সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

নিবন্ধের খোঁজ

এখানে আপনি লেখক, নিবন্ধের বিষয়, তথ্য, প্রকাশের তারিখ দিয়ে বিভিন্নভাবে খুঁজতে পারেন, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই খোঁজা যাবে।

লেখক
প্রকাশকাল -
বিষয়/লেখক/কিওয়ার্ড
আপনি খুঁজছেন এমন নিবন্ধ যার লেখক/লেখিকা: [উৎসা পট্টনায়েক - Utsa Patnaik],
রোজা লুক্সেমবার্গের জীবন ও চিন্তা- দ্বিতীয় পর্ব
উৎসা পট্টনায়েক

The Life and Thoughts of Rosa Luxemburg - Part II
এমন নয় যে মার্কস তাঁর পুঁজিবাদী সঞ্চয়নের মডেলটি শুধুমাত্র শ্রমিক এবং পুঁজিপতিদের নিয়ে একটি বদ্ধ সমাজে সংঘটিত করতে চেয়েছিলেন। কারণ যদি আমরা মার্ক্সের নিজের কাজের পরিকল্পনা পড়ি - যা তিনি ১৮৫৯ সালে ‘আ কন্ট্রিবিউশান টু দি ক্রিটিক অফ পোলিটিকাল ইকোনমি’ বইয়ে লিপিবদ্ধ করেছিলেন - তাহলে খুব স্পষ্ট হয়ে যায় যে, মার্কস কখনই তাঁর বিশ্লেষণকে একটি বদ্ধ অর্থনীতিতে সীমাবদ্ধ রাখতে চাননি। পুঁজিবাদের বিশ্বব্যাপী কর্মকাণ্ড অধ্যয়ন করারই উদ্দেশ্য ছিল তাঁর। ...more

১৬-জানুয়ারি-২০২৪

১৯৪৩-৪৪, বাংলার দুর্ভিক্ষ: একটি ভূমিকা (২)
উৎসা পট্টনায়েক

Famine in Bengal (2)
১৯৪০ সালে বিলেতফেরৎ জ্যোতি বসু ছিলেন ২৬ বছরের তরুণ কমিউনিস্ট। তিনি মুক্ত ছিলেন, ফলে দুর্ভিক্ষের ত্রাণের কাজে অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। লন্ডন, কেম্ব্রিজ ও অক্সফোর্ডের দেশপ্রেমিক ভারতীয় ছাত্রদের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ অব্যাহত ছিল। এই পুস্তিকাটি যদি জ্যোতি বসুরই রচনা হয়ে থাকে, সুনির্দিষ্টভাবে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও যার সম্ভাবনা খুবই বেশি, ১৯৪৩ সালে যখন এটা প্রকাশিত হয়, তখন দুর্ভিক্ষপীড়িত বাংলার সহায়তায় এগিয়ে আসার জন্যে ব্রিটিশ জনসাধারণের প্রতি তাঁর কাতর আবেদন অনেকটাই বিলম্বিত হয়ে গিয়েছে। ততদিনে লক্ষ লক্ষ মানুষ মৃত্যুমুখে পতিত হয়েই গিয়েছে। ...more

২৬-আগস্ট-২০২৩

১৯৪৩-৪৪, বাংলার দুর্ভিক্ষ: একটি ভূমিকা (১)
উৎসা পট্টনায়েক

1943-44 Famine in bengal (1)
সর্বোপরি, ‘ফাটকা ও মজুতদারি’ দুর্ভিক্ষ পর্বের ত্বরিত মুদ্রাস্ফীতির একটা সর্বকালীন বিভ্রান্তিকর ‘ব্যাখ্যা’, যার দ্বারা উপসর্গ পরিবর্তিত হয়ে যায় কারণে। এটাও এক ধরনের ‘পোস্ট হক’ বা ‘ইহার পর উহা, অতএব ইহাই হেতু’ জাতীয় ভ্রান্তি যার মাধ্যমে একটি পরিস্থিতি যা আগে তৈরি হয়নি, বরং দুর্ভিক্ষের সমান্তরালে ঘটেছে, তাকে ভ্রান্তভাবে কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এটা অনেকটা ‘জ্বর হয়েছে বলেই রোগী মারা গিয়েছে’, ডাক্তারের এমন নিদান দেওয়ার মতোই, যেখানে উপসর্গ কেন দেখা দিল তাকে ধর্তব্যে আনা হয় না। জ্যোতি বসুই স্পষ্ট ভাষায় এবং সঠিকভাবেই প্রত্যাখান করেন সরকারি এই ঘোষণাকে যে মজুতদারির জন্যেই ত্বরিত মূল্যবৃদ্ধি ঘটে গিয়ে বাজার থেকে ক্রয়ের ওপর নির্ভরশীল লক্ষ লক্ষ জনগনের আওতার বাইরে চলে গিয়েছে খাদ্যসামগ্রী। ...more

২৫-আগস্ট-২০২৩