সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নিবন্ধের খোঁজ
এখানে আপনি লেখক, নিবন্ধের বিষয়, তথ্য, প্রকাশের তারিখ দিয়ে বিভিন্নভাবে খুঁজতে পারেন, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই খোঁজা যাবে।
আপনি খুঁজছেন এমন নিবন্ধ যার লেখক/লেখিকা: [শান্তনু দে - Santanu Dey ],
জিতেছে বাংলাদেশ, হেরেছে মৌলবাদ
শান্তনু দে
বাংলাদেশ আরও একবার প্রমাণ করেছে তারা ধার্মিক হতে পারেন, ধর্মান্ধ নন। জামাতের তৈরি করা ভাষ্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে প্রকৃত বাংলাদেশ। আরেকটা আফগানিস্তান, বা পাকিস্তান হতে দেননি। এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ নির্বাচনে কোন্ দল বা জোট জিতেছে, কাদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়া হয়নি— তার চেয়েও বড় কথা হলো উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তি জিততে পারেনি। ক্ষমতা দখলে ব্যর্থ হয়েছে। জামাতের ছত্রছায়া থেকে বেরতে না পারার জন্য এনসিপি-কেও বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক মানুষ রেয়াত করেননি। ...more
শান্তনু দে
বাংলাদেশ আরও একবার প্রমাণ করেছে তারা ধার্মিক হতে পারেন, ধর্মান্ধ নন। জামাতের তৈরি করা ভাষ্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে প্রকৃত বাংলাদেশ। আরেকটা আফগানিস্তান, বা পাকিস্তান হতে দেননি। এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ নির্বাচনে কোন্ দল বা জোট জিতেছে, কাদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়া হয়নি— তার চেয়েও বড় কথা হলো উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তি জিততে পারেনি। ক্ষমতা দখলে ব্যর্থ হয়েছে। জামাতের ছত্রছায়া থেকে বেরতে না পারার জন্য এনসিপি-কেও বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক মানুষ রেয়াত করেননি। ...more
২০-ফেব্রুয়ারি-২০২৬
লিগ নেই, ভোটে বাংলাদেশ
শান্তনু দে
আরএসএসের কাছে যেমন গোলওয়ালকার, জামাতের কাছে তেমনই মওদুদি। মওলানা আবুল আলা মওদুদি। ১৯৩৮-এ গোলওয়ালকার লেখেন উই অর আওয়ার নেশনহুড ডিফাইন্ড। প্রকাশ পায় ১৯৩৯-এ। দু’বছর বাদে ১৯৪১ সালের আগস্টে মওদুদির নেতৃত্বে পাঠানকোটে তৈরি হয় জামাত-ই-ইসলামি। গোলওয়ালকার এবং মওদুদির রাজনৈতিক প্রকল্প এবং ভূমিকার সাদৃশ্য বাস্তবিকই চমকপ্রদ। হিটলার যেমন গোলওয়ালকারের নায়ক, ঠিক তেমনি মওদুদির কাছেও। ...more
শান্তনু দে
আরএসএসের কাছে যেমন গোলওয়ালকার, জামাতের কাছে তেমনই মওদুদি। মওলানা আবুল আলা মওদুদি। ১৯৩৮-এ গোলওয়ালকার লেখেন উই অর আওয়ার নেশনহুড ডিফাইন্ড। প্রকাশ পায় ১৯৩৯-এ। দু’বছর বাদে ১৯৪১ সালের আগস্টে মওদুদির নেতৃত্বে পাঠানকোটে তৈরি হয় জামাত-ই-ইসলামি। গোলওয়ালকার এবং মওদুদির রাজনৈতিক প্রকল্প এবং ভূমিকার সাদৃশ্য বাস্তবিকই চমকপ্রদ। হিটলার যেমন গোলওয়ালকারের নায়ক, ঠিক তেমনি মওদুদির কাছেও। ...more
০৬-ফেব্রুয়ারি-২০২৬
পুড়ছে বাংলাদেশ, পোড়েনি প্রত্যয়
শান্তনু দে
ধর্মীয় মৌলবাদের এই উত্থান শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, সীমান্তপার ভারতেও মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। সীমান্তের দুই পারের সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলি একে-অপরকে জ্বালানি জোগাচ্ছে। ঘৃণা ও বিদ্বেষের আবহ তৈরি করছে। উত্তেজনা ও বিভাজনকে প্ররোচিত করছে। সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলিকে নিয়ন্ত্রণ এবং হিংসার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে অন্তর্বর্তী সরকারের সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। ...more
শান্তনু দে
ধর্মীয় মৌলবাদের এই উত্থান শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, সীমান্তপার ভারতেও মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। সীমান্তের দুই পারের সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলি একে-অপরকে জ্বালানি জোগাচ্ছে। ঘৃণা ও বিদ্বেষের আবহ তৈরি করছে। উত্তেজনা ও বিভাজনকে প্ররোচিত করছে। সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলিকে নিয়ন্ত্রণ এবং হিংসার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে অন্তর্বর্তী সরকারের সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। ...more
২৩-ডিসেম্বর-২০২৫
শান্তির নোবেল ট্রাম্পের ঘরেই!
শান্তনু দে
সেকারণে মাচাদো যখন ঘোষণা করেন, ‘ভেনেজুয়েলার সংগ্রাম হলো ইজরায়েলের সংগ্রাম’, তখন আসলেই তিনি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ভেনেজুয়েলার প্রকৃত সংগ্রামকে আড়াল করতে চান। ভেনেজুয়েলা আজও সব অর্থেই রয়েছে প্যালেস্তাইনের সঙ্গে। আর নোবেল কমিটি যখন মাচাদোকে শান্তি পুরস্কার দেয়, তখন আসলেই চরম অবজ্ঞায় অস্বীকার করে নেতানিয়াহুর বেপরোয়া গণহত্যাকে। ...more
শান্তনু দে
সেকারণে মাচাদো যখন ঘোষণা করেন, ‘ভেনেজুয়েলার সংগ্রাম হলো ইজরায়েলের সংগ্রাম’, তখন আসলেই তিনি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ভেনেজুয়েলার প্রকৃত সংগ্রামকে আড়াল করতে চান। ভেনেজুয়েলা আজও সব অর্থেই রয়েছে প্যালেস্তাইনের সঙ্গে। আর নোবেল কমিটি যখন মাচাদোকে শান্তি পুরস্কার দেয়, তখন আসলেই চরম অবজ্ঞায় অস্বীকার করে নেতানিয়াহুর বেপরোয়া গণহত্যাকে। ...more
১১-অক্টোবর-২০২৫
লক্ষ্য ‘বৃহত্তর ইজরায়েল’
শান্তনু দে
গত ক’মাসে এই তিনটি গোষ্ঠীকে নিশানা করে ইজরায়েল আসলে আঘাত হানতে চেয়েছে পশ্চিম এশিয়াতে ইরানের প্রভাবের ওপর। ইজরায়েলের যুদ্ধবাজ নেতারা মনে করছেন এতে হিজবুল্লা, হামাস, হুতিকে শেষ করে দেওয়া যাবে। আর এভাবে ইরানকে ‘বেআব্রু ও দুর্বল’ করা যাবে। নেতানিয়াহু আগেই ইরানে ‘জমানা বদলের’ ডাক দিয়েছিলেন। ‘পশ্চিম এশিয়ার রাজনৈতিক মানচিত্র পরিবর্তনের’ কথা বলছেন। এভাবেই পশ্চিম এশিয়ায় আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে ইজরায়েল। যা আসলে পূরণ করবে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থ। ...more
শান্তনু দে
গত ক’মাসে এই তিনটি গোষ্ঠীকে নিশানা করে ইজরায়েল আসলে আঘাত হানতে চেয়েছে পশ্চিম এশিয়াতে ইরানের প্রভাবের ওপর। ইজরায়েলের যুদ্ধবাজ নেতারা মনে করছেন এতে হিজবুল্লা, হামাস, হুতিকে শেষ করে দেওয়া যাবে। আর এভাবে ইরানকে ‘বেআব্রু ও দুর্বল’ করা যাবে। নেতানিয়াহু আগেই ইরানে ‘জমানা বদলের’ ডাক দিয়েছিলেন। ‘পশ্চিম এশিয়ার রাজনৈতিক মানচিত্র পরিবর্তনের’ কথা বলছেন। এভাবেই পশ্চিম এশিয়ায় আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে ইজরায়েল। যা আসলে পূরণ করবে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থ। ...more
১৭-জুন-২০২৫
রাইখস্ট্যাগে লাল ঝাণ্ডা
শান্তনু দে
শান্তনু দে
সেই মহাযুদ্ধের সময় প্রতিটি মিনিটে সোভিয়েত রাশিয়াকে হারাতে হয়েছে ৯টি করে জীবন। প্রত্যেক ঘণ্টায় ৮৫৭। আর প্রতিদিন ১৪,০০০। একজন ব্রিটিশ, একজন মার্কিন নাগরিকের মৃত্যুপিছু প্রাণ দেন ৮৫ জন সোভিয়েত নাগরিক। তবু জয় তাদেরই হয়েছিল। আমেরিকার পতাকা নয়, হিটলারের রাজধানীতে শেষ পর্যন্ত উড়েছিল সোভিয়েতের কাস্তে-হাতুড়ি খচিত লালঝাণ্ডা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, কিংবা ব্রিটেন নয়। সোভিয়েত ইউনিয়নই নামিয়েছিল ফ্যাসিস্ত পতাকা।
...more০৯-মে-২০২৫
বাংলার মানুষের পরাজয় নেই
শান্তনু দে
আমরা গুজরাট দেখেছি, উত্তর প্রদেশ দেখেছি। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে এমন সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের বাতাবরণ সাম্প্রতিক অতীতে কখনও দেখিনি। নিজের চেনা জায়গা এখন নিজেরই কেমন অচেনা লাগে। পরিচিত মানুষকেও মনে হয় অপরিচিত। এমন তো দেড়দশক আগেও ছিল না। ভোট আসবে-যাবে। কিন্তু যে দেওয়াল তুলে দেওয়া হচ্ছে, তাকে ভাঙবে কে! যত দিন বামপন্থীরা ছিলেন, তত দিন বিজেপি ছিল একেবারে প্রান্তিক শক্তি। মাথা তুলতে পারেনি উগ্র দক্ষিণপন্থীরা। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য মুখ্যমন্ত্রী, বিধানসভায় ছিল না একজনও বিজেপি-র বিধায়ক। বামপন্থীদের সমর্থনের হার কমে এখন সওয়া ৬ শতাংশ। বামপন্থীরা যত দুর্বল হয়েছে, তত মাথাচাড়া দিয়েছে উগ্র দক্ষিণপন্থা। ...more
শান্তনু দে
আমরা গুজরাট দেখেছি, উত্তর প্রদেশ দেখেছি। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে এমন সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের বাতাবরণ সাম্প্রতিক অতীতে কখনও দেখিনি। নিজের চেনা জায়গা এখন নিজেরই কেমন অচেনা লাগে। পরিচিত মানুষকেও মনে হয় অপরিচিত। এমন তো দেড়দশক আগেও ছিল না। ভোট আসবে-যাবে। কিন্তু যে দেওয়াল তুলে দেওয়া হচ্ছে, তাকে ভাঙবে কে! যত দিন বামপন্থীরা ছিলেন, তত দিন বিজেপি ছিল একেবারে প্রান্তিক শক্তি। মাথা তুলতে পারেনি উগ্র দক্ষিণপন্থীরা। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য মুখ্যমন্ত্রী, বিধানসভায় ছিল না একজনও বিজেপি-র বিধায়ক। বামপন্থীদের সমর্থনের হার কমে এখন সওয়া ৬ শতাংশ। বামপন্থীরা যত দুর্বল হয়েছে, তত মাথাচাড়া দিয়েছে উগ্র দক্ষিণপন্থা। ...more
১৫-এপ্রিল-২০২৫
মুক্তিযুদ্ধ এবং সিপিআই(এম)
শান্তনু দে
বস্তুত, শুরু থেকেই বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম আর পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামকে একাত্ম করে দেখেছিল সিপিআই(এম)। একদিকে মহান মুক্তিযুদ্ধে শোষিত, বঞ্চিত বাংলার মুক্তিকামী মানুষের সমর্থনে শুরু থেকেই দৃঢ় অবস্থান, অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে পুলিশ, সিআরপিএফ, মিলিটারির দাপটের মুখে গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রাম– একইসঙ্গে দুই লড়াই। উদ্বাস্তু কলোনি, মহল্লায় তখন তুমুল উত্তেজনা। দিনভর রেডিওতে কান পেতে থাকা। চা-দোকানের আড্ডায় একটাই আলোচনা। এক-একটা মুক্তাঞ্চলের লড়াই, এক-একটা জয়ের খবরে পাড়ার গলিঘুঁজিতে মুহূর্তে মিছিল। নরসিংদীর শিবপুর রণাঙ্গন– বাংলার স্তালিনগ্রাদ। এক লড়াই। একই উদ্দীপনা। ...more
শান্তনু দে
বস্তুত, শুরু থেকেই বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম আর পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামকে একাত্ম করে দেখেছিল সিপিআই(এম)। একদিকে মহান মুক্তিযুদ্ধে শোষিত, বঞ্চিত বাংলার মুক্তিকামী মানুষের সমর্থনে শুরু থেকেই দৃঢ় অবস্থান, অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে পুলিশ, সিআরপিএফ, মিলিটারির দাপটের মুখে গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রাম– একইসঙ্গে দুই লড়াই। উদ্বাস্তু কলোনি, মহল্লায় তখন তুমুল উত্তেজনা। দিনভর রেডিওতে কান পেতে থাকা। চা-দোকানের আড্ডায় একটাই আলোচনা। এক-একটা মুক্তাঞ্চলের লড়াই, এক-একটা জয়ের খবরে পাড়ার গলিঘুঁজিতে মুহূর্তে মিছিল। নরসিংদীর শিবপুর রণাঙ্গন– বাংলার স্তালিনগ্রাদ। এক লড়াই। একই উদ্দীপনা। ...more
১৬-ডিসেম্বর-২০২৪
এক পা এগোনো
শান্তনু দে
ঠিকই, এক পা এগোনো গিয়েছে। খানিক স্বস্তি। কিন্তু রয়ে গিয়েছে বিপদ। মোদীর অশ্বমেধের ঘোড়ায় ধাক্কা দেওয়া গিয়েছে। লাগাম পরানো যায়নি। হিন্দুত্ব-কর্পোরেট আঁতাত কিছুটা পিছু হটলেও, অচিরেই নিজেদের পুনর্সংগঠিত করবে। পুঁজিবাদ পালন করবে তার ভূমিকা। নেবে শ্রমিক-বিরোধী, কৃষক-বিরোধী, দেশ-বিরোধী পদক্ষেপ। যেমন টেক-গুরু চন্দ্রবাবু আসতেই শেয়ার বাজার ফিরেছে নিজের ছন্দে। শেয়ার বাজার মানে লগ্নী পুঁজির প্রত্যাশার সূচক। সেকারণে কোনও মোহ নয়। জারি রাখতে হবে লড়াই। ভোট পণ্ডিতদের চেয়ে অনেক বেশি স্মার্ট আন্তর্জাতিক লগ্নী পুঁজি। দুর্বল বিজেপি এবং নীতিশ-নাইডুর সমর্থনে এনডিএ’র প্রতি লগ্নী পুঁজি হবে আরও আগ্রাসী। ভারতীয় সংস্থার সিইও-রা যেমন চেয়েছে। নতুন সরকার জারি রাখুক তার অর্থনৈতিক সংস্কার, যে নীতি নিয়ে চলছে, থাকুক তার ধারাবাহিকতা। এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে ভারতের শ্রমিকশ্রেণির আন্দোলন। পুঁজির আধিপত্যের মোকাবিলায় আরও প্রত্যয় নিয়ে চালিয়ে যেতে হবে জঙ্গী সংগ্রাম। ...more
শান্তনু দে
ঠিকই, এক পা এগোনো গিয়েছে। খানিক স্বস্তি। কিন্তু রয়ে গিয়েছে বিপদ। মোদীর অশ্বমেধের ঘোড়ায় ধাক্কা দেওয়া গিয়েছে। লাগাম পরানো যায়নি। হিন্দুত্ব-কর্পোরেট আঁতাত কিছুটা পিছু হটলেও, অচিরেই নিজেদের পুনর্সংগঠিত করবে। পুঁজিবাদ পালন করবে তার ভূমিকা। নেবে শ্রমিক-বিরোধী, কৃষক-বিরোধী, দেশ-বিরোধী পদক্ষেপ। যেমন টেক-গুরু চন্দ্রবাবু আসতেই শেয়ার বাজার ফিরেছে নিজের ছন্দে। শেয়ার বাজার মানে লগ্নী পুঁজির প্রত্যাশার সূচক। সেকারণে কোনও মোহ নয়। জারি রাখতে হবে লড়াই। ভোট পণ্ডিতদের চেয়ে অনেক বেশি স্মার্ট আন্তর্জাতিক লগ্নী পুঁজি। দুর্বল বিজেপি এবং নীতিশ-নাইডুর সমর্থনে এনডিএ’র প্রতি লগ্নী পুঁজি হবে আরও আগ্রাসী। ভারতীয় সংস্থার সিইও-রা যেমন চেয়েছে। নতুন সরকার জারি রাখুক তার অর্থনৈতিক সংস্কার, যে নীতি নিয়ে চলছে, থাকুক তার ধারাবাহিকতা। এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে ভারতের শ্রমিকশ্রেণির আন্দোলন। পুঁজির আধিপত্যের মোকাবিলায় আরও প্রত্যয় নিয়ে চালিয়ে যেতে হবে জঙ্গী সংগ্রাম। ...more
০৯-জুন-২০২৪
হিন্দুত্বের প্রিজমে ফয়েজ
শান্তনু দে
দেশভাগের ঘোষণার ক’দিন বাদে ফয়েজ কবিতাটি লিখেছিলেন নিদারুণ যন্ত্রণায়। সীমান্তের দু’পারে রক্তে ভেসে যাচ্ছে রাস্তা, জীবিকা হারিয়ে সবহারা উদ্বাস্তু স্রোত, ধর্ষণ। দেখে ফয়েজের বিস্ময়, এই স্বাধীনতাই কি আমরা চেয়েছিলাম? ভারত, পাকিস্তানকে ভাগ করে যে স্বাধীনতা এসেছে, আমরা কি আদৌ তেমন কখনও চেয়েছিলাম? আমরা কি সত্যিই মুক্ত? ঋত্বিকের ‘কোমল গান্ধার’, মান্টোর ‘টোবা টেক সিং’র মতোই ফয়েজের ‘সুবহ্-এ-আজাদী’। ...more
শান্তনু দে
দেশভাগের ঘোষণার ক’দিন বাদে ফয়েজ কবিতাটি লিখেছিলেন নিদারুণ যন্ত্রণায়। সীমান্তের দু’পারে রক্তে ভেসে যাচ্ছে রাস্তা, জীবিকা হারিয়ে সবহারা উদ্বাস্তু স্রোত, ধর্ষণ। দেখে ফয়েজের বিস্ময়, এই স্বাধীনতাই কি আমরা চেয়েছিলাম? ভারত, পাকিস্তানকে ভাগ করে যে স্বাধীনতা এসেছে, আমরা কি আদৌ তেমন কখনও চেয়েছিলাম? আমরা কি সত্যিই মুক্ত? ঋত্বিকের ‘কোমল গান্ধার’, মান্টোর ‘টোবা টেক সিং’র মতোই ফয়েজের ‘সুবহ্-এ-আজাদী’। ...more
১৩-ফেব্রুয়ারি-২০২৪
ইজরায়েল-হামাস সংঘাতের নেপথ্যে
শান্তনু দে
মাত্র ৬৭ শব্দের একটি ঘোষণা। যে ঘোষণায় প্যালেস্তাইনের ঐতিহাসিক ভূখণ্ডের বিভাজনের ছক কষেছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ। যার পরিণতিতেই প্যালেস্তাইনের বুকের উপর ইজরায়েলের প্রতিষ্ঠা এবং যার পর থেকে কখনোই মর্যাদা দেওয়া হয়নি আরব জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে। যা জন্ম দিয়েছিল বিশ্বের সবচেয়ে ‘জঘন্য’ দীর্ঘস্থায়ী, অমীমাংসিত সংঘাতের। যার জেরে আজও অশান্ত অস্থির, রক্তাক্ত মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চল। ...more
শান্তনু দে
মাত্র ৬৭ শব্দের একটি ঘোষণা। যে ঘোষণায় প্যালেস্তাইনের ঐতিহাসিক ভূখণ্ডের বিভাজনের ছক কষেছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ। যার পরিণতিতেই প্যালেস্তাইনের বুকের উপর ইজরায়েলের প্রতিষ্ঠা এবং যার পর থেকে কখনোই মর্যাদা দেওয়া হয়নি আরব জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে। যা জন্ম দিয়েছিল বিশ্বের সবচেয়ে ‘জঘন্য’ দীর্ঘস্থায়ী, অমীমাংসিত সংঘাতের। যার জেরে আজও অশান্ত অস্থির, রক্তাক্ত মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চল। ...more
০৯-অক্টোবর-২০২৩
নাকবা’র পঁচাত্তর: সাভারকার, সঙ্ঘ এবং ভারত
শান্তনু দে
আর এখন আমেরিকার সঙ্গী ভারত। ১৯৯৮, বিজেপি সরকারের আমল থেকে দু’দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা শুরু। বিশেষ করে এল কে আদবানির ইজরায়েল সফরের পর প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে দু’দেশের মধ্যে স্ট্র্যাটেজিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। ইজরায়েলি গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলি ভারতের অনুরূপ সংস্থাগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতার সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। ইজরায়েলী গোয়েন্দা সংস্থাগুলি ভারতে খুলেছে তাদের অফিস। ...more
শান্তনু দে
আর এখন আমেরিকার সঙ্গী ভারত। ১৯৯৮, বিজেপি সরকারের আমল থেকে দু’দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা শুরু। বিশেষ করে এল কে আদবানির ইজরায়েল সফরের পর প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে দু’দেশের মধ্যে স্ট্র্যাটেজিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। ইজরায়েলি গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলি ভারতের অনুরূপ সংস্থাগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতার সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। ইজরায়েলী গোয়েন্দা সংস্থাগুলি ভারতে খুলেছে তাদের অফিস। ...more
০২-জুন-২০২৩
ফুটবল পুঁজিবাদ
শান্তনু দে
ফুটবলেও এখন জি-৮। এরা এখন আর শুধু ক্লাব নয়। লিমিটেড কোম্পানি। যেমন ম্যান ইউ। নাচে শেয়ার বাজারের ছন্দে। ক্লাবের কর্তা নিছক ক্লাব কর্তা নন। চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার। সি ই ও। তাঁরা কথা বলেন ব্যালেন্সশিট, শেয়ার দরের ভাষায়। ক্লাবকে দেখেন ব্র্যান্ড হিসেবে। খেলোয়াড়দের সম্পত্তি হিসেবে। ব্র্যান্ড প্রোমোটার হিসেবে। সমর্থকদের দেখেন ক্রেতা হিসেবে। ...more
শান্তনু দে
ফুটবলেও এখন জি-৮। এরা এখন আর শুধু ক্লাব নয়। লিমিটেড কোম্পানি। যেমন ম্যান ইউ। নাচে শেয়ার বাজারের ছন্দে। ক্লাবের কর্তা নিছক ক্লাব কর্তা নন। চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার। সি ই ও। তাঁরা কথা বলেন ব্যালেন্সশিট, শেয়ার দরের ভাষায়। ক্লাবকে দেখেন ব্র্যান্ড হিসেবে। খেলোয়াড়দের সম্পত্তি হিসেবে। ব্র্যান্ড প্রোমোটার হিসেবে। সমর্থকদের দেখেন ক্রেতা হিসেবে। ...more
২০-নভেম্বর-২০২২
সাম্প্রতিক নিবন্ধ
০৪-এপ্রিল-২০২৬
০৩-এপ্রিল-২০২৬
০৩-এপ্রিল-২০২৬
০২-এপ্রিল-২০২৬
০১-এপ্রিল-২০২৬
০১-এপ্রিল-২০২৬


















