এই তো সবে শুরু

এম এ বেবি
এখন সময় সংগ্রামের পথে থাকা সকল শক্তির ঐক্যকে অটুট রাখার, আরও বেশি সংগঠন ও সামাজিক শক্তিকে সংগ্রামের পথে একত্রিত করার এবং কেন্দ্রে ও রাজ্যে যেখানে যেখানে বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে, সেখানে তাদের ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য  নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক আন্দোলন গড়ে তোলার। জনগণের ঐক্য ভাঙতে আরএসএস ও বিজেপি তাদের পুরনো বিভাজনের কৌশল আবারও শুরু করেছে।

দিল্লির যন্তরমন্তরে'র যুদ্ধজয় থেকে জন্ম নিয়েছে স্বাধীন ভারতের ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায়। বাতাসে ইঙ্গিত স্পষ্ট, যে শীঘ্রই নরেন্দ্র মোদীর বিজেপি সরকারের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটতে চলেছে।

‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে তাঁর বিজয় ভাষণে ইঙ্গিত করেন যে, ১৫ মে ভারতের প্রধান বিচারপতির মন্তব্য,যেখানে তিনি দেশের শিক্ষিত বেকারদের ‘আরশোলা’র সঙ্গে তুলনা করেছিলেন, তা দেশজুড়ে এক তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করে। সেই ক্ষোভের বিষ্ফোরণেই গঠিত হয় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। এই রাগে নিজেকে উষ্ণ করেছে দেশের ছাত্র-যুব'রা। প্রাথমিকভাবে ইন্টারনেটে ও পরবর্তীতে প্রকাশ্য রাজপথে নেমে আসে আগুন। মূলত NEET পরীক্ষায় লাগামছাড়া দুর্নীতি ও ২২ জন পড়ুয়ার আত্মহত্যার ঘটনায় বাড়তে থাকে আগুনের আঁচ।

শাসনে যতই ঘেরো:

সমগ্র বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেছে, কীভাবে এই আন্দোলন দমন করতে কেন্দ্রীয় সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রের নানা কৌশল ও দমনমূলক পদক্ষেপের আশ্রয় নিয়েছিল। আন্দোলনস্থল এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়। যন্তরমন্তরে সমবেত হওয়া হাজার হাজার ছাত্র-যুব, ‘সংসদ ভবন অভিযান’-এর দিন পুলিশের নৃশংস আক্রমণের শিকার হন; আন্দোলনের মঞ্চ ও অন্যান্য পরিকাঠামোও ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। রাষ্ট্রের তরফে নৃশংস হামলা চালানো হলেও, উল্টে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধেই একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়।

তবু এই আঘাত আন্দোলনকারীদের মনোবল ভেঙে দিতে পারেনি। সমস্ত বাধা-বিপত্তিকে অগ্রাহ্য করে পরদিনই তারা আরও বৃহত্তর সংখ্যায় যন্তরমন্তরে ফিরে আসে। মধ্য দিল্লিতে যাতায়াতের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ, বিশেষত মেট্রো স্টেশনগুলি বন্ধ করে দেওয়া এবং জন্তর মন্তরে সমাবেশ নিষিদ্ধ করার মতো প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তাঁদের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ অবিচলভাবে অব্যাহত থাকে। গোটা দেশজুড়ে, এমনকি বিলেতের রাজপথও উত্তাল হয়েছে দিল্লির সংহতিতে। রাস্তায় নেমেছে বহু ছাত্র ও যুব সংগঠন। আন্দোলনকারীদের জন্য সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা পাওয়া গেছে। বহু সচেতন নাগরিক এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, নিয়মিত আন্দোলনস্থলে খাদ্য, পানীয় জল ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিয়ে আন্দোলনের শক্তিকে আরও সুদৃঢ় করে তুলেছে। এসএফআই, এআইএসএফ, আইসা-সহ সংগঠিত ছাত্র সংগঠন, দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে এই লড়াইয়ের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ সমর্থন গড়ে তোলে। পাশাপাশি, ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ (সিজেপি) অনলাইন প্রচারাভিযান সাধারণ মানুষের মধ্যে অভূতপূর্ব সাড়া জাগায় এবং স্বতঃস্ফূর্ত জনসমর্থনের এক বিস্তৃত ভিত্তি নির্মাণ করতে সক্ষম হয়। পরিশেষে, এই আন্দোলন এবং সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণই কেন্দ্রীয় সরকারকে নতিস্বীকার করতে বাধ্য করে এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ  করতে বাধ্য করে।

ইতিহাস প্রমাণ যে জনতার ঢেউ শাসককে বাধ্য করে অধিকার ফিরিয়ে দিতে। এই আন্দোলন ছিনিয়ে এনেছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, তবে মনে রাখতে হবে কতটা নির্লজ্জভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আড়াল করতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, তথা ভারতের ইতিহাসের অন্যতম বড়ো দুর্নীতিকে। তবুও এই জয় আশার। এই পোড়া দেশের আপামর মানুষের কাছে গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার আলো হয়ে জ্বলে উঠে এই লড়াই নিশ্চিত করেছে যে বিজেপির কর্পোরেট-কম্যুনাল নেক্সাস সত্য, তবে শেষ সত্য নয়।

স্বপ্ন দেখা পড়ুয়ারা ও বামপন্থী রাজনৈতিক দলসমূহ:

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP), ২০২০-এর বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই গড়ে তুলতে হবে। এই নীতিই সেই উৎস, যেখান থেকে কেন্দ্রীকরণ (Centralisation), বাণিজ্যিকীকরণ (Commercialisation) এবং সাম্প্রদায়িকীকরণ (Communalisation)-এর স্রোত প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে এই নীতি, শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি ও চরম অব্যবস্থাপনার পথও প্রশস্ত করছে।

এই কারণেই শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে সারা ভারত জুড়ে আন্দোলন সংগঠিত করছে ‘ভারতের ছাত্র ফেডারেশন’ (SFI)। বিহারের নালন্দায় অনুষ্ঠিত এমনই এক আন্দোলনের নেত্রী, কান্তি কুমারী, ভারতের ছাত্র ফেডারেশন, বিহার রাজ্য কমিটির সভাপতি এবং তার একাধিক সহযোদ্ধা গতকাল পর্যন্ত কারাবন্দি ছিলেন। তাই শিক্ষামন্ত্রী তথা কেন্দ্রীয় সরকারের জবাবদিহির দাবিতে গড়ে ওঠা এই আন্দোলনে স্বভাবতই ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।

এই আন্দোলনের একেবারে শুরু থেকেই সিজেপি (CJP)-এর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলন সংগঠিত করার ক্ষেত্রে বামপন্থী ও প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলি মূল চালিকাশক্তির ভূমিকা পালন করে।

এসএফআই-এর সর্বভারতীয় সভাপতি আদর্শ সাজি এবং সর্বভারতীয় যুগ্ম সম্পাদক ঐশী ঘোষ, অভিজিৎ দিপকের সঙ্গে অনশনেও অংশগ্রহণ করেন। আন্দোলনের বিজয়ের পর সিজেপি (CJP) আনুষ্ঠানিকভাবে এসএফআই এবং অন্যান্য প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলির সমর্থন ও দিকনির্দেশনার কথা স্বীকার করে এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

সিজেপির অন্যতম মুখপাত্র, অশুতোষ রাঙ্কা, তার এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন—

“তোমরাই এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান শক্তি হয়ে উঠেছিলে।” (“You guys really proved pivotal in this movement.”)

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছিল এই আন্দোলনের কেবল প্রথম ধাপ। এখন দাবি স্পষ্ট, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সমস্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং ছাত্র-যুবদের উপর নৃশংস হামলা চালানো সমস্ত পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। NEET কেলেঙ্কারির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে। সর্বোপরি, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)-কে বাতিল করে, জাতীয় শিক্ষা নীতি'২০২০ (NEP'2020),সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করতে হবে। এই সংগ্রামের চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এসএফআই-সহ বামপন্থী ও প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলি ধারাবাহিকভাবে এই দাবিগুলির পক্ষে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি(মার্কসবাদী) এবং বামপন্থী দলগুলি, আন্দোলনের একেবারে শুরু থেকেই এই আন্দোলনের পাশে নিজেদের দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট করেছে। কারণ, আমরা এমন একটি গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও বৈজ্ঞানিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বিশ্বাস করি, যা সমাজের সকলের জন্য সমানভাবে সহজলভ্য। আমরা দাবি জানিয়েছিলাম, সংসদে সর্বাগ্রে ছাত্রদের এই সংকট নিয়ে আলোচনা করতে হবে। আন্দোলনটি সর্বজনীন গণআন্দোলনে পরিণত হওয়ার আগেই আমাদের নেতৃবৃন্দ ও সাংসদরা আন্দোলনরত ছাত্রদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের প্রতি সংহতি ও সমর্থন জ্ঞাপন করেছিলেন। এই আন্দোলনে বামপন্থীদের হস্তক্ষেপ ও ভূমিকা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে, The Wire-এর মতো সংবাদমাধ্যম এবং The Times of India-এর মতো সংবাদপত্রও আন্দোলনকে সফল করে তুলতে আমাদের এবং ছাত্র সংগঠনগুলির ভূমিকার স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছিল।

এই আন্দোলনের প্রতি দেশজুড়ে ব্যাপক জনসমর্থন গড়ে তুলতে, সোনম ওয়াংচুকের অনশন বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল। আরও উৎসাহব্যঞ্জক বিষয় হল, ক্রীড়া, শিল্প, চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরাও এই আন্দোলনের সমর্থনে প্রকাশ্যে এগিয়ে এসেছিলেন।

ঢেউ উঠছে, কারা টুটছে:

নতুন প্রজন্ম বা ‘জেন-জি’(Gen-Z) দেখিয়ে দিয়েছে, ভয়ে পিছিয়ে থাকার বা সংগ্রাম থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখার সময় ফুরিয়েছে, এবার মন্ত্র মাভৈঃ বাণী। এই আন্দোলন চিনিয়ে দিলো ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের পরাক্রম। সংগঠিত ও সম্মিলিত প্রতিরোধের সামনে অন্যায় ও দমননীতি টিকতে পারে না। পাঁচ বছর আগে, কৃষক ও খেতমজুরদের ঐতিহাসিক এক বছরব্যাপী আন্দোলনও একই সত্য প্রমাণ করেছিল। সেই আন্দোলনে প্রায় ৭০০ জন শহিদ হয়েছিলেন। সংসদে বিরোধীদের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও অগণতান্ত্রিকভাবে পাশ করানো তিনটি কৃষি আইন শেষ পর্যন্ত জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের চাপে সেই সংসদকেই প্রত্যাহার করতে হয়েছিল। সেই ছিল জনগণের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের কাছে তথাকথিত ‘৫৬ ইঞ্চি বুকের ছাতি’-র প্রথম আত্মসমর্পণ। আর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ সেই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় দৃষ্টান্ত, যা আবারও প্রমাণ করল, রাস্তাই একমাত্র রাস্তা। মহিলা সংগঠনগুলি সংসদে ও রাজ্য বিধানসভাগুলিতে যথাযথ মহিলা সংরক্ষণ, অবিলম্বে কার্যকর করার দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। মাত্র কয়েক মাস আগেই উত্তর ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে শ্রমিকদের স্বতঃস্ফূর্ত বিক্ষোভ গড়ে উঠেছিল। তারও আগে, সিপিআই(এম)-এর উদ্যোগে উত্তর ভারতের ১৩টি রাজ্যে ‘জন আক্রোশ যাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে মানুষের জীবিকা ও জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নকে তুলে হয়। এরও কিছুদিন আগে, কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলি সফলভাবে একটি সর্বভারতীয় সাধারণ ধর্মঘট সংগঠিত করেছিল, যা সংযুক্ত কিসান মোর্চার সমর্থন লাভ করেছিল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিরোধের একের পর এক ঢেউ সৃষ্টি হচ্ছে। নারী, শ্রমিক, কৃষক, খেতমজুর, ছাত্র ও যুব—সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে আরএসএস-বিজেপি’র রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সামিল হচ্ছেন।

এখন সময় সংগ্রামের পথে থাকা সকল শক্তির ঐক্যকে অটুট রাখার, আরও বেশি সংগঠন ও সামাজিক শক্তিকে সংগ্রামের পথে একত্রিত করার এবং কেন্দ্রে ও রাজ্যে যেখানে যেখানে বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে, সেখানে তাদের ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য  নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক আন্দোলন গড়ে তোলার। জনগণের ঐক্য ভাঙতে আরএসএস ও বিজেপি তাদের পুরনো বিভাজনের কৌশল আবারও শুরু করেছে। এবার তারা ছাত্রসমাজকে বিভক্ত করার জন্য সংরক্ষণের প্রশ্নকে সামনে আনছে। এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জেন-জি প্রজন্মকে সতর্ক থাকতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে এবং পর্যাপ্ত সুযোগের অভাবের সমাধান হিসেবে আরও বেশি শিক্ষাসংস্থান ও কর্মসংস্থানের দাবি তুলতে হবে। একই সঙ্গে ভারতীয় সমাজকে, বিশেষত শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রকে, বিষমুক্ত করার জন্য আরএসএস-বিরোধী এক বিস্তৃত আন্দোলনও গড়ে তোলা প্রয়োজন। শেষ পর্যন্ত এই নয়া-ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলিকে নতুন প্রজন্মের আন্দোলনই নত হতে বাধ্য করবে।

দিল্লির যন্তর মন্তরের এই ঐতিহাসিক আন্দোলনে যাঁরা অংশ নিয়েছেন, সমর্থন করেছেন এবং গোটা  দেশে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন, তাঁদের সকলকে লাল সেলাম!

ভাষান্তর: অভিনব বসু


প্রকাশের তারিখ: ০২-আগস্ট-২০২৬

© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
৩১ আলিমুদ্দিন স্ট্রীট , কলকাতা ৭০০০১৬, +91 33 2217 6638, +91 70599 23957
marxbadipath.22@gmail.com
www.marxbadipath.org