ভারতের নির্মাণ (শেষ পর্ব)

আইজাজ আহমেদ
আধুনিক ভারতের ইতিহাসে আরএসএস-ই হল প্রথম এমন এক রাজনৈতিক-ধর্মীয় আন্দোলন, যা একই সঙ্গে ‘চার্চ’ ও ‘রাষ্ট্র’ উভয় ভূমিকাই পালন করতে চায়। এর ‘পরিবার’ প্রতিনিয়ত সর্ব-ভারতব্যাপী নতুন নতুন আচার-অনুষ্ঠানের উদ্ভাবন ঘটিয়ে চলেছে, অত্যন্ত খণ্ড-বিখণ্ড হিন্দু সমাজকে এক অখণ্ড ও একক সত্তায় রূপান্তরিত করে নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে। দলিত ও আদিবাসীদের ক্ষেত্রে তাদের বিভিন্ন প্রকল্পগুলোর উদ্দেশ্য হলো ব্রাহ্মণ্যবাদ-বিরোধী আন্দোলনগুলোকে দুর্বল করে দেওয়া; জাতিভেদ-পীড়িত সমাজের এই ভুক্তভোগীদের নিজেদের ‘সংস্কৃতায়ন’ প্রক্রিয়ার সাথে একীভূত করে নেওয়া; এবং সর্বোপরি, মুসলিম ও খ্রিস্টান ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে পরিচালিত কর্মসূচিতে তাদের মধ্য থেকে যত বেশি সম্ভব মানুষকে পদাতিক সৈনিক হিসেবে ব্যবহার করা।

দ্বিতীয় পর্বের পরে...

১৯১৯ সাল থেকে জাতীয় আন্দোলন যখন প্রকৃত অর্থেই একটি গণ-আন্দোলনে পরিণত হলো এবং পরবর্তী দশক বা তার পরের সময়ে ক্রমশ একটি সুস্পষ্ট সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী আন্দোলনে রূপান্তরিত হলো, তখন দুটি বিষয়ই যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছিল — জাতীয় আন্দোলন হবে সাংস্কৃতিকভাবে মিশ্র ও সম্প্রদায়গত দিক থেকে অন্তর্ভুক্তিমূলক। এবং অধিকতর ঐক্যবদ্ধ ও সমতাভিত্তিক ভারত গড়ার লক্ষ্যে ভারতীয় সমাজের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই সংস্কার সাধন প্রয়োজন। জাতীয় আন্দোলনের এই মূলত উদারনৈতিক গঠনকাঠামো স্বভাবতই একটি দক্ষিণপন্থী প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছিল, যা আরএসএস এবং হিন্দু মহাসভার মতো সংগঠনগুলোর মাধ্যমে বিশেষভাবে লক্ষণীয় ছিল, যদিও ঔপনিবেশিকতাবিরোধী সংগ্রামের পুরোটা সময় জুড়েই ভারতীয় সমাজে এই দক্ষিণপন্থী ধারাটি ছিল অত্যন্ত প্রান্তিক একটি উপাদান। অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ ছিল ১৯২০-এর দশক থেকে শ্রমিকশ্রেণির সংগ্রামী চেতনার বৃদ্ধি এবং কমিউনিস্ট আন্দোলনের উত্থান। যেখানে আরএসএস প্রমুখ সংগঠনগুলো তাদের ফ্যাসিবাদী সহানুভূতি এবং ঔপনিবেশিক কর্তৃপক্ষের সাথে সক্রিয় সহযোগিতার জন্য নিন্দিত ছিল, সেখানে ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলন ভারতীয় সমাজের উদারনৈতিক জাতীয়তাবাদের সীমাবদ্ধতা দেখে মোহভঙ্গ হওয়া অনেক সংগ্রামী অংশকে আকৃষ্ট করেছিল। এই আন্দোলন গড়ে উঠেছিল বিশ্বব্যাপী ফ্যাসিবাদ-বিরোধী সংগ্রামের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে ক্রমবর্ধমান ঔপনিবেশিকতা-বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এবং এর অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে। এর থেকেই বোঝা যায় কেন স্বাধীনতা-পরবর্তী প্রজাতন্ত্রের প্রাথমিক দশকগুলোতে ভারতীয় রাজনীতিতে যেখানে উগ্র-দক্ষিণপন্থীরা ছিল সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন, সেখানে সেই সময়ে উদারনৈতিক বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদের প্রধান আদর্শগত বিকল্প হিসেবে গণ্য হতো কমিউনিস্ট বামপন্থীরা। একইসাথে, কমিউনিস্ট বামপন্থী এবং নেহরু-যুগের রাষ্ট্রব্যবস্থা — উভয়েই ভারতীয় সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলো ধারণ করত। 

স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে উদ্ভূত সেই রাষ্ট্রের স্বরূপের দিকে তাকালে দেখা যাবে:

প্রথমত, দেশভাগের সময়কার সাম্প্রদায়িক সংহারযজ্ঞ সত্ত্বেও এবং প্রতিবেশী পাকিস্তানের ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রের সম্পূর্ণ বিপরীত ধারণায়, ভারত একটি ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়েছিল, কোনো ‘হিন্দু রাষ্ট্রে’ নয়।

দ্বিতীয়ত, এই প্রজাতন্ত্রটি কোনো একক জাতি-রাষ্ট্র হিসেবে পরিকল্পিত হয়নি। এটিকে ভাবা হয়েছিল ‘জাতিসত্তাসমূহের একটি মিলন’ হিসেবে। ঔপনিবেশিক শাসনামলে প্রশাসনিক সুবিধার্থে যে রাষ্ট্রীয় সীমানাগুলো নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেগুলোকে এখন ‘জাতীয়তা’র নীতি অনুসারে নতুন করে বিন্যস্ত করা হলো।

তৃতীয়ত, ‘জাতিসত্তাসমূহের মিলন’ কেবল এমন একটি যুক্তরাষ্ট্রই হতে পারে, যেখানে অঙ্গরাজ্যগুলোর ওপর যথেষ্ট ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে।

চতুর্থত, একটি চরমভাবে শোষিত ও দরিদ্র উপনিবেশকে একটি আধুনিক শিল্পায়িত সমাজে রূপান্তরিত করার প্রচেষ্টায় স্বীকৃত হয়েছিল ফেডারেল কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত এককগুলোর ঊর্ধ্বে একটি শক্তিশালী জাতীয় রাষ্ট্র গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা – দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা, ব্যাপক সমাজ সংস্কার, সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং বিদেশি পুঁজির আগ্রাসন থেকে জাতীয় অর্থনীতিকে রক্ষার লক্ষ্যে।

পঞ্চমত, ধর্মীয় বহুত্ববাদ, আঞ্চলিক বৈচিত্র্য, আমূল সমাজ সংস্কার, বিজ্ঞান ও আধুনিকতার প্রতি অঙ্গীকার এবং বৃহত্তর জনস্বার্থে ব্যক্তিগত লোভ সংবরণের এইসব মূল্যবোধ, সংবিধান এবং সেই সময়ের বেশ কিছু নথিপত্রে লিপিবদ্ধ হয়েছিল। গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র এবং জোটনিরপেক্ষতার মূল ধারণাগুলোই ঔপনিবেশিক শাসন থেকে বেরিয়ে আসা আধুনিক ভারতের আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে উঠেছিল।

এমনটা বলা যাবে না যে, সেই প্রাথমিক পর্বের – ধরা যাক, স্বাধীনতার পরবর্তী প্রথম পঁচিশ বছরের – রাষ্ট্রীয় নীতিসমূহ প্রকৃতপক্ষে সেই নীতিমালার আলোকেই প্রণীত হয়েছিল। কিন্তু সেই নীতিমালার উপস্থাপন এতটাই জোরালো এবং সেগুলোর প্রতি আনুগত্য এতটাই ব্যাপক ছিল যে, গৃহীত নীতিসমূহকে শেষমেশ সেই নীতিমালার আলোকেই বিচার করা হতো। রাষ্ট্রের নীতিসমূহ সর্বদা সুসংগত ছিল এমন নয়।  কিন্তু এমন এক ব্যাপক জনচেতনা গড়ে উঠেছিল, যার কাছে ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, বহুত্ববাদ, পুনর্বণ্টনমূলক ন্যায়বিচার এবং জাতীয় স্বাধীনতা ভারতীয় রাষ্ট্রব্যবস্থার আদর্শগত আকাঙ্ক্ষায় পরিণত হয়েছিল।

এর পরে রাষ্ট্র ক্রমাগত এই নীতিগুলি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ল; বিগত অন্তত তিন দশক ধরে কংগ্রেস নিজেই এই অবক্ষয়ে তার ভূমিকা রেখেছে। তবে, কেবল গত এক দশক বা তার কিছু বেশি সময়ের মধ্যেই আরএসএস, ভিএইচপি এবং বিজেপি-র জোট ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে প্রজাতন্ত্রের সেই সমস্ত আদর্শিক নীতিকে বর্জন করা হয়েছে।

📲এখন এক ক্লিকেই মার্কসবাদী পথ আপনার হোয়াটস অ্যাপে

কেবল ধর্মনিরপেক্ষতাই নয়, বরং হিন্দু মতবাদের অন্তর্গত তাত্ত্বিক বহুত্বকেও উন্মাদের মতো এক ‘সর্ব-ভারতীয় ধর্মীয় চেতনা’র উদ্ভাবনের মাধ্যমে গুলিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। আধুনিক ভারতের ইতিহাসে আরএসএস-ই হল প্রথম এমন এক রাজনৈতিক-ধর্মীয় আন্দোলন, যা একই সঙ্গে ‘চার্চ’ ও ‘রাষ্ট্র’ উভয় ভূমিকাই পালন করতে চায়। এর ‘পরিবার’ প্রতিনিয়ত সর্ব-ভারতব্যাপী নতুন নতুন আচার-অনুষ্ঠানের উদ্ভাবন ঘটিয়ে চলেছে, অত্যন্ত খণ্ড-বিখণ্ড হিন্দু সমাজকে এক অখণ্ড ও একক সত্তায় রূপান্তরিত করে নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে। দলিত ও আদিবাসীদের ক্ষেত্রে তাদের বিভিন্ন প্রকল্পগুলোর উদ্দেশ্য হলো ব্রাহ্মণ্যবাদ-বিরোধী আন্দোলনগুলোকে দুর্বল করে দেওয়া; জাতিভেদ-পীড়িত সমাজের এই ভুক্তভোগীদের নিজেদের ‘সংস্কৃতায়ন’ প্রক্রিয়ার সাথে একীভূত করে নেওয়া; এবং সর্বোপরি, মুসলিম ও খ্রিস্টান ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে পরিচালিত কর্মসূচিতে তাদের মধ্য থেকে যত বেশি সম্ভব মানুষকে পদাতিক সৈনিক হিসেবে ব্যবহার করা। প্রজাতন্ত্রের ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধের প্রতি আরএসএস যে হুমকি সৃষ্টি করেছে, তা বস্তুত সমগ্র ভারতীয় সমাজের প্রতিই এক হুমকি – সেটা হিন্দু সমাজের উদারপন্থী অংশের ধর্মীয় বহুত্ববাদই হোক, দলিত ও আদিবাসীদের জাতিভেদ-বিরোধী আকাঙ্ক্ষাই হোক, ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাই হোক, কিংবা ধর্মনিরপেক্ষ ও সাম্যবাদী মূল্যবোধের উৎস হিসেবে ধর্ম ও জাতির জগতকে পরিত্যাগ করে আধুনিক বিপ্লবী ঐতিহ্যকেই গ্রহণ করেছে এমন মানুষই হোক।

আধুনিক ও যুক্তিবাদী জীবনের রীতিনীতির প্রতি যে হুমকি, তা ক্রমশ সামগ্রিক জনজীবনের ভিত্তিকেই দুর্বল করে তোলার পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে। ইতিহাসের পাঠ্যপুস্তক রচনা এবং বিভিন্ন শাখায় নতুন পাঠ্যক্রম প্রবর্তনের ক্ষেত্রে অ্যাকাডেমিক গবেষণার অতি প্রাথমিক রীতিনীতিগুলোকেও যেভাবে অবলীলায় বর্জন করা হচ্ছে, ঠিক একইভাবে প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার ক্ষেত্রেও ‘হিন্দুত্ব’ প্রকল্পের স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের মৌলিক মানদণ্ডগুলোকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। গুজরাট ও দেশের অন্যান্য প্রান্তে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার যে বর্বরোচিত অধঃপতন আমরা প্রত্যক্ষ করেছি, সে কথা বাদ দিলেও, এমনকি বিচারবিভাগের কোনো কোনো বেঞ্চ থেকে আসা বিভিন্ন রায় বা মন্তব্যেও এখন সেই একই উদ্দেশ্য বা অভিসন্ধি উদ্বেগজনক মাত্রায় ফুটে উঠতে দেখা যাচ্ছে।

রাজনীতি ও সমাজক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তনের পরিপূরক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে চরম নয়া-উদারবাদের ভয়াবহ সব নীতি, যা সর্বপ্রথম পাবলিক সেক্টরগুলোকে ভেঙে ফেলছে এবং সেই সাথে ভারতীয় শিল্প, ভারতীয় কৃষক, এমনকি দেশের জৈব প্রাকৃতিক জীবনের বিচিত্র সব প্রজাতিকে রক্ষাকারী যাবতীয় সুরক্ষাব্যবস্থাকেও ভেঙে চুরমার করে দিচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায়, ভারত কেবল প্রধান সাম্রাজ্যবাদী শক্তিরই নয়, বরং ইজরায়েলের মতো দ্বিতীয় সারির ক্ষুদ্র শক্তিরও একটি অনুগত মক্কেল-রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে।

পরিশেষে, আমি দুটি বিষয় তুলে ধরতে চাই। প্রথমত, আজ আমরা যে কেবল ধর্মনিরপেক্ষতা ও সাম্প্রদায়িকতার মধ্যকার বৈপরীত্যেরই মুখোমুখি, তা নয়, বরং আমরা এক অনেক বেশি ব্যাপক ও মৌলিক সংঘাতের সম্মুখীন, যেখানে উগ্র-দক্ষিণপন্থার ক্রমবর্ধমান প্রভাবশালী শক্তিগুলো ভারতের প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠালগ্নে প্রণীত নীতিমালার ওপর এক যৌথ ও সর্বাত্মক আক্রমণের উদ্দেশ্যে বহিরাগত সাম্রাজ্যবাদের সাথে হাত মিলিয়েছে। তারা যে ভারত গড়ে তুলতে চায়, তা ঔপনিবেশিকতাবিরোধী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা ভারতকে নস্যাৎ করে দেবে। 

আমার দ্বিতীয় বক্তব্য হলো, আমাদের প্রজাতন্ত্র গঠনের প্রক্রিয়ায় গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, স্বাধীন জাতীয় অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতি, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং নিপীড়িত জাতি ও শ্রেণির ঐতিহাসিক বঞ্চনা নিরসনের অধিকার – এই বিবিধ নীতিমালার মধ্যে এক বিশেষ কাঠামোগত সম্পর্ক বিদ্যমান। যারা সেই প্রকল্পের কোনো একটি নির্দিষ্ট দিকের বিরোধী, তারা সামগ্রিকভাবে পুরো প্রকল্পেরই – এর প্রতিটি অংশেরই বিরোধী। অতএব, সেই জাতীয় প্রকল্পটিকে দেশীয় প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি এবং বিদেশি সাম্রাজ্যবাদ উভয়ের আক্রমণ থেকেই রক্ষা করার লক্ষ্যে আমাদেরও একটি ব্যাপক ঐক্য গড়ে তোলা প্রয়োজন। কার্যত, এর মাধ্যমেই একটি ‘নতুন ভারত’ নির্মাণ করতে হবে – এমন এক ভারত, যার আভাস আমরা আমাদের অতীত ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে বারবার পেয়েছি, যে ভারত মূলত আমাদের সকলের অভিন্ন ভবিষ্যতেরই সম্পদ। এটি হবে আমাদের অসমাপ্ত জাতীয় মুক্তি আন্দোলনেরই যেন এক দ্বিতীয় অধ্যায়।

ভাষান্তর: শ্যামাশীষ ঘোষ
(এনবিএ প্রকাশিত ভারত ও ভারততত্ত্ব – অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ, সুকুমারী ভট্টাচার্য সম্মাননা গ্রন্থ থেকে নেওয়া। বইটির প্রকাশকাল ২০০৪ সাল
)

প্রথম পর্ব
দ্বিতীয় পর্ব


প্রকাশের তারিখ: ২৭-মে-২০২৬

© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
৩১ আলিমুদ্দিন স্ট্রীট , কলকাতা ৭০০০১৬, +91 33 2217 6638, +91 70599 23957
marxbadipath.22@gmail.com
www.marxbadipath.org