Latest Edition

সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

সাম্রাজ্যবাদ, তেলের দাম ও বিশ্ব অর্থনীতি

প্রভাত পট্টনায়েক
তেলের দাম ধারাবাহিক ভাবে বাড়লে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলিতে মন্দা আরও তীব্র চেহারায় দেখা দেবে। মূল্যস্ফীতির কারণে দেশের লোকের পণ্য ও পরিষেবা কেনার চাহিদা সঙ্কুচিত হওয়ার কারণে দেখা দেবে তীব্র মন্দা। এর ওপরে থাকবে বিদেশি খাতকদের চাপিয়ে দেওয়া কড়া ‘ব্যয়সঙ্কোচের’ শর্ত। এর মানে হল, এসব দেশের লোকেদের জীবনধারনের খরচ জোটানো আরো কঠিন হয়ে পড়বে। সুতরাং, এই সব দেশের জনসাধারণের যা আশু করণীয় তা হল, আমেরিকার ওপর চাপ সৃষ্টি করা যাতে এই পুরোপুরি অনৈতিক ও বেআইনি যুদ্ধ তারা বন্ধ করে।
Imperialism oil prices and the world economy

এই সপ্তাহের শেষে বিশ্বে তেলের দাম শেষ পর্যন্ত ব্যারেল পিছু ১০০ ডলার ছাপিয়ে গেছে। দাম এমনকি ১১০ ডলারেও পৌঁছেছে। ইরানের বিরুদ্ধে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন শুরুর ঠিক আগে এই দাম ছিল ব্যারেল পিছু ৬৯ ডলার। এর মানে এক সপ্তাহের মধ্যে তেলের দাম লাফ দিয়ে বেড়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালী অবরোধ করায় বাস্তবে সঞ্চয়ের ভাঁড়ারে টান পড়ার জন্য তেলের দাম বাড়েনি, বেড়েছে যোগানে টান পড়তে পারে এই আশঙ্কায়। ১৯৭৩ সালে দাম যে বিরাট লাফ দিয়ে বেড়েছিল তার থেকে এবারের বাড়াটা সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। তখন মজুত ভাঁড়ারে টান পড়ার কারণে তেলের দাম বাড়েনি। সেবার ওপেক গ্যাসের দাম কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। ২০০৮ ও ২০২২ সালে যে তেলের দাম হঠাৎ করে বেড়েছিল তার সঙ্গেও এবারের বৃদ্ধির কোনও মিল নেই।

২০০৮ ও ২০২২ সালে তেলের দাম বেড়েছিল সেটা তাদের বৈশিষ্ট্যের কারণেই ছিল স্বল্পস্থায়ী। ২০০৮ সালে দাম বেড়েছিল অতিরিক্ত চাহিদার কারণে। সেই কারণগুলিও ছিল শর্তসাপেক্ষ। যেমন চীনের চাহিদা হঠাৎ করে বেড়ে গিয়েছিল। নাইজিরিয়া ও  পশ্চিম এশিয়া থেকে সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটেছিল। তবে এর কোনওটাই বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। ২০২২ সালে দাম বেড়েছিল ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার কারণে। তবে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়া তাদের বেশির ভাগ সরবরাহ অব্যাহত রাখতে পেরেছিল এবং রাশিয়ার গ্যাসের বদলে মার্কিন তেল ইউরোপের বাজারে পৌঁছেছিল, যদিও সেই তেলের দাম ছিল বেশি। এই দুই কারণে ২০২২ সালে তেলের দাম প্রথমে বেড়ে গিয়ে তারপর কমেছিল। তবে এখন তেলের দাম যে বেড়েছে তার পিছনে রয়েছে মার্কিন ও ইজরায়েলির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিক্রিয়া। এখনকার যুদ্ধের পুরো পর্যায় জুড়ে এই দামবৃদ্ধি চলতে পারে এবং যুদ্ধ কীভাবে মিটবে তার কোনও হদিশ এখনও পাওয়া যাচ্ছে না। এর কারণ শুধু ইরানের নয়, অনেকগুলি দেশের তেল সরবরাহ হরমুজ প্রণালী দিয়ে হয়। রাশিয়া মোট যত তেল উৎপাদন করে, হরমুজ দিয়ে আসা তেলের পরিমাণ তার দ্বিগুণ। এবং ফাটকাবাজি বন্ধ করার বদলে ডোনাল্ড ট্রাম্প তেলের দাম বাড়ার বিষয়টিতে আদতে গুরুত্বই দিতে চাইছেন না। বলছেন, কারণ তাঁর কাছে যুদ্ধের লক্ষ্যপূরণই আসল কথা। এবং সেই লক্ষ্যপূরণে ‘এ দাম তো সামান্যই।’

যদি বেশ কিছু দিন ধরে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই থাকে তবে বিশ্ব অর্থনীতিতে তার গভীর প্রভাব পড়বে।এর ফলে অবশ্যই বাড়বে মূল্যস্ফীতি। উপভোক্তারা যে জ্বালানি পণ্য কিনবেন শুধুমাত্র তার সরাসরি প্রভাব হিসাবেই শুধু মূল্যস্ফীতি হবে না।আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, বহু জিনিস ও পরিষেবা, যেগুলি তৈরির উপাদান হিসাবে কাজে লাগে জ্বালানি পণ্য, সেগুলিরও মূল্যবৃদ্ধির ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে। তেলের দাম বাড়লে সারের দামও বাড়বে। তাতে খাদ্যপণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়বে এবং তার জেরে খাদ্যপণ্যের দামও বাড়বে (যদি খাদ্যপণ্য উৎপাদকদের মুনাফা কমাতে না হয়)। তাছাড়া সব ধরনের পরিবহণের খরচও বাড়বে এবং তাতে সামগ্রিকভাবে, অতিরিক্ত মূল্যস্ফীতি মাথাচাড়া দেবে।

তেলের দাম বাড়ায় যাদের লাভ হবে তারা তাদের ফাঁকতালে পেয়ে যাওয়া লাভের মোটা টাকা ব্যাঙ্কে জমা করবে। সেই টাকায় পণ্য ও পরিষেবার জন্য বাড়তি কোনও চাহিদা সৃষ্টি হবে না। অন্যদিকে মূল্যস্ফীতির দরুন যাদের ক্ষতি হবে তাদের প্রকৃত অর্থে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা সংকুচিত করতে হবে। এই ধরনের মূল্যস্ফীতির বিশ্বের মোট চাহিদার ওপর বিপর্যযকর প্রভাব সৃষ্টি করবে এবং তার জেরে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা নেমে আসবে। এখনকার যে তেলের দামবৃদ্ধি, তার নির্দিষ্ট চরিত্রটা এভাবেই ফের আমাদের সামনে চলে আসছে।

যখন উৎপাদকদের সমন্বিত পদক্ষেপের কারণ তেলে দাম বাড়ে, সরবরাহের ঘাটতির জন্য বাড়ে না, তখন প্রভাবিত দেশগুলির সরকার সম্প্রসারণমূলক আর্থিক ও ফিসক্যাল নীতি গ্রহণ করতে পারে যাতে মোট চাহিদা একই থাকে এবং মন্দার যে আশঙ্কা তা আটকানোর পদক্ষেপ করতে পারে (যদিও ১৯৭০এর গোড়ার দিকে প্রভাবিত সরকারগুলি বাস্তবে তেমন কিছু করেনি)। কিন্তু সরবরাহের কারণে যদি তেলের দাম বাড়ে তাহলে তা আটকানোর জন্য এই ধরনের পদক্ষেপ করা সম্ভব নয়। বস্তুত এ সব ক্ষেত্রে মন্দা শুধু অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায় না, হয়ে দাঁড়ায় সরবরাহে ঘাটতি মেটানোর একটা উপায়। সুতরাং বিশ্ব অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির কারণে মন্দা আসার মানে ধারাবাহিক ভাবে বেড়ে থাকবে তেলের দাম।

🔍︎ আরও পড়ুন— যুদ্ধ বদলে দেবে পশ্চিম এশিয়ার স্ট্র্যাটেজিক মানচিত্র

এটা সব দেশের পক্ষেই সত্যি (যদি তারা দাম ঠেকাতে পাল্টা কোনও ব্যবস্থা না নেয় তাহলে এমনকী তেল উৎপাদনকারী দেশগুলির পক্ষেও এটা সত্যি। যদিও সহজেই তারা এমন ব্যবস্থা নিতে পারে)। গ্লোবাল সাউথের দেশগুলির ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও শোচনীয় হবে আরও অতিরিক্ত একটা কারণে। কারণটা হল:

যতগুলি দেশ তেল আমদানি করে তেলের দাম বাড়ার ফলে তাদের ব্যালেন্স অফ পেমেন্টস এর চলতি অ্যাকাউন্ট খাতে ঘাটতি দেখা দেবে। যখন ওপরে উল্লিখিত বিষযগুলির আলোচনা আমরা করব তখন এই বিষয়টিকে আমাদের হিসাবের মধ্যে নিতে হবে। অন্যভাবে বললে, আমরা ধরে নিয়েছি যে এই বাড়তি ঘাটতি পূরণে কোনও সমস্যা হবে না। উদাহরণ স্বরূপ, তেল রপ্তানিকারী দেশগুলির ফুলেফেঁপে ওঠা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কগুলি ব্যবহার করবে তেল আমদানিকারী দেশগুলিকে ধার দেওয়ার জন্য যাতে ধারের টাকায় তারা ঘাটতি পূরণ করতে পারে। কিন্তু গ্লোবাল সাউথের দেশগুলির অবস্থা মোটেই গ্লোবাল নর্থের দেশগুলির মতো সুবিধাজনক নয়। যে সব ব্যাঙ্কে কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তেল বিক্রির বাড়তি লাভের টাকা জমা হয়েছে, তারা মোটেই একথা বিশ্বাস করে না যে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলিকে ধার দিয়ে বিশেষ সুবিধে হবে। এর ফলে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলির পক্ষে তাদের চলতি খাতের অ্যাকাউন্টের ঘাটতি পূরণ করা ক্রমশ কঠিন হবে। তখন এই দেশগুলির মুদ্রার দাম কমতে থাকবে এবং তাদের বাইরে থেকে ধার করতে হবে আরও অনেক ভয়ঙ্কর শর্তে। সেই ঋণের শর্ত হিসাবে তাদের রাজি হতে হবে আরো কঠোর ‘ব্যয়সঙ্কোচের’ শর্ত মেনে নিতে, কিংবা তারা বাধ্য হবে তাদের খনিজ সম্পদের মালিকানা বিদেশি খাতকদের হাতে তুলে দিতে। এবং এ ধরনের আরও অনেক শর্ত তাদের মানতে হবে। ফলে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলিতে মূল্যস্ফীতি হবে আরও তীব্র। সেটা শুধু তেলের দামবৃদ্ধির কারণেই হবে না, হবে আরও অতিরিক্ত কারণে। কারণ তখন ডলারের বিনিময়ে এই দেশগুলোর মুদ্রার দাম কমে সব ধরনের আমদানির খরচ বাড়িয়ে দেবে।

একইভাবে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলিতে মন্দা আরও তীব্র চেহারায় দেখা দেবে। মূল্যস্ফীতির কারণে দেশের লোকের পণ্য ও পরিষেবা কেনার চাহিদা সঙ্কুচিত হওয়ার কারণে দেখা দেবে তীব্র মন্দা। এর ওপরে থাকবে বিদেশি খাতকদের চাপিয়ে দেওয়া কড়া ‘ব্যয়সঙ্কোচের’ শর্ত। এর মানে হল, এসব দেশের লোকেদের জীবনধারনের খরচ জোটানো আরো কঠিন হয়ে পড়বে।। সুতরাং, এই দেশের জনসাধারণের যা আশু করণীয় তা হল, আমেরিকার ওপর চাপ সৃষ্টি করা যাতে এই পুরোপুরি অনৈতিক ও বেআইনি যুদ্ধ তারা বন্ধ করে। 

বিশ্ব বাজারে তেলের দাম একটানা বাড়তে থাকলে ভারতের অত্যন্ত বেহাল দশা হবে। হরমুজ দিয়ে যত তেল পরিবহণ করা হয় তার ৮৪ শতাংশ যায় এশিয়ার দেশগুলিতে। এর মধ্যে পড়ে চীন, ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। তার মানে হরমুজ অবরুদ্ধ হওয়ার প্রভাব বিশ্ব বাজারে তেলের দামের ওপর তো পড়বেই, পড়বে ডলারের নিরিখে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হারের ওপর। সর্বোপরি, ওপরে উল্লেখ করা দেশগুলিতে ঠিক সময়ে তেলের সরবরাহ পাওয়াই সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। এই সমস্যা বড় হয়ে দেখা দেবে ভারতেও। অবশ্য তেলের চড়া দামের চাপ কমাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছুদিনের জন্য ভারতে রাশিয়ার তেল কেনার ‘অনুমতি’ দিয়েছেন। (আমাদের উপনিবেশ বিরোধী সংগ্রামের প্রতি এটা একটা অপমান, স্বাধীনতার প্রায় আট দশক পরে আমরা অন্যদের ‘অনুমতি দিয়েছি’ আমাদের নিজেদের দেশকে উপনিবেশের মতো বিবেচনা করতে। এবং আমাদের পছন্দের দেশ থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল কেনার স্বাধীনতা বিসর্জন দিয়েছি। এবং এটাও আমাদের পক্ষে অসম্মানর যে এখন এদেশে এমন একটা সরকার রয়েছে যারা ট্রাম্পকে দরজা দেখিয়ে বিদায় দেওয়ার বদলে কাপুরুষের মতো ট্রাম্পের ‘অনুমতি’ মাথা পেতে গ্রহণ করেছে।) 

তবে এই অনুমতি খুবই সংক্ষিপ্ত সময়ের, মাত্র এক মাসের জন্য। এরপর ওপরে যে আশঙ্কার ছবিটা আঁকা হয়েছে সেটাই সত্যি হয়ে দাঁড়াবে। তাই ভারতের পক্ষে চুপ করে থাকাটা এবং মার্কিন-ইজরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ না করাটা একেবারেই আত্মহত্যা করার সামিল। 

🔍︎ আরও পড়ুন— আমেরিকা-ইজরায়েল চায় একমেরু পশ্চিম এশিয়া  —সার্কাসের সিংহের মতো ভারতকে ওঠবোস করাচ্ছে আমেরিকা

বস্তুত, ইরান যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করেছে এবং তার জেরে গোটা বিশ্বে তেলের দাম বাড়ছে, এটা তারা মূলত করেছে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলিকে যুদ্ধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য।ইরান তাদের একথা বোঝাতে চাইছে যে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ মানে আসলে তাদের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ এবং এই যুদ্ধ তাদের অশেষ দুর্গতি ডেকে আনবে। তাই তারা এই যুদ্ধের ব্যাপারে স্রেফ মুখ ঘুরিয়ে বসে থাকতে পারে না। ইরানের সামরিক কমান্ডারেরাও এমনটাও ধরে নিচ্ছেন যে তেলের দাম ব্যারেল পিছু ২০০ ডলারেও পৌঁছতে পারে এবং তার ভারে স্রেফ ভেঙে পড়বেন বিশ্বের সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে দুর্গতির শিকার হবেন তৃতীয় বিশ্বের লোকজন।এবং এমনটাই ঘটবে যদি তারা সাম্রাজ্যবাদী হস্তক্ষেপ বন্ধে এখনই হস্তক্ষেপ না করেন। 

আরও খারাপ অর্থে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলির নীরবতা তাদের জন্য আরও ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। ট্রাম্পই এই যুদ্ধ শুরু করেছেন। এই যুদ্ধই মার্কিন দেশের জনগণের জীবনে মূল্যস্ফীতিজনিত মন্দা ডেকে এনেছে। একথা বুঝে ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছে মার্কিন জনতা। ট্রাম্প নিজের দেশেই ইতিমধ্যেই জনসাধারণের ক্ষোভের সম্মুখীন। এর ফলে যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার তাগিদে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ট্যাকটিক্যাল পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করতে পারেন। দুনিয়ার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই একমাত্র দেশ যারা অন্য দেশে গিয়ে পরমাণু বোমা ফেলেছে। বিশিষ্ট মার্কিন অর্থনীতিবিদ জেমস গলব্রেথ বলেছন অন্তত তিনটি ঘটনার কথা যখন এই ধ্বংসের পুনরাবৃত্তির সম্ভাবনা থেকে সরে আসা হয়েছিল অভ্যন্তরীণ পরামর্শের কারণে (দ্য ডেলফি ইনিশিয়েটিভ, ৯ মার্চ)। যদি গোটা বিশ্ব মার্কিন সরকারের বিরুদ্ধে দ্বর্থ্যহীনভাবে ফুঁসে না ওঠে তাদেরই শুরু করা যুদ্ধের বিরুদ্ধে, এবং আন্তর্জাতিক আইনকে আমেরিকা যে একতরফাভাবে অবজ্ঞা করে চলেছে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করে, তাহলে সেই ভয়ঙ্কর পদক্ষেপের পুনারবৃত্তি বাস্তব সম্ভাবনা হিসাবে দেখা দিতে পারে।

ঋণ:পিপলস ডেমোক্রেসি, ৯-১৫ মার্চ, ২০২৬
ভাষান্তরঃ সুচিক্কণ দাস

📲 এখন এক ক্লিকেই মার্কসবাদী পথ আপনার হোয়াটস অ্যাপে


প্রকাশের তারিখ: ২২-মার্চ-২০২৬
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:


আপনার মতামত

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।



অন্যান্য মতামত:

Donate Now
আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
সমসাময়িক বিভাগে প্রকাশিত ২৪৯ টি নিবন্ধ
২৯-মার্চ-২০২৬

২২-মার্চ-২০২৬

১৯-মার্চ-২০২৬

১৩-মার্চ-২০২৬

০৪-মার্চ-২০২৬

২৪-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২৩-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২১-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২০-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২০-ফেব্রুয়ারি-২০২৬