Latest Edition

সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

মনুষ্যত্বের ক্লান্তিই যাদের একমাত্র ভরসা 

সাত্যকি রায়
উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় শোষণের ভিত্তিতেই লাভের মাধ্যমে এই সম্পত্তি গড়ে ওঠেনি। তা গড়ে উঠছে লুঠের মাধ্যমে। বেআইনি লুঠের টাকা যেহেতু পুঁজিতে পরিণত করাটাও সহজ নয়, তাই খাটের তলায়, ফ্ল্যাটের ভিতরে, আলমারির পেছনে অথবা বিদেশে গোপনে নানা আইনি বেআইনি পথে বেনামী নানা একাউন্টে জমা হচ্ছে। এটাই বাংলার নতুন গজিয়ে ওঠা ‘কালীঘাটতন্ত্র’ যা এক অবক্ষয়ী সংস্কৃতির জন্ম দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। আবার একই সাথে এই হুমকি সংস্কৃতির ভিত্তিতেই পাড়ায় পাড়ায় নানা কর্মক্ষেত্রে ফুলে ফেঁপে উঠছে ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা মানুষদের সম্পত্তি। খেয়াল করলে দেখা যাবে পশ্চিমবাংলায় সাম্প্রতিক সময়ে মানুষের আন্দোলন উৎপাদনের ক্ষেত্রকে ঘিরে যতটা না হচ্ছে তার চাইতে বেশি হচ্ছে লুঠের বিরুদ্ধে। তাই সর্বব্যাপক ঐক্যের পরিসরে যারা সামিল তারা সাধারণ মেহনতি মানুষ কিন্ত তাদের যে পরিচয় এই আন্দোলনে প্রকট তা কৃষক, শ্রমিক, মধ্যবিত্ত এই চেনা বর্গগুলিতে বিভাজিত নয় বরং যা প্রকট তা হল এক সার্বজনীন ক্ষমতাহীন উপভোক্তার পরিচয়, নাগরিকের পরিচয় যারা মূলত লুঠের বিরুদ্ধে নিয়মের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিবাদে সামিল।
monuswotter klanti

অনেকে হয়ত ওঁত পেতে বসে আছেন কবে মানুষ অভয়ার নৃশংস হত্যার কথা ভুলে যাবে! আর কত দিনে চোখ ফেটে বেরোন রক্ত ঢাকা পড়ে যাবে পুজোর আলোর রোশনাই আর ঢাকের আওয়াজেবাঙালির প্রিয় উৎসব তো বছরে একবারই হয়। তাই মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত মানুষের স্বার্থে উৎসবে ফেরার আহ্বান জানান হচ্ছে; যারা বারবার মনে করিয়ে দিতে চাইছেন এই পুজোয় বহু মানুষ সারা বছরের আয় উপার্জন করে থাকেন তাদের মুখের গ্রাস কেড়ে আন্দোলন যেন না হয়উৎকণ্ঠা যথার্থই বটে! গরিব, নিম্নবিত্ত মানুষের জীবিকার সমস্যায় বিচলিত যারা তারা নির্দ্বিধায় আড়াল করে চলেছেন কাদের? কাদের বাঁচাতে আমার আপনার করের  লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে দামি সরকারি উকিল লাগানো হয়েছে? চিকিৎসার জন্য একমাত্র সরকারি হাসপাতালই যাদের ভরসা সেই গরিব নিম্নবিত্ত মানুষকে যারা জাল ওষুধ খাওয়ায়, যারা মর্গের বেওয়ারিশ লাশ নিয়ে জঘন্যতম ব্যবসা করে, যারা মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের স্বপ্ন ক্ষমতার বলে  দুমড়ে মুচড়ে দিতে পারেশুধু তাই নয় সেই নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের হুমকি দিয়ে টাকা রোজগার করে, প্রয়োজনে খুন করে, তারাই আজকে সবচেয়ে বেশি গরীব মানুষের উৎসবের সময়ে উপার্জনের  সুরক্ষায় ব্যস্ত! হাজার চেষ্টা করেও মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত, গরিব-ধনী, বাবা-মা-ভাই-বোন, বন্ধুর মন থেকে এই বীভৎস হত্যাকান্ডের ছবি মুছে ফেলা যাবে নাঅনেকে অবশ্য এতটাই রাজনৈতিক হয়ে উঠেছেন যে বলেও ফেলছেন যতই রাত জাগো, ভোর জাগোহাজার হোক বেশির ভাগ মানুষ গরিব, আর মহিলারা সমাজের অর্ধেক ভোটে তাদের সবার একটি করেই ভোটসমান অধিকার মিলিয়ে নেবেন অনুদানের প্রসাদ বৃথা যাবে না! মিছিলে হাঁটার ক্লান্তিই একদিন ভুলিয়ে দেবে অভয়ার মুখএই আশায় বসে আছেন যারা তাদের কাছে সত্যিই এবছরের শারদউৎসব একটি রাজনৈতিক স্লোগানে পরিণত হয়েছে। রাজ্যের মানুষ এখন দুটো ভাগে বিভক্তএকটি দল যারা এই নারকীয় হত্যাকান্ড ভুলিয়ে দিতে চায়আরেকটি দল যারা হত্যাকারীদের শাস্তির অপেক্ষায় ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাস্তায় আন্দোলনরত যারা মনে করছেন ঠিকই পুজো বছরে একবারই আসে কিন্তু সব কিছুর মধ্যেও মনের মধ্যে যেন কি রকম একটা খটকা থেকে যাচ্ছেবার্ষিক এই আনন্দটুকুও যেন কিছুতেই সাবলীল হতে পারছে না মেয়েটির কথা মনে রেখে

 আমরা কেমন যেন পিছনের দিকে চলে যাচ্ছিসভ্য জগত, উন্নত সমাজ মানে সমাজে মানুষের মধ্যে কতগুলো গৃহীত সম্পর্ক বা চুক্তি স্থায়ী চেহারা পেয়ে থাকেআর তার মধ্যে দিয়েই তৈরি হয় মানুষের মধ্যে দৈনন্দিন আদান প্রদানের প্রাতিষ্ঠানিক শর্তগুলিদোকানে গিয়ে জিনিস কিনলে দাম দিতে হয় ব্যক্তি বিশেষে ইচ্ছামতো দোকানদার দাম চাইতে পারেন নাবাসে ট্রামে চাপলে ভাড়া দিতে হয় স্কুল কলেজে পড়াশুনা হয়, হাসপাতালে মানুষ চিকিৎসা পায় মানুষ যোগ্যতার ভিত্তিতে কাজ পায়, কাজের বিনিময়ে মজুরি পায় এই অত্যন্ত স্বাভাবিক সম্পর্কগুলো স্বাভাবিক হয়েছে একদিনে নয়এবং সভ্য সমাজ বলতে বোঝায় এই সামাজিক সম্পর্কগুলি জাত, ধর্ম, বর্ণ, ধনী, দরিদ্র নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য একইভাবে প্রযোজ্যএই ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার আধার হয়ে ওঠে রাষ্ট্রপুঁজিবাদ আর যাই হোক বাজারে সাম্য প্রতিষ্ঠা করে এখানে দুধরনের মানুষ ক্রেতা এবং বিক্রেতাসম্পত্তি ও আয়ের পার্থক্যের কারণে বাজারে অংশগ্রহণের ক্ষমতার পার্থক্য তৈরি হতে পারে কিন্তু এই ব্যবস্থায় পণ্য বা পরিষেবা কিনতে হলে তার মূল্যের অতিরিক্ত কাউকে সেলামি দিয়ে বাজারে অংশগ্রহণ করতে হবে এটা বাজারের নিয়মের সাথেও সংগতিপূর্ণ নয়ন্যায় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনটি আরজিকর হাসপাতাল ছাড়িয়ে শহরে প্রান্তরে ছড়িয়ে পড়ার প্রধান কারণটা হচ্ছে সমাজের প্রতিষ্ঠিত বিনিময়ের নিয়মগুলিকে পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা না পড়ে টাকা দিয়ে পরীক্ষার ফল, জাল করে  চাকরি পাওয়া অথবা ভালো পরীক্ষা দিলেও তোলাবাজদের টাকা না দিলে পরীক্ষায় পাস না করা, সরকারি প্রকল্পের টাকা পেতে গেলে অথবা সরকারি পরিষেবা নিতে গেলে তার জন্যেও সেলামি দেওয়াশ্রম বাজারে অংশগ্রহণ করতে পারার জন্যও টাকা দেওয়াস্কুলে টাকা, কলেজে টাকা, চাকরিতে টাকা, টাকার জন্য প্রয়োজনে খুন করা, মৃতদেহ নিয়ে ব্যবসা করে টাকা--- এরকম একটি ব্যবস্থাপনা তৈরি করতে গেলে যেটা সবচেয়ে আগে করা দরকার তা হল সমাজের প্রতিষ্ঠিত বিনিময়ের চুক্তি গুলিকে ভেঙে দিয়ে হুমকি ও দাক্ষিন্যের সংস্কৃতি গড়ে তোলা মানুষ ধীরে ধীরে ভুলতে বসবে যে নিয়ম অনুযায়ী আমার কী পাওয়া উচিত আর কী না পাওয়া উচিত ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা মানুষের সাথে সুসম্পর্কের ভিত্তিতে আকাশের চাঁদও হাতে আসতে পারে, আর সেই যোগাযোগ না থাকলে যা একান্ত স্বাভাবিকভাবেই  প্রাপ্য তাও অধরা থেকে যেতে পারে  তাই দাক্ষিন্যের উপযুক্ত যোগসূত্র তৈরি করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত স্বাভাবিক হয়ে উঠতে থাকে এভাবেই সমাজের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হয়মানুষ সমাজের সামগ্রিক কল্যাণের পরিবর্তে নিজে নিজে আলাদা করে নিয়মে-বেনিয়মে ক্ষমতার সাথে কীভাবে নিজেরটা বুঝে নিতে হবে সেই চেষ্টাই করার কথা ভাবা শুরু করে দেয়যেটা নিয়ম অনুযায়ীই পাওয়ার কথা সেখানেও ক্ষমতা অথবা টাকাকে কাজে লাগান অস্বাভাবিক বলে মনে হয় নাআবার সেই সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলের কারণেই যেটা একান্তই প্রাপ্য বা অধিকার সেটাও কারও দাক্ষিণ্য বা দয়ার দান বলে মনে হবেহুমকি দাক্ষিণ্যের এই সংস্কৃতি বর্তমান বাংলায় ক্ষমতার পুনরুৎপাদনের অনিবার্য শর্ত হয়ে উঠছেএকজন সাংসদ ঘোষণা করছেন তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্রের সমস্ত মানুষের দুয়ারে নতুন পোশাক পৌঁছে দেবেন অথবা সমস্ত বৃদ্ধ-বৃদ্ধা সহ নাগরিকদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করবেনসরকারি টাকা নয়, সাংসদ তার ব্যক্তিগত পকেটের জোরে যদি এই ব্যবস্থা চালু করতে চান বা করতে পারেন তাহলে অবশ্যই তার অজস্র অনুব্রত মণ্ডল এবং সন্দীপ ঘোষ দরকার এখানেই আর্থিক ক্ষমতার সঙ্গে হুমকি সংস্কৃতির সম্পর্ক

খেয়াল করলে দেখা যাবে সাম্প্রতিক কালে পশ্চিমবাংলায় যে মানুষদের বিপুল পরিমাণ জমি, বাড়ি, বাগানবাড়ি ইত্যাদি নানাবিধ সম্পত্তির হঠাৎ করে বৃদ্ধি ঘটেছে তাদের আয় প্রাথমিকভাবে ক্ষমতার কারণে বেড়ে উঠেছেউৎপাদনের প্রক্রিয়ায় শোষণের ভিত্তিতেই লাভের মাধ্যমে এই সম্পত্তি গড়ে ওঠেনি তা গড়ে উঠছে লুঠের মাধ্যমে বেআইনি লুঠের টাকা যেহেতু পুঁজিতে পরিণত করাটাও সহজ নয়, তাই খাটের তলায়, ফ্ল্যাটের ভিতরে, আলমারির পেছনে অথবা বিদেশে গোপনে নানা আইনি বেআইনি পথে বেনামী নানা একাউন্টে জমা হচ্ছে এটাই বাংলার নতুন গজিয়ে ওঠা কালীঘাটতন্ত্র যা এক অবক্ষয়ী সংস্কৃতির জন্ম দিচ্ছে প্রতিনিয়ত আবার একই সাথে এই হুমকি সংস্কৃতির ভিত্তিতেই পাড়ায় পাড়ায় নানা কর্মক্ষেত্রে ফুলে ফেঁপে উঠছে ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা মানুষদের সম্পত্তি খেয়াল করলে দেখা যাবে পশ্চিমবাংলায় সাম্প্রতিক সময়ে মানুষের আন্দোলন উৎপাদনের ক্ষেত্রকে ঘিরে যতটা না হচ্ছে তার চাইতে বেশি হচ্ছে লুঠের বিরুদ্ধে তাই সর্বব্যাপক ঐক্যের পরিসরে যারা সামিল তারা সাধারণ মেহনতি মানুষ কিন্ত তাদের যে পরিচয় এই আন্দোলনে প্রকট তা কৃষক, শ্রমিক, মধ্যবিত্ত এই চেনা বর্গগুলিতে বিভাজিত নয় বরং যা প্রকট তা হল এক সার্বজনীন ক্ষমতাহীন উপভোক্তার পরিচয়, নাগরিকের পরিচয় যারা মূলত লুঠের বিরুদ্ধে নিয়মের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিবাদে সামিল

পুঁজিবাদে শোষণ থাকে কিন্ত সেই শোষণ বিমূর্ত আর্থিক নিয়মের মাধ্যমে হয়ে থাকেএখানে ক্ষমতা শোষণের নিয়মের অধীন এবং একেবারেই ব্যক্তিগত সম্পর্কের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয় এখানে ব্যক্তি সম্পর্কের ভিত্তিতে দাক্ষিণ্য বা অনুকম্পার বিশেষ কোনো জায়গা নেই যা জমিদারতন্ত্রে গভীরভাবে প্রথিত ছিল সাধারণ বা অসাধারণ যে মানুষই হোন না কেন যারা এই ন্যায় প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে সামিল হচ্ছেন তারা সামিল হচ্ছেন গড় সাধারণ মানুষের পরিচয় নিয়েইএটাই আজকের লড়াইয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্যকারণ ওই গড় সাধারণ মানুষের ন্যূনতম বেঁচে থাকার অধিকার প্রাপ্য ন্যায়ের দাবিই এই লড়াইয়ের প্রধান প্রতিপাদ্য বিষয় খেয়াল করলে দেখা যাবে যারা আন্দোলনে সমবেত হচ্ছেন তাঁরা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় শোষিত হওয়ার সম অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে জড়ো হচ্ছেন তা নয় বরং অর্জিত আয়ের সুরক্ষা ও তার ভিত্তিতে ন্যায্য প্রাপ্তিগুলি সুরক্ষিত না হওয়ার সম-অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তাঁরা এই আন্দোলনে সামিল দেশে প্রথম নবজাগরণ হয়ে যাওয়া বাংলায় আবার যেন যুক্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার লড়াই প্রয়োজন হয়ে পড়েছে!

শাসকের আশা ভরসা একটাই অভয়ার বাবা মার মত মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্ত পরিবারের বাবা মায়েদের কান্না প্রতিদিনের দুর্দশার কাহিনী সমাজে এতটাই স্বাভাবিক, গা-সওয়া এবং এতটাই একঘেয়ে যে তা বেশিদিন মানুষকে উত্তেজিত রাখতে পারবে না ক্ষমতা, টাকা, পুলিশ, উকিল সবকিছু দিয়ে প্রতিবাদ দমানোর ব্যবস্থা জারি রয়েছেআর এরকম অবস্থায় যতই রাজনৈতিক দলের পতাকাগুলো অদৃশ্য হয়ে যাক না কেন উৎসবের আহ্বানটাও কেমন যেন এবছর উৎকট রাজনৈতিক শোনাচ্ছেসত্যি কথা বলতে কি আজকে বাংলায় দুটো রাজনৈতিক শক্তিএকটির মুখ সন্দীপ ঘোষ আর আরেকটির মুখ ক্ষতবিক্ষত অভয়ার মুখ যা আজকে বাংলারও মুখএই দুইটি যুযুধান দলে বিভক্ত মানুষের হাতে অদৃশ্য রাজনৈতিক দলের ঝান্ডাগুলিও ক্রমাগত যেন দৃশ্যমান হয়ে উঠছে কেউ বলছেন চিন্তা নেই! মিছিলেরও শেষ আছে বিভিন্ন ভান্ডারের টাকাগুলো একটু করে বাড়িয়ে দিলেই হা-ঘরে মানুষ মেয়েটার শেষ হাহাকার ভুলে যাবে!

ভোটে কে কত আসন পাবে জানি না, আর সি বি আই অথবা আদালত দোষীদের শাস্তি দিতে পারবে কীনা তাও অনিশ্চিত কিন্তু একথা জলের মত পরিষ্কার মনুষ্যত্বের ক্লান্তি যে রাজনৈতিক দলের বেঁচে থাকার মূল ভরসা হয়ে ওঠে, তাদের দলেই নিশ্চিত ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে অভয়ার খুনিরা ন্যায়ের জন্য লড়াই যাদের কাছে ক্ষমতার প্রতি হুমকি, তাদের জন্য অপেক্ষমান একমাত্র ইতিহাসের আস্তাকুঁড়


প্রকাশের তারিখ: ১০-অক্টোবর-২০২৪
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:


আপনার মতামত

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।



অন্যান্য মতামত:

Donate Now
আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
সমসাময়িক বিভাগে প্রকাশিত ২৫১ টি নিবন্ধ
২৪-মে-২০২৬

০৭-মে-২০২৬

২৯-মার্চ-২০২৬

২২-মার্চ-২০২৬

১৯-মার্চ-২০২৬

১৩-মার্চ-২০২৬

০৪-মার্চ-২০২৬

২৪-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২৩-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২১-ফেব্রুয়ারি-২০২৬