Latest Edition

সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

শ্রীলঙ্কা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক যুবনীতি (প্রথম পর্ব)

অশোক ভট্টাচার্য
স্বাধীনতার পর এই প্রথম শ্রীলঙ্কায় একটি বামপন্থী চিন্তাধারার সরকার প্রতিষ্ঠিত হল, যা আগের দক্ষিণপন্থী সরকারগুলির মতো নয়। এদের লক্ষ্য ছিল কেবলমাত্র একটি পরিবর্তন, যে পরিবর্তন কেবলমাত্র একটি শাসনতান্ত্রিক পরিবর্তন। এই পরিবর্তন সিস্টেমিক বা বর্তমান ব্যবস্থার মধ্যেই একটি ব্যবস্থাগত পরিবর্তন। এই পরিবর্তন কোনও বিপ্লবী বা র‍্যাডিকাল পরিবর্তন নয়। আবার পুঁজিবাদের অবসান ঘটিয়ে সমাজতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠা করাও নয়। তারা বলেছেন, তারা চান একটি ব্যাপক সামাজিক রূপান্তর। এটি হবে একটি নবজাগরণ বা রেনেসাঁ। অর্থনীতির ক্ষেত্রে তারা চান একটি উৎপাদনভিত্তিক অর্থনীতি, যাতে থাকবে কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ। শিল্প-সংস্কৃতি বা সৃষ্টিশীল সংস্কৃতি বা কলা, চলচ্চিত্র, সাহিত্য, সঙ্গীত, নাটক-এর ওপর তারা বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছেন। স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় পরিবর্তনের ভারসাম্য থাকবে সরকারি উদ্যোগের পক্ষে। সবচাইতে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁরা সাংস্কৃতিক মানুষ তৈরি করার ওপর (Cultured Human Being)।
Sri Lanka and Inclusive Youth Policy

দিন কয়েক আগে গিয়েছিলাম শ্রীলঙ্কায়। বেড়াতে। একেবারেই ব্যক্তিগত পর্যায়ে। শ্রীলঙ্কা ভারত মহাসাগরের মধ্যে একটি দ্বীপরাষ্ট্র। আয়তন ও জনসংখ্যায় পশ্চিমবঙ্গের থেকেও অনেকটা ছোট। ভারতের একটি প্রতিবেশী দেশ হলেও, আমার মতো অনেকেরই যাওয়া হয়নি শ্রীলঙ্কায়। যে দেশটিকে বলা হয় পৃথিবীর ২৫টি জীববৈচিত্র্যে হটস্পটের অন্যতম দেশ। এ দেশটিতে রয়েছে অনেকগুলি জাতি, জনজাতি, ভাষা ও ধর্মের মানুষ। দক্ষিণ এশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হলেও, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার খুবই কাছে দেশটি। ১৯৭২ সালে দেশটির নাম হয় শ্রীলঙ্কা। সাঁতারু মিহির সেন ও পরে আরতি সাহা বহু বছর আগে সাঁতরে পক প্রণালী অতিক্রম করে শ্রীলঙ্কায় পৌঁছেছিলেন। প্রায় তিন দশক ধরে চলেছিল তামিলদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের দাবিতে সশস্ত্র আন্দোলন বা গৃহযুদ্ধ। যার পরিণতিতে প্রায় লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। যাদের সিংহ ভাগই ছিলেন তামিল জাতির মানুষ। বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার সিরিমাভো বন্দরনায়েকে। শ্রীলঙ্কার ৫২ শতাংশ জনসংখ্যা মহিলা। ১৯৪৮ সালে দেশের স্বাধীনতার পর বেশ কয়েক বছর মানব উন্নয়নের সূচকে এশিয়া মহাদেশের মধ্যে শ্রীলঙ্কার স্থান ছিল সর্বোচ্চ। অথচ ১৯৭৭ সালের পর থেকে সেই দেশটির স্থান নামতে নামতে তলানিতে পৌঁছে যায় ২০২০ সালে। দেশটি আর্থিক সংকটে জর্জরিত হয়ে ওঠে। সাথে ছিল দুর্নীতি। এক সময় দেউলিয়া ঘোষিত হয়। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডার বা আইএমএফ-এর নির্দেশে চলতে হচ্ছিল শ্রীলঙ্কাকে। ফলে সরকারি ব্যয় হ্রাস, সামাজিক খাতে খরচ কমানো, মূল্যবৃদ্ধি, বেকারি, মুদ্রাস্ফীতি থেকে শুরু করে অর্থনীতির অধোগতির সূচকের কোনওটারই বাদ ছিল না। তার সাথে যুক্ত হয় বিদ্যুৎ না থাকা, পেট্রোল, ডিজেল, শিশুদের গুঁড়ো দুধ— সব কিছুরই আকাল। বিদেশ থেকে রাসায়নিক সার আমদানি বন্ধ, কারণ শ্রীলঙ্কার তদানীন্তন সরকার কৃষিতে রাসায়নিক সার ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছিলেন । ফলে কৃষি পণ্য, বিশেষ করে খাদ্যশস্য উৎপাদন চূড়ান্তভাবে হ্রাস পায়। বহু কৃষক কিছু রোজগারের আশায় অভিবাসিত হতে শুরু করে রাজধানী শহর কলম্বো অভিমুখে। কিন্তু শহরেও কাজ নেই। সংকটের প্রভাব পড়ে বাগিচা শিল্প, বস্ত্র শিল্প বা রপ্তানিভিত্তিক শিল্পেও। খাদ্যদ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায় ৯০ শতাংশ হারে। অন্যান্য দ্রব্যসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি পায় গড়ে ৪৫ শতাংশ হারে। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি পায় ১৪০ শতাংশ। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করেন শুধু গরিব ও নিম্নবিত্ত মানুষই নয়, সংকটগ্রস্ত হন মধ্যবিত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্তরাও। দেশের ২৫ শতাংশ মানুষ চলে যায় দারিদ্র সীমার নিচে। এর প্রভাব পড়ে হাসপাতালে চিকিৎসা বা ওষুধের দামে, ছাত্রছাত্রীদের লেখা পড়ায়। এমনকি অর্থাভাবে খাতার ব্যবস্থা না করতে পারায় বহু স্কুল কলেজে পরীক্ষা বন্ধ রাখতে হয়।



এই অবস্থায় ছাত্র-যুবরা প্রথম প্রতিবাদে রাস্তায় নামে। এই প্রতিবাদই কিছুদিনের মধ্যে পরিণত হয় জনতার সংগ্রামে, সিংহলি ভাষায় যাকে বলা হয় ‘আরাগালায়া’। দলমত, লিঙ্গ শ্রেণি, ধর্ম, জাতি নির্বিশেষে সব মানুষ অংশগ্রহণ করে আরাগালায়ায়। আরাগালায়ার কোনও দল ছিল না, ছিল না কোনও নেতা, কোনও রাজনীতি, কোনও রেজিমেন্টেশন। সেই আন্দোলনের একটাই আওয়াজ ছিল —  ‘গোতাবায়ে গো’। রাষ্ট্রপতি গোতাবায়ে রাজাপক্ষে দেশ ছাড়ো। সবার মুখে ছিল, তারা চায় ‘দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের পরিবর্তন’। আন্দোলন বাধ্য করে রাষ্ট্রপতি রাজাপক্ষেকে পদত্যাগ ও দেশত্যাগ করতে। অন্তবর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি হন রনিল বিক্রমসিংহে। তিনি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও নভেম্বর মাসে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে বাধ্য হন। দুটি নির্বাচনেই বিজয়ী হয় এনপিপি বা ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ার। যারা মধ্য-বামপন্থায় বিশ্বাসী। এটি একটি জোট। এই জোটের নামে তারা জয়ী হলেও, এই জোটের মূল স্রষ্টা জে ভি পি বা পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট। তারা একটি কমিউনিষ্ট পার্টি, মার্কসবাদে বিশ্বাসী। ১৯৭১ সালে ও ১৯৮৭-৮৮ সালে দুবার সশস্ত্র অভ্যুত্থান করতে গিয়ে তারা ব্যর্থ হয়। কিছু সময়ের জন্যে এই পার্টিকে বে-আইনি ঘোষণা করা হয়। ১৯৯৪ সালে এই পার্টির নেতৃত্বে আসেন অনুরা কুমারা দেশনায়কে। তারপর থেকেই তারা পার্টির কিছু অভিমুখ, নীতি ও দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তনের জন্যে পার্টির মধ্যে বহু বিতর্ক ও চর্চা করা শুরু করে। ২৫ বছর ধরে অনেক বিতর্কের মধ্য দিয়ে পার্টির একটি নতুন অভিমুখ তারা স্থির করে। ২০১৯ ও ২০২০ সালে তারা যথাক্রমে রাষ্ট্রপতি ও সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। তার আগে তারা গঠন করে ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ার বা এন পি পি। এই নামেই তারা দুটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল। সেবারের সাধারণ নির্বাচনে ৪ শতাংশ ভোট ও ৩টি মাত্র আসন পেয়েছিল এন পি পি। এন পি পিতে রয়েছে ২১টি পার্টি। ২০২৪ সালের দুটি নির্বাচনের প্রেক্ষাপট ছিল একদিকে অরাগালায়া জন আন্দোলন এবং অন্য দিকে এন পি পি-র ভূমিকা। দেশনায়েকে, যিনি বর্তমান রাষ্ট্রপতি, তিনিই আহ্বান জানিয়েছিলেন - যারাই বর্তমান সরকারের দুর্নীতি ও অপশাসনের বিরুদ্ধে পরিবর্তন চান, তারা সকলেই এগিয়ে আসুন। মানুষ এগিয়ে আসে ও প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে এনপিপি প্রার্থী অনুরা কুমারা দেশনায়েকেকে নির্বাচিত করে এবং পরে সাধারণ নির্বাচনে এনপিপি প্রার্থীদের দুই তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী করেন। বর্তমানে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। এমন একজন প্রধান মন্ত্রী হয়েছেন যিনি জে ভি পি-র সদস্য নন। একজন মহিলা সমাজবিজ্ঞানী। সেদেশের স্বাধীনতার পর এই প্রথম শ্রীলঙ্কায় একটি বামপন্থী চিন্তাধারার সরকার প্রতিষ্ঠিত হল, যা আগের দক্ষিণপন্থী সরকারগুলির মতো নয়। এদের লক্ষ্য ছিল কেবলমাত্র একটি পরিবর্তন, যে পরিবর্তন কেবলমাত্র একটি শাসনতান্ত্রিক পরিবর্তন। এই পরিবর্তন সিস্টেমিক বা বর্তমান ব্যবস্থার মধ্যেই একটি ব্যবস্থাগত পরিবর্তন। এই পরিবর্তন কোনও বিপ্লবী বা র‍্যাডিকাল পরিবর্তন নয়। আবার পুঁজিবাদের অবসান ঘটিয়ে সমাজতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করাও নয়। তারা বলেছেন, তারা চান একটি ব্যাপক সামাজিক রূপান্তর। এটি হবে একটি নবজাগরণ বা রেনেসাঁ। অর্থনীতির ক্ষেত্রে তারা চান একটি উৎপাদনভিত্তিক অর্থনীতি, যাতে থাকবে কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ। শিল্প-সংস্কৃতি বা সৃষ্টিশীল সংস্কৃতি বা কলা, চলচ্চিত্র, সাহিত্য, সঙ্গীত, নাটক-এর ওপর তারা বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছেন। স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় পরিবর্তনের ভারসাম্য থাকবে সরকারি উদ্যোগের পক্ষে।

📲 এখন এক ক্লিকেই মার্কসবাদী পথ আপনার হোয়াটস অ্যাপে

দুর্নীতির ক্ষেত্রে থাকবে শূন্য সহনশীলতা। তারা হাতে নিয়েছে স্বচ্ছ রাজনীতি বা ক্লিন পলিটিকসের নীতি। প্রতিটি রাজনীতিবিদকে জনগণের কাছে থাকতে হবে দায়বদ্ধ ও দায়িত্বশীল। রাজনৈতিক নেতাদের জন্য থাকবে আচরণ বিধি। কোনও সাংসদের থাকবে না কোনও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, পাবেন না অবসরকালের জন্যে ভাতা, সংসদে উপস্থিতির জন্যেও পাবেন না কোনও ভাতা। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করা হবে। কোনও রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী, সরকারি আধিকারিক বিশেষ কোনও সরকারি বা প্রশাসনিক সুবিধা পাবেন না। প্রত্যেক রাজনৈতিক নেতাকে তাদের সম্পত্তি ও আয়ের ঘোষণাপত্র দাখিল করতে হবে। যতদিন কোনও সরকারি পদে থাকবেন তারা কোনও ব্যবসার সাথে যুক্ত থাকতে পারবেন না। শাসক দলের রাজনৈতিক নেতা বা পদাধিকারিকদের নিজেদেরই গণতান্ত্রিক অভিমুখ ও নাগরিকদের প্রতি দায়বদ্ধতার উদাহরণ সৃষ্টি করতে হবে। সবচাইতে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁরা সাংস্কৃতিক মানুষ তৈরি করার ওপর (Cultured Human Being)। যিনি বিনয়ী হবেন। সভ্য, মার্জিত আচরণ করবেন। যাঁর শিল্পকলা, সাহিত্য ও রুচিবোধের জ্ঞান, উচ্চতর সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক গুণাবলি বিদ্যমান থাকবে।

এনপিপি সরকার যুব সমাজকে নিয়ে একটি বিশেষ নীতি গ্রহণ করেছে। যাকে বলা যেতে পারে অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি। শ্রীলঙ্কার ৩৮ শতাংশ জনসংখ্যা বা ৮৫ লক্ষ মানুষ তরুণ প্রজন্মের। এরা বেশির ভাগই থাকে শহর এলাকায়। শ্রীলঙ্কার নগরে বসবাসকারী মানুষের ৫৫ শতাংশ বসবাস করে কলম্বো মেট্রোপলিটান এলাকায়। আরও অনেক শহর আছে শ্রীলঙ্কায়। এই সমস্ত শহর এলাকায় রয়েছে পৌরসভা। সেখানে ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে নির্বাচন। হওয়ার কথা ১৯৮৭ সালে ভারতের তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী ও শ্রীলঙ্কার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জয়বর্ধনের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী প্রভিন্সিয়াল কাউন্সিল বা প্রাদেশিক কাউন্সিলের নির্বাচন।

এন পি পি সরকার যুব বিষয়ে একটি নীতি বা কর্মসূচি প্রস্তুত করেছে। যাকে তারা বলেছে এক প্রতিদ্বন্দ্বী যুব ও উন্নত সাংস্কৃতিক স্বাধীন চিন্তা (A Contented Youth-Cultured Independent Thinkers)। এসব কিছু বোঝার জন্যে ঘুরে বেড়িয়েছি ক্যান্ডি, গাল, নিয়রা আলিয়া, সিজারিয়া, সর্বোপরি কলম্বো শহরে। স্বাধীনতার পর থেকে শ্রীলঙ্কার যুব সমাজের জীবনযাপন অসন্তোষজনক। এমন একটি পরিবেশের সৃষ্টি করা হয়েছিল তখন, যখন সমস্ত রকম রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হয়েছিল যুব সমাজকে। দেশের উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তে হাজার হাজার যুবক নিহত হয়েছে, আজও বহু হাজার যুবক নিখোঁজ। তাদের স্বপ্ন পূরণ রয়েছে অধরা। হাজার হাজার যুব শিক্ষা ও অর্থনৈতিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তারা সম্মানের সাথে বেঁচে থাকতে পারছে না। অথচ ২০২২ সালে এরাই ব্যাপকভাবে জনগণের সংগ্রাম বা আরাগালায়ায় নেতৃত্ব দিয়েছে। নতুন সরকার চায় এই তরুণ প্রজন্ম নেতৃত্বের পর্যায়ে উন্নীত হোক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে। সামাজিক ক্ষেত্রে তারা অবদান রাখুক, তারা সামাজিক ন্যায়ের জন্যে লড়াই করুক। রাষ্ট্র একটি সমৃদ্ধ ও উন্নতিশীল তরুণ প্রজন্ম গড়ে তুলুক। তাদের যথাযথ কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করুক। তারা আইন করুক কারিগরি দক্ষতার। এর জন্যে স্থানীয় স্তরে মাল্টি মডেল সেন্টার তৈরি করা হবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব রাখার ব্যবস্থা রাখা হবে। স্থানীয় স্তরে রাখা হবে ইয়ুথ সার্কেল। স্থাপন করা হবে ন্যাশনাল ইয়ুথ সার্ভিসেস কাউন্সিল, ন্যাশনাল ইয়ুথ কর্পস, ইয়ুথ ক্লাব। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নেতৃত্ব প্রদানে এদের সক্ষম করতে স্থাপন করা হবে ন্যাশনাল পলিটিকাল এডুকেশন এ্যাকাডেমি। প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষায় যুবদের যথাযথ ভূমিকা পালনে প্রতিষ্ঠা করা হবে ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল অ্যাকশন সেন্টার। প্রতিটি স্থানীয় সরকারে থাকবে ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট কমিটি।

পড়ুন শেষ পর্ব...


প্রকাশের তারিখ: ১১-ডিসেম্বর-২০২৫
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:


আপনার মতামত

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।



অন্যান্য মতামত:

আগামীতে এই দেশের অর্থনীতি বিষয়ক পরিকল্পনার ওপরে আলোকপাত করার অনুরোধ রাখলাম,বিশেষ করে বিশ্বায়নের প্রেক্ষাপট ও সাংস্কৃতিক ভাবনা।
- বাণী কুমার মিশ্র , ১১-ডিসেম্বর-২০২৫


Donate Now
আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
সমসাময়িক বিভাগে প্রকাশিত ২৫০ টি নিবন্ধ
০৭-মে-২০২৬

২৯-মার্চ-২০২৬

২২-মার্চ-২০২৬

১৯-মার্চ-২০২৬

১৩-মার্চ-২০২৬

০৪-মার্চ-২০২৬

২৪-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২৩-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২১-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২০-ফেব্রুয়ারি-২০২৬