সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
অভয়া, নবান্ন এবং নাগপুর
সুদীপ্ত বসু
বছর শেষের আগেই সামনে এলো নিদারুণ সত্য। কেন্দ্রীয় সংস্থা সিএফএসএল-এর রিপোর্ট, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের রিপোর্টকে উহ্য রেখেই, এমনকি উপেক্ষা করেই নানা সন্দেহ তৈরি করেই কলকাতা পুলিশের বয়ানেই চার্জশিট দিলো সিবিআই। ‘একমাত্র অভিযুক্ত’ হিসাবে দেখানো হলো কলকাতা পুলিশ সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কেই।

ঠিক এগারো মাসের ব্যবধান। ৮ জুলাই, ২০২৫। দুপুরে শিয়ালদহ আদালতের এজলাস। গোটা দেশ, এমনকি দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশে প্রতিক্রিয়া তৈরি করা আর জি করে কর্মরত অবস্থায় পড়ুয়া চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার মামলার শুনানি চলছে।
সেই শুনানির একটি ছবি-ই যেন অনেক ধোঁয়াশাকে স্পষ্ট করে দিয়েছিল রাত শেষে ভোরের প্রথম আলোর মতো।
সেদিন রাজ্য সরকার, আর জি কর কাণ্ডে ধৃত তৎকালীন ধিক্কৃত অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং টালা থানার তৎকালীন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের আইনজীবীরা একই সুরে আপত্তি জানান পড়ুয়া চিকিৎসকের পরিবারের আবেদনের বিরুদ্ধে। রাজ্য সরকার, ধৃত অধ্যক্ষ এবং ধৃত পুলিশ আধিকারিক– সবাই একই অবস্থানে। একযোগে একই ভাষায় সওয়াল করেন নির্যাতিতার পরিবারের আবেদন নাকচ করতে। শুধু তাই নয়, সিবিআইয়ের তরফে একধাপ এগিয়ে বলা হয়– মা’বাবার ইচ্ছামতো তো আর তদন্ত হবে না! রাজ্য সরকারের ‘স্বাভাবিক’ যুক্তি– সিবিআই তদন্ত তো চলছে। মামলা হাইকোর্টেও রয়েছে। সিবিআই তদন্তেও কেন ভরসা রাখতে পারছে না পরিবার!
নিস্তরঙ্গ নাগরিক জীবনে এক অভিঘাত তৈরি করা, নতুন করে দ্রোহের সুর চেনানো, রাতের শহরে নাগরিকদের টেনে নিয়ে আসা, ন্যায়বিচারের দাবিতে রাত-জাগা জনপদের আকাঙ্খাকে দুমড়ে মুচড়ে দিতে রাষ্ট্র দাঁড়ায় প্রতিপক্ষ হিসাবে।
ইঙ্গিত মিলেছিল আর জি কর কাণ্ডের এক মাসের মাথাতেই। যখন গোটা রাজ্য জুড়ে দাবানলের চেহারা নিয়েছে প্রতিবাদ। যখন প্রতি মুহুর্তে সমষ্টিবোধের নতুন দিনলিপি লিখছে এই শহর, সোচ্চারে জানান দিচ্ছে আমরা ব্যারিকেডের এপারে– আর সেই ব্যারিকেডের মাথায় লাগানো বিরুদ্ধতার উচ্চারণ– ‘ক্ষমতার মোহ বনাম জনতার দ্রোহ’, ঠিক সেই সময়ই সঙ্ঘ-বিজেপিকে জোরালো বার্তা দিয়েছিলেন সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন আর জি কাণ্ড মোকাবিলায় সরকার যা পদক্ষেপ নেবে তাতেই সমর্থন! মানে, আর জি করের নৃশংস ঘটনায় প্রতিবাদ-আন্দোলনকে ঠেকাতে সরকার যা পদক্ষেপ নেবে ভাগবত, অর্থাৎ সঙ্ঘ পরিবার তার পাশে থাকবে। রাগ, ঘৃণা, ক্ষোভ, সন্দেহ, প্রতিবাদ, দ্রোহের মুখে তখন নড়বড়ে শাসক।
নাগরিক বনাম শাসক– একটিই বাইনারি তখন বাংলায়। ঠিক সেই মুহুর্তে নবান্নের প্রতি ভরসার হাত এগিয়ে এলো নাগপুর থেকে। এবং এটা স্বাভাবিক।
নাগপুরের ইঙ্গিত দ্রুত পৌছেছিল দিল্লিতেও। পরিণাম, পরপর দু’বার। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ চেয়েও প্রত্যাখ্যাত হলেন বাবা-মা। দিল্লিতে দাঁড়িয়েই সন্তান হারা, ন্যায়বিচারের দাবিতে অটুট থাকা বাবার গলায় আক্ষেপের সুর, ‘কোনও সুরহা না হলে সবার সামনে মরে যেতে হবে।’
একটি সরকারি হাসপাতাল। সেখানে কর্মরত তরুণী চিকিৎসক। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। দু’চোখে হাজারো স্বপ্ন। সেই কর্মক্ষেত্রে হাসপাতালের ভিতরেই ধর্ষণ করে নৃশংস খুন। সরকারি হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক ধর্ষণের শিকার হয়ে খুন হচ্ছেন– গোটা দেশে সাম্প্রতিক অতীতে বেনজির। এটা কী নিছকই একটি সাধারণ অপরাধ? সরকারের কাছে অবশ্য কেবলই আরেকটি ধর্ষণের ঘটনা। বিপরীতে, জেগে ওঠা জনগণের কাছে অস্ত্বিত্বের প্রশ্ন। কর্মক্ষেত্রে একজন মহিলা চিকিৎসকেরই যদি এই পরিণতি হয়, তাহলে নিরাপদ কে?
এই সব গুরুত্বপূর্ন প্রশ্নকে সযত্নে ছাপিয়েই ‘আর জি কর’ দৃশ্যত বেআব্রু করেছে আসলে একটি কদর্য বোঝাপড়ার রাজনীতিকে। এর আগে সারদা, নারদা থেকে গোরু-কয়লা-বালি-কয়লাপাচার বা শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির থেকেও আর জি করের এই বর্বরতার ঘটনা আরো নগ্ন ভাবে সামনে এনেছে নাগপুর-নবান্নের আঁতাতকে।
কেন? ক্রনোলজি-ই যেন এই সত্যের গবেষণাগার।
।২।
হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় একজন পড়ুয়া চিকিৎসককে ধর্ষণ করে নৃশংশভাবে খুন করা হলো। অর্ধনগ্ন ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হলো হাসপাতালের সেমিনার রুম থেকে। খোদ সরকারি হাসপাতালের ভিতরেই চিকিৎসককেই ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা। ক্ষোভে, রাগে ফেটে পড়ার কথা ছিল খোদ সরকারের। যদিও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সেই ঘটনা তিনদিনের মাথায় গোটা ঘটনায় অভিযোগের কাঠগড়ায় দাঁড়ানো আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষকেই সেখান থেকে সরিয়ে আরেকটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজে অধ্যক্ষের পদেই প্রাইজ পোস্টিং দেওয়ার কথা ঘোষনা করলেন।
সেই শুরু। সরকারি মদতে এমন নৃশংস ঘটনাকেও ধামাচাপা দেওয়ার কুৎসিত প্রয়াসের। বৃত্ত সম্পন্ন হলো রাজ্য সরকারের মনোভাবের সঙ্গে সাযুজ্য রেখেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার ‘তৎপরতায়’। বছর শেষের আগেই সামনে এলো নিদারুণ সত্য। কেন্দ্রীয় সংস্থা সিএফএসএল-এর রিপোর্ট, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের রিপোর্টকে উহ্য রেখেই, এমনকি উপেক্ষা করেই নানা সন্দেহ তৈরি করেই কলকাতা পুলিশের বয়ানেই চার্জশিট দিলো সিবিআই। ‘একমাত্র অভিযুক্ত’ হিসাবে দেখানো হলো কলকাতা পুলিশ সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কেই। বছর শেষের আগেই যদিও এই ঘটনাতে তথ্য প্রমান লোপাটের গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ থেকে টালা থানার তৎকালীন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল বেমালুম জামিন পেয়ে যান। কারণ, ৯০ দিনের মধ্যে সিবিআই চার্জশিট দিতে পারেনি।
তদন্তের গতিতেই শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। প্রথম চার্জশিটেও কলকাতা পুলিশের বয়ানকেই মান্যতা দিয়েছিল সিবিআই। নিম্ন আদালতে রায়ের কপিতে স্পষ্ট উল্লেখ– কলকাতা পুলিশের তদন্তকে ‘অন্ধভাবে অনুকরণ’ করেছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিক।
৯ আগস্ট সেমিনার রুমে অর্ধনগ্ন অবস্থায় পড়ে থাকা পড়ুয়া চিকিৎসকের দেহের কয়েক ফুট দূরত্বে বহিরাগতদের প্রায় মেলার মত ভিড় করে থাকার যে ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছিল, তা পর্যন্ত ‘তথ্য প্রমান’ হিসাবে চার্জশিটে উল্লেখ করতে পারেনি সিবিআই।
৯ আগস্ট রাতে কেন অতি তৎপর হয়ে পুলিশ দেহ দখল করে বাবা মায়ের অনুমতি ছাড়াই সোদপুরের বাড়িতে নিয়ে যায়, বাবা-মা’র সম্মতি ছাড়া ও দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের কোনও সুযোগ না রেখেই অতি তৎপর হয়ে কেন অতি দ্রুততায় সৎকার শেষ করা হয়, তা ‘তথ্য প্রমান লোপাট’ বলে গণ্য-ই করেনি সিবিআই।
কেন সকালে দেহ উদ্ধার হওয়ার পরে রাতে এফআইআর নেওয়া হলো, কেনই বা মা-বাবাকে তিন ঘণ্টা বসিয়ে রেখেও দেখতে দেওয়া হয়নি দেহ, তা আদালতে জানালেও চার্জশিটে উল্লেখ করার ‘নিরপেক্ষতা’ দেখাতে পারেনি সিবিআই।
আদালতে সন্দীপ ঘোষ আর টালা থানার প্রাক্তন ওসির কথোপকথনেই তথ্য প্রমান লোপাট, ঘটনার পরে তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার তথ্য মিলেছে জানালেও সেুটুকু পর্যন্ত উল্লেখ করে দ্বিতীয় দফার চার্জশিটও দায়ের করতে পারেনি সিবিআই!
সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছিল মৃতার শরীর থেকে মেলা ‘সাদা ঘন চটচটে আঠালো তরল’। পাঠানো হয়েছিল অন্য সমস্ত নমুনাও। সলিসিটর জেনারেল প্রশ্ন তোলেন কিন্তু সেই নমুনা সংগ্রহ করলো কে? সোয়াবের স্যাম্পেল সংগ্রহ করে কে পাঠালো তার উল্লেখ নেই! তিনি কে, তার পদমর্যাদা কী– এই সব প্রশ্নের উত্তর কোথায় গেলো? কে দেবে?
নিম্ন আদালতের একের পর এক শুনানিতে সিবিআই এজলাসে যা দাবি করেছে মৌখিক ভাবে অথবা রিমান্ড পিটিশনে লিখিতভাবে তার প্রভাব দেখা যায়নি চার্জশিটে! সিবিআই মুখে যা বলছে, তদন্তে তা ধরা পড়ছে না! আশ্চর্যজনক এমন ঘটনাই ঘটেছে আর জি কর মামলায়।
সুপ্রিম কোর্টে এমনকি নিম্ন আদালতেও সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছিল এরকম সংবেদশীল ঘটনাতেও এফআইআর করতে গড়িমসি, ১৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছে পুলিশ। অথচ ১৪ ঘণ্টা পরে রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ কেবল ‘অস্বাভাকি মৃত্যুর মামলা’ রুজু করা হয়। এমনকি ডেথ সার্টিফিকেট দিতেও দেরী করা হয়!
শুধু তাই নয়, নিম্ন আদালতে টালা থানায় ‘মিথ্যা নথি’ তৈরি করে কেস দায়ের করা অথবা কেসের চরিত্র বদলে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ তুলেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা। লিখিতভাবেই সেই অভিযোগ তুলেছিল সিবিআই। অথচ চার্জশিটে নেই!
সিবিআই গত ১৭ সেপ্টেম্বর নিম্ন আদালতে দাবি করে, ‘আর জি করের তৎকালীন অধ্যক্ষ হিসাবে সন্দীপ ঘোষ তাঁর হাসপাতালে এক চিকিৎসক পড়ুয়ার দেহ উদ্ধারের পরে, ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা জানার পরে স্বাভাবিকভাবে যা যা করতে হয় তিনি তা করেননি। আমাদের জানতে হবে সন্দীপ ঘোষে এমন ভূমিকা কেন?’ সিবিআই আদালতে জানায় ইতোমধ্যে ধৃত সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার ওসির ফোনের কল রেকর্ড খতিয়ে দেখে জানা গেছে তাদের মধ্যে একাধিকবার কথা হয়েছিল। শুধু তাই নয় সন্দীপ ঘোষের ফোনে সেদিন একাধিক রহস্যময় ফোন এসেছিল। তাঁরা কারা? আদালতে এত কিছু জানালেও, তাদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফায় চার্জশিট দেয়নি সিবিআই।
কেন দেহ উদ্ধারের পরেও তা কর্ডন করা হয়নি নিময় মেনে, সকালে উদ্ধারের পরে রাত পৌনে বারোটায় কেন এফআইআর নেওয়া হলো? কেন ঘটনাস্থলের ভিডিওগ্রাফিও করা হয়নি, ক্রাইম সিন থেকে যা যা সংগ্রহ করা হয় বা সিল করা হয় তা ভিডিওগ্রাফি করার সময়েও নিময় মানা হয়নি? কেন সিবিআই সেদিন রাতে চারতলায় হাজির বাকিদের জেরা করলো না? কেনই বা কলকাতা পুলিশের তদন্তে এরকম একাধিক প্রশ্ন উঠলেও, তাতে সিলমোহর দিলো সিবিআই?
সিএফএসএল রিপোর্ট বলেছিল সেমিনার রুমের যা অবস্থান তাতে একজন ব্যক্তি সেখানে ঢুকলো, তারপর ধর্ষণ-খুন করে বেরিয়ে গেলো, অথচ কারো চোখে পড়লো না এটার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। অথচ, সিবিআই চার্জশিটে দাবি করেছে তা সম্ভব!
।৩।
সরকার টাকা দিয়ে পরিবারকে কিনতে চাইছে। মুখ্যমন্ত্রী অন্যতম অভিযুক্তকে ‘প্রাইজ পোস্টিং’ দিচ্ছে। পুলিশ তথ্য-প্রমান লোপাট করছে। লাখো লাখো মানুষ রাস্তায় নামছে প্রতিবাদে। এমন পরিস্থিতিতেও রাজ্য প্রশাসন, পুলিশের তদন্তকেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে সিলমোহর দিয়ে তদন্তকে ধামাচাপা দেওয়ার এই মরিয়া চেষ্টা– আসলে আর জি কর কাণ্ডের ‘লার্জার কনস্পিরেসি’– বৃহত্তর ষড়যন্ত্র। নজিরবিহীন এই অপরাধকে আড়াল করতে নাগপুর আর নবান্নের একই বিন্দুতে আসাই এরাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতির নির্যাস।
সরকারি হাসপাতালের ভিতরেই এক নৃশংসতার প্রতিবাদে, দুর্নীতিতন্ত্রের অবসান চেয়ে হাজারো মানুষ রাস্তায়। আট থেকে আশি– রাতজেগে শহরের রাজপথে। গান, স্লোগান, পিচ রাস্তাকেই বেবাক ক্যানভাসে পরিণত করে চলছে দ্রোহের ছবি আঁকা। স্কুল পড়ুয়া কিশোরী থেকে কলেজ পড়ুয়া তরুণী, চাকরিরত মহিলা থেকে গৃহবধূ রাতভর রাস্তায়। প্রতিবাদে-বিক্ষোভে। গত বছরের ১৪ আগস্ট থেকে এই শহর, এই রাজ্য দেখেছিল প্রতিবাদে নতুন নতুন চেহারা। লিঙ্গ সমতার প্রশ্নে সম্পূর্ণ বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকা, মনুবাদী চেতনা এই প্রতিবাদের ধরণে সাবলীল তো নয়ই বরং অস্বস্তিতে থাকে। রাম-নবমীতে স্বস্তিতে থাকা দুই শাসকের অস্বস্তি তাই নাগরিক সমাজের জেগে ওঠা আর জি করের ঘটনাবলীতে।
একই ব্যাটন হাতে তাই কলকাতা পুলিশ আর সিবিআই। তদন্ত ধামাচাপা দেওয়ার এই ‘রিলে রেস’ই আসলে লার্জার কনস্পিরেসি!
প্রকাশের তারিখ: ০৯-আগস্ট-২০২৫
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
