সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
ডিজিটাল যুগে সংবাদমাধ্যম (১)
প্রবীর পুরকায়স্থ
ডিজিটাল বিপ্লব সম্পর্কে প্রচলিত অন্যতম একটা ভুল ধারণা হল, লোকে একথা বিশ্বাস করে যে ডেটা বা তথ্য নিজেই একটা প্রোডাক্ট বা পণ্য এবং ডেটা–ই ডিজিটাল অর্থনীতিকে শক্তি যোগাচ্ছে। একসময় ওয়ার্লড ইকনমিক ফোরাম ১প্রচার করেছিল যে, ডেটা হল নতুন যুগের অপরিশোধিত তেলভাণ্ডার। অটোনমিস্টদের ইতালিয় স্কুলের প্রভাবে পড়ে কেউ কেউ ব্যাখ্যা করত, কীভাবে কম্পিউটেশনের মাধ্যমে অ্যালগরিদিমকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসায় উদ্বৃত্ত সৃষ্টি করা যায়। এটা হল অ্যালগরিদমিক–ভিত্তিক উদ্বৃত্তের ধারণা। যাঁরা আলোচনাটিকে এই দিকে নিয়ে যান তাঁরা যেটা বুঝতে পারেন না তা হল, বাস্তব জগতে কোম্পানিগুলি ডেটা বা অ্যালগরিদমকে কোন্ উদ্দেশ্যে কাজে লাগায়। সব ডিজিটাল একচেটিয়া কোম্পানি সমস্বত্ত্ববিশিষ্ট নয়। তারা ডেটা এবং অ্যালগরিদমকে ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে কাজে লাগায়। এবং এই ব্যবহার নির্ভর করে কোম্পানিটি অ্যামাজন, নাকি মাইক্রোসফট, নাকি গুগল কিংবা ফেসবুক তার ওপর।

পর্ব ১
ডিজিটাল মিডিয়া বা ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম এখন ক্রমশ আমাদের জীবনের দখল নিয়ে নিচ্ছে, তা সে সোশাল মিডিয়া হোক, ডিজিটাল ক্লাসরুম হোক, কিংবা নেটফ্লিক্স-এর মতো ওভার দ্য টপ (ওটিটি) প্ল্যাটফর্ম হোক। এমনকী ফিফা বিশ্ব কাপ শুধু টিভিতেই নয়, সম্প্রচার করা হচ্ছে নানা ধরনের অ্যাপের মাধ্যমে। মোবাইলের সঙ্গে অল্পবয়সীদের সম্পর্ক এখন তীব্র আবেগের। আজকের তরুণ প্রজন্ম মোবাইলে এতটাই আবিষ্ট যে এক দৃশ্য থেকে আরেক দৃশ্যে পৌঁছতে যতটুকু সময়ের ব্যবধান থাকে, সেই ব্যবধানের সময়টুকুই তারা আমাদের দিতে পারে। ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে আমরা দেখতে পাচ্ছি খুব শক্তিশালী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেরও উত্থান। এই প্ল্যাটফর্মগুলোই ক্রমশ বেশি বেশি করে ঠিক করে দিচ্ছে সংবাদ ও বিনোদন বিষয়টা আমরা কীভাবে পাব এবং কতটুকু পাব। একইসঙ্গে ডিজিটাল মিডিয়াগুলি হয়ে উঠছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ একচেটিয়া কোম্পানি।
গুগল, ফেসবুক/ মেটার মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে প্রায়ই বলা হয় সোশাল মিডিয়া এবং এভাবে ওই প্ল্যাটফর্মগুলোকে সাধারণ মিডিয়ার থেকে আলাদা করে ফেলা হয়। সেকারণে আমাদের তরফে একথার স্বীকৃতি দেওয়া দরকার যে, আজকের দিনে এগুলো বৃহত্তর মিডিয়া জগতেরই একটি অংশ। যখন আমরা এগুলোকে বলি সোশাল মিডিয়া, তখন এগুলিকে আমরা পুরনো আমলের মিডিয়া থেকে পুরোপুরি আলাদা করে দেখি। আলাদা এই অর্থে যে এগুলি হয়ে দাঁড়ায় মিডিয়ার একটা নতুন পরিসর বা ক্ষেত্র। এর ফলে নতুন ডিজিটাল মিডিয়া যে পুরোন মিডিয়ার মতো মিডিয়াই, এই কথাটা আড়ালে চলে যেতে পারে।
মার্কসবাদীদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল, কীভাবে সংবাদমাধ্যমের ব্যবসা মুনাফা অর্জন করে। নতুন সোশাল মিডিয়া এবং পুরনো ধরনের মিডিয়া— দুটি ক্ষেত্রেই উত্তর হল তাদের মুনাফা কামানোর মডেল একই এবং সেই উৎস হল বিজ্ঞাপন! আমাদের খতিয়ে দেখতে হবে নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলি মিডিয়া ব্যবসায়ে কীভাবে একচেটিয়া শক্তি হয়ে উঠেছে এবং সংবাদমাধ্যমের কাঠামোয় তারা কী কী পরিবর্তন নিয়ে এসেছে।
পটভূমি: ডিজিটাল বিপ্লব
ডিজিটাল বিপ্লব জন্ম দিয়েছে নতুন ডিজিটাল একচেটিয়ার, যা শুধু গুগল বা ফেসবুক নয়। ২০০৬ সালে সারা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দশটি একচেটিয়া সংস্থার মধ্যে মাইক্রোসফট ছিল একমাত্র ডিজিটাল কোম্পানি। আর আজকের দিনে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১০টি একচেটিয়া সংস্থার মধ্যে অর্ধেকের বেশি, মানে ৬টিই হল ডিজিটাল একচেটিয়া কোম্পানি (সারণি ১)। এখন বিশ্বের সর্ববৃহৎ জ্বালানি তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো–কেও টপকে গেছে অ্যাপল! বিশ্বের সর্ববৃহৎ ৫টি একচেটিয়া সংস্থার মধ্যে ৪টিই ডিজিটাল একচেটিয়া কোম্পানি, এবং তাদের মার্কেট ক্যাপিটালাইজেসন (কোনও কোম্পানির মোট শেয়ার গুণিতক সেই শেয়ারের চলতি বাজারদর)-এর পরিমাণ হল কয়েক ট্রিলিয়ন (এক ট্রিলিয়ন মানে এক লক্ষ কোটি) ডলার। বিশ্বে আইফোনের সর্ববৃহৎ উৎপাদক হল অ্যাপল, অথচ তা উৎপাদন করার জন্য এই সংস্থার নিজস্ব কোনও কারখানা নেই। এই যে ৬টি বৃহৎ একচেটিয়ার কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে সোশাল মিডিয়া কোম্পানি মাত্র দু’টি। এখানে গুগলকেও সোশাল মিডিয়া কোম্পানি হিসাবে ধরা হচ্ছে, যদিও এই সংস্থা সবচেয়ে মুনাফা কামায় সার্চ ইঞ্জিন থেকে।
সারণি ১: বাজার মূলধন দ্বারা বিশ্বের বৃহত্তম তালিকাভুক্ত সংস্থা (বিলিয়ন ডলারে)

ডিজিটাল বিপ্লব সম্পর্কে প্রচলিত অন্যতম একটা ভুল ধারণা হল, লোকে একথা বিশ্বাস করে যে ডেটা বা তথ্য নিজেই একটা প্রোডাক্ট বা পণ্য এবং ডেটা–ই ডিজিটাল অর্থনীতিকে শক্তি যোগাচ্ছে। একসময় ওয়ার্লড ইকনমিক ফোরাম ১প্রচার করেছিল যে, ডেটা হল নতুন যুগের অপরিশোধিত তেলভাণ্ডার। অটোনমিস্টদের ইতালিয় স্কুলের প্রভাবে পড়ে কেউ কেউ ব্যাখ্যা করত, কীভাবে কম্পিউটেশনের মাধ্যমে অ্যালগরিদিমকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসায় উদ্বৃত্ত সৃষ্টি করা যায়। এটা হল অ্যালগরিদমিক–ভিত্তিক উদ্বৃত্তের ধারণা। যাঁরা আলোচনাটিকে এই দিকে নিয়ে যান তাঁরা যেটা বুঝতে পারেন না তা হল, বাস্তব জগতে কোম্পানিগুলি ডেটা বা অ্যালগরিদমকে কোন্ উদ্দেশ্যে কাজে লাগায়। সব ডিজিটাল একচেটিয়া কোম্পানি সমস্বত্ত্ববিশিষ্ট নয়। তারা ডেটা এবং অ্যালগরিদমকে ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে কাজে লাগায়। এবং এই ব্যবহার নির্ভর করে কোম্পানিটি অ্যামাজন, নাকি মাইক্রোসফট, নাকি গুগল কিংবা ফেসবুক তার ওপর।
বিশ্বের একেবারে শীর্ষস্থানে থাকা ১০টি একচেটিয়া সংস্থার মধ্যে যেগুলি জিডিটাল একচেটিয়া কোম্পানি, তাদের ব্যবসায়িক মডেলের দিকে যদি নজর দেওয়া যায়, তাহলে দেখা যাবে সেই মডেলগুলি একেবারে ভিন্ন ধরনের। আবার বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১০টি একচেটিয়া সংস্থার মধ্যে যেগুলি ডিজিটাল একচেটিয়া, তাদের মধ্যে শুধুমাত্র গুগল ও ফেসবুকই হল মিডিয়া একচেটিয়া কোম্পানি। এই দুই সংস্থা এখন অন্যান্য ক্ষেত্রেও তাদের শাখাপ্রশাখা বিস্তারের চেষ্টা করছে তাদের প্রভাবাধীন স্থায়ী গ্রাহকদের ব্যবহার করে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, ফিনান্সের ক্ষেত্রে (গুগল পে, হোয়াটস অ্যাপ পে)। তবুও একথা ভুলে গেলে চলবে না যে, এই দুই সংস্থার লাভের বেশির ভাগটাই আসে বিজ্ঞাপন থেকে। গুগল ও ফেসবুকের মূল ব্যবসা হল আমাদের, মানে আমরা যারা তাদের ইউজার, তাদেরকে বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে বিক্রি করা এবং এদের ব্যবসায়িক মডেল হল সেই পুরনো আমলের বিজ্ঞাপনভিত্তিক মিডিয়া ব্যবসা।
বিশ্বে একেবারে শীর্ষস্থানীয় দশটি একচেটিয়া কোম্পানির মধ্যে আরও চারটি হল ডিজিটাল একচেটিয়া। কিন্তু সেগুলির ব্যবসায়িক মডেল একেবারে আলাদা। অ্যামাজনের ব্যবসা হল জিনিস কিনে বিক্রি করা। ঠিক যেমন করে থাকে গ্রাহকদের পরিষেবা প্রদানকারী প্রথাগত একচেটিয়া কোম্পানি ওয়ালমার্ট। এমনকি এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে ব্যবসা করলেও অ্যামাজন আসলে ওয়ালমার্টের মতোই প্রথাগত পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা। আর মাইক্রোসফটের লাভের মূল টাকাটা আসে উইনডোজের ওপর তাদের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ থেকে। এবং তাদের মালিকানাধীন অন্যান্য সফটঅয়্যার বিক্রি এবং মাইক্রোসফটের নানান প্রোডাক্ট সংক্রান্ত পরিষেবা থেকে। একই ভাবে অ্যাপল–এর একচেটিয়ার উৎস হল একটি বিশেষ ডিভাইসের বিক্রেতা হিসাবে এবং মূলত তাদের প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডের আই ফোনই হল সেই ডিভাইস। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১০ একচেটিয়ার তালিকায় এখন ঢুকে পড়েছে টিএসএমসি (তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টরস)। এরা বিশ্বের সর্ববৃহৎ চিপ নির্মাতা।
স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছে ডিজিটাল বিপ্লব পুঁজিবাদের কাঠামোয় একটা বদল নিয়ে আসছে। তাহলে সব মিলিয়ে জিডিটাল বিপ্লব বলতে আসলে কি বোঝাচ্ছে?
জিডিটাল বিপ্লবের দুটি অক্ষ— এক, কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক বা সংযোগের জাল এবং ব্যান্ডউইডথ। দুই, এই নেটওয়ার্কে নির্দিষ্ট যন্ত্রটির গণনামূলক সক্ষমতার মাত্রা। কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট— যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা তথ্য পাই কিংবা পাঠাই— এবং এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত ডিভাইস বা যন্ত্র— এই দুইয়ের জগতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের পরিণতি হিসাবেই ডিজিটাল মিডিয়ার আত্মপ্রকাশ।
কমিউনিকেশনস নেটওয়ার্কের ব্যাপ্তি কতদূর তা বোঝাতে আমি একট সহজ পরিমাপক ব্যবহার করব। সেটি হল ইন্টারনেটে নোড (সংযোগের) সংখ্যা এবং এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কী পরিমাণ তথ্য চালাচালি করা হয়ে থাকে তার হিসাব। এই হিসাব থেকে দেখা যাচ্ছে, এই নেটওয়ার্ক মারফৎ যত ডেটা বা তথ্য সম্প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বছরে তা মোটের ওপর ৪০ শতাংশ হারে বাড়ছে। এবং একাজে ব্যবহৃত ডিভাইস বা যন্ত্রের ব্যবহার বাড়ছে বছরে প্রায় ১৮ শতাংশ। ডেটা সংযোগ বাড়ছে একেবারে বিস্ফোরক গতিতে এবং সেকারণেই আমাদের ব্যবহার করা বিভিন্ন ডিভাইসের চিপের গণনামূলক ক্ষমতা আরও বাড়ানোর দরকার হচ্ছে।
মিডিয়ার জন্য চিপের প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতা এত গুরুত্বপূর্ণ কেন? মিডিয়ার সাম্রাজ্যে চিপ ঢুকে পড়ে দু’ভাবে। দর্শকদের দেখার জন্য সচল ছবির সম্প্রচারে দরকার হয় খুব দ্রুতগতির কমিউনেকেশন নেটওয়ার্ক। আবার একইসঙ্গে নেটওয়ার্কের দুই প্রান্তেই দরকার হয় প্রক্রিয়াকরণের বাড়তি ক্ষমতা। চাঁদের মাটিতে অ্যাপোলো ১১ মহাকাশযানের অবতরণে সাহায্য করেছিল যে কম্পিউটার, সেটির গণনামূলক ক্ষমতা যা ছিল এখনকার একটা মোবাইল ফোনের গণনামূলক ক্ষমতা তার চেয়ে শত হাজার গুণ বেশি। রিয়েল টাইমে বা সম্প্রচারের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সচল ছবি দেখতে হলে চিপের প্রক্রিয়াকরণের বিপুল ক্ষমতা থাকতেই হবে, তা সে ছবি সিনেমার হোক, ফেসবুক বা ইউটিউবের ভিডিও হোক কিংবা খেলাধূলো হোক।
একটা ধারণা আছে যে শুধুমাত্র ডেটা বা তথ্যেরই বাণিজ্যিক মূল্য রয়েছে এবং ডিজিটাল বিপ্লবের সবটাই হল ডেটা বিপ্লব। গুগল ও ফেসবুকের সাফল্যের কারণেই এই ধারণা তৈরি হয়েছে। এবং লোকে বিশ্বাস করেছে যে, এই দুই সংস্থা, আমরা যারা গুগল ও ফেসবুক ব্যবহার করি, তাদের কাছ থেকে বহু ডেটা বা তথ্য সংগ্রহ করে জমিয়ে রেখেছে। এবং সেই জমানো তথ্যভাণ্ডারকে কাজে লাগিয়ে তারা সমানে টাকা রোজগার করে চলেছে। এই দৃষ্টিভঙ্গী ডিজিটাল বিপ্লবকে শুধুমাত্র সোশাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ করে রাখে। তাছাড়া ডিজিটাল একচেটিয়া কোম্পানিগুলো কীভাবে এবং কাদের কাছ থেকে উদ্বৃত্ত পকেটস্থ করে, এই দৃষ্টিভঙ্গীর ফলে সেই চরিত্রটাও বুঝতে ভুল হয়ে যায়।
তথ্যসূত্র:
১। ডব্লিউইএফ এই স্লোগানের উদ্গাতা নয়। তবে ইউরোপিয়ান কনজিউমার কমিশনার মেগলেনা কুনেভার এই উদ্ধৃতিটি ডব্লিউইএফ–ই সম্মতিসহকারে ব্যবহার করেছিল তাদের ‘পার্সোনাল ডেটা : দ্য ইমার্জেন্স অফ আ নিউ অ্যাসেট ক্লাস, ২০১১’ শীর্ষক রিপোর্টে। https://www3.weforum.org/docs/WEF_ITTC_PersonalDataNewAsset_Report_2011.pdf
সূত্র: মার্কসিস্ট, জুলাই-সেপ্টেম্বর,২০২২
ভাষান্তর: সুচিক্কণ দাস
পড়ে দেখুনঃ পর্ব ২
প্রকাশের তারিখ: ১২-জুন-২০২৩
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
