সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নিজের ইচ্ছেয় কে যেতে চায়?
সাহিজুদ্দিন শেখ
যেরকম ধরুন আমাদের দেশের কেউ, পরিচিত কেউ মারা গেল, তখন আমরা কী করি— যতজন চেনা পরিচিত লোক আছে, তাদেরকে আমরা বলি, এই লোকটাকে তো পাঠাতে হবে দেশে। তাহলে আমাদেরকে সেটার ব্যবস্থা করতে হবে। কেউ পাঁচশো দিল, কেউ হাজার দিল, কেউ দুশো দিল— এভাবে টাকাটা তুলে আমরাই বডিটা দেশে পাঠাই।

আমার বাড়ি ভগবানগোলা স্টেশনের কাছে, মালিপাড়ায়। ঘরে পরিবার বলতে মা, আমার বউ, ভায়েরা, আমার দুই ছেলে। আমার ছেলেরা এই ভগবানগোলাতেই উচ্চমাধ্যমিক হাই স্কুলে পড়াশোনা করেছে। ভাইয়ের ছেলেরা এখনও ছোট। ওরা হাই স্কুলেই পড়ছে। একজন নাইনে, আরেকজন ক্লাস এইটে। আরও ছোট যেগুলো, প্রাইমারি-তে পড়ছে। আমরা চার ভাই। চার ভাই-ই কাজ করি বাইরে। দুই ছেলেও বাইরে কাজ করে। আমরা তিনজনেই কাজ করি ব্যাঙ্গালোরে। আমি আর আমার ছেলেরা রাজমিস্ত্রির কাজ করি। ব্যাঙ্গালোরে একজন ঠিকেদার আছে। তার আন্ডারে আমরা কাজ করি। মাইনে পাই সাতশো টাকা দৈনিক। মাসে পুরো তিরিশ দিন তো কাজ হয় না। তেইশ-চব্বিশ দিন ধরতে হবে। আমাদের হয় প্রতি সপ্তাহে মাইনে দেয়, না তো কখনও কখনও মাসের শেষে।
ব্যাঙ্গালোরে বালেপেট বলে একটা জায়গা আছে। এখন সেখানে থাকি। আমাদের একটা ঘর ওখানে ভাড়া নেওয়া আছে। সব শ্রমিক তো একটা ঘরে ধরে না। তাই যে বিল্ডিং-এ যারা কাজ করে, তারা হয়তো ওখানেই থেকে গেল। আবার যখন ঘর ফাঁকা থাকে, তখন ঘরটায় এসে থাকে। ঘরের ভাড়া নিজেদেরকেই দিতে হয়। একটা ঘরের ভাড়া মাসে ৬০০০-৫০০০ টাকা এরকম। আমরা গ্যাসে রান্না করি, সেই গ্যাসও কিনতে হয়। দাম আমাদের এখানে যেমন, ওখানেও সেরকমই। একটা ঘরে ছয়-সাতজন তো থাকেই। রান্নাবান্না, বাজার-দোকান নিজেরাই করি। মাসে মাসে বাড়িতে টাকা পাঠাই। অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করি। এখন মাসে মোটামুটি বারো হাজার মতো পাঠাই। বারো হাজার টাকা পাঠাবার পরেও কোনও মাসে হয়তো বাড়ি থেকে বলে, ‘আরও দু-তিন হাজার পাঠাও, ধার হয়ে গেছে।’ 
ব্যাঙ্গালোরে থাকা খাওয়ার খরচ তো বাড়ছেই, কিন্তু মাইনে সেই তুলনায় খুব একটা বাড়েনি। আমরা দু’বেলা ভাতই খাই। রাত্রে কোনো কোনো দিন হয়তো রুটি হয়। মাছ মাংস খাওয়া হয়। কিন্তু সব্জিটাই বেশি হয়। অসুখ-বিসুখ করলে, কী একটা অ্যাক্সিডেন্ট হলে আলাদা করে সেরকম কোনও ব্যবস্থা নেই। যদি কোনও কোম্পানিতে কাজ করা যায়, তাহলে কিন্তু কোম্পানি ওটাতে হেল্প করে। কিন্তু আমরা তো কোনও কোম্পানির ভেতর কাজ করি না, আলাদা আলাদা বাড়িতে কাজ করি। হয়তো অ্যাকসিডেন্ট হয়ে গেল, তখন হয়তো বাড়িটার মালিক কিছু পয়সা দিল। ওষুধপত্রের জন্য। না দিলেও কিছু করার নেই। আমাকে নিজেকে করতে হবে। এমনি শরীর-টরির খারাপ হলে নিজে আমরা ওষুধ কিনে খাই। ডাক্তার দেখানোর খরচ নিজের। যেরকম ধরুন আমাদের দেশের কেউ, পরিচিত কেউ মারা গেল, তখন আমরা কী করি— যতজন চেনা পরিচিত লোক আছে, তাদেরকে আমরা বলি, এই লোকটাকে তো পাঠাতে হবে দেশে। তাহলে আমাদেরকে সেটার ব্যবস্থা করতে হবে। কেউ পাঁচশো দিল, কেউ হাজার দিল, কেউ দুশো দিল— এভাবে টাকাটা তুলে আমরাই বডিটা দেশে পাঠাই।
আমি স্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম। হালিশহরের একটা হাই স্কুলে পড়তাম। বাবা কাঁচরাপাড়ায় রেল কারখানার ওয়ার্কশপে কাজ করত। আমি বড় ভাই। সংসার, পারিবারিক নানা কারণে, অভাবে অনটনে পড়া ছেড়ে দিয়েছিলাম। ভাইরা কিন্তু তখনও পড়ত। আমরা ছয় ভাইবোন। দিদি এখন আমাদের বাড়িতেই থাকে।
📲 এখন এক ক্লিকেই মার্কসবাদী পথ আপনার হোয়াটস অ্যাপে
প্রথমে হাতের কাজ কিছু শিখেছিলাম, মোটর মেকানিকের কাজ শিখেছিলাম। তারপর ছেড়ে দিয়ে চলে গেলাম রাজমিস্ত্রির লাইনে। এখনও পর্যন্ত রাজমিস্ত্রির কাজেই আছি। আমার ছেলেরাও পড়ছিল। মাধ্যমিকটা দিতে পারল না। গরিবের সংসারে যা হয়, আমি অসুস্থ হয়ে পড়লাম। আমার টিবি হয়েছিল। বড় ছেলের তখনও কাজ করার মতো বয়স ছিল না। কিন্তু তাও যখন দেখল বাবা অসুস্থ তখন পড়াটা ছেড়ে দিল। পারিবারিক অবস্থা ভালো ছিল না। দিনমজুরি করে খাই এরকম। ছোটটা তখনও পড়ছিল। তারপর দেখল যে আমার দাদা একাই খাটবে, ও নিজেও তখন চলে গেল পেছন পেছন। পাঁচ-সাত বছর হয়ে গেল ওরা বাইরে কাজ করতে গেছে। তখন ওদের দুজনের বয়স পনেরো-ষোলো হবে। ওরাই প্রথমে ব্যাঙ্গালোর গেল। আমি তখন অসুস্থ, বাড়িতে। টিবি’র চিকিৎসা হল। এখন সুস্থ, কাজ করতে পারি। কিন্তু ভারি কাজ করতে পারি না।
আমার স্ত্রী-ও অসুস্থ। তাই ওকে কখনও কাজ করতে দিইনি, এখনও দিই না। সপ্তাহে সাত দিনের মধ্যে তিন দিন ভালো, চার দিন অসুস্থ। ওর অনেক সমস্যা— থাইরয়েড, প্রেশার, সুগার, এখন বড় সমস্যা হয়ে গেছে পা দুটো ফুলে যাচ্ছে। হাঁটুর তলা থেকে ফুলে গেছে, ফোলাটা কমছে না। বহরমপুরে দেখালাম, কিন্তু সারছে না। 
আমাদের এখানে সবাই বাইরে থেকে কাজ করতে যেতে শুরু করল ২০১২-১৩ এই সময়টায়। আমার দুই-তিন জন আত্মীয় গেছিল বাইরে কাজ করতে। ওরা বলল ওখানে ঠিকাদার আছে, তুমি তো ভারি কাজ করতে পারবে না, এখানে এসে থাকো, যা কাজ পারবে করবে। বাইরে থেকে কাজ করার অনেক অসুবিধে। কিন্তু আমাদের দেশ মুর্শিদাবাদে কাজ আছে কি? কতজন-কে কাজ দিতে পারবে এখানে? দিতে পারবে না। সংসার যদি না চলে তখন মানুষ কী করবে বলুন। আমার বউ, দুটো ছেলে, মা যদি খেতে না পায় তাহলে আর কী করব। বাধ্য হয়ে বাইরে যেতে হয়। এত লোক যে যাচ্ছে নিজের ইচ্ছেতে কি যেতে চায়, বউ বাচ্চা মা-কে রেখে? কিন্তু যখন সংসারে অভাব পড়ে যায় তখনই যেতে হয়। বাংলার অনেক মানুষ ব্যাঙ্গালোরে কাজ করে। আমাদের জেলার অনেক মানুষ আছে। মালদা’র কিছু মানুষ আছে।
প্রথম যখন যাই তখন মোবাইল ফোন ছিল না। বাড়ির সঙ্গে অত যোগাযোগ করতে পারতাম না। দশ জন থাকতাম, তার মধ্যে একজনের ফোন ছিল তার থেকে ফোন নিয়ে হয়তো সপ্তাহে একদিন কথা বলতাম— এরকম। বারো বছর হয়ে গেল আমার বাইরে থাকা। বাবা মারা গিয়েছে আমার, তাই বাড়ি এসেছি। এখন বাড়িতে আছি, আবার হুট করে কালকেও চলে যেতে হতে পারে। এখন অবশ্য যোগাযোগের অসুবিধে নেই। কিন্তু এখন ছেলেরা ব্যাঙ্গালোরে। বাড়িতে বাবার কি মায়ের যদি কিছু একটা দুর্ঘটনা ঘটে যায়, ও কি পৌঁছতে পারবে? দূরে থাকলে কম-বেশি সবারই টেনশন হয়। আমার স্ত্রী’র-ও হয়তো হয়, কিন্তু বলে না হয়তো আমাদের।
লকডাউনের সময় আমার দুটো ভাই বাইরে ছিল। ওরা ফেঁসে গিয়েছিল। ওরা রেলের ঢালাইয়ের কাজ করত। ওদের একজন লকডাউনের মধ্যে উড়িষ্যা থেকে হেঁটে হেঁটে বাড়ি এসেছে। আসার পরে ছ-সাত দিন তো বিছানা থেকে উঠতেই পারেনি ও। পা ফুলে মোটা হয়ে গেছিল। আরেকজন এসেছিল পরে। যখন সরকার বাস দিল। আমার জামাইবাবু মারা গিয়েছিল বলে লকডাউনের এক হপ্তা আগে থেকে আমি বাড়িতেই ছিলাম। বেঁচে গেছিলাম। ছেলেরাও তখন ব্যাঙ্গালোরে। লকডাউনের পরে আবার যখন ব্যাঙ্গালোরে গেলাম, আমাদের বাসস্ট্যান্ডেই নাকের ভিতর পাইপ দিয়ে চেক করত। যখন নোটবন্দি হল, ব্যাঙ্কে টাকা থাকার পরেও আমরা খেতে পাইনি। ব্যাঙ্কে তখন ঠিকমতো পয়সা দিচ্ছিল না। নিজের টাকা থাকলেও তুলতে পারছি না। তরকারি কেনার পয়সা নেই। কোনও রকমে খেয়ে না-খেয়ে বেঁচে থেকেছি। ধারদেনা করেছি।
ব্যাঙ্গালোরে সবাই অন্য ভাষায় কথা বলে। আমার ছেলেরা বোঝে, আমি তো এখনও বুঝি না। ধরুন তিনজনের মধ্যে একজন হিন্দি বোঝে। তার সঙ্গে হিন্দি বলে আমরা কাজ চালাই। সবাই তো হিন্দি-ও বোঝে না। একশোটা লোকের মধ্যে হয়তো দশজন বোঝে। আমার শালা যে ওখানে কাজ করে, সে আবার চেন্নাইয়ে যে ভাষা বলে আর ব্যাঙ্গালোরে যেটা বলে দুটোই শিখে নিয়েছে। আমি হিন্দি ভালোই জানি। হালিশহরে যে পাড়ায় থাকতাম সেটা পুরো বিহারি পাড়া। ওখানে থাকতে ছোটবেলায় শিখেছিলাম।
এখানে কোনও সরকারি সুযোগ সুবিধা পাই না। এখনও পর্যন্ত জব কার্ডটা দিল না আমাকে। চারটে ফ্যামিলি বাস করি আমরা। সবাই দিনমজুরি খাটে। আর তো রোজগার নেই আমাদের। দুটো ছেলের একটার-ও যদি এখানে কিছু একটা হতো মনে একটা শান্তি আসত। সেটা নেই। দেশে যদি সুখ থাকে, আপনারাই বলুন, তাহলে কি বাইরে যাবেন? যাবেন না।
আমার ছেলেরা পরবের সময়ে বাড়ি আসে। বড় ছেলের বয়স পঁচিশ হয়ে গেল। বউয়ের বয়স হয়ে গেছে। বকরা ঈদের পরবে ছেলে বাড়িতে এলে ওর বিয়ে দেওয়ার ইচ্ছে আছে। ছেলের বউ যদি কাজ টাজ করতে চায়, করবে, বাধা দেব না। বাড়ির বউয়ের কাজ করলে কোনও মান সম্মান যায় না। ও তো চুরি করছে না, মজুরি করে খাবে। কবে বাড়িতে সবাই ফিরে এসে আবার থাকতে পারব জানি না। ভেবেছি আমাদের যদি কখনও একটু পয়সাকড়ি হয় তাহলে আর ছেলেদের-কে বাইরে যেতে দেব না। কিছু একটা দোকানপাট যদি দেওয়া যায়। এখন উপরওয়ালার উপরে ভরসা। কিন্তু টাকা তো জমছে না। যে টাকাটা জমালাম, স্ত্রী’র চিকিৎসার জন্য এক বছরে সত্তর হাজার টাকা চলে গেল। তাও সুস্থ করতে পারিনি। রোজগার করি, খরচও হয়ে যায়, জমে না। দিনে খাটলে খেতে পাবো, না তো পাবো না। এখানে পার্মানেন্ট একটা যে কাজ পাব এরকম কোনও ব্যবস্থাও আমাদের নেই। এখানে যদি ছেলেরা কিছু একটা পেত, নিজের দেশ ছেড়ে বাইরে যেত না।
[কাজের সুযোগ প্রায় নেই, তাছাড়া অন্য রাজ্যে বেশি মজুরি মেলে বলেই এ রাজ্যের দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকরা মরিয়া হয়ে ভিটেমাটি ছেড়ে ভিন রাজ্যে কাজ করতে যাচ্ছেন। সম্প্রতি জানা গেছে ২০২১ সালে চালু হওয়া শ্রম পোর্টালে নথিভুক্ত শ্রমিকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী জীবিকার সন্ধানে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাইরে অভিবাসিত শ্রমিকের সংখ্যা আপাতত ২ কোটি ৬৪ লক্ষ। উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারের পরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নাম। অতীতে মুর্শিদাবাদ ছিল বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার রাজধানী। এখন জীবনধারন, জীবিকার সুযোগ আর কর্মসংস্থানের অভাবে গভীর সংকটের মুখোমুখি এই জেলা। আপাতত মুর্শিদাবাদের সমাজ-অর্থনীতি অনেকাংশে শ্রম অভিবাসনের উপর নির্ভরশীল। পশ্চিমবঙ্গের যে জেলাগুলি থেকে ব্যাপক হারে শ্রমিকরা বাইরের রাজ্যে কাজ করতে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে শতাংশের হিসেবে মুর্শিদাবাদের স্থান সবার উপরে। চেনা গ্রাম, পরিবার, ঘরবাড়ি ছেড়ে বিভিন্ন বয়সের শ্রমিকরা (প্রধানত পুরুষ) প্রায় জীবন বাজি রেখে ভিন রাজ্যে, বহু দূরের অচেনা মেট্রোপলিটান শহরগুলিতে পাড়ি দিচ্ছেন। সেখানে তাদের নিরাপত্তা, সুরক্ষা, স্বাস্থ্য, জীবন ধারণের কোনও নিশ্চয়তা নেই, রয়েছে অপরিচিত ভাষা বলতে পারা ও বুঝতে পারার কঠিন চ্যালেঞ্জ। কর্মসংস্থান আইনি চুক্তিভিত্তিক না হওয়ার ফলে অত্যন্ত কম মজুরিতে, জীবিকা সংক্রান্ত কোনও সুরক্ষা ছাড়াই তাঁরা কাজ করেন। মাসে মাসে বাড়িতে টাকা পাঠাতে হবে, না তো বেঁচে থাকা অসম্ভব— কেবল এই নিরূপায় তাগিদ থেকেই বাধ্য হয়ে এই জীবন বেছে নেওয়া। রাজ্যের বাইরে পরিযায়ী শ্রমিকদের ধর্মীয় ও ভাষাগত পরিচিতির ভিত্তিতে হিংস্র আক্রমণের মুখোমুখি হতে হচ্ছে, ‘বাংলাদেশী’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্র অথবা রাজ্য সরকার কেউই তাঁদের পাশে দাঁড়ায়নি। মৌখিক প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে যাবতীয় প্রশাসনিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব এড়িয়ে গেছে। পরিযায়ী শ্রমিকদের নিজস্ব দাবি— একটি সর্বভারতীয় পরিচয়পত্র, স্বাস্থ্য পরিষেবা রেশন ও বাসস্থানের অধিকার, ন্যূনতম মজুরি, ই-শ্রম পোর্টাল মারফত সরাসরি প্রকৃত সুবিধা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা। পরিযায়ী শ্রমিকদের একটি বড় অংশ মনে করেন পশ্চিমবঙ্গে প্রকৃত কর্মসংস্থান ও রোজগারের সুস্থায়ী সুযোগ তৈরি হলে নিজের গ্রাম-দেশ ছেড়ে প্রবাসে পাড়ি দেবেন এমন মানুষের সংখ্যা কম-ই।]
অনুলিখন: শিঞ্জিনী সরকার
ছবি: শমীক মণ্ডল
প্রকাশের তারিখ: ০৭-জানুয়ারি-২০২৬
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
