সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নিবন্ধের খোঁজ
এখানে আপনি লেখক, নিবন্ধের বিষয়, তথ্য, প্রকাশের তারিখ দিয়ে বিভিন্নভাবে খুঁজতে পারেন, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই খোঁজা যাবে।
আপনি খুঁজছেন এমন নিবন্ধ যার লেখক/লেখিকা: [বৃন্দা কারাত - Brinda Karat],
ওয়াশিংটন থেকে দিল্লি, এপস্টিনের ছায়া
বৃন্দা কারাত
বৃন্দা কারাত
ভারতে এমন একজন ক্যাবিনেট সদস্য রয়েছেন যিনি ইচ্ছাকৃতভাবে যোগাযোগ রেখে গেছেন একজন সাজাপ্রাপ্ত যৌন অপরাধীর সঙ্গে এবং তারপরেও তিনি সাফাই দিচ্ছেন এই সম্পর্কের সপক্ষে। এটা দেশের পক্ষে অমর্যাদাকর। এরপরেও যে তিনি মন্ত্রীপদে রয়ে গেলেন তার মানে কি এই যে এর পিছনে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি রয়েছে?
...more২৩-ফেব্রুয়ারি-২০২৬
উমর খালিদ ও শারজিল ইমাম: একটা দৃঢ় অবস্থান নিতেই হবে বিরোধীদের
বৃন্দা কারাত
‘ভোটের বোতাম এতটা জোরে টিপুন যাতে শাহীন বাগ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়’- ভোটারদের উদ্দেশ্যে করা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সেই প্ররোচণামূলক বক্তব্যকে কে ভুলতে পারে? বিজেপি ভোটে হেরে যায়। এই নির্বাচনে পরাজয়ের পর নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী আন্দোলনকে দুর্বল করা, সেখানে অন্তর্ঘাত ঘটানো এবং একে সাম্প্রদায়িক চেহারায় হাজির করাটা শাসক দলের তরফে যেন আরও বেশি করে অপরিহার্য হয়ে গেল। উমর খালিদ, শারজিল ইমাম বা অন্য আন্দোলনকর্মীদের বক্তব্যের পাশাপাশি যদি অনুরাগ ঠাকুর, পরবেশ ভার্মা, কপিল মিশ্র সহ অন্য বিজেপি নেতাদের বক্তব্যকে রাখলে স্পষ্ট হবে কাদের বক্তৃতা ঘৃণা ও সহিংসতায় উস্কানি জুগিয়েছে। ...more
বৃন্দা কারাত
‘ভোটের বোতাম এতটা জোরে টিপুন যাতে শাহীন বাগ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়’- ভোটারদের উদ্দেশ্যে করা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সেই প্ররোচণামূলক বক্তব্যকে কে ভুলতে পারে? বিজেপি ভোটে হেরে যায়। এই নির্বাচনে পরাজয়ের পর নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী আন্দোলনকে দুর্বল করা, সেখানে অন্তর্ঘাত ঘটানো এবং একে সাম্প্রদায়িক চেহারায় হাজির করাটা শাসক দলের তরফে যেন আরও বেশি করে অপরিহার্য হয়ে গেল। উমর খালিদ, শারজিল ইমাম বা অন্য আন্দোলনকর্মীদের বক্তব্যের পাশাপাশি যদি অনুরাগ ঠাকুর, পরবেশ ভার্মা, কপিল মিশ্র সহ অন্য বিজেপি নেতাদের বক্তব্যকে রাখলে স্পষ্ট হবে কাদের বক্তৃতা ঘৃণা ও সহিংসতায় উস্কানি জুগিয়েছে। ...more
১৩-জানুয়ারি-২০২৬
নতুন ভারতে ‘গার্হস্থ্য ক্ষেত্র’
বৃন্দা কারাত
যাঁরা এখন ক্ষমতায় রয়েছেন তাঁদের মনুবাদী পূর্বপুরুষেরা বি আর আম্বেদকারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁদের অভিযোগ ছিল, আম্বেদকার ‘হিন্দু মতাদর্শকে ধ্বংস’ করছেন। কারণ হিন্দু রিফর্মস বিলের প্রস্তাবে আম্বেদকার নারীদের ডিভোর্সের অধিকার দিয়েছিলেন এবং বৈধ বিবাহের শর্ত হিসাবে জাতপাতের ব্যবস্থা তুলে দিতে চেয়েছিলেন। সেই সময়কাল থেকে আজ পর্যন্ত মনুবাদী উত্তরপুরুষদের মনোভাব খুব একটা বদলায়নি। আজকের দিনের যে মনুবাদী বাস্তুতন্ত্র, সেই বাস্তুতন্ত্রের মতাদর্শগত মঞ্চের সহজাত সংস্কৃতি হল, স্বামীর সহিংস আচরণ সত্ত্বেও বিবাহে আবদ্ধ থাকতে নারীদের বাধ্য করা, যেহেতু বিয়ে বিষয়টি ‘স্বভাবত ধর্মের বন্ধনে বাঁধা’ তাই মেয়েদের সব কিছু ‘মানিয়ে নিতে’ বলা। যদি নিজের ইচ্ছায় কোনও নারী অন্য জাতের পুরুষকে বিয়ে করেন এবং সেক্ষেত্রে পারিবারিক সম্মান রক্ষায় যদি কেউ অপরাধ করে তাহলে চুপ করে থেকে নারীদের সবকিছু ক্ষমা করতে বাধ্য করা হয় এই মতাদর্শে। ...more
বৃন্দা কারাত
যাঁরা এখন ক্ষমতায় রয়েছেন তাঁদের মনুবাদী পূর্বপুরুষেরা বি আর আম্বেদকারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁদের অভিযোগ ছিল, আম্বেদকার ‘হিন্দু মতাদর্শকে ধ্বংস’ করছেন। কারণ হিন্দু রিফর্মস বিলের প্রস্তাবে আম্বেদকার নারীদের ডিভোর্সের অধিকার দিয়েছিলেন এবং বৈধ বিবাহের শর্ত হিসাবে জাতপাতের ব্যবস্থা তুলে দিতে চেয়েছিলেন। সেই সময়কাল থেকে আজ পর্যন্ত মনুবাদী উত্তরপুরুষদের মনোভাব খুব একটা বদলায়নি। আজকের দিনের যে মনুবাদী বাস্তুতন্ত্র, সেই বাস্তুতন্ত্রের মতাদর্শগত মঞ্চের সহজাত সংস্কৃতি হল, স্বামীর সহিংস আচরণ সত্ত্বেও বিবাহে আবদ্ধ থাকতে নারীদের বাধ্য করা, যেহেতু বিয়ে বিষয়টি ‘স্বভাবত ধর্মের বন্ধনে বাঁধা’ তাই মেয়েদের সব কিছু ‘মানিয়ে নিতে’ বলা। যদি নিজের ইচ্ছায় কোনও নারী অন্য জাতের পুরুষকে বিয়ে করেন এবং সেক্ষেত্রে পারিবারিক সম্মান রক্ষায় যদি কেউ অপরাধ করে তাহলে চুপ করে থেকে নারীদের সবকিছু ক্ষমা করতে বাধ্য করা হয় এই মতাদর্শে। ...more
২২-সেপ্টেম্বর-২০২৫
ধর্ষণ-সহায়ক সংস্কৃতির প্রসার ঘটাচ্ছে তৃণমূল
বৃন্দা কারাত
ন্যায়ের জন্য লড়াই করতে গেলে যে ‘রাজনীতিকরণ’ আবশ্যিক ও প্রয়োজনীয় তার সঙ্গে রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ির পার্থক্য করব কীভাবে তা আমাদের শিখতেই হবে। কেন এই পার্থক্য করা জরুরি তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হল পশ্চিমবঙ্গ। যে সর্বাত্মক স্বতস্ফুর্ত আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গে চলছে, যার সামনের সারিতে রয়েছেন চিকিৎসকরা তাকে দুর্বল করে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি এবং এই উদ্দেশ্যে তারা সবচাইতে লিঙ্গ অসংবেদী ‘বাইনারি’কে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। ...more
বৃন্দা কারাত
ন্যায়ের জন্য লড়াই করতে গেলে যে ‘রাজনীতিকরণ’ আবশ্যিক ও প্রয়োজনীয় তার সঙ্গে রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ির পার্থক্য করব কীভাবে তা আমাদের শিখতেই হবে। কেন এই পার্থক্য করা জরুরি তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হল পশ্চিমবঙ্গ। যে সর্বাত্মক স্বতস্ফুর্ত আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গে চলছে, যার সামনের সারিতে রয়েছেন চিকিৎসকরা তাকে দুর্বল করে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি এবং এই উদ্দেশ্যে তারা সবচাইতে লিঙ্গ অসংবেদী ‘বাইনারি’কে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। ...more
০৮-অক্টোবর-২০২৪
হাথরস, মনুবাদী অবিচারের প্রতিচ্ছবি
বৃন্দা কারাত
উত্তরপ্রদেশে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথের নিজ সম্প্রদায়ের ব্যক্তিরা আইনের দিক থেকে একটা বিশেষ ছাড় পেয়ে আসছে। এই ঘটনার বর্ণ বিষয়ক পরিচিতিগুলি যদি বিপরীত হত, অর্থাৎ নির্যাতিতা মেয়েটি যদি উচ্চবর্ণের হত এবং অভিযুক্তরা যদি নিম্ন বর্ণের অথবা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের হত, তাহলে কিন্তু সেই ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে মেয়েটির মৃত্যুকালীন জবানবন্দিকে কোনো তর্ক ছাড়াই গ্রাহ্য করা হত এবং অভিযুক্তদের ফাঁসি না হলেও অন্তত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতই। স্বাভাবিকভাবেই মৃত্যুকালীন জবানবন্দিকে সব সময়েই আদালতে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়। কিন্তু হাথরসের ক্ষেত্রে এমনটা হল না। এই ক্ষেত্রে মেয়েটি বাল্মিকী সম্প্রদায়ের অর্থাৎ নিম্নবর্ণের, অপরদিকে মৃত্যুর আগে সে যে চার অভিযুক্তের নাম উচ্চারণ করেছে, তারা সবাই উচ্চবর্ণের। এদিকে মামলার রায় ঘোষণার পর থেকে মেয়েটির পরিবারের উপর আদালতের রায় মেনে নিতে প্রচণ্ড চাপ প্রয়োগ করা হতে থাকে। পরিবারটি আশা করেছিল সরকার হয়ত উচ্চতর আদালতে আপিল করবে। কিন্তু তেমনটা হল না। ...more
বৃন্দা কারাত
উত্তরপ্রদেশে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথের নিজ সম্প্রদায়ের ব্যক্তিরা আইনের দিক থেকে একটা বিশেষ ছাড় পেয়ে আসছে। এই ঘটনার বর্ণ বিষয়ক পরিচিতিগুলি যদি বিপরীত হত, অর্থাৎ নির্যাতিতা মেয়েটি যদি উচ্চবর্ণের হত এবং অভিযুক্তরা যদি নিম্ন বর্ণের অথবা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের হত, তাহলে কিন্তু সেই ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে মেয়েটির মৃত্যুকালীন জবানবন্দিকে কোনো তর্ক ছাড়াই গ্রাহ্য করা হত এবং অভিযুক্তদের ফাঁসি না হলেও অন্তত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতই। স্বাভাবিকভাবেই মৃত্যুকালীন জবানবন্দিকে সব সময়েই আদালতে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়। কিন্তু হাথরসের ক্ষেত্রে এমনটা হল না। এই ক্ষেত্রে মেয়েটি বাল্মিকী সম্প্রদায়ের অর্থাৎ নিম্নবর্ণের, অপরদিকে মৃত্যুর আগে সে যে চার অভিযুক্তের নাম উচ্চারণ করেছে, তারা সবাই উচ্চবর্ণের। এদিকে মামলার রায় ঘোষণার পর থেকে মেয়েটির পরিবারের উপর আদালতের রায় মেনে নিতে প্রচণ্ড চাপ প্রয়োগ করা হতে থাকে। পরিবারটি আশা করেছিল সরকার হয়ত উচ্চতর আদালতে আপিল করবে। কিন্তু তেমনটা হল না। ...more
০৮-মার্চ-২০২৪
সাম্প্রতিক নিবন্ধ
০৪-এপ্রিল-২০২৬
০৩-এপ্রিল-২০২৬
০৩-এপ্রিল-২০২৬
০২-এপ্রিল-২০২৬
০১-এপ্রিল-২০২৬
০১-এপ্রিল-২০২৬










