সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
জ্ঞানেশ কুমারকে সরতেই হবে
এম এ বেবি
সিপিআইএম চায় জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ ও বিচারের দাবি এবং এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবির আন্দোলনে সমস্ত অ-বিজেপি এবং অ-এনডিএ রাজনৈতিক শক্তি হাত মেলাক। একই সঙ্গে সিপিআইএম চায় যে সমস্ত যোগ্য ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে তাদের নাম ফেরানো এবং সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চের পরামর্শ মেনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের বাছাই করার জন্য একটা স্বচ্ছ ব্যবস্থা চালু করার দাবির স্বপক্ষে আন্দোলনে সব অ-বিজেপি এবং অ-এনডিএ রাজনৈতিক শক্তিকে হাত মেলাতে হবে। এই সব শক্তিগুলির নিজেদের মধ্যেকার সব ধরনের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও সবাইকে হাত মেলাতে হবে। এবং এই আন্দোলনকে যতদূর সম্ভব এতাবৎকালের সবচেয়ে ব্যাপক আন্দোলন হতে হবে।

কোনও গণতন্ত্র প্রাণবন্ত এবং জীবন্ত কিনা তা বোঝার অন্যতম প্রধান নীতি হল কী ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি হল যে সংস্থা নির্বাচন করাচ্ছে তাদের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং তারা জবাবদিহি করতে বাধ্য কিনা। (প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার) টি এন শেষণের পর্বে বিচ্যুতি কিংবা অদ্ভূত আচরণ যাই থেকে থাক না কেন, ভারতের নির্বাচন কমিশনের যে নিষ্পক্ষ কর্তৃত্ব থাকা উচিত, সেটা তখনকার সময়ে জনসমক্ষে আনা হত। কিন্তু যখন থেকে জ্ঞানেশ কুমার দায়িত্ব নিয়েছেন, তখন থেকে এর ঠিক বিপরীত ঘটনাই ঘটেছে। ভোটার তালিকা ছেঁটে ফেলার কাজে জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা ঠিক কশাইয়ের মতো। বেঁচে রয়েছেন এমন ভোটার, এমনকী যারা প্রকৃত ভোটার তাদেরও নাম তিনি ভোটার তালিকা থেকে ছেঁটে ফেলছেন। ভারতরত্ন সি এন রাও থেকে প্রকাশ রাজের ভোটাধিকার এভাবেই লুঠ করা হয়েছে এবং সেই অধিকার ফিরে পেতে তাদের নানান প্রশাসনিক বাধা পেরোতে হয়েছে।
রীতিকা চোপড়ার অন্তর্তদন্ত, যা ২৩ সেপ্টেম্বরের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জটা আসছে নির্বাচন কমিশনের ভেতর থেকে। নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশি গত ১০ মাসে কমপক্ষে ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছিলেন তাদের না জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের নামে নেওয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নির্দেশ জারির বিরুদ্ধে। এগুলি সবই নথিবদ্ধ রয়েছে। এগুলির মধ্যে দুটি আপত্তি পৌছেছিল ক্যাবিনেট সচিব পর্যন্ত। যে ফর্মে ভোটার তালিকায় নাম তোলা যায় সেই ৬ নম্বর ফর্মে বদল আনা হয়েছিল জুলাই মাসে। তাতে উল্লেখ করতে বলা হয়েছিল ‘শেষ এসআইআর’এর সময় আবেদনকারীর বাবার বা ঠাকুর্দার নাম ভোটার তালিকায় ছিল কিনা। যদিও মে মাসেই যোশি সতর্ক করেছিলেন যে এর জন্য রেজিস্ট্রেশন অফ ইলেকটরস রুল এ সংশোধনী আনা দরকার। পরে সান্ধু একথা নথিভুক্ত করেন যে, এই বদল বিধি বহির্ভূত এবং বেআইনি। যোশি এই সতর্কবার্তাও দিয়েছিলেন যে, ভোটার তালিকার ডেটাবেসের বেশি বেশি করে কেন্দ্রীকরণ করা হচ্ছে। এবং সান্ধু বলেছিলেন যে, বিধিবদ্ধ ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের যেসব সুযোগসুবিধা রয়েছে সেগুলি খর্ব করার কোনও অধিকার কমিশনের আইটি বিভাগের প্রধানের নেই। পশ্চিমবঙ্গে ট্রাইবুন্যালের কাছে ৩৮ লক্ষ আবেদন ঝুলে রয়েছে। এর মধ্যে ১৬ লক্ষ ১০ হাজার আবেদন করেছে কমিশন নিজে। কনিশনই ওই সব ভোটারদের নাম বাদ দিতে বলেছে। সান্ধু জানতে চেয়েছিলেন ওই সব আবেদন কারা করেছেন। অথচ তাঁকে, যোশিকে, কিংবা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে এসবের কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি।
এপ্রিল মাসে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের কাজে আমি পশ্চিমবঙ্গে ছিলাম। তখন আমি এমন সব নির্বাচনী অফিসারদের ছবি দেখেছিলাম যাঁরা তখন নির্বাচনের কাজ সামলানোর দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু তাঁরাও ভোট দিতে পারেননি কারণ ভোটার তালিকা থেকে তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের খবর ছেপেছিল স্টেটসম্যান এর মতো জাতীয় স্তরের সংবাদপত্র। এসআইআরে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে ৯১ লক্ষ লোকের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা মোট ভোটারদের প্রায় ১২ শতাংশ। এদের মধ্যে ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র নামে বাদ দেওয়া হয়েছে ২৭ লক্ষ ভোটারের নাম। এই শব্দবন্ধ তখন শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের জন্যই চালু করা হয়েছিল। যখন রাজ্যে বিধানসভা ভোট হল তখন এদের ৯৯ শতাংশের বিষয়টি ঝুেল ছিল। নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফলের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৪৯টি বিধানসভা কেন্দ্রে খতিয়ে দেখার পর যত নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল সেই সংখ্যাটা জয়ী প্রার্থীদের ব্যবধানের চেয়ে বেশি। এই সব আসনের ২৬টিতে জিতেছিল বিজেপি, তৃণমূল জিতেছিল ২১টিতে এবং কংগ্রেস ২টিতে। যদিও ২০২১ সালের ভোটে এই ৪৯টি আসনের ৪৮টিতেই জিতেছিল তৃণমূল। রাজারহাট নিউ টাউনে নাম বাদ গিয়েছিল ২৪,১৩২ জন ভোটারের আর সেখানে জয়ের ব্যবধান ছিল ৩১৬ ভোটের। সাতগাছিয়ায় নাম বাদ গিয়েছিল ২৬ হাজারের বেশি ভোটারের আর জয়ের ব্যবধান ছিল ৪০১ ভোট। প্রতিটি ধরনের বাদ পড়ার হিসাবকে বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে ২৯৪টি আসনের অর্ধেকের বেশি আসনে জয়ের ব্যবধানের চেয়ে বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা বেশি। এথেকে এটা প্রমাণ হয় না যে বাদ পড়া ভোটারেরা কোন দলকে ভোট দিতেন। কিন্তু যদি জয়ের ব্যবধানের চেয়ে বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা বেশি হয়, তাহলে একথা বলা যায় না যে গণতন্ত্র স্বস্তিতে রয়েছে।

মোদির রাজত্বে একটা ধারণা তৈরি হয়েছিল যে হাতে গোনা কয়েকটি বাদে স্বাধীন ও অন্তর্তদন্তমূলক মিডিয়ার মৃত্যু হয়েছে। এটা আনন্দের খবর যে, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস প্রমাণ করেছে ভারতে অন্তর্তদন্তমূলক সাংবাদিকতা এখনও বেঁচে রয়েছে। এবং তা ক্ষমতাকে রীতিমতো ধাক্কা দিয়ে চলেছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস কমিশনের মুখোশ খুলে দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে যে তথাকথিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে তাতে আসল ইস্যুগুলি উত্থাপনই করা হয়নি। এর মধ্যে একটা ইস্যু হল মিটিংয়ের আগে আলোচনার অ্যাজেন্ডাগুলি সকলকে পাঠিয়ে দেওয়া এবং মিটিংয়ের পর মিনিটসগুলি সংশ্লিষ্ট সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া। এটা অনেককে স্তম্ভিত করার মতো বিষয় যে এই নিয়মটি একটা মৌলিক বিষয় এবং ছোট বা বড় যে কোনও সংগঠন তা মেনে চলে। অথচ সেটা এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন মেনে চলছে না।
এখন আরও কিছু প্রশ্ন উঠে আসছে। একটা প্রশ্ন হল, শেষ পর্যন্ত মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার (সিইসি) এবং শেষনের পর নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করেছে শাসন বিভাগ। ১৯৫০ সালে সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর থেকে এই অবস্থার জন্য দায়ী ধারাবাহিকভাবে কেন্দ্রীয় সরকারগুলির ব্যর্থতা। তাদের ব্যর্থতা এটাই যে, তারা কমিশনারদের নিয়োগের ব্যাপারে সংসদে কোনও আইন জারি করতে পারেনি। সংবিধানের ৩২৪ ধারা ভারতের রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতা দিয়েছে নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করার। এই ক্ষমতা ততক্ষণই যতক্ষণ না সংসদ কমিশনারদের নিয়োগের বিষয়ে কোনও আইন পাশ করছে। ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে অনুপ বারানওয়াল একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। সেখানে তিনি নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের নিয়োগের ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করেন। বিচারপতি কে এম জোসেফের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চে এই আর্জির শুনানি হয়। এই মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার বলেছিল, যেহেতু ক্ষমতার অপব্যবহারের কোনও প্রমাণ নেই তাই সুপ্রিম কোর্ট এবিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
এরই প্রেক্ষিতে সাংবিধানিক বেঞ্চ ২০২৩ সালের ২ মার্চ সর্বস্মমতিক্রমে রায় দেয় যে, কমিশনের স্বাধীনতা শুধুমাত্র শাসনবিভাগের হাতে ছেড়ে দেওয়া যায় না। আদালত নির্দেশ দেয় যে, ৩২৪ ধারার আওতায় সংসদ যতদিন না এবিষয়ে আইন জারি করছে, ততদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করবেন রাষ্ট্রপতি। এ ব্যাপারে তাঁকে পরামর্শ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং ভারতের প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে গড়া একটি কমিটি। সাংবিধানিক বেঞ্চ আরও বলেছিল, পদ থেকে সরানোর ব্যাপারে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের যে রক্ষাকবচ রয়েছে, সংসদ যেন সেই একই রক্ষাকবচ নির্বাচন কমিশনারদেরও দেয়। দেশে সর্বোচ্চ নির্বাহী প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। সেকারণে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তাতে অংশ থাকা উচিত প্রধানমন্ত্রীরও। গণতন্ত্রে বিরোধীদের ভূমিকা নিয়ে কোনও ব্যাখ্যার অবকাশ নেই। দেশে নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে করানো নিশ্চিত করার জন্য কাকে বেছে নেওয়া হবে এ নিয়ে যদি মতপার্থক্য দেখা দেয়, তাহলে রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ দেশের প্রধান বিচারপতির উপস্থিতি মতৈক্য গড়ে তোলার পক্ষে কাজ করবে। তবে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ যে নির্দেশ দিয়েছিল তাকে পুরোপুরি বিসর্জন দিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। প্রাজ্ঞ,আইনসঙ্গত ও স্বচ্ছ এই পরামর্শকে আইনি চেহারা দেওয়ার বদলে মোদি সরকার প্রথমে একটি অর্ডিন্যান্স জারি করে এবং তারপর একটি বিল আনে। তাতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগকে একটা রাজনৈতিক ভাবে একমুখী ব্যবস্থায় পরিণত করা হয়। এর ফলে শাসন বিভাগের প্রতিনিধিত্ব দঁাড়ায় দুই–তৃতীয়াংশ এবং বিরোধী দলনেতা হয়ে ওঠেন একজন দর্শকমাত্র।

জ্ঞানেশ কুমারের আচরণ থেকে যে বিষয়টা উঠে আসছে তা হল, সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছিল তা অগ্রাহ্য করার ব্যাপারে মোদি সরকারের উদ্দেশ্য জলের মতো স্পষ্ট। এটা আরও বেশি সত্যি কারণ জ্ঞানেশ কুমার এখন আচরণ করছেন একটা নাচুনে পুতুলের মতো যিনি বিজেপির বাজনার তালে তালে নাচছেন, যে বিজেপিকে আবার নিয়ন্ত্রণ করে ফ্যাশিস্ট চরিত্রের (ফ্যাসিস্টিক) আরএসএস। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস মুখোশ খুলে দেওয়ার পর, আত্মসম্মান থাকলে জ্ঞানেশ কুমারের উচিত ছিল সঙ্গে সঙ্গে পদত্যাগ করা। যত সময় জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারের পদ আঁকড়ে থাকবেন, ততই তাঁর মর্যাদা ও সততার অভাব স্পষ্ট হবে।
সিপিআইএম চায় জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ ও বিচারের দাবি এবং এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবির আন্দোলনে সমস্ত অ-বিজেপি এবং অ-এনডিএ রাজনৈতিক শক্তি হাত মেলাক । একই সঙ্গে সিপিআইএম চায়, যে সমস্ত যোগ্য ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে তাদের নাম ফেরানো এবং সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চের পরামর্শ মেনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের বাছাই করার জন্য একটা স্বচ্ছ ব্যবস্থা চালু করার দাবির স্বপক্ষে আন্দোলনে সব অ-বিজেপি এবং অ-এনডিএ রাজনৈতিক শক্তি হাত মেলাক। এই সব শক্তিগুলির নিজেদের মধ্যেকার সব ধরনের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও সবাইকে হাত মেলাতে হবে। এবং এই আন্দোলনকে যতদূর সম্ভব এতাবৎকালের সবচেয়ে ব্যাপক আন্দোলন হতে হবে।
আমাদের দৃষ্টিভঙ্গী হল শুধু রাজনৈতিক দলগুলিই নয়, বরং সমগ্র নাগরিক সমাজ, জনগণের সমর্থনে এগিয়ে আসা বুদ্ধিজীবি (পাবলিক ইনটেলেকচুয়াল), শিল্পী, লেখক এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব — সকলেই এগিয়ে আসবেন এই আন্দোলনের সমর্থনে। এই দৃষ্টিভঙ্গীকে স্বীকৃতি দিয়েছে পাঁচটি বাম দল— সিপিআই (এম), সিপিআই, সিপিআই (এমএল) লিবারেশন, এআইএফবি ও আরএসপি। ২৯ সেপ্টেম্বর এই দলগুলির একসঙ্গে আসার একটা ঝলক আমরা দেখেছি।
৩০ সেপ্টেম্বর ইন্ডিয়া ব্লকের মিটিংও এই অবস্থানে একমত হয়েছে। এবং একমত হয়েছে যাতে আমাদের সাংবিধানিক মূল্যবোধ এবং ভারত ভাবনাকে আমরা রক্ষা করতে পারি। এই ব্লকের সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করা হয়েছে, দেশের সব জেলায় যৌথ প্রতিবাদ সংগঠিত করা হবে। নতুন ভারতের রাজনৈতিক বিবর্তন প্রক্রিয়ায় এটা হবে একটা ঐতিহাসিক মোড় ফেরার সন্ধিক্ষণ।
ঋণ: পিপলস ডেমোক্রেসি
প্রকাশের তারিখ: ০৮-অক্টোবর-২০২৬
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
