Latest Edition

সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

৭ অক্টোবর, একবছর পর পশ্চিম এশিয়া

টিম মার্কসবাদী পথ
নেতানিয়াহু এখন আরও আগ্রাসী। আরও বেপরোয়া। স্বাভাবিক। গাজায় একবছর যুদ্ধ চালিয়েও তাঁরা কোনও লক্ষ্যেই পৌঁছতে পারেননি। হামাসকে ধ্বংস করতে পারেননি। মুক্ত করতে পারেননি ইজরায়েলি পণবন্দিদের। এখন যদি তিনি হামাসের সঙ্গে সংঘর্ষ-বিরতি করে যুদ্ধকে শেষ করতে চান, তবে তাঁর সরকার পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল। তাঁর উগ্র দক্ষিণপন্থী শরিকরা সমর্থন তুলে নিতে পারেন বলে হুমকি দিয়ে রেখেছেন। লেবাননেও ইজরায়েল যে তার লক্ষ্য পূরণ করতে পারবে, এমনও কোনও নিশ্চয়তা নেই। কারণ হামাসের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হিজবুল্লা।
October 7 West Asia After One Year

১৩ জুলাই: দক্ষিণ গাজায় ইজরায়েলি বিমান হানা। নিহত হন স্বাধীনতাকামী প্যালেস্তিনীয় সশস্ত্র সংগঠন হামাসের সামরিক শাখা আল কাসিম ব্রিগেডের প্রধান মহম্মদ দেইফ। 

২০ জুলাই: লোহিত সাগরে ইয়েমেনি বন্দর হোদেইদা। বেপরোয়া বোমারু বিমানহানা চালায় ইজরায়েল। বন্দরটি ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনি বিদ্রোহী হুথি গোষ্ঠী নিয়ন্ত্রিত। 

৩০ জুলাই: ইজরায়েল বোমারু বিমানহানা চালায় লেবাননের রাজধানী বেইরুটে। লক্ষ্য ছিল ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লার অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার ফুয়াদ শুক্র। হামলায় নিহত হন ফুয়াদ। তার তিনদিন আগেই ইজরায়েল-অধিকৃত সিরিয়ার গোলান মালভূমিতে রকেট-হামলায় নিহত হয়েছিলেন আরও অন্তত ১২ জন। 

ওই একই দিনে তেহেরানে গিয়ে খুন হন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়া। নির্বাসনে থাকতেন কাতারে। ইরানে গিয়েছিলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ানের শপথ-অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। ওই অনুষ্ঠানের কয়েক ঘণ্টা পরেই তেহরানের এক সরকারি অতিথিশালায় তিনি খুন হন। ইরানের সংসদে হানিয়া যখন পেজেশকিয়ানকে আলিঙ্গন করেছিলেন, তখন সকলে গলা মিলিয়ে চেয়েছিলেন ‘ইজরায়েলের মৃত্যু’। আলো ফোটার আগেই হানিয়ার মৃত্যু! ইসলামিক রেভেলিউশনারি গার্ড এবং হামাস উভয়ই এই হত্যার জন্য দায়ী করেছে ইজরায়েলকে, তাদের গুপ্তচর সংস্থা ‘মোসাদ’-কে।

২৭ সেপ্টেম্বর: লেবাননের রাজধানী বেইরুটের দক্ষিণে দাহিয়া এলাকায় হিজবুল্লার সদরদপ্তরে ইজরায়েলি বিমানহানা। নিহত হন ইরানের সাহায্যপ্রাপ্ত শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লার প্রধান হাসান নাসরাল্লা। ঘোষণা করা হয় পরদিন। আরব জাতীয়তাবাদের জনক জামাল আবদেল নাসেরের মৃত্যুবার্ষিকীতে। ছ’দিনের যুদ্ধে ইজরায়েলের কাছে পরাজয়ের তিনবছর পর ১৯৭০-এ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। যে ‘নাকসা’-র পর ইজরায়েল জবরদখল করে প্যালেস্তিনীয় ভূখণ্ডের পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম, গাজা উপত্যকা, সিরিয়ার গোলান মালভূমি এবং মিশরের সিনাই।   

প্যালেস্তাইনের হামাস (সুন্নি), ইয়েমেনের হুথি (শিয়া) এবং লেবাননের হিজবুল্লা (শিয়া)– এই তিনটি গোষ্ঠীর মধ্যে সাধারণ যোগসূত্র হল: ইরান।

এই তিনটি গোষ্ঠীকে নিশানা করে ইজরায়েল আসলে আঘাত হানতে চেয়েছে পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের প্রভাবের ওপর। ইজরায়েলের যুদ্ধবাজ নেতারা মনে করছেন এতে হিজবুল্লা, হামাস, হুতিকে শেষ করে দেওয়া যাবে। আর এভাবে ইরানকে ‘বেআব্রু ও দুর্বল’ করা যাবে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানে ‘জমানা বদলের’ ডাক দিয়েছেন। ‘পশ্চিম এশিয়ার রাজনৈতিক মানচিত্র পরিবর্তনের’ কথা বলছেন। এভাবেই পশ্চিম এশিয়ায় আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে ইজরায়েল। যা আসলে পূরণ করবে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থ।

গাজা আগ্রাসনের একবছর। শুধু প্যালেস্তাইন নয়। ইজরায়েলের তাণ্ডবে এখন অশান্ত গোটা পশ্চিম এশিয়া। ঘোরতর সংকটে। বৃহত্তর যুদ্ধের কিনারে। ফুটন্ত কড়াইয়ে। গত বারো-মাস ধরে সতর্ক করে আসছিল যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন। এখন সেটাই ঘটে চলেছে। ইজরায়েলের আগ্রাসন পশ্চিম এশিয়াকে ঠেলে দিচ্ছে সর্বাত্মক আঞ্চলিক যুদ্ধের দিকে।

পশ্চিমের মিডিয়ার দাবি, ইরান ক্ষেপণাস্ত্র-হামলা চালিয়ে যুদ্ধে প্ররোচনা দিয়েছে। যেন গাজায় বর্বর গণহত্যা, লেবানন, ইয়েমেনে নির্বিচারে বোমাবর্ষণ, তেহেরানে হামাস নেতা হানিয়া-হত্যা, বেইরুটে হিজবুল্লা প্রধান নাসরাল্লা-হত্যা– এসব কিছুই ইজরায়েল করেনি। বস্তুত, লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক হামলার পর গত ক’দিনে পুরোপুরি বদলে গিয়েছে যুদ্ধের চরিত্র। গত ক’মাস ধরে তেল আভিভ আক্রমণ চালিয়েছে তার সবক’টি প্রতিবেশী দেশে। ১ অক্টোবর ইজরায়েল ঘোষণা করেছে তারা লেবাননে ‘সীমিত আকারে, স্থানীয় ভিত্তিতে এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে’ হামলা চালাবে। বাস্তবে তারা পুরোদস্তুর স্থল-অভিযানের জন্য সীমান্তে সেনাবাহিনীকে জড়ো করেছে।

গাজায় জনসংখ্যার অর্ধেক, ১০ লক্ষ মানুষ তাদের ভিটেমাটি হারিয়েছেন। পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাব্যবস্থা। নিহতের সংখ্যা ৪১,৮২৫। আহত ৯৬,৯১০ জন। শেষ চব্বিশ ঘণ্টায় আগ্রাসনের শিকার ২৩ জন (৫ অক্টোবর, এএফপি)।

গাজায় ইজরায়েলের এই আগ্রাসন গত বছর ৭ অক্টোবর হামাসের আচমকা হামলা থেকে শুরু হয়নি। শুরু হয়েছে ১৯৪৭ থেকে। তারপর থেকে ১৫-বার গাজায় হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। কেবল এই শতকেই তারা হামলা চালিয়েছে ২০০৮, ২০০৯, ২০১২, ২০১৪ এবং ২০২১-এ। 

নেতানিয়াহু এখন আরও আগ্রাসী। আরও বেপরোয়া। স্বাভাবিক। গাজায় একবছর যুদ্ধ চালিয়েও তাঁর কোনও লক্ষ্যেই পৌঁছতে পারেননি। হামাসকে ধ্বংস করতে পারেননি। মুক্ত করতে পারেননি ইজরায়েলি পণবন্দিদের। এখন যদি তিনি হামাসের সঙ্গে সংঘর্ষ বিরতি করে যুদ্ধকে শেষ করতে চান, তবে তাঁর সরকার পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল। তাঁর উগ্র দক্ষিণপন্থী শরিকরা সমর্থন তুলে নিতে পারেন বলে হুমকি দিয়ে রেখেছেন।

লেবাননেও ইজরায়েল যে তার লক্ষ্য পূরণ করতে পারবে, এমনও কোনও নিশ্চয়তা নেই। কারণ হামাসের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হিজবুল্লা। ইতিহাস সাক্ষী, যুদ্ধ কোথাও শান্তি ডেকে আনতে পারেনি। আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া– কোথাও না। গাজায় পরেনি। লেবাননেও পারবে না।

তিনদশকের বেশি সময় ধরে নাসরাল্লার নেতৃত্বে হিজবুল্লা লেবাননে চালাচ্ছে সমান্তরাল প্রশাসন। যাকে ইজরায়েল মনে করে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী ‘নন-স্টেট’ শত্রু। ইজরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তালিকায় হিজবুল্লা সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী। ইরানের কাছে ‘প্রতিরোধের অক্ষের’ অন্যতম প্রধান শরিক। যার মাধ্যমে এই অঞ্চলে নিজের প্রভাব বিস্তার করে চলেছে তেহেরান। নাসরাল্লাকে হত্যা করে ইজরায়েল শুধু হিজবুল্লার ওপর মারাত্মক আঘাত হানেনি, সেইসঙ্গেই ইরানের প্রভাবকে খর্ব করেছে। সীমান্তপার হামলায় হাজার-হাজার মানুষকে হত্যা করেছে, ভিটেমাটি থেকে উৎখাত করেছে, অতিক্রম করেছে ইরানের রেড লাইন।

গতবছর ৭ অক্টোবর হামাসের আচমকা হামলার পর তেল আভিভ যখন পুরোদস্তুর যুদ্ধ শুরু করে, তখন ইজরায়েলের উত্তরাঞ্চলে রকেট ছুঁড়ে যুদ্ধের দ্বিতীয় ফ্রন্ট খোলেন নাসরাল্লা। ইজরায়েলের সেনাবাহিনীর ওপর চাপ তৈরি করতে চেয়েছিলেন তিনি। ইজরায়েল তখন পালটা বোমাবর্ষণ করে। তবে ‘সীমিত’ আকারে। কারণ ইজরায়েলের কাছে তখন মূল লক্ষ্য ছিল গাজা। কিন্তু গাজাকে অনেকাংশে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর এখন ইজরায়েল মনোযোগ দিয়েছে লেবাননের দিকে। এবং সংঘাত বাড়াচ্ছে। হিজবুল্লা কর্মী, কমান্ডার এবং শেষে নাসরাল্লার ওপর আঘাত হেনেছে। ইজরায়েলের ঘোষিত লক্ষ্য হল হিজবুল্লার আঘাতে বাস্তুচ্যুত ৬০,০০০ মানুষকে ঘরে ফেরানো। ইজরায়েলের এই হামলা হিজবুল্লাকে দুর্বল করেছে ঠিকই, কিন্তু তার ক্ষেপণাস্ত্র-সক্ষমতাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারেনি। হামাসের তুলনায় হিজবুল্লার কাছে রয়েছে অনেক উন্নত সমরাস্ত্র।

হিজবুল্লার রয়েছে রাজনৈতিক, সামরিক এবং সামাজিক নেটওয়ার্ক। যার প্রভাব লেবাননের রাষ্ট্র ও সমাজে রয়েছে। বেশ কিছু সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত অঞ্চলে স্কুল-হাসপাতাল চালায়। রাষ্ট্রের মধ্যেই সমান্তরাল রাষ্ট্র। এই গোষ্ঠীর একটি রাজনৈতিক দল রয়েছে। রয়েছে সাংসদ। হিজবুল্লা ও তার শরিকেরা দু’বছর আগের সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালেও সংসদে এখনও বৃহত্তম ব্লক। রয়েছে সামাজিক সংগঠন। সঙ্গে শক্তিশালী সামরিক ইউনিট, যার পিছনে রয়েছে ইরান। রয়েছে যোদ্ধা, স্বল্প-পাল্লা, মধ্য-পাল্লা এবং দূর-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, যা ইজরায়েলের ভূখণ্ডের একেবারে কেন্দ্রে আঘাত হানতে পারে। যেমন সাম্প্রতিক হামলার আগে হিজবুল্লার সমারস্ত্রের ভাণ্ডারে ছিল ১,৩০,০০০ রকেট (আল জাজিরা)। হিজবুল্লার ইশতেহারে ঘোষিত লক্ষ্যগুলির একটি হল ‘জায়নবাদী পরিচিতিসত্তাকে নিকেশ’। 

ইজরায়েল এত বেপরোয়া, কারণ পাশে রয়েছে আমেরিকা। পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সবচেয়ে উন্নত ঘাঁটি ইজরায়েল। সাম্প্রতিক সংঘাতে তেল আভিভের প্রতিটি পদক্ষেপকে সমর্থন করছে ওয়াশিংটন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে অন্য যে কোনও দেশের চেয়ে ইজরায়েলকে বেশি সামরিক সহায়তা দিয়েছে আমেরিকা। যার পরিমাণ ১২,৪০০ কোটি ডলারেরও বেশি। দশ-বছরের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০১৬ থেকে প্রতি বছর পাচ্ছে ৩৮০ কোটি ডলার। যেদিন ইজরায়েল গাজায় আঘাত হেনেছে, সেদিনই মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন ইজরায়েলের জন্য আরও বেশি সামরিক সহায়তার পক্ষে সওয়াল করেছেন। এই আগস্টে, মার্কিন সমরাস্ত্র কেনার জন্য ওয়াশিংটন ইজরায়েলে পাঠিয়েছে অতিরিক্ত ৩৫০ কোটি ডলার। শুধু গত এক বছরেই দিয়েছে ১৪০০ কোটি ডলার, নতুন সমরাস্ত্র কেনার জন্য। 

নাসরাল্লা-হত্যাকে স্বাগত জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। এর আগে হানিয়া-হত্যার বদলা নিলে তার ‘পরিণতি ভয়াবহ’ হবে বলে তেহেরানকে সতর্ক করেছিল আমেরিকা। শুধু হামলা করলেই হবে না, আগে পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালাতে হবে। আর সেখানে আঘাত করতে পারলেই ইরানের শিরদাঁড়া ভেঙে দেওয়া যাবে। সুর চড়িয়ে ইজরায়েলকে পরামর্শ দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে জড়ো হয়েছে মার্কিন ও ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান। সাইপ্রাসে ব্রিটিশ সেনাঘাঁটিকে ব্যবহার করা হচ্ছে মার্কিন সমরাস্ত্র জোগান দেওয়ার মূল সাপ্লাই লাইন হিসেবে। ইজরায়েলের আগ্রাসন পৌঁছেছে এক সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে। বিশ্ব শান্তি ঘোর বিপদে। নতুন করে এর তীব্রতা বৃদ্ধি ডেকে আনবে বিপর্যয়। 

ভারত সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েল উভয়েরই স্ট্র্যাটেজিক অংশীদার। সরে এসেছে প্যালেস্তাইনের প্রতি তার চিরায়ত সংহতির নীতি থেকে। ইজরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে হচ্ছে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। এই প্রতিরোধ আন্দোলনকে ভারতেও শক্তিশালী করতে হবে। ইজরায়েলকে সমরাস্ত্র পাঠানো বন্ধ করা এবং প্যালেস্তাইনের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সরকারকে বাধ্য করতে হবে। 



প্রকাশের তারিখ: ০৭-অক্টোবর-২০২৪
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:


আপনার মতামত

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।



অন্যান্য মতামত:

Donate Now
আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নানা প্রসঙ্গ বিভাগে প্রকাশিত ১০১ টি নিবন্ধ
১০-জানুয়ারি-২০২৬

২১-ডিসেম্বর-২০২৫

২০-ডিসেম্বর-২০২৫

১৩-ডিসেম্বর-২০২৫

২৫-নভেম্বর-২০২৫

২০-অক্টোবর-২০২৫

১৬-অক্টোবর-২০২৫

০৮-সেপ্টেম্বর-২০২৫

২৩-ফেব্রুয়ারি-২০২৫

০৫-ডিসেম্বর-২০২৪