Latest Edition

সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

ওয়াশিংটন থেকে দিল্লি, এপস্টিনের ছায়া

বৃন্দা কারাত

ভারতে এমন একজন ক্যাবিনেট সদস্য রয়েছেন যিনি ইচ্ছাকৃতভাবে যোগাযোগ রেখে গেছেন একজন সাজাপ্রাপ্ত যৌন অপরাধীর সঙ্গে এবং তারপরেও তিনি সাফাই দিচ্ছেন এই সম্পর্কের সপক্ষে। এটা দেশের পক্ষে অমর্যাদাকর। এরপরেও যে তিনি মন্ত্রীপদে রয়ে গেলেন তার মানে কি এই যে এর পিছনে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি রয়েছে?

From Washington to Delhi the shadow of Epstine

এপস্টিন ফাইলের নথিপত্র প্রকাশ হয়ে পড়ায় তা শুধুমাত্র একজন মানুষের ভ্রষ্টাচারের স্বরূপকেই উন্মোচিত করে দেয়নি। উন্মোচিত করেছে আরও বেশি কিছু। এই নথিগুলি স্পষ্ট আলোর বৃত্তে এনে ফেলেছে একটা গভীর অন্ধকারে ঢাকা সত্যকে। সেই সত্য হল রাজনৈতিক ক্ষমতা, কর্পোরেট শক্তি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সম্পত্তিবান ও প্রভাবশালীদের মধ্যেকার ‘‌ঘনিষ্ঠ বন্ধন’‌–এর একটা নতুন মডেল। শ্রেণিভিত্তিক কাঠামোগত যে বন্ধন সেটা নতুন কিছু নয়। অপরাধমূলক আচরণ এবং তার দায় থেকে মুক্তি দেওয়াকে অধিকার হিসাবে বিবেচনা করাটাও তেমন নতুন কিছু নয়। কিন্তু এপস্টিন ফাইল দেখিয়ে দিচ্ছে, পচন কত গভীরে পৌঁছেছে — ব্যক্তিগত মুনাফার প্রতি একান্ত অনুগত যে ব্যবস্থা সেখানে মূল্যায়নের মানদণ্ড হিসাবে এমনকী নৈতিকতার আভাসমাত্রকেও বিসর্জন দেওয়া হয়েছে।

জেফ্রি এপস্টিন ছিল একজন শিশুধর্ষক এবং সাজাপ্রাপ্ত যৌন অপরাধী। অবশ্য তার আরও অনেক ‘‌গুণাবলি’‌ রয়েছে। কেউ এ  কথা ভাবতেই পারেন যে সভ্য সমাজে এই ধরনের লোকেদের শাস্তি হওয়া উচিত এবং তাকে সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন করা হবে। কিন্তু আমেরিকার মতো দেশ, যে দেশ গোটা বিশ্বকে গণতন্ত্রের শিক্ষা দিতে চায়  — সেখানে এই সব গুণাবলি বা বৈশিষ্ট্যকে কাজে লাগিয়েই এপস্টিন সক্ষম হয়েছিল ব্যবসায়িক সম্পর্ক বাড়িয়ে তোলার একটা বিশ্বায়িত মডেল গড়ে তুলতে যেখানে তরুণী ও শিশুদের যৌন শোষণ করা হত। আমেরিকার ধনী শ্বেতাঙ্গ, প্রেসিডেন্ট ও প্রাক্তন প্রেসিডেন্টরা, রাশিয়া ও ইউরোপের ব্যাঙ্কাররা, পশ্চিম এশিয়ার শেখরা এবং ভারতের যোগাযোগ — সবার নামই ফাইলে রয়েছে। একথা বলতে চাওয়া হচ্ছে না যে ফাইলে যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা সকলেই যৌন অপরাধভিত্তিক সম্পর্কে ‘বন্ধনে’ অংশ নিতেন।  আসলে এপস্টিন নানা বিচিত্র ধরনের পরিষেবা দিত। এবং সবগুলিই যৌন পরিষেবা ছিল না। এখানে জড়িতদের মূল অপরাধ ছিল এটাই যে, ক্ষমতায় থাকার সুবাদে, এপস্টিন-এর সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠতা তার বন্ধনের মডেলটিকে বৈধতা দিয়েছিল। 

কুকর্মে মদত ও ভ্রষ্টাচার

এপস্টিন ফাইলে যাদের নাম জড়িত তাদের অনেকেরই পাচার করা শিশুদের ওপর নির্যাতন চালানোর এমন সব অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিতেন। এই ধরনের কাজে জড়িয়ে পড়ার জেরে তাদের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা গড়ে উঠত। এর আঠাটা ছিল গোপনীয়তা ও দুষ্কর্মে মদত। ইন্টারনেটে এখন এপস্টিন ফাইলে চালাচালি করা বহু ই-মেইল পাওয়া যাচ্ছে। সেগুলোতে একবার চোখ বোলালেই নজরে পড়বে যৌন ভ্রষ্টাচারের জন্য কী ধরনের সাংকেতিক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছিল এবং একই সাংকেতিক ভাষা কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল ব্যবসায়িক চুক্তি, আর্থিক লেনদেনের কাজে। ই-মেইল-গুলিতে দেখা যাবে কীভাবে ব্যাঙ্কগুলি সতর্কতা অগ্রাহ্য করেছে এবং কীভাবে রাজনৈতিক ও আর্থিক যোগাযোগ গড়ে তোলার পথ সুপ্রশস্ত করা হয়েছে। আর এ সবের মধ্যমণি ছিল দালাল ও সুযোগসৃষ্টিকারী এপস্টিন। নারী ও শিশুদের যৌন উপভোগের বিষয়টা দাঁড়িয়েছিল লেনদেনভিত্তিক। এবং সেই লেনদেনের লক্ষ্য ছিল ধাপে ধাপে নেটওয়ার্ক, মুনাফা ও ক্ষমতার একটা চক্র গড়ে তোলা। পুঁজিবাদের কাজকর্ম নীতিগতভাবে কতদূর পর্যন্ত দেউলিয়া, তার একটা আভাস মেলে এপস্টিন ফাইলে।

📲 এখন এক ক্লিকেই মার্কসবাদী পথ আপনার হোয়াটস অ্যাপে

সবার দোষের মাত্রা নানা স্তরের হতে পারে। তবে আইনি কাঠামো নির্ধারণ করে দেয় অপরাধে কারা সরাসরি যুক্ত ছিল এবং কারা কুকর্মে মদত দিয়েছে। মদত দেওয়ারও নানা মাত্রা রয়েছে। কিন্তু ২০০৮ সালের পর যারাই এপস্টিন-এর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন তারা কেউই একথা বলতে পারবেন না যে তাঁরা এপস্টিন-এর বিষয়ে কিছুই জানতেন না। এপস্টিন-এর বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ দায়ের করা হয় ২০০৫ সালে। সেবার ফ্লোরিডার পাম বিচের এক মা অভিযোগ করেন যে, তাঁর ১৪ বছরের মেয়েকে যৌন নির্যাতন করেছে এপস্টিন। এরপর পুলিশি তদন্তে উঠে আসে অন্তত আরও ১২ জন কিশোরীর ঘটনা। এ ঘটনায় এপস্টিন-এর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা না নিয়ে প্রেসিডেন্ট বুশের অধীন ফেডারাল সরকার এপস্টিন-এর ক্ষমতাশালী আইনজীবীদের পেশ করা এমন ব্যবস্থা মেনে নেয় যেখানে এপস্টিন-কে কোনও শাস্তি ভোগ করতে হয়নি। এপস্টিন দাবি করে তার অপরাধ তত মারাত্মক নয়। বরং সে শুধুমাত্র ‘একজন যৌনকর্মী এবং একটি শিশুর সাহায্য নিয়েছে’। এর জেরে তার ১৩ মাসের জেল হয়। ওই সময় প্রতিদিন সকালে এপস্টিন-কে জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া হত অফিস করার জন্য এবং রাতে সে জেলে ফিরে আসত। এর পর যে দলেরই সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তারাই নির্যাতিতাদের আর্জি পুরোপুরি উপেক্ষা করে গেছে। এপস্টিন-ও অব্যাহতি পেয়ে তার কাজকর্ম চালিয়ে গেছে। 

যারা এপস্টিন-এর নির্যাতনের শিকার এবং তার জাল থেকে যাঁরা রক্ষা পেয়েছিলেন তাদের সাহস ও ধারাবাহিক লড়াইয়ের জেরে ২০১৯ সালের জুলাই মাসে এপস্টিন-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ২০০৮ সালে যে বোঝাপড়ার জেরে সে রেহাই পেয়ে গিয়েছিল তার বাইরের ধারায় এই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। একথা বলা হয় যে, বিচার শুরুর আগেই আগস্ট এপস্টিন আত্মঘাতী হয়। এখন যে সব ই-মেইল ও নথি সামনে এসেছে, যেগুলির মেয়াদ ২০০২ সাল থেকে ২০১৯, তাতে প্রমাণ রয়েছে কারা এপস্টিন-এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তারপরেও, বহু নাম বাদ দিয়ে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিচার বিভাগ বহু ক্ষমতাশালীদের আড়াল করে রেখেছে। এই নির্যাতন যাঁরা ভোগ করেছেন তারা বার বার একথাই বলে গেছেন যে, ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ সত্য গোপন করে রাখার ঘটনার নায়ক ট্রাম্প প্রশাসন। 

এপস্টিন ফাইল ও ভারত  

প্রতিষ্ঠানগুলির সমস্যা কী ভাবে মেটানো হবে তা মার্কিন জনগণের মাথা ঘামানোর ব্যাপার। ভারত থেকে আমরা সংহতি জানাব সেই সব সাহসীদের যারা দাবি করে চলেছেন ন্যায়বিচার ও দায়বদ্ধতা। 

কিন্তু বিষয়টা এখানেই শেষ হয়ে যায় না।

এপস্টিন ই-মেইলে দুজন ভারতীয়ের নাম উঠে এসেছে। প্রথম নাম শিল্পপতি অনিল আম্বানির। ইনি শাসক দলের নেতৃত্বের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসাবেই পরিচিত। এর প্রমাণ মিলেছে সেই সরকারি সুপারিশে যেখানে বলা হয়েছে রাফাল চুক্তিতে তিনিই হবেন ভারতীয় পার্টনার। দ্বিতীয় নামটি হরদীপ পুরির।

আম্বানি ও এপস্টিন-এর মধ্যে যে মেইল চালাচালি হয়েছে তাতে উঠে এসেছে এরা দুজনে পরস্পরকে চিনতেন, বিষয়টা যৌনগন্ধী এবং রয়েছে নারীদের সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য। তবে আরও উদ্বেগের বিষয় হল, পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক সুযোগ-সুবিধা পাওয়া নিয়ে লেখা ই-মেইলগুলি। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবিত ওয়াশিংটন সফরের আগে আম্বানি লিখেছেন, ‘নেতৃত্ব আপনার সাহায্য চান যাতে আমি জারেড (ট্রাম্পের জামাই) এবং ব্যাননের সঙ্গে যত শীঘ্র সম্ভব দেখা করতে পারি,… মে মাসে পিএম ডিসিতে যেতে পারেন ডোনাল্ডের সঙ্গে দেখা করতে… সেবিষয়েও সাহায্য চাই।‘

এখানে আম্বানি নিজেকে দেখাচ্ছেন যে, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়ে তৎপর এবং তিনি এপস্টিন-এর সহায়তা চেয়েছেন মার্কিন রাজনীতিকদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক করিয়ে দেওয়ার জন্য। যদি এটা সত্যি হয় — এবং এটা বানানো বলে এখনও দাবি করা হয়নি — তাহলে এই মেইলগুলি শাসন পরিচালনা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সব প্রশ্নকে সামনে নিয়ে আসে। একজন সাজাপ্রাপ্ত যৌন অপরাধীর সঙ্গে মেইল চালাচালির সময় একজন ভারতীয় ব্যবসায়ী কেন ‘নেতৃত্বের’ প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছিলেন? এভাবে কথা বলার জন্য তাকে কি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল? এই দাবিগুলি নিয়ে কোনও তদন্ত হয়েছে কি?

ভারতের বিদেশ মন্ত্রক এই সব মেইল-এ প্রধানমন্ত্রীর উল্লেখ স্রেফ এ কথা বলে খারিজ করে দিয়েছে যে, এ হল ‘সাজাপ্রাপ্ত একজন অপরাধীর আবর্জনায় ভরা গুজব।’ তবে এখানে বিষয়টা এপস্টিন-এর বিশ্বাসযোগ্যতা নয়। গুরুত্বপূর্ণ হল, এ সব কথা বলছেন আম্বানি। তাঁর বিরুদ্ধে কেন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি? নাকি সত্যিই তিনি সরকারের হয়ে কাজ করছিলেন বলেই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি? সরকারকে অবশ্যই এ সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।

পুরি এখন নরেন্দ্র মোদি সরকারের মন্ত্রী। সংসদে তাঁকে রক্ষা করার জন্য চেষ্টার ত্রুটি করেনি সরকার, এমনকী এপস্টিন ফাইল নিয়ে আলোচনাই বন্ধ করে দিয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে পুরি দাবি করেছেন, তিনি এপস্টিন-এর কাজকর্ম কিছু জানতেন না। আসলে ২০১৪ সাল থেকে তাঁর মেইল চালাচালির সাফাই দিতে গিয়েই তিনি এ কথা বলছেন। এপস্টিন-এর সঙ্গে বেশ কয়েক বার যে তিনি দেখা করেছিলেন তার প্রমাণ হিসাবে বিবেচনা করুন এই বিনিময় বার্তাকে, ‘প্রিয় জে, দয়া করে জানান আপনার সেই আকর্ষণীয় দ্বীপ থেকে আপনি কবে ফিরবেন? কিছু কথা বলার জন্য আমি আপনার সঙ্গে দেখা করব…’।

এরপর লিখেছেন, ‘ফিরে এলে জানাবেন। এখন মজা উপভোগ করুন। বিষয়টা এমন নয় যে এর জন্য আপনার অন্যদের পিঠ চাপড়ানির দরকার পড়বে।’

এত সব কথার মানে কি এই যে, পুরি কিছুই জানতেন না?

এমন সাফাই সন্দেহ উস্কে দেয়

একই সাংবাদিক বৈঠক পুরি এপস্টিন-এর অপরাধকে তুচ্ছ ঘটনা হিসাবে প্রমাণ করার চেষ্টা করেন, এবং বলেন, “একজন যৌনকর্মী ও একজন কম বয়সী নারীকে কাজে লাগানোর জন্য এপস্টিন-এর শাস্তি হয়েছিল। এটাই সব। আর কিছু নেই।” পুরি, সত্যিই কি তাই ? শুধুমাত্র কম বয়সী একজন নারী? তাহলে কি আপনি বোঝাতে চাইছেন যে সেই কমবয়সী নারী আসলে একটি শিশু? আর সেটা আপনার কাছে এপস্টিন-এর সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগের যথেষ্ট জোরালো কারণ নয়?

আরও এক ধাপ এগিয়ে পুরি বলেন যে, তাঁর মনে পড়ছে ‘একজন নারী সাংসদ’ তাঁকে বলেছেন অন্যরা তাঁকে ঈর্ষা করে। উত্তরে তিনি বলেছিলেন যদি কিছু ঘটে থাকে তাহলে তিনি মুখ খুলবেন। প্রশ্ন হল, এই নারী সাংসদ কে? কে সেই নারীবিদ্বেষী সাংসদ যিনি এমন বিষয় নিয়ে মজা করতে পারেন? এমন মন্তব্য আমাদের সাংসদদের রুচি-সংস্কৃতির কোন পরিচয় বহন করে? আর মন্ত্রীমশাইয়ের কথা যদি বলি? তা হলে তিনি নিজেই তো বলেছেন ‘চিত্তচমৎকারী দ্বীপে’র কাজকর্মে অংশগ্রহণ, যেটা আসলে যৌন নিপীড়নের কুখ্যাত জায়গা, আর সেই কাজটাকেই বলা হচ্ছে এমন কিছু যা নিয়ে অন্যরা ঈর্ষান্বিত হন। তাঁর ঢাল হল এই কথাটা যে, অন্যদের ঈর্ষাকে উস্কে দেওয়ার মতো কোনও কাজ তিনি করেননি। এগুলো স্রেফ কতগুলো আলগা শব্দচয়ন নয়। কী ভাবে ধর্ষণ সংস্কৃতিকে জোরদার করা হ্য় এগুলো তারই উদাহরণ। 

ভারতে এমন একজন ক্যাবিনেট সদস্য রয়েছেন যিনি ইচ্ছাকৃতভাবে যোগাযোগ রেখে গেছেন একজন সাজাপ্রাপ্ত যৌন অপরাধীর সঙ্গে এবং তারপরেও তিনি সাফাই দিচ্ছেন এই সম্পর্কের সপক্ষে। এটা দেশের পক্ষে অমর্যাদাকর। এরপরেও যে তিনি মন্ত্রীপদে রয়ে গেলেন তার মানে কি এই যে এর পিছনে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি রয়েছে?

এপস্টিন ফাইল নিয়ে সংসদে আলোচনা করতে দেওয়া হয়নি। তবে ভারতের মানুষ যদি এ নিয়ে আলোচনা করতে চান সেখানে কোনও অনুমতি নেওয়ার ব্যাপার নেই।

ভাষান্তর : সুচিক্কণ দাস
ঋণ: দ্য হিন্দু, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬


প্রকাশের তারিখ: ২৩-ফেব্রুয়ারি-২০২৬
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:


আপনার মতামত

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।



অন্যান্য মতামত:

Remove to Poori from the cabinet
- Subir Banerjee, ২৩-ফেব্রুয়ারি-২০২৬


একটি পোস্টে দেখছিলাম যে এফস্টাইন ফাইলে ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রীর নাম রয়েছে। রিসেন্টলি যে বাণিজ্য চুক্তি ভারতবর্ষের সঙ্গে আমেরিকার হয় এবং যা দেশের বুকে অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং অপমানজনক তা কি এই এক্সটাইন ফাইল এর বিষয়? এফস্টাইন ফাইল অত্যন্ত নগ্ন এবং বাজেট দিক। বিভিন্ন দেশের ছোট ছোট আকারে এ ধরনের ব্ল্যাকমেলিং হতো ও হয়। অনেক মহিলাকে স্পাই হিসেবে ওব্যবহার করা হয় । কিন্তু এই পরিসরটা আলাদা। এটা কাদের সৃষ্টি? আমেরিকার আদালতে যে মামলা হচ্ছে সেক্ষেত্রে আমেরিকার সরকারের সঙ্গে কোন যোগসূত্র আছে না আইনী মামলা স্বাধীনভাবে হচ্ছে। মামলার যদি অগ্রগতি হয় তাহলে আমেরিকার সংবিধানিক ক্ষমতা বলে ভারতবর্ষের যে সমস্ত মানুষের নাম এই ফাইলে আছে তাদের আমেরিকা সরকার অর্থাৎ আদালত তাদের দেশে ডাকতে পারে কি? অপ্রয়োজনে arrest করতে পারে কি? দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের আদালতে পানিশ করতে পারে কি? মনে হয় এই সমস্ত ভয় আছে। সেগুলোকেই হয়তো বিভিন্ন চুক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি আমার ঠিক জানা নেই। সুতরাং পরিষ্কার করুন।
- Sudhindranath Sinha, ২৩-ফেব্রুয়ারি-২০২৬


Donate Now
আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
সমসাময়িক বিভাগে প্রকাশিত ২৪৯ টি নিবন্ধ
২৯-মার্চ-২০২৬

২২-মার্চ-২০২৬

১৯-মার্চ-২০২৬

১৩-মার্চ-২০২৬

০৪-মার্চ-২০২৬

২৪-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২৩-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২১-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২০-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২০-ফেব্রুয়ারি-২০২৬