Latest Edition

সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

রূপালি পর্দায় মহানগরীর প্রান্তবাসীরা; হিন্দি সিনেমায় দেখা ও অদেখা

সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়
১৯৬৯ সালে শুরু হওয়া নতুন ভারতীয় সিনেমার পরিচালকেরা দেশের নানা প্রান্তে জীবন ও সমাজের প্রকৃত বাস্তবচিত্র চলচ্চিত্রের  চকমেলানো মায়াকানন থেকে বাস্তবের রুক্ষ মাটিতে আছড়ে ফেলতে শুরু করলেন। দেশের অন্যপ্রান্তের চেয়ে বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের সর্ববৃহদ ও সবচেয়ে শক্তিশালী কেন্দ্রে সিনেমার প্রচলিত ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থার বিরোধিতা করার প্রতিকুলতাকে অগ্রাহ্য করে শ্যাম বেনেগাল, গোবিন্দ নিহালনি, সৈয়দ মির্জা, মনি কাউলেরা নিজেদের মত ছবি নির্মাণে প্রয়াসী হলেন। স্বাভাবিক ভাবেই তাদের অনেকের ছবিতে মহানগরীর প্রান্তবাসীদের দৈনন্দিন জীবন ও জীবিকার সংগ্রামের বস্তুনিষ্ঠ উপস্থাপন হাজির হতে থাকলো।
Marginalized City Lives on the Silver Screen

'গম সে অভি আজাদ নহি ম্যায়
খুস হুঁ মগর আবাদ নহি হ্যায়
মন্জিল মেরে পাস খড়ি হ্যায়
পা'ও মে লেকিন বেড়ি পড়ি হ্যায়
টাং লড়াতে হ্যায় দৌলতবালা
দিল কা হাল শুনে দিলবালা'-

জীবিকার খোঁজে গ্রাম থেকে শহরে এসে হাজির হয় রাজ। দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা অজস্র পরিযায়ীর মত তারও ঠাঁই হয় বোম্বাই মহানগরীর ফুটপাতে। সারাদিনের বেঁচে থাকার প্রাণান্ত লড়াই সেরে নিজেদের বিনোদন নিজেরাই খুঁজে নেয় তারা। ডাবলি বাজিয়ে গান ধরে রাজ। সারাদিনের ক্লান্ত মন মেতে ওঠে রাজের চারপাশে জড় হওয়া দিনআনা-দিনখাওয়া নারী-পুরুষের দল। মহানগরের শর্ত মেনেই হাভাতে মানুষের ছাদহীন আবাসের পাশেই ধনীর অট্টালিকা। গরীবের বিনোদন দৌলতবালা’র সুখনিদ্রার ব্যাঘাত ঘটায়। ফোন যায় থানায়। চটজলদি পুলিশ এসে হাজির। সায়েস্তা করতে হবে রাত বিরেতে নাচ-গান করা বেয়াদপদের। 

খাজা আহমেদ আব্বাসের কাহিনি, চিত্রনাট্যের (সহযোগী কাহিনিকার ভি পি সাঠে) ভিত্তিতে রাজকাপুর যখন ‘শ্রী ৪২০’(১৯৫৫) নির্মান করছেন তখন ভারত রাষ্ট্রের বয়স মাত্র সাত। নতুন দেশ ও জাতির ধারনা প্রায় সত্তর শতাংশ নিরক্ষর মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সর্বভারতীয় হিন্দি সিনেমার গুরত্ব নতুন শাসকেরা অবগত। দেবানন্দ, রাজকাপুর আর দিলীপকুমার এর মত বিশাল নক্ষত্রদের নির্ভরতায় ‘কল্যাণকামী রাষ্ট্রের’ স্বপ্ন দেশবাসীর মনে গেঁথে দেয়ার উদ্যোগে সর্বভারতীয় হিন্দি সিনেমা (বাক্যবন্ধটি চিদানন্দ দাশগুপ্তের) নিরলস। গ্রামের ভালোমানুষ আর শহরের পশ্চিমা ধনী স্বার্থপরদের সংঘাত সেলুলয়েডের বুকে অবিরত চলছে। এরমাঝেই সেইসব ছবির পরিচালকদের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গীতে শহরের গরীব মানুষদের কথা এল। এল রাজের মত মানুষদের কথা, যারা হৃদয়হীন মহানগরের আসতে বাধ্য হয়েছে মূলত গ্রামীণ অর্থনীতির দুরাবস্তার কারনে। যতই হিন্দি ছবির মেলোড্রামা সম্পৃক্ত আখ্যান দেশবাসীর যৌথ কল্পনায় (সুধীর কক্করের ভাষায় ‘Collective Fantasy) পরিণত হোক সেই আখ্যানে শহরের গরীবদের হামেশাই দেখা যেত। ফুটপাতবাসী, বস্তিবাসী সহনাগরিকরা ভীষনভাবেই আছেন আমাদের মহানগরগুলিতে, দৈনন্দিনতায় তাদের উপস্থিতি অনিবার্য। একথা ছবি করিয়েরা জানতেন ও মানতেন। খাজা আহমেদ আব্বাস ও রাজকাপুরের আগের উদ্যোগ ‘আওয়ারা’(১৯৫১) ছবির নায়কের জন্ম হয় মহানগরের সড়কে। মা, ছেলের টিঁকে থাকার অসম লড়াই, পেটের দায়ে, পরিবেশের চাপে ছেলের বিপথগামী হওয়া সবই ঘটে শহরের প্রান্তবাসী সমাজে। স্বাধীনতা উত্তর হিন্দি ছবির আরেক গুরুত্বপূর্ণ পরিচালক-নায়ক গুরু দত্তের  প্রায় সব ছবি মহানগর কেন্দ্রিক। পূর্বে উল্লেখিত মহানায়কদের তুলনায় তার নায়করা (নিজে বা দেবানন্দ) অনেক অন্তর্মূখি এবং আলো- আঁধারিতে মেশানো। গুরুদত্তের ছবির মূলসুর রোম্যান্টিকতার তারে বাঁধা হলেও তার শহুরে চরিত্রদের ভিড়ে প্রান্তবাসী মানুষের গুরুত্বপূর্ণ উপস্থিতি। ‘পিয়াসা’(১৯৫৭) ছবির নায়ক, ব্যর্থ কবি বিজয়ের দুই সহায়কের একজন কলকাতা শহরের রাস্তায় ‘খদ্দের’ ধরে বেড়ানো রূপজীবি আরেকজন পথের মালিশওয়ালা। ‘আর পার’(১৯৫৪) ছবির মোটর মেকানিক নায়ক কার্যত গৃহহীন। এই সময়ের মহানগরের পথবাসী, প্রান্তিক মানুষের কথা সবচেয়ে বাঙময় হয় বিমল রায়ের ‘দো বিঘা জমিন’(১৯৫৩) ছবিতে। ইতালীয় নববাস্তবতায় মুগ্ধ বিমল রায় কলকাতার নিউ থিয়ের্টাসের পাট চুকিয়ে সদলবলে বম্বেতে গিয়ে সলিল চৌধূরির কাহিনি আর হৃষিকেশ মুখার্জির চিত্রনাট্য নিয়ে যে ছবি করলেন সেখানে প্রান্তিক কৃষক শম্ভু(বলরাজ সাহানী) গ্রামীণ সামন্তপ্রভু আর উদিয়মান নব্য বুর্জোয়ার মিলিত ষরযন্ত্রে নিজের চাষের জমি থেকে উৎখাত হয়ে শহরের শ্রমবেচা সর্বহারায় পরিণত হয়। বিমল রায়ের এই ছবির বস্তুনিষ্ঠ, শৈল্পিক উপস্থাপনা তাকে অনন্য করেছিল।

১৯৬০ দশকের শেষের দিকে যখন স্বাধীনতা প্রাপ্তিকে ঘিড়ে গড়ে ওঠা স্বপ্ন যখন ক্রমস বিবর্ণ হয়ে পড়লো। ক্রমবর্ধমান আর্থ-সামাজিক অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক দোলাচাল, মানুষের ক্রমবর্ধমান বিক্ষোভ-আন্দোলনের ছায়া হিন্দি ছবির ভাবনার জগতেও প্রলম্বিত হল। নতুন দেশের স্বপ্নের সওদাগরি কমজোরি হতে থাকলে বম্বের হিন্দি ছবি বাস্তব থেকে মুখ ফিরিয়ে পলায়নতা প্রবণ আখ্যানে বাণিজ্যিক নিশ্চয়তার আশ্বাস খুঁজছিল। সাতের দশকের শুরু থেকে হিন্দি সিনেমা সমকালের অশান্ত পরিবেশ, যৌবনের যন্ত্রনাকে ছবি বিপণনের তুরুপের তাস বানাতে দ্বিধা করলোনা। জন্মনিল নতুন অবতার ‘রাগী যুবক’। হৃষিকেশ মুখার্জীর ‘আনন্দ’(১৯৭১) ছবির অন্যতম প্রধান চরিত্র ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাঃ ভাস্কর ব্যানার্জি(অমিতাভ বচ্চন) অসহিস্নু করে তোলে কারন সে জানে শহরের বস্তিবাসী মানুষের প্রধান রোগ দারিদ্র, যে রোগের চিকিৎসা তার অর্জিত বিদ্যায় নেই। এই অক্ষমতা তাকে এক রাগী, বদমেজাজি মানুষে পরিনত করে। এই দশকের ছবি ক্রমস আরো নগর কেন্দ্রিক হয় আর তার আখ্যানে শহরের প্রান্তবাসী মানুষ গুরুত্বপূর্ণ স্থান জুড়ে থাকে। ‘দিওয়ার’(১৯৭৫) ছবির শ্রমিক নেতার অসহায় লাঞ্ছিত পরিবারের এক নারী ও তার দুই কিশোর পুত্র আশ্রয় নেয় বম্বে মহানগরীর এক ব্রিজের নিচে। বিজয়ের জুতো পালিশ আর মায়ের নির্মাণ শ্রমিকের আয়ে তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই হয় শহরের দরিদ্র বস্তিতে। ‘মুকাদ্দার কি সিকান্দর’-এ বিজয় তথা সিকান্দর (অমিতাভ বচ্চন) কার্যত শহরের ফুটপাতেই বড় হয়।  

এই সময়কালেই ভারতীয় সিনেমায় এক নতুন যুগের সূচনা হল। ১৯৬৮ সালে মৃনাল সেন ও অরুন কাউল ভারতের নিউ সিনেমা আন্দোলনের ইস্তেহার প্রকাশ করে একটি নতুন ধরনের সিনেমা আন্দোলনের ডাক দেন। ১৯৬৯ সালে শুরু হওয়া নতুন ভারতীয় সিনেমার পরিচালকেরা দেশের নানা প্রান্তে জীবন ও সমাজের প্রকৃত বাস্তবচিত্র চলচ্চিত্রের  চকমেলানো মায়াকানন থেকে বাস্তবের রুক্ষ মাটিতে আছড়ে ফেলতে শুরু করলেন। দেশের অন্যপ্রান্তের চেয়ে বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের সর্ববৃহদ ও সবচেয়ে শক্তিশালী কেন্দ্রে সিনেমার প্রচলিত ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থার বিরোধিতা করার প্রতিকুলতাকে অগ্রাহ্য করে শ্যাম বেনেগাল, গোবিন্দ নিহালনি, সৈয়দ মির্জা, মনি কাউলেরা নিজেদের মত ছবি নির্মাণে প্রয়াসী হলেন। স্বাভাবিক ভাবেই তাদের অনেকের ছবিতে মহানগরীর প্রান্তবাসীদের দৈনন্দিন জীবন ও জীবিকার সংগ্রামের বস্তুনিষ্ঠ উপস্থাপন হাজির হতে থাকলো। হাস্যরসাত্বক ফ্যান্টাসির মোড়কে কুন্দন শা’র ‘জানে ভি দো ইয়ারো’(১৯৮৩) ছবিতে মহানগরে অসাধু নির্মান ব্যবসায়ী, প্রশাসনের অর্থগৃধ্নুতার আঁতাতে নতুন তৈরী উড়ালপুল ধসে পরে আর তার নিচে রাতের আশ্রয় নেয়া হতদরিদ্র পথবাসীরা প্রাণ হারায়। আবার রবীন্দ্র ধর্মরাজ পরিচালিত ‘চক্র’(১৯৮১) দশ ফুট বাই দশ ফুট খোপে বন্দী প্রান্তবাসীর জীবনের বস্তুনিষ্ঠ ব্যবচ্ছেদ করে। প্রান বাঁচাতে শিশুপুত্রকে নিয়ে তরুনী আম্মা হাজির হয় মহানগরে। শহরের বস্তিতে ঠাঁই হয় তাদের। ছবির শেষ অংশে পৌরপরিষেবার বুলডজার ধ্বংস করে সেই আবাস। আম্মার ছেলে তখন যুবক। সে তার স্ত্রীকে নিয়ে আশ্রয় নেয় মহানগরীর আরেক বস্তিতে। শুরু করে তার নতুন জীবন যা তার মা ও মায়ের প্রেমিকদের চেয়ে পৃথক হবে না। তাদেরও একই রকম আবাসস্থল যা ভবিষ্যতের ‘উন্নয়ন’ উচ্ছেদ করবে। নতুন ভারতীয়  সিনেমার আরেক গুরুত্বপূর্ণ পরিচালক সৈয়দ আখতার মির্জার ‘সেলিম ল্যাংড়ে পে মাত রো’(১৯৮৯) বড় শহরের প্রান্তিক মুসলিম মহল্লার চলচ্ছবি। ধর্মঘটে কাজ হারানো বাবা, সেলাই করে সংসার চালানো মা, অনুঢ়া যুবতি বোন আর ছোটোখাটো অপরাধ করে টিঁকে থাকা সেলিমের পরিবারের দুর্দশা দীর্ঘায়িত হয় তাদের ধর্মীয় পরিচয়ের কারনে। ওই বছরেই যখন বিধু বিনোদ চোপরার ‘পরিন্দা’(১৯৮৯) মুক্তি পাচ্ছে প্রচলিত বাণিজ্যিক ঘরানার প্রায় সব শর্তকে মান্যতা দিয়ে তখন সেই ছবির নায়ক, সহ নায়কেরা, নায়িকা এবং ভিলেন প্রত্যেকের শৈশব কাটে মুম্বাই নগরীর ফুটপাতে। পথই তাদের জীবনের পাঠশালা। সৈয়দ মির্জার ভাই আজিজ মির্জা টেলিভিশনের সাফল্যের শেষে যখন ছবি তৈরী করতে এসে ‘রাজু বন গেয়ে জেন্টেলম্যান’(১৯৯২) পরিচালনা করলেন তখন সন্দেহাতিত ভাবেই তা হয়ে উঠলো রাজ কাপুরের ‘শ্রী ৪২০’-এর সমকালিন সম্প্রসারন। এই ছবিতেও চাকরির খোঁজে মুম্বাইতে আসা ইঞ্জিনিয়র রাজুর মোলাকাত ঘটে নিন্মবিত্ত প্রান্তিক জনগোষ্ঠির সঙ্গে। এখানেও অসাধু নির্মাণ উদ্যোগের বলি হয় শহরের গরীবগুর্বোরা। একই সময়ে সুধীর মিশ্র ‘ধারাভি’(১৯৯২) প্রস্তুত করেন এশিয়ার বৃহত্তম বস্তিকে ছবির পটভূমিকায় রেখে। যা ক্রমস যেন হয়ে উঠতে থাকে ঐ সিনেমার এক প্রধান চরিত্র।  

এভাবেই মহানগরের প্রান্তিক জীবনের বাস্তবতা ও তার অনিবার্য অবস্থিতি নানা ধারার হিন্দি সিনেমার আখ্যানে অঙ্গীভূত হয়েছে। স্বীকৃত হয়েছে তার অস্তিত্ব। ১৯৯০-এর দশক যত এগোতে লাগলো ততই মুম্বাই-এ সৃষ্ট রূপালী পর্দায় মহানগরীর প্রান্তবাসীদের উপস্থিতি ক্ষীয়মাণ হতে থাকলো। ততদিনে ভারতীয় সিনেমা আরেক বড় বাঁকের মুখোমুখি হয়েছে। ভারত মিশ্র অর্থনীতির ভাবনাকে বিদায় জানিয়ে বাজার অর্থনীতির ক্ষেত্রে ঢুকে পড়েছে। অর্থনীতির এই বদল সমাজ ও ব্যক্তিজীবনের মানসিকতায় আমূল পরিবর্তন আনল। প্রায় একই সঙ্গে রাজনীতির ক্ষেত্রে ধর্মীয় মেরুকরণের প্রভাব বৃদ্ধি পেতে লাগলো। সামগ্রিক ভাবে চলচ্চিত্র বাজারের সংকোচন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের নতুন বাজারের সন্ধান করতে বাধ্য করলো। অনাবাসী ভারতীয়দের কাছে চলচ্চিত্রের বিপণন করতে গিয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রের পটভূমি হিসেবে বিদেশি লোকেশান, চরিত্র হিসেবে অনাবাসী নারী- পুরুষ বিশেষ প্রাধান্য পেতে লাগলো। পুরনো চলচ্চিত্র প্রদর্শনশালাগুলির জায়গায় কিছু মাল্টিপ্লেক্স হোল। নয়া অর্থ ব্যবস্থায় সৃষ্টি হল নব্য মধ্যবিত্ত সমাজ, উপভোক্তা হিসাবে এই জনগোষ্ঠীর গুরুত্ব মূলধারার ভারতীয় সিনেমার বিষয় ও আঙ্গিক নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরও বড় পরিবর্তন নিয়ে এল। টেলিভিশনে, ডিজিটাল মাধ্যমে বিক্রি হওয়া স্বত্ব চলচ্চিত্র অর্থনীতিতে বিশেষ প্রাধান্য পেতে থাকলো। মুম্বাই-এর হিন্দি সিনেমা হল 'বলিউডে'র ছবি, 'আংরি ইয়ংম্যান' হল 'বিগ বি' আর নব্য অর্থনীতি উৎপাদিত তারুন্যের প্রতিনিধির অবতার রূপে হল শাহরুখ খানের প্রতিষ্ঠা। সিনেমার এই ডিজাইনার্স মহানগরে প্রায় অদেখা থাকছে শহরের প্রান্তজীবিরা।  অনুরাগ কাশ্যপের মত হাতেগোনা পরিচালকের ছবিতে সেই জগৎ ও জীবনের দেখা মেলে। কখনো মধুর ভান্ডারকার 'ট্রাফিক সিগনাল'(২০০৭)-র কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনেন সেইসব মানুষজনকে। কিন্তু আজকের হিন্দি সিনেমার আখ্যান নির্মাতাদের কাছে নগরের প্রান্তবাসী মানুষের যাপন ও অবস্থান যেন এক "ঘোর মিছে, দুর্বিষহ মাতালের প্রলাপের মত"।


প্রকাশের তারিখ: ১২-সেপ্টেম্বর-২০২৬
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:


আপনার মতামত

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।



অন্যান্য মতামত:

Donate Now
আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিভাগে প্রকাশিত ৮৯ টি নিবন্ধ
১২-সেপ্টেম্বর-২০২৬

০৪-সেপ্টেম্বর-২০২৬

২৪-মে-২০২৬

২৩-মে-২০২৬

১৯-মে-২০২৬

১৪-মে-২০২৬

০৯-মে-২০২৬

০৯-মে-২০২৬

২১-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২৭-জানুয়ারি-২০২৬