সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নিবন্ধের খোঁজ
এখানে আপনি লেখক, নিবন্ধের বিষয়, তথ্য, প্রকাশের তারিখ দিয়ে বিভিন্নভাবে খুঁজতে পারেন, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই খোঁজা যাবে।
আপনি খুঁজছেন এমন নিবন্ধ যার লেখক/লেখিকা: [চন্দন দাস - Chandan Das],
কাজ, অনুপ্রবেশ এবং সংঘ
চন্দন দাস
শাখার সংখ্যা ৩৫০ থেকে আজ ২১০০-র কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছেছে। তবে শুধু তার ভিত্তিতেই সংঘের বিষাক্ত অগ্রগতি বিচার করা যায় না। সরকারের টাকায় মন্দির বানানো হয়েছে দীঘায়। মন্দির বানানো চলছে মাটিগাড়ায়, নিউটাউনে। বিধানসভায় বেদ, উপনিষদকে ইতিহাস বলে দাবি করে বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী। শিবের মন্দিরের দিকে মাথা দিয়ে শুয়ে থাকার তথ্য বিধানসভায় জানিয়ে, ‘আমিও ব্রাহ্মণ’ ঘোষণা করেছেন মমতা ব্যানার্জি। সংঘ উৎসাহিত হয়েছে। তৃণমূলের নেতারা রামনবমীতে অস্ত্র হাতে মিছিল করে সমাজে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টির হাতিয়ার হিসাবে কাজ করেছেন। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ স্বাগত জানিয়েছে। ...more
চন্দন দাস
শাখার সংখ্যা ৩৫০ থেকে আজ ২১০০-র কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছেছে। তবে শুধু তার ভিত্তিতেই সংঘের বিষাক্ত অগ্রগতি বিচার করা যায় না। সরকারের টাকায় মন্দির বানানো হয়েছে দীঘায়। মন্দির বানানো চলছে মাটিগাড়ায়, নিউটাউনে। বিধানসভায় বেদ, উপনিষদকে ইতিহাস বলে দাবি করে বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী। শিবের মন্দিরের দিকে মাথা দিয়ে শুয়ে থাকার তথ্য বিধানসভায় জানিয়ে, ‘আমিও ব্রাহ্মণ’ ঘোষণা করেছেন মমতা ব্যানার্জি। সংঘ উৎসাহিত হয়েছে। তৃণমূলের নেতারা রামনবমীতে অস্ত্র হাতে মিছিল করে সমাজে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টির হাতিয়ার হিসাবে কাজ করেছেন। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ স্বাগত জানিয়েছে। ...more
১৬-মার্চ-২০২৬
এক ‘যৌক্তিক’ পরিবর্তনে শ্রমের দাম আরও সস্তা
চন্দন দাস
সাম্প্রতিক রাজ্য বাজেটের সঙ্গে বিধানসভায় পেশ করা আর্থিক সমীক্ষা বলছে, পশ্চিমবঙ্গে ২০২৩-২৪-এ মূলধনী খাতে সরকার খরচ করেছিল ২৯,৭৫৭ কোটি ২২ লক্ষ টাকা। ২০২৪-২৫-এ তা বাড়েনি, কমেছে ৭ হাজার কোটির বেশি। ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরের হিসাব পাওয়া যাবে আগামী বছর। কিন্তু প্রবণতা বলছে মূলধনী খাতে খরচ কমিয়েছে রাজ্য সরকার। খরচ একইভাবে কমানো হয়েছে পরিকাঠামো ক্ষেত্রেও। এই দুই ক্ষেত্রে সরকারের ব্যয় হ্রাস মানে কাজের সুযোগ তৈরির ক্ষেত্র সঙ্কুচিত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। তাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি শ্রমজীবীদের। ...more
চন্দন দাস
সাম্প্রতিক রাজ্য বাজেটের সঙ্গে বিধানসভায় পেশ করা আর্থিক সমীক্ষা বলছে, পশ্চিমবঙ্গে ২০২৩-২৪-এ মূলধনী খাতে সরকার খরচ করেছিল ২৯,৭৫৭ কোটি ২২ লক্ষ টাকা। ২০২৪-২৫-এ তা বাড়েনি, কমেছে ৭ হাজার কোটির বেশি। ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরের হিসাব পাওয়া যাবে আগামী বছর। কিন্তু প্রবণতা বলছে মূলধনী খাতে খরচ কমিয়েছে রাজ্য সরকার। খরচ একইভাবে কমানো হয়েছে পরিকাঠামো ক্ষেত্রেও। এই দুই ক্ষেত্রে সরকারের ব্যয় হ্রাস মানে কাজের সুযোগ তৈরির ক্ষেত্র সঙ্কুচিত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। তাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি শ্রমজীবীদের। ...more
১৬-ফেব্রুয়ারি-২০২৬
শ্রমিকের জন্য খরচে টান, পুজোর ভাণ্ডার উপচে পড়ে
চন্দন দাস
গত তিন বছরের রাজ্য বাজেট পর্যালোচনা করলেই দেখা যাচ্ছে শ্রম দপ্তরের বরাদ্দ এবং খরচের ফারাক থাকছে। অর্থাৎ বছরের গোড়ায় যত টাকা বরাদ্দ বলে ঘোষণা করা হচ্ছে বছর শেষে দেখা যাচ্ছে খরচের পরিমাণ বরাদ্দের থেকে কম। কিন্তু দুর্গোপুজার খাতে খরচ বরাদ্দকে ছাপিয়ে গেছে। যেমন ২০২৫-’২৬। দুর্গাপুজোয় বরাদ্দ ছিল ৪৪৭কোটি ৫০লক্ষ টাকা। সরকার বাজেট নথিতে জানিয়েছে তাদের এখনও পর্যন্ত ধারনা এই খাতে খরচ হয়েছে প্রায় ৫২৪ কোটি। ...more
চন্দন দাস
গত তিন বছরের রাজ্য বাজেট পর্যালোচনা করলেই দেখা যাচ্ছে শ্রম দপ্তরের বরাদ্দ এবং খরচের ফারাক থাকছে। অর্থাৎ বছরের গোড়ায় যত টাকা বরাদ্দ বলে ঘোষণা করা হচ্ছে বছর শেষে দেখা যাচ্ছে খরচের পরিমাণ বরাদ্দের থেকে কম। কিন্তু দুর্গোপুজার খাতে খরচ বরাদ্দকে ছাপিয়ে গেছে। যেমন ২০২৫-’২৬। দুর্গাপুজোয় বরাদ্দ ছিল ৪৪৭কোটি ৫০লক্ষ টাকা। সরকার বাজেট নথিতে জানিয়েছে তাদের এখনও পর্যন্ত ধারনা এই খাতে খরচ হয়েছে প্রায় ৫২৪ কোটি। ...more
১৫-ফেব্রুয়ারি-২০২৬
এক অন্তঃসত্বার চোখের জলের চিঠি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে
চন্দন দাস
সাম্প্রতিককালে এই অভিযোগে ওডিশা, মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, দিল্লি সহ বিজেপি-শাসিত কয়েকটি রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকরা। আরও অনেককেই বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছিল ‘বাংলাদেশি’ অভিযোগে। রাজ্য সরকার কী করেছে? সোনালী বিবি সহ রাজ্যের পরিযায়ীদের উপর এই নিপীড়ন থামানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কেন্দ্রীয় সরকারকে কোনও চিঠি লেখেননি, কোনও ফোন করেননি প্রধানমন্ত্রী কিংবা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্কে। ...more
চন্দন দাস
সাম্প্রতিককালে এই অভিযোগে ওডিশা, মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, দিল্লি সহ বিজেপি-শাসিত কয়েকটি রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকরা। আরও অনেককেই বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছিল ‘বাংলাদেশি’ অভিযোগে। রাজ্য সরকার কী করেছে? সোনালী বিবি সহ রাজ্যের পরিযায়ীদের উপর এই নিপীড়ন থামানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কেন্দ্রীয় সরকারকে কোনও চিঠি লেখেননি, কোনও ফোন করেননি প্রধানমন্ত্রী কিংবা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্কে। ...more
২৩-নভেম্বর-২০২৫
মেলায় টাকা ওড়ে, ফেরে না পরিযায়ীরা
চন্দন দাস
রাজ্যের ‘মাইগ্র্যান্ট ওয়েলফেয়ার বোর্ড’-এর চেয়ারম্যান সামিরুল ইসলাম। তিনি তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ। তাঁকে যখনই প্রশ্ন করা হয়েছে, তিনি বলেছেন রাজ্যের পরিযায়ীর সংখ্যা ২৩ লক্ষ ৪০ হাজার। কিন্তু অন্য কথা বলেছেন মমতা ব্যানার্জি। মুখ্যমন্ত্রী ২০২৪-এর গত ৪ সেপ্টেম্বর আবাসন এবং নির্মাণ শিল্পের সংগঠন ক্রেডাইয়ের রাজ্য সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় বলেছিলেন, ‘৫০ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিকের তালিকা দিয়ে বিশেষ অ্যাপ তৈরি করছি।’ ...more
চন্দন দাস
রাজ্যের ‘মাইগ্র্যান্ট ওয়েলফেয়ার বোর্ড’-এর চেয়ারম্যান সামিরুল ইসলাম। তিনি তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ। তাঁকে যখনই প্রশ্ন করা হয়েছে, তিনি বলেছেন রাজ্যের পরিযায়ীর সংখ্যা ২৩ লক্ষ ৪০ হাজার। কিন্তু অন্য কথা বলেছেন মমতা ব্যানার্জি। মুখ্যমন্ত্রী ২০২৪-এর গত ৪ সেপ্টেম্বর আবাসন এবং নির্মাণ শিল্পের সংগঠন ক্রেডাইয়ের রাজ্য সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় বলেছিলেন, ‘৫০ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিকের তালিকা দিয়ে বিশেষ অ্যাপ তৈরি করছি।’ ...more
২২-নভেম্বর-২০২৫
মানুষের রেগা, মানুষের পঞ্চায়েত, মানুষের লড়াই
চন্দন দাস
কলেজে পড়াশোনা ছেড়ে উপার্জনের জন্য গেছেন মুম্বাই, কাজ— রঙের কারখানায়। দম্পতির ছোট ছেলে কাঞ্চন। এখনও পড়ছে। ‘‘কতদিন পারবে পড়তে, জানি না। ছেলের পাঠানো টাকার দিকে চেয়ে তো আর বসে থাকা যায় না। স্বামীর বয়স হয়েছে। সবসময় কাজও মেলে না। আমার জবকার্ড আছে। আমার কাজ করার ক্ষমতা আছে। কেন আমাকে কাজ দেবে না?’’ ...more
চন্দন দাস
কলেজে পড়াশোনা ছেড়ে উপার্জনের জন্য গেছেন মুম্বাই, কাজ— রঙের কারখানায়। দম্পতির ছোট ছেলে কাঞ্চন। এখনও পড়ছে। ‘‘কতদিন পারবে পড়তে, জানি না। ছেলের পাঠানো টাকার দিকে চেয়ে তো আর বসে থাকা যায় না। স্বামীর বয়স হয়েছে। সবসময় কাজও মেলে না। আমার জবকার্ড আছে। আমার কাজ করার ক্ষমতা আছে। কেন আমাকে কাজ দেবে না?’’ ...more
২৮-জুলাই-২০২৫
থালা, শ্রম, সমাজ এবং মিড ডে মিল
চন্দন দাস
চোদ্দ বছর আগে রাজ্যে বামফ্রন্টের সরকার ছিল। কেন্দ্রে দ্বিতীয় ইউপিএ সরকার। মমতা ব্যানার্জি সেই সরকারের রেলমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর দলের আরও ৬ জন মন্ত্রী ছিলেন সেই সরকারের। রাজ্যে তৃণমূল, বিজেপি, মাওবাদী, আরএসএস, জামাত সহ নানা বামফ্রন্ট বিরোধী শক্তির জোট নৈরাজ্য কায়েম করেছিল বেশ কিছু এলাকায়। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেও রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনার সময় কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিরা নিশ্চিত হয়েছিলেন যে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ১ কোটি ছাত্রছাত্রীর মিড ডে মিলের বন্দোবস্ত করা দরকার। ...more
চন্দন দাস
চোদ্দ বছর আগে রাজ্যে বামফ্রন্টের সরকার ছিল। কেন্দ্রে দ্বিতীয় ইউপিএ সরকার। মমতা ব্যানার্জি সেই সরকারের রেলমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর দলের আরও ৬ জন মন্ত্রী ছিলেন সেই সরকারের। রাজ্যে তৃণমূল, বিজেপি, মাওবাদী, আরএসএস, জামাত সহ নানা বামফ্রন্ট বিরোধী শক্তির জোট নৈরাজ্য কায়েম করেছিল বেশ কিছু এলাকায়। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেও রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনার সময় কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিরা নিশ্চিত হয়েছিলেন যে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ১ কোটি ছাত্রছাত্রীর মিড ডে মিলের বন্দোবস্ত করা দরকার। ...more
০২-জুলাই-২০২৫
‘রেড অ্যালার্ট’ এবং রেগা
চন্দন দাস
তৃণমূলের লুটের কারণে পশ্চিমবঙ্গে রেগার কাজ বন্ধ করেছে বিজেপি’র কেন্দ্রীয় সরকার। বরাদ্দর টাকার দাবিতে তৃণমূল রাজ্যে কোনও আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করেনি। গত তিন বছর রাজ্যে রেগার কাজ বন্ধ। টাকা বেঁচে যাচ্ছে মোদী সরকারের। রাজ্য সরকারকে কিছু টাকা দিতে হয় রেগার জন্য। তাও সাশ্রয় হচ্ছে মমতা-সরকারের। কিন্তু ক্ষতি কার? উত্তর সোজা— গ্রামীণ গরিবের। ...more
চন্দন দাস
তৃণমূলের লুটের কারণে পশ্চিমবঙ্গে রেগার কাজ বন্ধ করেছে বিজেপি’র কেন্দ্রীয় সরকার। বরাদ্দর টাকার দাবিতে তৃণমূল রাজ্যে কোনও আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করেনি। গত তিন বছর রাজ্যে রেগার কাজ বন্ধ। টাকা বেঁচে যাচ্ছে মোদী সরকারের। রাজ্য সরকারকে কিছু টাকা দিতে হয় রেগার জন্য। তাও সাশ্রয় হচ্ছে মমতা-সরকারের। কিন্তু ক্ষতি কার? উত্তর সোজা— গ্রামীণ গরিবের। ...more
০১-মে-২০২৫
সঙ্ঘ-মমতার বেঙ্গল চ্যাপ্টার
চন্দন দাস
তৃণমূলের সৃষ্টি থেকে আজকের পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত যদি রাজনৈতিক পরিবেশের একটি রেখচিত্র আঁকা যায়, কয়েকটি উপাদান কিছুতেই নজর এড়াতে পারে না। প্রথমে মমতা ব্যানার্জি ১৯৯৭-এ বলেছেন ‘বিজেপি অচ্ছুৎ নয়।’ রাজ্যে বিজেপি জোটসঙ্গী পেয়েছিল তাঁকে। তারপর সঙ্ঘ তাঁকে বলেছে ‘সাক্ষাৎ দূর্গা।’ বামফ্রন্ট সরকারকে হঠাতে তৃণমূলের সব কটি নৈরাজ্য-প্রয়াসের সঙ্গী ছিল বিজেপি। ২০০৪-এ প্রথম ইউপিএ সরকার। ২০০৬-০৭ থেকে রাজ্যে ‘শিল্প বনাম জমি’ ন্যারেটিভ হাজির করেছিলেন মমতা ব্যানার্জি। ...more
চন্দন দাস
তৃণমূলের সৃষ্টি থেকে আজকের পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত যদি রাজনৈতিক পরিবেশের একটি রেখচিত্র আঁকা যায়, কয়েকটি উপাদান কিছুতেই নজর এড়াতে পারে না। প্রথমে মমতা ব্যানার্জি ১৯৯৭-এ বলেছেন ‘বিজেপি অচ্ছুৎ নয়।’ রাজ্যে বিজেপি জোটসঙ্গী পেয়েছিল তাঁকে। তারপর সঙ্ঘ তাঁকে বলেছে ‘সাক্ষাৎ দূর্গা।’ বামফ্রন্ট সরকারকে হঠাতে তৃণমূলের সব কটি নৈরাজ্য-প্রয়াসের সঙ্গী ছিল বিজেপি। ২০০৪-এ প্রথম ইউপিএ সরকার। ২০০৬-০৭ থেকে রাজ্যে ‘শিল্প বনাম জমি’ ন্যারেটিভ হাজির করেছিলেন মমতা ব্যানার্জি। ...more
২৯-মার্চ-২০২৫
সঙ্ঘের পথ, মমতার মত
চন্দন দাস
চন্দন দাস
সঙ্ঘ-বিজেপি’র মন্দির রাজনীতির বিরুদ্ধে মানুষের রুটি, জীবিকা, কাজের সঙ্কটের প্রসঙ্গই তুলে ধরেছেন বামপন্থীরা। তৃণমূল কী করেছে? মমতা ব্যানার্জির ‘অনুপ্রেরণায়’ তাঁর দলবল নিজেদের ‘বড়ো হিন্দু’ প্রমাণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। লাভ হয়েছে আরএসএসের। আগ্রাসী হিন্দুত্ববাদের।
...more২২-মার্চ-২০২৪
মমতায় ‘মুক্তি’, সঙ্ঘ বলছে এই ভোটে!
চন্দন দাস
তবে কি ‘আগে রাম পরে বাম’ ঝুঠা প্রচারে আর ভরসা রাখতে পারছে না সঙ্ঘ? কমিউনিস্টদের দূরবীন দিয়েও দেখা যাচ্ছে না, কমিউনিস্টরা আর ফিরতে পারবে না– এই প্রচার তো দেশজুড়ে! বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে। সেই প্রচারেরই অংশ হিসাবে ‘আগে রাম পরে বাম’– এই স্লোগান আরএসএস এবং তৃণমূল সুকৌশলে নিয়ে এসেছিল ২০১৮’র পঞ্চায়েতের পরে। কিন্তু ‘বাম আমলে এসব ছিল না। অনেক ভালো ছিলাম’– এই বাক্য ইদানিং শোনা যাচ্ছে গ্রাম, শহরে, বাসে, ট্রেনে। পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে সঙ্ঘ-তৃণমূলের এত মাথাব্যথার কারণ তাহলে সহজবোধ্য। ...more
চন্দন দাস
তবে কি ‘আগে রাম পরে বাম’ ঝুঠা প্রচারে আর ভরসা রাখতে পারছে না সঙ্ঘ? কমিউনিস্টদের দূরবীন দিয়েও দেখা যাচ্ছে না, কমিউনিস্টরা আর ফিরতে পারবে না– এই প্রচার তো দেশজুড়ে! বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে। সেই প্রচারেরই অংশ হিসাবে ‘আগে রাম পরে বাম’– এই স্লোগান আরএসএস এবং তৃণমূল সুকৌশলে নিয়ে এসেছিল ২০১৮’র পঞ্চায়েতের পরে। কিন্তু ‘বাম আমলে এসব ছিল না। অনেক ভালো ছিলাম’– এই বাক্য ইদানিং শোনা যাচ্ছে গ্রাম, শহরে, বাসে, ট্রেনে। পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে সঙ্ঘ-তৃণমূলের এত মাথাব্যথার কারণ তাহলে সহজবোধ্য। ...more
২১-মার্চ-২০২৪
বিরোধীদের ৩৬% সেই চৌত্রিশ বছরেই
চন্দন দাস
জানুয়ারি, ২০০৭। নন্দীগ্রাম। হামলা কিন্তু প্রথমে সিপিআই(এম)-র কোনও স্থানীয় দপ্তরে হয়নি। হয়নি পার্টির কোনও নেতার বাড়িতেও। হয়েছিল পঞ্চায়েত অফিসে। গড়চক্রবেড়িয়ার কাছে, কালিচরণপুর পঞ্চায়েতের অফিসে। নন্দীগ্রামে জমি অধিগ্রহণের কোনও নোটিশ কখনও জারি হয়নি। গত ১২ বছরে মমতা ব্যানার্জি তেমন কোনও নোটিশ জনসমক্ষে আনতে পারেননি। থাকলে নিশ্চিত সে সুযোগ ছাড়তেন না! কিন্তু সেদিন দুপুরে কালিচরণপুর পঞ্চায়েতে হামলা চালিয়ে দুটি বিষয় স্পষ্ট করেছিল তৃণমূল এবং তাদের সহযোগীরা। ...more
চন্দন দাস
জানুয়ারি, ২০০৭। নন্দীগ্রাম। হামলা কিন্তু প্রথমে সিপিআই(এম)-র কোনও স্থানীয় দপ্তরে হয়নি। হয়নি পার্টির কোনও নেতার বাড়িতেও। হয়েছিল পঞ্চায়েত অফিসে। গড়চক্রবেড়িয়ার কাছে, কালিচরণপুর পঞ্চায়েতের অফিসে। নন্দীগ্রামে জমি অধিগ্রহণের কোনও নোটিশ কখনও জারি হয়নি। গত ১২ বছরে মমতা ব্যানার্জি তেমন কোনও নোটিশ জনসমক্ষে আনতে পারেননি। থাকলে নিশ্চিত সে সুযোগ ছাড়তেন না! কিন্তু সেদিন দুপুরে কালিচরণপুর পঞ্চায়েতে হামলা চালিয়ে দুটি বিষয় স্পষ্ট করেছিল তৃণমূল এবং তাদের সহযোগীরা। ...more
০২-জুলাই-২০২৩
ইএমএসের নোট, জনগণের পঞ্চায়েত
চন্দন দাস
পঞ্চায়েত শুধু ‘গ্রামোন্নয়ন’-র জন্য নয়। পঞ্চায়েতের লক্ষ্য ক্ষমতা মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। মুখ্যমন্ত্রী কতবার গ্রামে গিয়ে চা বানালেন, তাতে মানুষের হাতে ক্ষমতা পৌঁছেছে কিনা প্রমাণিত হয় না। মানুষের হাতে ক্ষমতা মানে গ্রামোন্নয়নের কাজের সিদ্ধান্ত, কোন্ কাজটি এখনই আর কোন্ কাজটি পরে হবে— তা ঠিক করবেন তাঁরাই— সেইসঙ্গে বাস্তবায়নে তাঁদের ভূমিকা। ...more
চন্দন দাস
পঞ্চায়েত শুধু ‘গ্রামোন্নয়ন’-র জন্য নয়। পঞ্চায়েতের লক্ষ্য ক্ষমতা মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। মুখ্যমন্ত্রী কতবার গ্রামে গিয়ে চা বানালেন, তাতে মানুষের হাতে ক্ষমতা পৌঁছেছে কিনা প্রমাণিত হয় না। মানুষের হাতে ক্ষমতা মানে গ্রামোন্নয়নের কাজের সিদ্ধান্ত, কোন্ কাজটি এখনই আর কোন্ কাজটি পরে হবে— তা ঠিক করবেন তাঁরাই— সেইসঙ্গে বাস্তবায়নে তাঁদের ভূমিকা। ...more
০১-জুলাই-২০২৩
সাম্প্রতিক নিবন্ধ
০৪-এপ্রিল-২০২৬
০৩-এপ্রিল-২০২৬
০৩-এপ্রিল-২০২৬
০২-এপ্রিল-২০২৬
০১-এপ্রিল-২০২৬
০১-এপ্রিল-২০২৬


















