সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

নিবন্ধের খোঁজ

এখানে আপনি লেখক, নিবন্ধের বিষয়, তথ্য, প্রকাশের তারিখ দিয়ে বিভিন্নভাবে খুঁজতে পারেন, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই খোঁজা যাবে।

লেখক
প্রকাশকাল -
বিষয়/লেখক/কিওয়ার্ড
আপনি খুঁজছেন এমন নিবন্ধ যার লেখক/লেখিকা: [উর্বা চৌধুরী - Urba Chaudhuri],
বাংলার নারীদের অবস্থা (দ্বিতীয় পর্ব)
উর্বা চৌধুরী

The Reality of Women in Bengal Part II
একইসঙ্গে চলছে কেন্দ্রের শাসকদলের অভূতপূর্ব অত্যাচার। ভারতের সব রাজ্যের মতো সমগ্র শিক্ষা মিশনের অর্থের মাধ্যমে কার্যত পশ্চিমবঙ্গের সরকারি, সরকার পোষিত স্কুলের সিংহভাগ খরচ চালাতে হয়। রাজ্য সরকারি শিক্ষা দপ্তরের খাত থেকে বরাদ্দ হয় শিক্ষকদের বেতন। সমগ্র শিক্ষা মিশনের ৬০ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয় কেন্দ্রীয় সরকার, ৪০ শতাংশ ব্যয় হয় রাজ্য সরকারের তরফে। ২৫ বছর ধরে চলা এই প্রকল্প ২০১০ সালের এপ্রিল থেকে রূপায়ণযোগ্য শিশু শিক্ষার অধিকার আইন ২০০৯-এর রূপায়ণকারী প্রকল্পও বটে। অন্যদিকে, ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ রূপায়ণকারী অন্যতম প্রকল্প পিএমশ্রি (প্রধানমন্ত্রী স্কুলস্‌ ফর রাইজিং ইন্ডিয়া), যার আওতায় প্রতিটি রাজ্যে কিছু কিছু মডেল স্কুল বানানো হচ্ছে, হবে। যার ৬০ শতাংশ ব্যয় বহন করবে কেন্দ্র আর ৪০ শতাংশ বহন করবে রাজ্য। এবং শর্ত রাখা হয়েছে যে-রাজ্য এই প্রকল্পে রাজি হবে না, কেন্দ্রীয় সরকার তার প্রাপ্য সমগ্র শিক্ষা মিশনের ৬০ শতাংশ বরাদ্দ অর্থও বন্ধ করে দেবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই প্রকল্পে সই করতে রাজি হয়নি মূলত প্রকল্পের অর্থকরী শর্তের জন্য ও প্রকল্পের যুক্তিহীন নামের জন্য। এমতাবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকার গত দুবছর ধরে, পশ্চিমবঙ্গকে সমগ্র শিক্ষা মিশনের অর্থ (৬০ শতাংশ) দিচ্ছে না। ...more

৩১-মার্চ-২০২৬

বাংলার নারীদের অবস্থা (প্রথম পর্ব)
উর্বা চৌধুরী

The Reality of Women in Bengal Part I
পশ্চিমবঙ্গে স্কুলশিক্ষার দুর্গতির সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক জীবন উদ্বেগজনক মাত্রায় এক বিশৃঙ্খলার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এক/দেড় দশক ধরে। পরিষেবার প্রতিটি ক্ষেত্রে দুর্নীতির প্রাবল্য, শিক্ষক নিয়োগে অস্বাভাবিক গাফিলতি, অনিয়ম ও দুর্নীতি শিশুদের বড়ো হয়ে ওঠার পথে এক অনিশ্চয়তার বাতাবরণ সৃষ্টি করছে। কৃষিক্ষেত্রে আয় কমে যাওয়া, শিল্পের অভাব, উচ্চমানের দক্ষতা লাগে না এমন সাধারণ কাজের জন্যও পশ্চিমবঙ্গের শ্রমিকদের নিরুপায় হয়ে প্রবাসে চলে যাওয়া— সব মিলিয়ে অর্থনৈতিকভাবে নড়বড়ে অবস্থায় পৌঁছানোর ফলে এ-রাজ্যের শ্রমজীবী পরিবারগুলি তাদের বাচ্চাদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে নিরুপায় হয়ে পড়ছে। কিশোর-কিশোরীরা ভবিষ্যতের আলোর দিশা দেখতে পাচ্ছে কম– বুঝে নিচ্ছে যা হোক করে নয়া একটা উপায়ে বেঁচে থাকতে হবে। ...more

৩০-মার্চ-২০২৬

পরিযায়ী শ্রমিকের বয়ান
উর্বা চৌধুরী

the voice of migrant labour
“ছেলেটা ঘর ছেড়ে গেছে চোদ্দ বছর বয়সে। লেখাপড়া ছেড়ে দিতে হল। গুজরাটের আমেদাবাদে হেল্পারের কাজ করত। ক’বছর আগে এখানে এসে বিয়ে করল, ছেলে হল, সেই ছেলের বয়স এখন তিন। তারপর একদিন জানা গেল উঁচু ভাড়া থেকে পড়ে গেছে। বাঁচল না। ভাবি, লেখাপড়াটা শেষ করলে এ কাজ হয়তো করতে হত না। অন্য কোনও কাজ পেত। কিন্তু কী করে পেত? কাজ তো নাই!” কোচবিহারের মাথাভাঙার এক গ্রামের বৃদ্ধা বলে চলেন তাঁর ছেলের পরিযায়ী শ্রমিক, শিশুশ্রমিক জীবনের বেঁচে থাকার কাহিনী এবং আচমকা মারা যাওয়ার কাহিনীও। একের পর এক অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়ে পশ্চিমবঙ্গ-সহ নানা রাজ্য থেকে মজুরের কাজ করতে চলে যাচ্ছে বাইরের রাজ্যে। ...more

১২-সেপ্টেম্বর-২০২৫

সংলাপে মেয়েরা (পর্ব ৩)
উর্বা চৌধুরী

Women in Dialogue - Part III

বাড়ির বাইরের পরিসর নিয়ে যে সংলাপ চলেছে বঙ্গীয় সাক্ষরতা প্রসার সমিতির সমীক্ষায়, তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ছিল – নারীর বিরুদ্ধে ঘরে-বাইরে, পথে-কর্মস্থলে হিংসার ঘটনা ঘটলে, নারী যাবে কোথায়, কার কাছে বিচার চাইবে? কর্মস্থলে নারীর প্রতি হিংসার অভিযোগ দায়ের করার কর্তৃপক্ষ হিসাবে ২৭২ জনের মধ্যে একজনও ইন্টারনাল কমপ্লেইন্টস কমিটি (আই সি সি) সম্পর্কে জানেন না। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, উত্তরদাতাদের মধ্যে সিংহভাগ অসংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মরত শ্রমিক, কৃষি শ্রমিক বা গৃহবধূ। ফলে ব্যক্তগত জীবনে আইসিসি-র অস্তিত্ব, উপযোগিতা এঁদের কাছে নাই। 

...more

৩০-মে-২০২৫

সংলাপে মেয়েরা (পর্ব ২)
উর্বা চৌধুরী

Women in Dialogue - Part II
“গরীব ঘরে মেয়েদের রোজগার করতে হয়। আমার ঘরের গার্জেনটা তো ঠিক নয়, নেশাভাং করে! আমি তো একাই রোজগার করে দুই ছেলে মানুষ করছি।” সাঁইথিয়া ব্লকের আদিবাসী গ্রামের ৪০ বছর বয়সী মণিকা মহলির কথা। মণিকা তাঁর প্রাথমিক পেশায় খেতমজুর আর গৌণ পেশা বাবদ তিনি ঝুড়ি বোনেন। এই গৌণ পেশা তাঁর জনগোষ্ঠীর আদি পেশা, যদিও পড়তি। সাধারণভাবে জীবিকার কথা হচ্ছিল না, কথা হচ্ছিল “মেয়েদের কি রোজগার করা দরকার, না কি না করলেও চলে?” বঙ্গীয় সাক্ষরতা প্রসার সমিতির ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে হওয়া পাইলট সমীক্ষার ভিত্তি যেহেতু নারীদের জীবনে সাক্ষরতা, সচেতনতা ও সক্ষমতার তাৎপর্যের নানা দিক, সেহেতু প্রশ্নসূচিতে নারীদের উপার্জন ও আর্থিক স্বাবলম্বিতার প্রসঙ্গ হয়ে ওঠে সংলাপের এক অপরিহার্য উপাদান। ...more

২৯-মে-২০২৫

সংলাপে মেয়েরা (পর্ব ১)
উর্বা চৌধুরী

Women in Dialogue - Part I
দর্শনগতভাবে শিক্ষার মূল্য যে স্রেফ কোনও উপকরণের মূল্যের সমান নয়, বা কেবল রোজগারের প্রাগায়োজন নয়, শিক্ষার অন্তর্নিহিত মূল্য যে আসলে জীবনদৃষ্টি তৈরিতে সহায়ক – এ কেবল শিক্ষাবিদ বা শিক্ষা দর্শন নিয়ে চর্চায় থাকা বিদগ্ধ মানুষেরই দাবি নয়। এই দাবি, এই উপলব্ধি, বোধ করি, সবচেয়ে জৈবিক হয়ে ওঠে অক্ষরজ্ঞানবঞ্চিত শ্রমজীবী মানুষের সংলাপে। সেজন্যই পেটের দায়ের বাস্তবতার সীমা পেরিয়েও তাঁরা যেতে চান সাক্ষরতা কেন্দ্রে। ...more

২৮-মে-২০২৫

শ্রমজীবী মা ও আলেকজান্দ্রা কলোনতাই
উর্বা চৌধুরী

Working Mother and Alexandra Kollontai
পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এবং পিতৃতান্ত্রিক পরিবার এক্ষেত্রে যৌথভাবে কার্যকর হয়- পুঁজিবাদী ব্যবস্থার যুৎসই বেসরকারি নিয়োগকারী শ্রমজীবী মাকে তাঁর প্রাপ্য সুবিধা, যেমন – সবেতন এমনকি বিনা-বেতনের মাতৃত্বকালীন ছুটিও মঞ্জুর করতে বাধ্য থাকে না, তাই মঞ্জুর করে না, ছাঁটাই করে। এমনকি সরকারি ক্ষেত্রও বহু সময়ে প্রতিকূল ভূমিকা গ্রহণ করে – যেমন, ৩৬৫ দিন যে আশাকর্মীরা (কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার) ভারতের গাঁ-গঞ্জে, শহরে, নগরে লক্ষ লক্ষ গর্ভবতী নারীদের, প্রসূতি মায়েদের ছয় মাস বয়স অবধি শিশুর কেবলমাত্র মাতৃদুগ্ধ পান সম্পর্কে সচেতন করে চলেছেন, সেই আশাকর্মীরাই বহু লড়াইয়ের পর বর্তমানে নিজেরদের জন্য আদায় করতে পেরেছেন মাত্র ৪৫ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটি। ...more

৩১-মার্চ-২০২৫

গেরস্থালীর বাইরের চরাচরও নারীর 
উর্বা চৌধুরী

gerosthalir bairer chorachoro narir
আবার কর্মস্থল বা নানা প্রতিষ্ঠানগুলিও এই ‘ব্যাকল্যাশ এফেক্ট’-এর দ্বারা বিপন্ন। এমনকি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকাও সদর্থক হয় না বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। সদ্য কলকাতায় ঘটা আরজি কর হাসপাতালের ছাত্র-চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় রাষ্ট্র ও সরকারের ভূমিকা লজ্জাজনক তো বটেই, উপরন্তু, কর্মক্ষেত্রে নারীকর্মীর সঙ্গে ঘটা এই অপরাধের ঠিক পরে পরেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার ‘রাতের সাথী’ নামে এক নোটিশ জারি করে– সেখানে লেখা ছিল, এ-রাজ্যের নির্দিষ্ট পেশাক্ষেত্রের নারীরা রাতের ডিউটি করবেন না– নিজেদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার স্বার্থে। অর্থাৎ কিনা পিতৃতন্ত্র, পুঁজি-তাড়িত রাষ্ট্রব্যবস্থা, দক্ষিণপন্থী শাসকদলের হিতাহিত বোধ চাইছে, মেয়েরা ঘরে আগল দিয়ে বাস করুক। ...more

০৮-মার্চ-২০২৫

মাধ্যমিকে চার লক্ষ কমলঃ একটি প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া
উর্বা চৌধুরী

madhyamik 2023
উন্নত গুণমানের শিক্ষাকে সুনিশ্চিত করার কাজের কাজটিকে এড়িয়ে গিয়ে শিক্ষা ক্ষেত্রটিতে কিছু প্রসাধনীর প্রলেপ দিয়ে সরকারি শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রতিদিন নানা উপায়ে দুর্বল করার আয়োজন যে চলছে তা বুঝতে অসুবিধা হয় না। তবে এও ঠিক, সামাজিক সম্পদ হিসাবে সরকারি বিদ্যালয়গুলিকে চিনতে শিখে, মানসিকভাবে সংযুক্ত থেকে বিদ্যালয় স্তরের নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগী হয়ে, নানা বঞ্চনা, প্রবঞ্চনার বিরুদ্ধে যদি লাগাতার ছাত্র-স্বার্থমুখী সংগঠিত প্রতিরোধের পরিকল্পনা আমরা নাগরিকেরাও করতে পারতাম, তাহলে হয়তো আজ এভাবে সংকট তৈরি হয়ে যাওয়ার পর আমাদের বিচলিত হওয়া শুরু করতে হত না। ...more

২৩-ফেব্রুয়ারি-২০২৩

রাষ্ট্র, দেশ ও নারীবিদ্বেষ
উর্বা চৌধুরী

Contemporary India Gender Politics and Crime
রাজস্থানের সোজাত বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শোভা চৌহান দেওয়াসি সম্প্রদায়ের কাছে ভোট প্রচারে গিয়ে বললেন, তাঁকে ভোটে জেতালে তিনি অনায়াসে বাল্যবিবাহ ঘটতে দেবেন, কাউকে বাধা দিতে দেবেন না। এই মুহূর্তে অসভ্য নেতা প্রার্থীতে ঠাসা, নানা ঘৃণ্য বিশ্বাসবোধে ঠাসা ভারতীয় জনতা পার্টি নামে ভয়ানক শাসকদলটির কব্জায় এভাবেই গোটা ভারতবর্ষের সভ্যতা আটকা পড়ে রয়েছে। ...more

০৬-নভেম্বর-২০২২

মাহশার ইরান
উর্বা চৌধুরী

Masha's Iran
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ইরানের তেহরানে পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু হয় ২২ বছরের কুর্দি মেয়ে মাহ্শা আমীনির। সে দেশের উচিত কায়দায় হিজাব না পরায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল নীতিশিক্ষা দেওয়ার জন্য। সাক্ষীদের বক্তব্যে জানা যায় যে, বারবার তাঁর মাথায় লাঠি দিয়ে অজস্র নির্মম আঘাত করা হয় সেই হেফাজতে। এরপর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তার মৃত্যু হয়। ...more

২৪-অক্টোবর-২০২২