সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নিবন্ধের খোঁজ
এখানে আপনি লেখক, নিবন্ধের বিষয়, তথ্য, প্রকাশের তারিখ দিয়ে বিভিন্নভাবে খুঁজতে পারেন, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই খোঁজা যাবে।
আপনি খুঁজছেন এমন নিবন্ধ যার লেখক/লেখিকা: [সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী - Sirajul Islam Chowdhury],
সর্বস্তরে বাংলা কেন বলে না
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
দুর্দশাটা এমনকি একুশে ফেব্রুয়ারির উদযাপনের ক্ষেত্রেও দৃশ্যমান। আয়োজনের অভাব নেই, কিন্তু একুশের উদযাপনে মৌলিক পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে, সেটা হলো মধ্যরাতে উদযাপনের সূচনাকরণ। বাঙালির উৎসব শুরু হয় সকালে, ইউরোপীয়দেরটা মধ্যরাতে। ওদের মধ্যরাত আক্রমণ করেছে আমাদের সকালবেলাকে। যা ছিল স্বাভাবিক তাকে কৃত্রিম করে দেবার আয়োজন বৈকি! সাংস্কৃতিকভাবে মধ্যরাত থার্টিফার্স্ট নাইটের ব্যাপার, পহেলা বৈশাখের নয়। থার্টিফার্স্ট নাইট আর পহেলা বৈশাখ এখন আলাদা হয়ে গেছে, ইংরেজি নববর্ষ হুমকি দিচ্ছে বাংলা নববর্ষকে; হুমকির লক্ষণ একুশের উদযাপনেও দেখা দিয়েছে। ...more
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
দুর্দশাটা এমনকি একুশে ফেব্রুয়ারির উদযাপনের ক্ষেত্রেও দৃশ্যমান। আয়োজনের অভাব নেই, কিন্তু একুশের উদযাপনে মৌলিক পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে, সেটা হলো মধ্যরাতে উদযাপনের সূচনাকরণ। বাঙালির উৎসব শুরু হয় সকালে, ইউরোপীয়দেরটা মধ্যরাতে। ওদের মধ্যরাত আক্রমণ করেছে আমাদের সকালবেলাকে। যা ছিল স্বাভাবিক তাকে কৃত্রিম করে দেবার আয়োজন বৈকি! সাংস্কৃতিকভাবে মধ্যরাত থার্টিফার্স্ট নাইটের ব্যাপার, পহেলা বৈশাখের নয়। থার্টিফার্স্ট নাইট আর পহেলা বৈশাখ এখন আলাদা হয়ে গেছে, ইংরেজি নববর্ষ হুমকি দিচ্ছে বাংলা নববর্ষকে; হুমকির লক্ষণ একুশের উদযাপনেও দেখা দিয়েছে। ...more
২১-ফেব্রুয়ারি-২০২৫
রাষ্ট্রভাষা এবং রাষ্ট্রের ভাষা
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন কি উর্দুবিরোধী ছিল? হ্যাঁ, অবশ্যই। কিন্তু ছিল কি সে ইংরেজিবিরোধী? হ্যাঁ, সেটাও হওয়ার কথা ছিল বৈকি। কেননা, আন্দোলন ছিল বাঙালি নিজের পায়ে দাঁড়াবে, বাংলাভাষার মধ্য দিয়ে একটি ধর্মনিরপেক্ষ, ইহজাগতিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবে, যেখানে মানুষের পরিচয় ধর্ম, সম্প্রদায় কিংবা অর্থনৈতিক শ্রেণির দ্বারা চিহ্নিত হবে না, পরিচয় হবে ভাষার দ্বারা। ...more
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন কি উর্দুবিরোধী ছিল? হ্যাঁ, অবশ্যই। কিন্তু ছিল কি সে ইংরেজিবিরোধী? হ্যাঁ, সেটাও হওয়ার কথা ছিল বৈকি। কেননা, আন্দোলন ছিল বাঙালি নিজের পায়ে দাঁড়াবে, বাংলাভাষার মধ্য দিয়ে একটি ধর্মনিরপেক্ষ, ইহজাগতিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবে, যেখানে মানুষের পরিচয় ধর্ম, সম্প্রদায় কিংবা অর্থনৈতিক শ্রেণির দ্বারা চিহ্নিত হবে না, পরিচয় হবে ভাষার দ্বারা। ...more
২১-ফেব্রুয়ারি-২০২৩
একুশের চেতনা নিরপেক্ষ নয়
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
মাতৃভাষার মর্যাদা আমরা তখনি প্রতিষ্ঠা করতে পারবো যখন আমাদের এই রাষ্ট্র পুরোপুরি গণতান্ত্রিক হবে। পুঁজিবাদী বিশ্ব আমাদেরকে গণতান্ত্রিক হতে দেয় না। আমাদের শাসক শ্রেণির সঙ্গে যোগসাজস করে তারা কখনো নির্বাচিত কখনো অনির্বাচিত অগণতান্ত্রিক শাসন চাপিয়ে দেয়, যাতে করে দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করে নিয়ে যেতে পারে, এবং দেশকে একটি বৃহৎ বাজারে পরিণত করা সম্ভব হয়। পুঁজিবাদী বিশ্ব এ রাষ্ট্রকে স্বাধীন হতে দিচ্ছে না, তাঁবেদার করে রাখছে। অথচ একুশের আন্দোলনের মূল প্রেরণাটাই ছিল সাম্রাজ্যবাদবিরোধী। সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব সেদিন বাঙালির মুখের ভাষা কেড়ে নেবার ভয়ঙ্কর অপচেষ্টার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছিল। আমরা রুখে দাঁড়িয়েছিলাম। ...more
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
মাতৃভাষার মর্যাদা আমরা তখনি প্রতিষ্ঠা করতে পারবো যখন আমাদের এই রাষ্ট্র পুরোপুরি গণতান্ত্রিক হবে। পুঁজিবাদী বিশ্ব আমাদেরকে গণতান্ত্রিক হতে দেয় না। আমাদের শাসক শ্রেণির সঙ্গে যোগসাজস করে তারা কখনো নির্বাচিত কখনো অনির্বাচিত অগণতান্ত্রিক শাসন চাপিয়ে দেয়, যাতে করে দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করে নিয়ে যেতে পারে, এবং দেশকে একটি বৃহৎ বাজারে পরিণত করা সম্ভব হয়। পুঁজিবাদী বিশ্ব এ রাষ্ট্রকে স্বাধীন হতে দিচ্ছে না, তাঁবেদার করে রাখছে। অথচ একুশের আন্দোলনের মূল প্রেরণাটাই ছিল সাম্রাজ্যবাদবিরোধী। সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব সেদিন বাঙালির মুখের ভাষা কেড়ে নেবার ভয়ঙ্কর অপচেষ্টার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছিল। আমরা রুখে দাঁড়িয়েছিলাম। ...more
২০-ফেব্রুয়ারি-২০২৩
স্বপ্নের সেই অবিরাম ভাঙাগড়া
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
এটা তো খুবই স্বাভাবিক ছিল যে, পুঁজিবাদী বিশ্বের রাষ্ট্রগুলো আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করবে, এবং সেটা তারা করেছেও। কিন্তু কেন? তাদের আপত্তিটা ছিল কোথায়? আপত্তি নয়, আসলে ছিল শঙ্কা। বাংলাদেশ স্বাধীন হোক, কিংবা তাদের ভাষায় বিচ্ছিন্ন হোক এটা নিয়ে তাদের ততটা দুশ্চিন্তা ছিল না, যতটা ছিল এই যে সামাজিক বিপ্লব ঘটবার সম্ভাবনা তা নিয়ে। বাংলাদেশে একটি সমাজতন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা ঘটবে এটা তখনকার পরিবেশে ওই রাষ্ট্রগুলোর জন্য মোটেই উৎসাহিত হবার মতো ব্যাপার ছিল না। তারা বরঞ্চ চিন্তিতই হয়েছে এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠায় বিরোধিতা করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারলো না, সমষ্টিগত স্বপ্নের জয় হলো, বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটলো। ...more
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
এটা তো খুবই স্বাভাবিক ছিল যে, পুঁজিবাদী বিশ্বের রাষ্ট্রগুলো আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করবে, এবং সেটা তারা করেছেও। কিন্তু কেন? তাদের আপত্তিটা ছিল কোথায়? আপত্তি নয়, আসলে ছিল শঙ্কা। বাংলাদেশ স্বাধীন হোক, কিংবা তাদের ভাষায় বিচ্ছিন্ন হোক এটা নিয়ে তাদের ততটা দুশ্চিন্তা ছিল না, যতটা ছিল এই যে সামাজিক বিপ্লব ঘটবার সম্ভাবনা তা নিয়ে। বাংলাদেশে একটি সমাজতন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা ঘটবে এটা তখনকার পরিবেশে ওই রাষ্ট্রগুলোর জন্য মোটেই উৎসাহিত হবার মতো ব্যাপার ছিল না। তারা বরঞ্চ চিন্তিতই হয়েছে এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠায় বিরোধিতা করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারলো না, সমষ্টিগত স্বপ্নের জয় হলো, বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটলো। ...more
১৬-ডিসেম্বর-২০২২
সাম্প্রতিক নিবন্ধ
০৪-এপ্রিল-২০২৬
০৪-এপ্রিল-২০২৬
০৩-এপ্রিল-২০২৬
০৩-এপ্রিল-২০২৬
০২-এপ্রিল-২০২৬
০১-এপ্রিল-২০২৬









