র আত্মগোপন করেছেন। তারাশঙ্করের উপন্যাসে সে-ই প্রধান চরিত্র। কিন্তু কেন অহীন্দ্র এত বিপদ মাথায় নিয়ে রায়হাটে ফিরছিল? ভালোবাসার অনুভূতি ছাড়া বিপ্লবী হওয়া যায় না। বিপ্লবী না-হলে কালিন্দীর চর ভেঙে অন্ধকারকে অস্বীকার করা যায় না। কালিন্দীর চর ভেঙে, মীরাট ষড়যন্ত্র মামলার দিনগুলিতে এক আত্মগোপনকারী কমিউনিস্টকে তারাশঙ্কর কয়েক ঘণ্টার জন্য গ্রামে ফেরানোর কথা ভাবতে পারেন। কারণ— ‘গভীর অন্ধকারের মধ্যে আত্মগোপন করিয়া এই দুর্যোগ মাথায় করিয়া সে মা ও উমার সঙ্গে দেখা করিতে আসিয়াছে।’ মা অহীন্দ্রর অনন্ত ভরসা, অপরিসীম শ্রদ্ধা। উমা? তাঁর স্ত্রী, ভালোবাসার স্রোতস্বিনী। নিজের জীবনই এখানে উপন্যাসে বাঙ্ময় করেছেন তারাশঙ্কর। গান্ধীজীর ডাকে আইন অমান্য আন্দোলনে যোগ দিয়ে তারাশঙ্কর গ্রেপ্তার হন ১৯৩০-এ। জেলেই রাজনীতি ত্যাগের সিদ্ধান্ত। তবে পরবর্তীকালে বিভিন্ন আন্দোলনে তাঁকে দেখা গেছে। সময়ের দাবি অস্বীকার করেননি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৩১-এ জেল থেকে বেরিয়ে প্রথম উপন্যাস চৈতালী ঘূর্ণী। শনিবারের চিঠি আর প্রবাসী-তে ধারাবাহিক প্রকাশিত হয়েছিল ধাত্রীদেবতা এবং কালিন্দী। মার্কসাবাদী চিন্তাবিদ চিন্মমোহন সেহানবীশের কথায়, ‘‘গণদেবতা, বিশেষ করে পঞ্চগ্রাম-এর পরিপূর্ণতায় না পৌঁছলেও, বলাবাহুল্য ঐ তিনটি উপন্যাসই তখন প্রবলভাবে নাড়া দিয়েছিল আমাদের তরুণ, রোমান্টিক মনকে।’’ সেই তারাশঙ্করকে আমরা দেখতে পাচ্ছি ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট হলে ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী লেখক সম্মেলন’-এ। ১৯৪২-র ডিসেম্বরে। তিনি নির্বাচিত হন লেখক ও শিল্পী সঙ্ঘের সভাপতি পদে। তারাশঙ্করের কথায়, ‘‘আমার জীবনে অ্যান্টিফ্যাশিস্ট রাইটার্স অ্যান্ড আর্টিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সংগ্রামের অধ্যায়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।’’ মহম্মদ আলি পার্কে সেই সম্মেলনে তাঁর গলায় বলিষ্ঠ আশা, ‘‘দেশের গণ চেতনায় নব স্পন্দন সূচিত হচ্ছে। মূহ্যমান আশা মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। ...বাংলার কৃষক, বাংলার শ্রমিক, বাংলার শিক্ষিত অশিক্ষিত জনসাধারণের সঙ্গে সম্মিলিত হয়ে নব জীবনের পথে যাত্রা করবে। ...সময় আসছে, সময় হয়েছে, বাঙালি সাহিত্যিক বৃন্দকে আমিও আহ্বান জানাচ্ছি— রচনা কর, রচনা কর নব জীবনের গান।’’ কখন? ১৯৪৫-র মার্চে। মন্বন্তর পেরিয়ে আসা দেশের সামনে তখন বিক্ষুব্ধ সময়— দেশভাগ, সাম্প্রদায়িকতার আশঙ্কার মাঝেই বিপ্লবের প্রবল সম্ভাবনা। তিনিও কী প্রধানমন্ত্রী মোদী, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ব্যাখ্যা অনুসারে দেশবিরোধী ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’য়ের অংশ? নাকি অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান তাঁকে ‘উষাকাল’-এর সন্ধান দিয়েছিল? আমার সাহিত্য জীবন-এ তারাশঙ্কর লিখেছেন, ‘‘অনেকে আমাকে মার্কসবাদ প্রভাবিত বলে ঠাউরেছেন। কিন্তু মার্কসের ক্যাপিটাল বা তাঁর লেখা কোন বই আমি পড়িনি। এদেশে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত মার্কসবাদের ওপর লেখা প্রবন্ধ কিছু কিছু পড়েছি মাত্র। আমার সম্বল প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা, তা থেকেই আমি আমার উপলব্ধিসম্মত সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলাম।’’ *তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়াণ দিবসে প্রকাশের তারিখ: ১৪-সেপ্টেম্বর-২০২৬ |
© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |