সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নিবন্ধের খোঁজ
এখানে আপনি লেখক, নিবন্ধের বিষয়, তথ্য, প্রকাশের তারিখ দিয়ে বিভিন্নভাবে খুঁজতে পারেন, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই খোঁজা যাবে।
দীধিতি রায়
সঙ্ঘের লেন্সে যাদবপুরের মেয়েরা অস্বাভাবিক, বিকৃত। আসলে কেবল যাদবপুর নয়। এই দেশের সকল মেয়ে, যারা আধিপত্যবাদের সামনে মাথা নত না করে প্রতিরোধ করছে, তারা সবাই সঙ্ঘের কাছে চরিত্রহীন, বিকৃত! এই লড়াই তাই কেবল দু’টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে নয়। তার চেয়েও অনেক বড় লড়াই। এটা মতাদর্শের লড়াই। দেশ বিভিন্নতাকে ‘বৈচিত্র’ হিসাবেই দেখবে, নাকি ‘অস্বাভাবিকত্ব’ বলে বর্জন করবে— তার লড়াই। এই লড়াই নারী-বিদ্বেষী রাষ্ট্র হবে নাকি লিঙ্গ-সংবেদনশীল সমাজ গঠন হবে— তার লড়াই।
...more১০-সেপ্টেম্বর-২০২৬
দীধিতি রায়
কেবল ভাতার প্রতি নির্ভরশীলতা নয়- মহিলাদের ক্ষমতায়নের জন্য, সমতার জন্য দরকার আর্থিক স্বনির্ভরতা। তার জন্য কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। মহিলাদের কাজের জায়গায় সকল নিরাপত্তা দিতে হবে। মাতৃত্বকালীন ছুটি থেকে শুরু করে যৌন হেনস্থা প্রতিরোধক আইন কার্যকরী করতে হবে। তার ফলেই মহিলারা গ্রামে ও শহরে সকল কর্মক্ষেত্রে যুক্ত হতে পারবে।আর তার দিশা দিচ্ছে একমাত্র বামেদের ইশতেহার।
...more১৩-এপ্রিল-২০২৬
দীধিতি রায়
এনসিআরবি (ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো) এবং এন,সি,এস,সি (ন্যাশনাল কমিশন ফর সিডিউল কাস্ট) এর রিপোর্ট দেখলে বোঝা যায় এই দেশে ৫৭০০০ কাছাকাছি যে বর্ণবৈষম্যমূলক অভিযোগ জমা পড়েছে তার বেশিরভাগ ভিক্টিমই তাই ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে।
২৪-ফেব্রুয়ারি-২০২৬
দীধিতি রায়
আসলে ‘every personal is political’ শ্লোগান শুধু লড়াইয়ের ময়দানে ওঠে না, এই শ্লোগান প্রতিদিন রান্নাঘর থেকে শুরু হয়ে কয়লা খাদান অব্ধি যায়। শ্রমের নিরাপত্তা নিয়ে, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিয়ে আমরা যখন কথা বলছি তখন আমাদের বারংবার বলতে হবে তাদের কথা যাদের কাছে ‘শ্রম’-টাই বেঁচে থাকার নিরাপত্তা, দু-বেলা খেয়েপরে বাঁচার একমাত্র রসদ। গত কয়েক বছরে লিঙ্গভিত্তিক আধিপত্য কায়েম যেমন বেড়েছে তেমনই বেড়েছে জাতভিত্তিক দখলদারি স্থাপনের চেষ্টা। ফলস্বরূপ, উন্নাও তে মন্দিরে আটকে সংখ্যালঘু একটি মেয়েকে লাগাতার ধর্ষণ করে উচ্চবর্ণের হিন্দু পুরুষরা। ...more
০৬-অক্টোবর-২০২৪
দীধিতি রায়
মহিলাদের কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা প্রদানের জন্য রাজ্য সরকারের তরফে যে ১৭ দফা গাইডলাইন [রাতের সাথী] দেওয়া হয়েছে তার প্রায় প্রতিটিই মহিলাদের সমানাধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। এর মধ্যে একটি গাইডলাইনে অদ্ভুতভাবে বলা আছে মহিলারা যাতে যথাসম্ভব কম নাইট ডিউটি করেন তা খেয়াল রাখতে হবে। যৌন নির্যাতন কিংবা ধর্ষণের নির্দিষ্ট কোনও সময় হয় বলে কি মনে করে রাজ্য সরকার ও প্রশাসন? হয়তো তারা ভাবছেন রাতে ডিউটি না-করলে ধর্ষণ রুখে দেওয়া যাবে! কিন্তু যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ সময় বেছে হয় কি-না আমাদের জানা নেই! এখানে আরেকটি গুরুতর প্রশ্ন উঠে যায়— রাতে একজন মহিলা কোথায় থাকবে সেক্ষেত্রে? তার ঘরে? যেন ঘরের ভিতর মহিলারা সুরক্ষিত সেখানে তাদের ওপর হিংসা সংগঠিত হয় না? ভারতে তথ্য অনুযায়ী ৩২% মহিলা প্রতিদিন গার্হস্থ্য হিংসার সম্মুখীন হন। ...more
১৭-সেপ্টেম্বর-২০২৪





