সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নিবন্ধের খোঁজ
এখানে আপনি লেখক, নিবন্ধের বিষয়, তথ্য, প্রকাশের তারিখ দিয়ে বিভিন্নভাবে খুঁজতে পারেন, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই খোঁজা যাবে।
সুচিক্কণ দাস
১৯৮৯ সালে এক বিরাট সামাজিক বিস্ফোরণের মধ্যে দিয়ে নয়া উদারবাদের বিরুদ্ধে সফল বিদ্রোহের পতাকা তুলে ধরেছিল হুগো শাভেজের ভেনেজুয়েলা। সেই পথ ধরে নয়া উদারবাদের বিরোধিতায় এগিয়ে এসেছিলেন বলিভিয়া, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে, ব্রাজিল, ইকুয়েডর, চিলি, মেক্সিকোর মতো দেশের মানুষ। আরও অনেক আগে থেকে দিশারী হিসাবে কিউবা তো ছিলই। এই প্রতিরোধের জেরে লাতিন আমেরিকার ওপর আলগা হয়েছিল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের মুঠি। সেই পর্বে লাতিন আমেরিকার নয়া উদারবাদ বিরোধী দেশগুলি গড়ে তুলেছিল একাধিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মঞ্চ। গড়ে উঠেছিল বিকল্প ব্যাঙ্ক এবং ডলারের বিকল্প মুদ্রা সুক্রে। একবিংশ শতকের সমাজতন্ত্রের স্বপ্ন দেখা সেই ভেনেজুয়েলাকে একেবারে ধ্বংস করে সেখানে ট্রাম্প নিখাদ উপনিবেশবাদী দখল কায়েম করতে চাইছেন। তাঁর আসল লক্ষ্য, ভেনেজুয়েলার বিপুল অপরিশোধিত তেলের ভাণ্ডার, যা পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ভাণ্ডার, তা দখল করা। ...more
০৮-ডিসেম্বর-২০২৫
সুচিক্কণ দাস
ব্রাজিল পারে ট্রাম্পের পালটা জবাব দিতে। পারে মেক্সিকো-ও। কারণ তাদের নিজের শক্তির ওপর, সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী নীতির ওপর, স্বাধীন বিদেশনীতির ওপর এবং সাম্রাজ্যবাদের পালটা বিকল্প অর্থনীতি গড়ার অঙ্গীকার আছে।... আরএসএস, বিজেপি ও তাদের সহযোগী হিন্দুত্ববাদী শক্তি ও কর্পোরেটের জোট এই অবস্থান নিতে পারে না। কারণ এই শক্তি ভারতের স্বাধীন বিদেশনীতি বিসর্জন দিয়ে দেশকে সাম্রাজ্যবাদ, বিশেষত মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের অনুগামী করে তুলেছে।
...more০১-সেপ্টেম্বর-২০২৫
সুচিক্কণ দাস
দক্ষিণের দেশগুলি থেকে, বিশেষ করে চীনের কাছ থেকে, কর্মসংস্থান ছিনিয়ে নেওয়া, এটাই ট্রাম্পের সংরক্ষণবাদের একমাত্র চালিকা শক্তি নয়। আরও অতিরিক্ত জোরালো কারণ হল ব্যালান্স অফ পেমেন্টের ক্ষেত্রে আমেরিকার ক্রমশ বেড়ে চলা চলতি হিসাব (কারেন্ট অ্যাকাউন্ট) খাতে ঘাটতি। এই ঘাটতির ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন হয়ে উঠেছে বিশ্বের বৃহত্তম খাতক দেশ। ...more
৩১-আগস্ট-২০২৫
সুচিক্কণ দাস
১৬ বছর আগে যে ব্রিকস যাত্রা শুরু করেছিল, পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে সেটাই হয়ে উঠতে চলেছে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ নিয়ন্ত্রিত বিশ্ব আর্থিক ব্যবস্থার বিকল্প একটি বহুমেরু মঞ্চ। তবে এখনই পুঁজিবাদী দেশগুলির সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সংঘাতে যেতে চায় না ব্রিকস। বরং পারস্পরিক আস্থা ও সম্মানের ভিত্তিতে সহযোগিতা করতে চায়। সেই দিক থেকে দেখলে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অব্যবহিত পরে ১৯৫৫ সালে যে বান্দুং সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল পারস্পরিক শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচটি নীতির ভিত্তিতে, সেই বার্তাকেই কার্যত ফিরিয়ে আনতে চাইছে ব্রিকস। ...more
০১-নভেম্বর-২০২৪
সুচিক্কণ দাস
এইভাবেই এখনকার বিশ্ব হয়ে উঠছে বহুমেরু বিশ্ব। যা মার্কিন-সহ পশ্চিমী সাম্রাজ্যবাদের অর্থনীতি ও রাজনীতিকে কমবেশি চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। ফলে সোভিয়েতের পতনের পর বিশ্ব একতরফা একমেরু হয়ে উঠবে বলে যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তার ছায়া এখন সরছে। বদলে ক্রমশ স্পষ্ট চেহারা নিচ্ছে এক বহুমেরু বিশ্ব। যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমী পুঁজিবাদকে সমঝে চলতে হচ্ছে। কারণ বহুমেরু বিশ্ব– ডলার, সুইফট ও আইএমএফ-বিশ্বব্যাঙ্কের আধিপত্যকেই চ্যালেঞ্জ জানাতে শুরু করেছে। এগুলির বিকল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে। এবং সেখানে শামিল হচ্ছে বহু দেশ। কোনও সন্দেহ নেই এইসব বহুমেরু মঞ্চের প্রথম সারিতে রয়েছে ব্রিকস।
...more
৩১-অক্টোবর-২০২৪
সুচিক্কণ দাস
আসলে বিজেপি উচ্চবর্ণ নিয়ন্ত্রিত দল। তাদের হিন্দুত্বের সমীকরণটা এরকম: ধর্মীয় পরিচিতি-সত্তাকে জাগিয়ে তুলে, তাকে ব্যবহার করে সমাজের নিচুতলা অর্থাৎ ওবিসি, দলিত, আদিবাসীদের হিন্দুত্বের আওতায় এনে ফেলা এবং এভাবে স্থায়ী ভোট-ব্যাঙ্ক তৈরি করা। এই ফর্মুলাতেই ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের ভোটে সাফল্য পেয়েছিল বিজেপি। এবারের ভোটে ঠিক সেই জায়গাতেই ঘা দিয়েছেন অখিলেশ যাদব। বিজেপির মোকাবিলায় অখিলেশের এবারের ফর্মুলা ছিল পিডিএ- পিছড়ে বর্গ, দলিত ও অল্পসংখ্যক। এই তিন গোষ্ঠীর মধ্যেই রয়েছেন উত্তরপ্রদেশের ওবিসি, এসসি, এসটি, দলিত ও আদিবাসীরা। ...more
১১-জুন-২০২৪
সুচিক্কণ দাস
নির্বাচন চলাকালীন সময়েই হঠাৎ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রকাশ করেছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের অধীনে থাকা অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদ। একে গণতন্ত্রের জন্যে গৌরবের বলেছে নীতি আয়োগের মুখপাত্র। যদিও দেশের মুসলিম জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার হিন্দুদের চেয়ে বেশি এই তথ্যটি দিয়ে নীতি আয়োগ বোঝাতে চেয়েছে ভারতে গণতন্ত্র কতটা সুপ্রতিষ্ঠিত। সরকারি প্রতিবেদনে যাকে দেশের গণতন্ত্রের গৌরব বলে তুলে ধরা হয়েছে, সেটাকেই নির্বাচনী প্রচারে তুলে ধরা হচ্ছে দেশের জন্যে আতঙ্কের বিষয় বলে। অথচ এটা স্পষ্ট যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের হ্রাস বৃদ্ধির সাথে ধর্ম বা জাতির কোনো সম্পর্ক নেই। নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে শিক্ষার। সেজন্যেই উন্নত শিক্ষার হার থাকা কেরলের মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার শিক্ষার ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা বিহারের হিন্দু জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
কেন কেন্দ্র ও বিজেপির এই দ্বিচারিতা? দিগন্তে পরাজয়ের কালো মেঘ ক্রমে ঘনাচ্ছে। সেটাই কি?
...more
১৩-মে-২০২৪
সুচিক্কণ দাস
এ বছরের জুলাই মাসে নীতি আয়োগের একটি রিপোর্টে ফলাও করে দাবি করা হয়েছিল, বহুমাত্রিক দারিদ্র (মাল্টিডায়মনেসনাল পভার্টি) দূরীকরণে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে ভারত। ওই রিপোর্ট অনুসারে, ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে এদেশের সাড়ে ১৩ কোটি লোককে বহুমাত্রিক দারিদ্র থেকে মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে গরিব মানুষের সংখ্যা কমেছে ৯.৮৯ শতাংশ। এর অর্থ, ২০১৫-১৬ সালে যেখানে দেশে বহুমাত্রিক বিচারে দরিদ্রের সংখ্যা ছিল ২৪.৮৫ শতাংশ, ২০১৯-২০ সালে তা কমে হয়েছে ১৪.৯৬ শতাংশ। ...more
২৯-আগস্ট-২০২৩
সুচিক্কণ দাস
২০২১ সালে এ মহম্মদ আল জামান একটি গবেষণা পত্র প্রকাশ করেন ‘সোশাল মিডিয়া ফেক নিউজ ইন ইন্ডিয়া’ শিরোনামে। প্রকাশিত হয়েছিল এশিয়ান জার্নাল ফর পাবলিক ওপিনিয়ন রিসার্চ–এ। সেখানে আল জামান দেখিয়েছেন স্বাস্থ্য, ধর্ম, রাজনীতি, অপরাধ, বিনোদন — এই পাঁচটি ক্ষেত্রকে কেন্দ্র করে ভারতে সোশাল মিডিয়ায় মিথ্যা ও ঘৃণা প্রচারে জোর দেওয়া হয়। এগুলির মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি। এই ধরনের প্রচারে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হয় টেক্সট, ফটো, অডিও, ভিডিও, টেক্সট ও ফটো, টেক্সট ও ভিডিও, ফটো ও ভিডিও এবং টেক্সট, ফটো ও ভিডিও একসঙ্গে। এগুলো ছড়ানো হয় অনলাইনে এবং মেনস্ট্রিম মিডিয়ায়। ...more
২৩-মে-২০২৩
সুচিক্কণ দাস
একদা ইনফোসিসের পদস্থ কর্তা শশীশেখর পরে হয়েছিলেন প্রসার ভারতী কর্পোরেশেনের শীর্ষকর্তা। রাজেশের প্রচার টিমের নাম ছিল ‘ফ্রেন্ডস অফ বিজেপি’। টিমের সদস্য সংখ্যা ছিল ১০০ জন। রাজেশ জৈন এই বিষয়টা শিখেছিলেন সম্ভবত ওবামার মিডিয়া ম্যানেজারদের কাছ থেকে। দ্বিতীয় টিমের দায়িত্বে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর ও তার সংস্থা আই প্যাক। রান ফর ইউনিটি, চায়ে পে চর্চা, মন্থনের মতো জনপ্রিয় কর্মসূচির মাধ্যমে মোদির ভাবমূর্তি গড়ে তোলাটা ছিল এদের দায়িত্ব। আই প্যাকের অধীনে ‘সিটিজেন্স ফর অ্যকাউন্টেবল গভর্নমেন্ট’ নামের সংস্থা বিজেপিতে ম্যানেজমেন্ট গ্রাজুয়েটদের রিক্রুট করার দায়িত্বে ছিল। ...more
২২-মে-২০২৩
সুচিক্কণ দাস
কারণ স্বৈরতন্ত্রী, দক্ষিণপন্থী শাসন দাঁড়িয়ে থাকে যুক্তির বিনাশের ওপর। অবিরত ভুল ও মিথ্যা প্রচারেই যুক্তির ধার ভোঁতা করে দেওয়া যায়। সেকারণে দক্ষিণপন্থীদের সাধারণ মানুষের মনোজগতে যুক্তির বিনাশ ও অযুক্তির সৌধ নির্মাণ চালিয়ে যেতে হয় অবিরত। এবং সেই কাজে সুপরিকল্পিতভাবে ডিজিটাল পণ্যের ব্যবহারে দক্ষ হয়ে উঠেছে দক্ষিণপন্থীরা। এই সব ডিজিটাল পণ্য যারা তৈরি করে ও বাজারে বিক্রি করে সেই সব পুঁজিবাদী সংস্থাও দক্ষিণপন্থীদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। ...more
২১-মে-২০২৩
সুচিক্কণ দাস
বলিভিয়ার কথাই ধরা যাক। বলিভিয়ায় এখন ক্ষমতায় রয়েছে ইভো মোরালেসের দল বামপন্থী মুভমেন্ট টুয়ার্ডস সোশালিজম দল (এমএএস)। সেদেশের স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমের খবর, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ১০৪১টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, ৪৫০টি পেজ, ১৪টি গ্রুপ এবং ১৩০টি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টকে পুরোপুরি মুছে দেওয়া হয়েছে সেদেশের মিডিয়া থেকে। এইসব অ্যাকাউন্টগুলি ছিল সরকারে ক্ষমতাসীন মুভমেন্ট টুয়ার্ডস সোশালিজম (MAS-IPSP)-এর সমর্থকদের। নিষিদ্ধ করে দেওয়া কোনও অ্যাকাউন্টকেই আর ফেরানো হয়নি। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হল, ‘কোঅর্ডিনেটেড ইনঅথেন্টিক বিহেভিয়ার’ বা ‘সমন্বিত এলোমেলো ব্যবহার’। যদিও এই অভিযোগের অর্থ কী এবং কারা এসবের মানদণ্ড ঠিক করে দিল, সেবিষয়ে কোনও ব্যাখ্যাই দেয়নি সেদেশের ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম কর্তৃপক্ষ। ...more
১৭-মার্চ-২০২৩
সুচিক্কণ দাস
কিন্তু বাইডেন প্রশাসন জানিয়ে দিয়েছে এই পরিস্থিতিতেও তারা সিরিয়ার ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা তুলবে না। এবং তারা নিজেরাও কোনও মানবিক ত্রাণ আসাদ সরকারকে পাঠাবে না। উলটে, বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই সুযোগে আসাদ-বিরোধী শক্তিকে মদত দিয়ে তারা আসাদকে উচ্ছেদ করার সুযোগ খুঁজবেন। সেজন্য আসাদ-বিরোধীদের আরও ডলার দেওয়া হবে। নেড প্রাইসের ভাষায়, একটা সরকার যারা নিজের দেশের মানুষের ওপর ‘নিষ্ঠুর শাসন’ চালিয়ে যাচ্ছে এই সময়ে তাদের টাকা দিলে নিষ্ঠুর শাসককেই শক্তিশালী করা হবে। আসাদ নিষ্ঠুর শাসক—একথা কে বলছে? আমেরিকা ও তার বশম্বদ শক্তিগুলো। ...more
০১-মার্চ-২০২৩
সুচিক্কণ দাস
মনে রাখা দরকার মার্কিন এম১ অ্যাব্রাম ট্যাঙ্ক এখনও তৈরির প্রক্রিয়ায়। আমেরিকা কখনই চাইবে না অত্যাধুনিক এই ট্যাঙ্ক, যা তাদের শক্তির প্রতীক, তা রুশ গোলার ঘায়ে যুদ্ধক্ষেত্রে জ্বলতে থাকুক। তেমনটা হলে সেই ছবি ভাইরাল করবে রাশিয়া। তাছাড়া চেষ্টা করবে দখল করা ট্যাঙ্ক অস্ত্র কারখানায় নিয়ে গিয়ে তার কলকব্জা খুলে সব বুঝে নেওয়ার। সেরকম পরিস্থিতি যাতে তৈরি হয় সেজন্য ন্যাটোর একটা ট্যাঙ্ক ধ্বংস বা অকোজো বা দখল করতে পারলে ওয়াগনার গ্রুপের সেনাদের জন্য বিপুল পরিমাণ ইনসেনটিভ ঘোষণা করেছে রাশিয়ার বৃহৎ কর্পোরেশনগুলি। ফলে দুঃসাহসী রুশ বাহিনী ধ্বস্ত করতে পারে মার্কিন ট্যাঙ্ককেও। তেমন ছবি ভাইরাল হোক তা আমেরিকা নিশ্চয় চাইবে না। তাই তারা ধীরে চলো নীতি নিয়ে জার্মানিকে বলির পাঁঠা করেছে। ...more
০৮-ফেব্রুয়ারি-২০২৩
সুচিক্কণ দাস
ইউক্রেনকে কত সেনা ট্যাঙ্ক দেবে ন্যাটো জোট? যতদূর খবর পাওয়া গেছে, সব মিলিয়ে দেওয়া হবে মোট ৩০০টি ট্যাঙ্ক। এবং আপাতত এগুলি তিন দেশের ট্যাঙ্ক। মার্কিন ট্যাঙ্ক আসবে আরও পরে। এখানে যে বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ তা হল, প্রতিটি দেশের ট্যাঙ্ক ভিন্ন ভিন্ন প্রযুক্তিতে তৈরি। মূল কামান ও সহযোগী মেশিনগানগুলির পাল্লা, ট্যাঙ্কের গতি, লক্ষ্য নির্ধারণের কৌশল— এসবই আলাদা। এত ভিন্ন ভিন্ন প্রযুক্তিচালিত এ তহরেক কিসিমের বিদেশি ট্যাঙ্ক ব্যবহার করার সক্ষমতা কি ইউক্রেন বাহিনীর আছে? যে কোনও সমর বিশেষজ্ঞই বলবেন, এত ধরনের বিদেশি ট্যাঙ্ক উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ছাড়া ব্যবহার করা অসম্ভব। প্রশিক্ষণের আবার দুটো দিক— প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ ও যুদ্ধের মহড়ায় প্রশিক্ষণ। একাজে দরকার বহু সংখ্যক দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার। যেহেতু শীত শেষে বসন্ত প্রায় সমাগত, তাই এত প্রশিক্ষণের সময় নেই। তাই ধরেই নেওয়া যায়, ন্যাটোভুক্ত দেশগুলির দক্ষ সেনারা ইউক্রেন সেনার পোশাক পরে ঢুকবে ইউক্রেনে এবং তারাই এইসব ট্যাঙ্ক যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার করবে। ঠিক এমনটাই ঘটেছিল অবরুদ্ধ কিয়েভের কাছে আজভস্তাল স্টিল প্ল্যান্টে। সেখানে আটকে পড়েছিল ন্যাটোর অ-ইউক্রেনিয় ভাড়াটে সৈন্যরা, যাদের জড়ো করা হয়েছিল ন্যাটোভুক্ত দেশগুলি থেকে। ...more
০৭-ফেব্রুয়ারি-২০২৩
সুচিক্কণ দাস
সেক্ষেত্রে কিয়েভে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র বসিয়ে মস্কোর ওপর হামলার ছক আরও এগিয়ে আনার জন্য ন্যাটোর আদত ছক (কিয়েভ থেকে মস্কো পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র পৌঁছতে সময় লাগে ৯ মিনিট) পুরোপুরি ভেস্তে যাবে। আসলে রাশিয়ায় ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্যই হল ন্যাটোর এই ছক ভেস্তে দেওয়া। এই লক্ষ্যেই ২০১৪ সালে কিয়েভের নির্বাাচিত সরকারকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল মার্কিন মদতপুষ্ট কমলা বিপ্লবের জন্য। পরে ন্যাটো জোটের সেই একই ছক বেলারুশে পণ্ড হয়ে যায়। ...more
০৬-ফেব্রুয়ারি-২০২৩
সুচিক্কণ দাস
স্তালিনগ্রাদে জার্মানরা ঢুকে পড়ার কয়েকদিন আগে ১৯৪২ এর ৩ সেপ্টেম্বর স্তালিন জুকভকে লিখছেন, 'স্তালিনগ্রাদের অবস্থার অবনতি হচ্ছে। শহরের ২ মাইল বাইরেই রয়েছে শত্রু। আজ কিংবা কাল স্তালিনগ্রাদ দখল হয়ে যেতে পারে। এখন দেরি করাটাই অপরাধ।' ...more
১৩-ডিসেম্বর-২০২২
সুচিক্কণ দাস
ওয়ারশ চুক্তি জোট তুলে দেওয়া হলে ন্যাটোর অস্তিত্ব থাকার কথা নয়। এরপরেও ন্যাটো আছে বহাল তবিয়তে এবং সোভিয়েতের ভাঙনের পর মার্কিন প্রশাসন কথা দেওয়া সত্ত্বেও ন্যাটো তার পূবমুখী সম্প্রসারণ বাড়িয়ে চলেছে। এই সম্প্রসারণ কর্মসূচির শেষতম লক্ষ্য ছিল কিয়েভে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র বসানো। এবং সেই প্রয়াসকে ঘিরেই আজকের রাশিয়া-ইউক্রেন সঙ্ঘাত। এখানে জেলেনস্কিকে শিখণ্ডী সাজিয়ে আসল লড়াইটা লড়ছে আমেরিকা ও ন্যাটো। ...more
১১-ডিসেম্বর-২০২২
সুচিক্কণ দাস
একদিকে পুঁজির লাগাম ছাড়া শোষণ, অন্যদিকে সীমাহীন বঞ্চনা এভাবে চললে সহজেই তো ভোটে হারার কথা বিজেপির। কিন্তু তা না হয়ে ২৭ বছর ধরে গুজরাটে কীভাবে টিকে রয়েছে বিজেপি সরকার এখানেই গুরুত্বপূর্ণ ভমিকা রয়েছে ভ্রান্ত জনচেতনার। এবং সেই চেতনায় জারিত করার কাজটিই সুকৌশলে করে চলেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী গুজরাটের জনসংখ্যায় হিন্দুরা ৮৮.৫৭ শতাংশ এবং মুসলিমরা ৯.৬৭ শতাংশ। এত স্বল্প সংখ্যক সংখ্যালঘুদের দিক থেকে আশঙ্কা করার কিছু নেই। তাহলে কেন গোধরা? ...more
২৫-নভেম্বর-২০২২
সুচিক্কণ দাস
নানা কৌশলে ভোটের ফলাফলে প্রতিফলিত জনাদেশ খারিজ করার প্রবণতা সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে গোটা বিশ্বজুড়ে। ভারতে বিজেপি জনাদেশ নাকচ করে টাকা দিয়ে বিধায়ক সাংসদ কিনে। দরকারে কাজে লাগানো হয় নির্বাচন কমিশন থেকে রাজ্যপাল সব শক্তিকে। ...more
১৮-অক্টোবর-২০২২

























