Latest Edition

সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

পদ্মার সঙ্গেই ভাঙছে জীবন

শীলা শীল
কিছু দিন পর ওর স্বামীকে কি একটা গাড়ি ভাঙার কেসে জেলে আটকে রাখল। পুজোর তিন চার দিন পরেই। এদিকে বাড়িঘর নদীতে ভেসে গিয়েছে, ওদিকে স্বামী জেলে। জামিন করে ছাড়িয়ে আনতে তিরিশ হাজার টাকা লাগল। কারও থেকে লোন পেল না। শেষে তিরিশ হাজার টাকা ধার করেছে গয়না বন্ধক রেখে। হাতের, কানের কিছু সোনা ছিল, বন্ধক দিয়েছে। প্রত্যেক মাসে সুদ দিতে হচ্ছে, একদিন যদি দেরি হয়ে যায় তাহলে ডবল সুদ। এমনি করতে করতে তিরিশ হাজার টাকা শোধ করতে হবে। পারে না তো মাসে মাসে দিতে। টাকাটা কখন ছাড়াতে পারবে জানে না, ক্ষমতা-ও নেই। হয়তো বাড়ি ঘর থাকলে পারত।
Padmar songei vangche jibon

সেদিন রাত তখন সাড়ে আটটা নটা। ভাঙন শুরু হল। আমার প্রতিবেশী তার মেয়েকে বাড়ি নিয়ে এসেছিল। বাড়ির সবাই তখন ঘুমিয়ে গেছে। মেয়েটা বাইরে মোবাইলে কথা বলছিল। ওই সময় ও-ই প্রথম আওয়াজ পায়। নদী তখন একদম পাশে চলে এসেছে। ওই শব্দ শুনতে পেয়েই ও তাড়াতাড়ি করে সবাইকে ডেকে তোলে। আরও অনেক জায়গায় এমন হয়েছে শুনেছি। আমরা তো তা-ও হাতে একটু সময় পেয়েছি। দরকারি জিনিসপত্র, কাগজপত্র সরাতে পেরেছি কিছুটা। বাইরে বেরিয়ে বুঝতেও পেরেছি যে ভাঙছে। ওরা তো শুনেছি রাতের অন্ধকারে কোনওমতে শুধু নিজের জীবনটুকু নিয়ে পালিয়েছে। এক রাতের মধ্যে সব শেষ।

আসলে দিনে তো নয়, রাতের বেলা ভাঙছে। মানুষ যখন ঘুমোয়, তখন। কিংবা হয়তো কাজ থেকে ফিরেছে, বিশ্রাম করছে, বুঝতে পারে না প্রথমে। যখন বোঝে, তখন বাড়ির লোকজনকে ডেকে তুলে জিনিসপত্র সরায়। যার যা যেটুকু আছে। যতটুকু বাঁচানো যায়। জলের রিস্ক নিয়ে তো কেউ আর জিনিসপত্র বাঁচাতে পারে না। এভাবেই একটু একটু করে সব তলিয়ে যায়। চোখের সামনে। 

ভাঙার আগে এই পদ্মা নদীটা ছিল অনেক দূরে। আমরা হেঁটে আসতাম, যেতাম। ফিরে আসতে আসতে ভেজা কাপড় শুকিয়ে যেত। আমরা স্নান করতে যেতাম, জল আনতে যেতাম। এক আধটা বাড়ি না, একটা গোটা গ্রাম ছিল। শ্রাবণ মাসের পর থেকে পুরো গ্রামটা তলিয়ে গেছে। এখনও যেটুকু যা আছে, সামনের বছর জষ্ঠি মাস আসতে আসতে এগুলোকে খাবে। এটা আমার শ্বশুরের ভিটে। আমাদের বাড়ির ঠিক পিছনেই নদী এখন একদম খাড়াই নেমে গেছে। ওইখানে আমাদের আরও দুটো ঘর ছিল। পায়খানা-বাথরুম সবই ছিল। এখন তলিয়ে গেছে। রান্না করার জায়গা নেই, কেউ এলে বসতে দেবার জায়গা নেই। কিছুই নেই এখন।

আমাদের বাড়ি যেখানে, এই জায়গাটার নাম রাধাকৃষ্ণপুর। এটা রঘুনাথগঞ্জ ব্লক। কিন্তু সামনের রাস্তাটার ঠিক ওইপারটাই লালগোলা। আমার বাপের বাড়ি বহরমপুর নিমতলায়। বাইশ বছর আগে বিয়ে হয়, তারপর এখানে আসি। ইস্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম। মাধ্যমিক অব্দি পড়াশোনা-ও করেছিলাম। হাতের কাজ সেরকম কিছু জানি না। তবে ঘরে বসে ওড়নায় চুমকি বসানোর কাজ করেছি। কিছুদিন আগে ছেড়ে দিতে হল। এই পদ্মা নদীতে ভাঙন শুরু হল তো ওই কাজটাও বন্ধ হয়ে গেল। দশ টাকা করে রেট হলে দিনে অন্তত পাঁচটা করতে পারতাম, পঞ্চাশ টাকা করে পেতাম। ভাঙন হওয়ার পর এখন কোথায় কে আছে তার ঠিক নেই। জিনিসপত্রেরও ক্ষয়ক্ষতি হল অনেক। আমাদের এখানে অনেকে এই কাজটা করত। এখন সবারই কাজ বন্ধ। ঘর-ও তো আর নেই, কাজ করা অসুবিধে। আমার স্বামীর নাম জয়ন্ত শীল। ওনার রোজগারেই সংসার চলে। উনি সেলুনে চুল কাটার কাজ করেন।

আমার পরিবারে যারা আছে সব এখন ইস্কুলে থাকে। সেখালিপুর হাইস্কুলে। আমিও থাকতাম। বাড়ির সামনে আমার মন্দিরটা এখনও আছে। তাই আমি এখানে থাকছি এখন। আমার মেয়ে আর ছেলে ইস্কুলে থাকে। ভাসুর-দেওর সবাই ইস্কুলে। সকাল আর দুপুরবেলার দিকে আসে বাড়িতে। খাওয়া দাওয়া করে, সন্ধেবেলায় খাবারটা সঙ্গে নিয়ে নেয়, তারপর আবার ইস্কুলে চলে যায়। ওরা এখন পড়াশোনা করছে। ছেলে ওই সেখালিপুর হাইস্কুলেরই ছাত্র। মেয়ে বড়। ও এখন লালগোলা কলেজে সেকেন্ড ইয়ারে পড়ছে, পলিটিকাল সায়েন্স নিয়ে। কলেজটা এখান থেকে অনেকটা দূরে। সাইকেলে যাওয়া আসা করে। বাবার দোকানে সাইকেল রেখে ওখান থেকে আবার অটো বা টোটোতে করে যায়, তারপর একটু হেঁটে যেতে হয়। কলেজের সামনে নামলে ভাড়াটা একটু বেশি লাগে। তাই একটু হেঁটে চলে যায়। ছেলে এইটে পড়ছে, এখন আবার ফাইনাল পরীক্ষা চলছে।



সেখালিপুর ইস্কুলটা এখান থেকে একটু দূরে। ওখানে এখন আছে ছাব্বিশটা পরিবার। পঞ্চাশ-ষাট জন মত লোক থাকছে। ইস্কুলে তো বেশি জিনিসপত্র রাখতেও পারবে না। শুধু খাওয়া আর ঘুমানোর জন্য যে টুকটাক জিনিসগুলো লাগে সেগুলো নিয়ে আছে। একটু দামি জিনিসপত্র খাট, আলমারি এগুলো যে যেখানে পারে রেখেছে। 

ভাঙন শুরু হওয়ার পর থেকে খুব সমস্যায় আছি। বাড়িঘর নেই। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খুব ক্ষতি হয়ে গেল। পরীক্ষাটা ভালো করে দিতেই পারল না। ওই জিনিসটা আনো, সেই জিনিসটা টানো— এই সব করবে না পরীক্ষার পড়া করবে। পরীক্ষার আগে মেয়ের পড়াটা এবার ভালো হল না ভাঙনের জন্যেই। খবরের কাগজের লোকজন এসেছিল। আমরা তো বলেছি আমাদের অসুবিধের কথা। আমাদের একটা থাকার জায়গা হোক, কি ঘর হোক কিছু একটা ব্যবস্থার জন্য আবেদন করেছি। 

ঘরবাড়ি কিছু নেই, রোজগার নেই আমাদের এখানে অনেকে লোন টোন করেছে। মাসে সুদ দেয়, যেদিন আসলটা শোধ করবে ছাড়াতে পারবে। আমার সোনা বন্ধক রাখা লোন ছিল। সোনার দাম অনুযায়ী ওরা টাকাটা দেয়। মাসে মাসে সুদ আর আসলটা একবারে বা একবারে না দিলেও হবে। একবারে দিলে কম হবে। এক লাখ টাকা নিলাম হয়তো, এবার ধরুন পঞ্চাশ হাজার জোগাড় হয়েছে, পঞ্চাশ হাজার জমা করে এলাম। পঞ্চাশ হাজার থাকল তাহলে। পঞ্চাশ হাজার টাকার সুদ কমে গেল। নিজে তাড়াতাড়ি চেষ্টা করলে সুদটা তত কমে। 
 
🔍︎পড়ুন আমাদের কথা―  শেষ কাজ পেয়েছি চার বছর আগে আষাঢ়ে

আমার প্রতিবেশী আমাকে কাকীমা ডাকে। ওর স্বামী কিছু অভাব অভিযোগের কথা বলেছিল। আমরা কেন ক্ষতিপূরণ পাবো না, সরকার কী করছে, আমাদের বাড়ি ঘর চাষের জমি সব ভেসে গেছে— এইসব। তার কিছু দিন পর ওর স্বামীকে কি একটা গাড়ি ভাঙার কেসে জেলে আটকে রাখল। পুজোর তিন চার দিন পরেই। এদিকে বাড়িঘর নদীতে ভেসে গিয়েছে, ওদিকে স্বামী জেলে। জামিন করে ছাড়িয়ে আনতে তিরিশ হাজার টাকা লাগল। কারও থেকে লোন পেল না। শেষে তিরিশ হাজার টাকা ধার করেছে গয়না বন্ধক রেখে। হাতের, কানের কিছু সোনা ছিল, বন্ধক দিয়েছে। প্রত্যেক মাসে সুদ দিতে হচ্ছে, একদিন যদি দেরি হয়ে যায় তাহলে ডবল সুদ। এমনি করতে করতে তিরিশ হাজার টাকা শোধ করতে হবে। পারে না তো মাসে মাসে দিতে। টাকাটা কখন ছাড়াতে পারবে জানে না, ক্ষমতা-ও নেই। হয়তো বাড়ি ঘর থাকলে পারত। ওর স্বামীর পায়ে লেগেছে। হাঁটতে পারছে না। টুকটুক (টোটো) চালাতো। ওরা ইস্কুলেই থাকতো। টুকটুকটার জন্য এখানে থাকতে হচ্ছে। ওখানে চার্জ দেওয়ার জন্য কারেন্টের ব্যবস্থা নেই। দোকানে চার্জ দিতে গেলেও তো টাকা লাগবে। টাকা ছাড়া তো চার্জ দিতে দেবে না। ওদের বাড়িতে গাছে মিটার টাঙিয়ে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। তাই ওর স্বামী রাতে এখানে বাড়িতেই থাকছে। ওদেরও তিনটে ছোট বাচ্চা স্কুলে পড়ে। খুব অসুবিধে হচ্ছে।

 

আমাদের এখন আবার ইলেকট্রিক বিল হঠাৎ করে খুব বেশি আসছে। চার হাজার টাকা বিল এসেছে কারও কারও। কী করে দেব বলুন। যখন আগে সবসময় সবাই বাড়িতে থাকতাম, তখন পঁচিশশো সাতাশশো টাকার বেশি আসত না। তখন আলো, ফ্যান চলত, টুকটুক চার্জ হত। এখন আলো নেই, ফ্যান নেই বাড়িঘরই নেই, হয়তো শুধু একটা টুকটুক চার্জ হয়েছে, তাতেই চার হাজার টাকা বিল! কারেন্টের বিল না দিলেও সমস্যা। কোথা থেকে কী করব। মিটার দেখতে যে আসে তাকেই বলেছি। সে বলে, উঠেছে বলেই তো দিয়েছি, দিতে হবে। আগে টিভি চলত, ফ্যান চলত, দুটো টেবিল ফ্যান চলত। সে সব তো চলেই গেছে। হয়তো রাস্তার হ্যালোজেনগুলো আমাদের মিটারগুলোর সঙ্গে জুড়ে দিয়েছে। জানি না। ওদের টুকটুকটা কেনা হয়েছে চোদ্দ বছর হয়ে গেছে। কখনও এত বিল আসেনি। আর আমরা তো এখন বাড়িতে থাকিই না, এত বিল কেন আসবে? কিছু তো মাপ করতে পারে। ধার দেনা করে দিতে হবে। 



আমাদের জায়গা জমি তো কিছুই নেই। সবাই স্কুলেই আছে। শুনছি জমি জায়গার পাট্টা পাওয়া যাবে। এখনও কিছু হয়নি। আমরা এই দু-একটা ঘরই কেবল রঘুনাথগঞ্জে। আমরা অনুরোধ করেছিলাম বিডিও-কে, আমাদের লালগোলা ব্লকেই টেনে নিতে। আমরা তো পাশাপাশি বাস করা মানুষ। এক জায়গায় থেকে যাব। এটাই বলতে চেয়েছিলাম। এখন জানি না সেটা হবে কিনা। আমাদের লালগোলা ব্লকে নিয়ে নিলে সুবিধে হত আমাদের। বাইশ বছর আমরা সবাই এখানে একসঙ্গে থেকেছি। চেনাশোনা লোকের মধ্যে থাকতে পারতাম। আর যে-কটা দিন বাঁচতাম সবার সঙ্গে থেকে বেঁচে যেতাম। যেভাবে এক জায়গায় ছিলাম, সেভাবেই থাকতে পারতাম। মনে হত না যে আমাদের বাড়িঘর ভেঙে গেছে, কি বাড়ি ভাঙার পর আবার অন্য জায়গায় বাসস্থান করতে হয়েছে। অন্তত সেইটা মনে থাকত না। এখন সবাই কে কোথায় থাকবে, কে কোথায় যাবে, কোথায় গিয়ে পড়ব, তারা কেমন হবে, তাদের সঙ্গে মিল হবে কি হবে না। মানুষ তো জীবনে একা বাস করতে পারে না। একটা সঙ্গ দরকার।

টাকাপয়সা সেরকম কিছুই জমাতে পারি না। একটা ডেলি কালেকশনের বই আছে। এখানে ওটা সবারই ছিল। যে যেমন পারবে সে সেরকম টাকা দিত রোজের হিসেবে, এক বছর পর সুদ সমেত আবার আমাদেরকে টাকা দিয়ে দেবে এরকম। আমাদের কী বলুন তো একটা মাস খেটে, সংসার চালিয়ে, খরচা করে একশো টাকা মতই পড়ে থাকে। কী বলব আর, এটাই আমাদের কাছে অনেক বেশি। ওই টাকাটাই জমে বছরে। 

📲 এখন এক ক্লিকেই মার্কসবাদী পথ আপনার হোয়াটস অ্যাপে

জল আরও বাড়তে থাকলে এই একটা ঘরেও আর থাকতে পারব না। বাড়ির সামনের দিকে একটা ছোট মন্দির আছে আমাদের। ওটার জন্যই রয়ে গেছি এখানে। কখনও ভাবতে পারিনি যে নদী এভাবে ভাঙবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকাটায় হাত না দেওয়ার চেষ্টা করি। খরচ করতে শুরু করলে তো সবই ফুরিয়ে যাবে। জমানো থাকলে কোনও অসুবিধেয় পড়লে তুলে আনতে পারি। তাই কষ্ট করে ওই টাকাটা জমাই। কখনও দরকার পড়লে ওই টাকায় স্বামী একটা গ্যাস তুলে আনত। কুপিটা এখন ভেঙে গেছে। গ্যাস রাখা আছে ইস্কুলে। অতদূর যাওয়া আসার আমার অসুবিধে। তাই এখন কাঠেই রান্না করি। কিছু বাসনপত্র আছে। আগে নদীর জলেই সব কাজ হত। ভাত রান্না হয় এখনও ওই জলেই। কিন্তু নদীতে এখন নামা ওঠা অসুবিধে। মেয়ে কলেজে পড়ছে। ও বাড়িতে থাকলে, সময় পেলে আমার কাজে সাহায্য করে। ওর ইচ্ছে আছে আরও পড়াশোনা করার। এমএ-টা করে রাখবে বলছে। তারপর যদি পারে তো কোনও একটা কাজে লাগবে। তবে ও আইন পড়তে চায়। মেয়ে বলে ওর লইয়ার হওয়ার ইচ্ছে। 

[লালগোলার তারানগর আর রঘুনাথগঞ্জ ব্লকের রাধাকৃষ্ণপুর— দুটি গ্রামে পদ্মার ভাঙন শুরু হয় এ বছরের আগস্ট মাস থেকে। মুর্শিদাবাদ জেলার এই অঞ্চলে প্রায় ১২০০ একর (৩৬০০ বিঘা) জমি নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে তারানগর গ্রাম। প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার পথে রাধাকৃষ্ণপুর। ভেসে গেছে উর্বর চাষের জমি যেখানে নিয়মিত অর্থকরী ফসল উৎপাদিত হত। ঋণ করে, সারাজীবনের সঞ্চয় একত্রিত করে, ভিন রাজ্যে কাজ করে জমি কিনে, বাড়ি তুলেছিলেন অনেকে। সব‌ই গেছে। চার মাস ধরে সবকটি পরিবার আশ্রিত সেখালিপুর হাইস্কুলের ক্যাম্পে। তাঁদের জীবন ও জীবিকার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। গৃহহীন, বেরোজগার মানুষগুলির প্রাথমিক দাবি— পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ, ত্রাণ। তাঁদের অভিযোগ সরকার ৭ কোটি ৫২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছিল ভাঙন কবলিত এলাকার জন্য। কিন্তু কেবল কয়েক বস্তা বালি আর বাঁশ ফেলা হয়েছে। নদীর প্রবল স্রোতের মুখে সেসবও ভেসে গেছে। রাজ্য প্রশাসন কোন‌ও দায়িত্ব নেয়নি, 'নদীর গতিপথ পরিবর্তনে আমাদের কোন‌ও হাত নেই' বলে প্রশাসন দায়িত্ব এড়িয়ে গেল— এইটে তাঁরা মেনে নিতে পারছেন না। তাঁদের অন্যতম দাবি— ভূতনি থেকে জলঙ্গি পর্যন্ত ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী, কার্যকরী ব্যবস্থা নিক রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার।]

*লেখক ছবি প্রকাশে অনিচ্ছুক।

অনুলিখন: শিঞ্জিনী সরকার
ছবি: শমীক মণ্ডল


প্রকাশের তারিখ: ১০-ডিসেম্বর-২০২৫
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:


আপনার মতামত

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।



অন্যান্য মতামত:

ভালো প্রতিবেদন
- অমিতাভ রায়, ১০-ডিসেম্বর-২০২৫


Donate Now
আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
আমাদের কথা বিভাগে প্রকাশিত ১০ টি নিবন্ধ
১৮-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

১১-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২৮-জানুয়ারি-২০২৬

১৪-জানুয়ারি-২০২৬

০৭-জানুয়ারি-২০২৬

৩১-ডিসেম্বর-২০২৫

২৪-ডিসেম্বর-২০২৫

১৭-ডিসেম্বর-২০২৫

১০-ডিসেম্বর-২০২৫

০৩-ডিসেম্বর-২০২৫