সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নিবন্ধের খোঁজ
এখানে আপনি লেখক, নিবন্ধের বিষয়, তথ্য, প্রকাশের তারিখ দিয়ে বিভিন্নভাবে খুঁজতে পারেন, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই খোঁজা যাবে।
আপনি খুঁজছেন এমন নিবন্ধ যার লেখক/লেখিকা: [অম্লান দেব - Amlan Deb],
সমরেশ বসু ও দেশের খোঁজ
অম্লান দেব
বিলডিহির দত্ত বোস মিত্তিররাও এদেশে এসেছেন। তাদের অসুবিধা হয়নি। সেখানে তাদের ছিল দোতলা বাড়ি এখানে হয়েছে চার তলা। তারা হলেন বড়ো বড়ো বাস্তুহারা মাতব্বর। দেশে যাদের নুন আনতে পান্তা ফুরাত এখন তাদের বাড়ির দরজায় মোটর গাড়ি। বলির পাঁঠা হয়েছে কেবল সুঁচাদরা সরকারি রিফিউজির তালিকায় যাদের নাম নেই। নাম থাকে না কোনোদিন। “মাঝে মাঝে সুঁচাদের মনে হয়, মানুষের বোকা হওয়ার একটা সময় আসে। সব মানুষের একসঙ্গে। তা না-হলে সব মানুষ একসঙ্গে ভাগাভাগি মানল কেমন করে। এমন কি হয় না সব মানুষ একসঙ্গে ভাগাভাগিটা তুলে দেবে। হিন্দু-মুসলমান একসঙ্গে।” ...more
অম্লান দেব
বিলডিহির দত্ত বোস মিত্তিররাও এদেশে এসেছেন। তাদের অসুবিধা হয়নি। সেখানে তাদের ছিল দোতলা বাড়ি এখানে হয়েছে চার তলা। তারা হলেন বড়ো বড়ো বাস্তুহারা মাতব্বর। দেশে যাদের নুন আনতে পান্তা ফুরাত এখন তাদের বাড়ির দরজায় মোটর গাড়ি। বলির পাঁঠা হয়েছে কেবল সুঁচাদরা সরকারি রিফিউজির তালিকায় যাদের নাম নেই। নাম থাকে না কোনোদিন। “মাঝে মাঝে সুঁচাদের মনে হয়, মানুষের বোকা হওয়ার একটা সময় আসে। সব মানুষের একসঙ্গে। তা না-হলে সব মানুষ একসঙ্গে ভাগাভাগি মানল কেমন করে। এমন কি হয় না সব মানুষ একসঙ্গে ভাগাভাগিটা তুলে দেবে। হিন্দু-মুসলমান একসঙ্গে।” ...more
১১-ডিসেম্বর-২০২৪
'আকাশে আজ ছড়িয়ে দিলাম প্রিয়’
অম্লান দেব
নদী আর বাজারের মাঝামাঝি সাজান মাস্টারের বাড়ি। টিনের চাল, মুলিবাঁশের বেড়া, উঠোন পেরিয়ে টালির রান্নাঘর। পেঁপে গাছের পাশ দিয়ে কলতলা। উঠোনের দিকে আর বাইরের দিকে মাটির বারান্দা। সাইকেল ধীরে ফিরছিল বাড়ির দিকে। আচ্ছা গানটা কি একতালের? নাকি কাহারবা ছিল? প্যাডেল করতে করতে মাত্রা গুণছিলেন সাজান মাস্টার। এই যে তার জীবন ভরা নজরুলের গান সেও তো এমনি এমনি নয়। কত বছর আগে, সেবার বটতলার বড়ো অনুষ্ঠান, গণ্যমান্যদের সামনে গান গেয়েছিলেন উঠতি গায়ক শাহজাহান। সে গানে মঞ্চের একদম সামনের দিকে রাখা একটি চেয়ারে জ্বলে উঠেছিল সন্ধ্যাবাতি! ...more
অম্লান দেব
নদী আর বাজারের মাঝামাঝি সাজান মাস্টারের বাড়ি। টিনের চাল, মুলিবাঁশের বেড়া, উঠোন পেরিয়ে টালির রান্নাঘর। পেঁপে গাছের পাশ দিয়ে কলতলা। উঠোনের দিকে আর বাইরের দিকে মাটির বারান্দা। সাইকেল ধীরে ফিরছিল বাড়ির দিকে। আচ্ছা গানটা কি একতালের? নাকি কাহারবা ছিল? প্যাডেল করতে করতে মাত্রা গুণছিলেন সাজান মাস্টার। এই যে তার জীবন ভরা নজরুলের গান সেও তো এমনি এমনি নয়। কত বছর আগে, সেবার বটতলার বড়ো অনুষ্ঠান, গণ্যমান্যদের সামনে গান গেয়েছিলেন উঠতি গায়ক শাহজাহান। সে গানে মঞ্চের একদম সামনের দিকে রাখা একটি চেয়ারে জ্বলে উঠেছিল সন্ধ্যাবাতি! ...more
২৬-মে-২০২৩
ভাষা― রাজনীতির 'প্যাঁচাল'
অম্লান দেব
চণ্ডাল এই কাজ করতে পারেনি, পালিয়েছে। ‘রাজা তখন অনুচরবর্গকে আজ্ঞা করিলেন, ‘দোসরা লোক লইয়া আইস — মুসলমান।” এই মুসলমান পেশায় কসাই। নিজের শহরে সে ‘গোরু কাটিতে পারিত না’, ‘নগরপ্রান্তে বকরি মেড়া’ কাটে ও বেচে। ‘অতিশয় বলবান’ ও ‘কদাকার’ সেই মুসলমান কসাই বেত উঁচু করে সন্ন্যাসিনীকে বলিল, ‘কাপড়া উতার — তেরি গোস্ত টুক্রা টুক্রা করকে হাম দোকানমে বেচেঙ্গে।’ কদাকার, কসাই মুসলমান দ্বারা একজন মহিলার মাংস কেটে বেচার আকাঙ্ক্ষা তৈরির নৃশংসতাকে উপেক্ষা করেও এখানে আমাদের একটু থামতে হয়, কারণ ১৮৮৭ সালের একটি বাংলা উপন্যাসের একজন মুসলমান চরিত্র বাংলায় কথা বলছেন না! বাংলা কি তবে হিন্দুর ভাষা, মুসলমানের নয়? ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন তবে কোন ভাষার জন্য হয়েছিল? ১৮৮১ সালের লোকগণনা অনুযায়ী বর্ধমান, প্রেসিডেন্সি, রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের লোকসংখ্যার ৫০.১৬% মুসলমান, ৪৮.৪৫% হিন্দু। ১৮৯১ সালের গণনাতেও বাংলায় হিন্দুর থেকে মুসলমানদের সংখ্যা বেশি। ‘সীতারাম’-এর সমকালে বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানরা কি বঙ্কিমের কদাকার কসাই মুসলমানের মতো ভাষাতেই কথা বলতেন? ...more
অম্লান দেব
চণ্ডাল এই কাজ করতে পারেনি, পালিয়েছে। ‘রাজা তখন অনুচরবর্গকে আজ্ঞা করিলেন, ‘দোসরা লোক লইয়া আইস — মুসলমান।” এই মুসলমান পেশায় কসাই। নিজের শহরে সে ‘গোরু কাটিতে পারিত না’, ‘নগরপ্রান্তে বকরি মেড়া’ কাটে ও বেচে। ‘অতিশয় বলবান’ ও ‘কদাকার’ সেই মুসলমান কসাই বেত উঁচু করে সন্ন্যাসিনীকে বলিল, ‘কাপড়া উতার — তেরি গোস্ত টুক্রা টুক্রা করকে হাম দোকানমে বেচেঙ্গে।’ কদাকার, কসাই মুসলমান দ্বারা একজন মহিলার মাংস কেটে বেচার আকাঙ্ক্ষা তৈরির নৃশংসতাকে উপেক্ষা করেও এখানে আমাদের একটু থামতে হয়, কারণ ১৮৮৭ সালের একটি বাংলা উপন্যাসের একজন মুসলমান চরিত্র বাংলায় কথা বলছেন না! বাংলা কি তবে হিন্দুর ভাষা, মুসলমানের নয়? ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন তবে কোন ভাষার জন্য হয়েছিল? ১৮৮১ সালের লোকগণনা অনুযায়ী বর্ধমান, প্রেসিডেন্সি, রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের লোকসংখ্যার ৫০.১৬% মুসলমান, ৪৮.৪৫% হিন্দু। ১৮৯১ সালের গণনাতেও বাংলায় হিন্দুর থেকে মুসলমানদের সংখ্যা বেশি। ‘সীতারাম’-এর সমকালে বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানরা কি বঙ্কিমের কদাকার কসাই মুসলমানের মতো ভাষাতেই কথা বলতেন? ...more
২০-ফেব্রুয়ারি-২০২৩
সাম্প্রতিক নিবন্ধ
০৪-এপ্রিল-২০২৬
০৪-এপ্রিল-২০২৬
০৩-এপ্রিল-২০২৬
০৩-এপ্রিল-২০২৬
০২-এপ্রিল-২০২৬
০১-এপ্রিল-২০২৬








