সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
৯ জুলাইয়ের ধর্মঘট : নয়া উদারবাদের বিরুদ্ধে নতুন মোড়
কে হেমলতা
পুঁজিবাদের ব্যবস্থাগত সংকটের গভীরতা থেকেই জন্ম নিয়েছে এই পরিস্থিতি। ভারত সহ সারা বিশ্বের সমস্ত পুঁজিবাদী দেশেই শাসক শ্রেণি এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে শ্রমিক শ্রেণি ও অন্যান্য শ্রমজীবী অংশের কষ্টার্জিত অধিকার সহ প্রাথমিক গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকারের উপর আক্রমনের মাত্রা বাড়িয়ে চলেছে। মোদী সরকার নিজে এখনও শ্রম কোডের প্রজ্ঞাপন জারি না করলেও এই কোডের প্রজ্ঞাপনের জন্যে রাজ্য সরকারগুলিকে চাপ দিচ্ছে। বিজেপি, কংগ্রেস সহ ডিএমকে, আপ, তেলেগু দেশমের মত রাজনৈতিক দলগুলির নেতৃত্বাধীন বেশিরভাগ রাজ্য সরকার যারা নয়া উদারবাদে আস্থা রাখে তারা শ্রম আইন সংশোধন করছে।

৯ জুলাই, ২০২৫-এর দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটে ঝাঁপিয়ে পড়তে সম্পূর্ণ প্রস্তুত দেশের শ্রমিক শ্রেণি। তার সাথেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে থাকবে কৃষক ও খেতমজুর সহ দেশের সমগ্র কৃষক সমাজ। কৃষকেরা শ্রমিক শ্রেণির প্রতি সংহতি জ্ঞাপন করে সেদিন সারাদেশের রাজপথে প্লাবন আনবেন। বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলি ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাধারণ ধর্মঘটের প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করে তাদের সদস্য সমর্থকদের কাছে আহ্বান রেখেছে ধর্মঘটের প্রশ্নাতীত সাফল্য সুনিশ্চিত করার।
এভাবে দেশের সমস্ত অংশের শ্রমজীবী মানুষের অভূতপূর্ব যোগদানের মধ্য দিয়ে ৯ জুলাইয়ের সাধারণ ধর্মঘট এ যাবৎকালের দেশের সর্ববৃহৎ ধর্মঘটের রূপ নিতে চলেছে। শ্রম কোড বাস্তবায়িত করতে মোদী সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল দশটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও দেশের প্রায় সমস্ত সর্বভারতীয় ফেডারেশন/ সমিতিকে নিয়ে গঠিত ট্রেড ইউনিয়নের যৌথ প্ল্যাটফর্ম। ঐতিহাসিক কৃষক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে মোদী সরকারকে ঘৃণ্য কৃষি আইন প্রত্যাহারে বাধ্য করেছে যে সংগঠন, সেই সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা এই সাধারণ ধর্মঘটে সর্বাত্মক সমর্থন ব্যক্ত করেছে।
এই সাধারণ ধর্মঘটের মূল দাবি যদিও শ্রম কোড বাতিল করা, তবু ট্রেড ইউনিয়ন সমূহের যৌথ প্ল্যাটফর্ম একইসঙ্গে বিগত কয়েক বছর ধরে উত্থাপিত অন্য দাবিগুলিকেও এর সাথে যুক্ত করেছে। এতে শুধু শ্রমিক শ্রেণির দাবিদাওয়াই অন্তর্ভুক্ত নয়। রয়েছে ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য, নগর এলাকায় এমজিএনরেগা-র কার্যকরী বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিরোধ থেকে শুরু করে বেসরকারিকরণ এবং দেশের ধন ও প্রাকৃতিক সম্পদ দেশি বিদেশি বেসরকারি শিল্পমহলকে হস্তান্তর বাতিল করার দাবি।
আমাদের দেশের জনগণ, বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষ আজ এক গুরুতর এবং কঠিন পরিস্থিতির মুখে দাঁড়িয়ে আছে। তাঁদের জীবিকা, প্রাত্যহিক জীবন এবং কর্মক্ষেত্রের উপর এক প্রবল আক্রমণ নেমে এসেছে। শ্রমিক শ্রেণির এক বিরাট অংশের প্রকৃত আয় ক্রমেই কমছে। শ্রমের পরিবেশ খারাপ হচ্ছে প্রতিদিন। মুনাফালোভী শিল্পমহল সপ্তাহে ৭০ ঘন্টা এবং ৯০ ঘন্টার কর্মপ্রহর চাইছে। স্থায়ী কর্মী এখন প্রায় অতীতের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্মসংস্থান যা জুটছে তার সবটাই প্রায় সুরক্ষাহীন ও অস্থায়ী। আমাদের যৌবন এক দোদুল্যমান অনিশ্চয়তায় দাঁড়িয়ে আছে। বল্গাহীন শোষণ ও অবাধে রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্র, জমি সহ প্রাকৃতিক সম্পদ, অরণ্য এবং জলাশয়ের মত দেশের সম্পদ লুন্ঠন সুনিশ্চিত করতে, বৃহৎ শিল্পমহল চাইছে শ্রমিক শ্রেণিকে শৃঙ্খলিত করে কন্ঠস্বর রুদ্ধ করতে। তারা চায় ইউনিয়নহীন কর্ম পরিবেশ ও বাকশক্তিরহিত জনগণ।
কেন্দ্রের মোদীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার নির্লজ্জের মত তাদের ওপরওয়ালা, অর্থদাতা এবং অনুগ্রহকারী বৃহৎ শিল্পমহলের নির্দেশ পালন করে চলেছে। শ্রম কোডের তিনটি সংসদে কোনও আলোচনা ছাড়াই পাশ করে দেওয়াটা তাদের প্রভুভক্তিরই উদাহরণ। এগুলো বলবৎ করতে চাইছে কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শ্রমিক শ্রেণির অর্জিত যৌথ সংগ্রাম ও ধর্মঘটের অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে তাদের ঐক্যবদ্ধ শক্তি ও সাংগঠনিক সক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করতে।
২০১৯ সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেই মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকারের অগ্রাধিকার ছিল নয়া উদারবাদী নীতির অঙ্গ এই তথাকথিত ‘শ্রম সংস্কার’। যদিও তারা ২০১৯ সালেই শ্রম কোড বাস্তবায়ন করতে পারত, কিন্তু সংসদে পাশ হয়ে যাওয়ার প্রায় পাঁচ বছর হয়ে গেলেও, শ্রমিক শ্রেণির কঠিন প্রতিরোধের মুখে আজ অবধি তার বাস্তবায়নের প্রজ্ঞাপন জারি করতে পারেনি। সংকুচিত শক্তি সত্ত্বেও তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর মোদী সরকারের কাছে অগ্রাধিকার এখন শ্রম কোড বাস্তবায়ন। শ্রমিক শ্রেণির অব্যাহত প্রতিরোধের মুখোমুখি হয়ে মোদী সরকার নয়া উদারবাদী কার্যসূচি অব্যাহত রাখা ও শ্রম কোড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মরিয়া হয়ে নিকৃষ্টতার যাবতীয় পন্থা অবলম্বন করছে।
জনগণের অর্থে তৈরি মহাসড়ক, রেলস্টেশন, বিদ্যুৎ পরিবহন এবং বৈদ্যুতিন গণসংযোগ, বন্দর ইত্যাদির মত জনসম্পদ জাতীয় নগদীকরণ প্রণালী বা ন্যাশনাল মোনিটাইজেশন পাইপলাইনের মধ্য দিয়ে বেসরকারি শিল্পমহলকে হস্তান্তর করা হচ্ছে অর্থ আত্মসাতের লক্ষ্যে। সরকারি তহবিলে গচ্ছিত জনগণের কষ্টার্জিত ধন যা উৎপাদন সংশ্লিষ্ট ইনসেনটিভ, মূলধন ব্যয় ইনসেনটিভ বা নিযুক্তি সংশ্লিষ্ট ইনসেনটিভ-এর মাধ্যমে কর খাতে প্রদত্ত হয়েছে, তা লুন্ঠনের পথ সুগম করেছে মোদী সরকার। যুবসমাজকে বিভ্রান্ত করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির নামে এই যাবতীয় কার্যকলাপকে উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে। বাস্তবে তারা কেবলমাত্র অস্থায়ী অসুরক্ষিত কর্মসংস্থানকেই উৎসাহিত করে এবং দেশীয় ও বিদেশি নিয়োগকর্তাদের ভর্তুকি দেয়। যখন স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং দরিদ্রবান্ধব কল্যাণ প্রকল্প ও এমজিএনরেগা-র বরাদ্দ সংকোচন ঘটছে, তখন জনগণের লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বৃহৎ শিল্পমহলকে উপকৃত করতে।
এ ছাড়া সম্প্রতি জন বিশ্বাস আইনের বিভিন্ন ধারার অধীনে শিল্পমহলের শত শত অপরাধকে অপরাধের আওতার বাইরে এনেছে মোদী সরকার। এই সমস্ত অপরাধের জন্যে কারাবাসের দণ্ড প্রত্যাহৃত হয়েছে। শাস্তিকে সীমিত করা হয়েছে কিছু জরিমানার মধ্যে। এই অব্যাহতি প্রদানকে শ্রম আইন লঙ্ঘন সহ অন্যান্য আইন লঙ্ঘনের সবুজ সংকেত ছাড়া আর কী বলা যায়। এরই পাশাপাশি অধিকার আদায়ে শ্রমিক শ্রেণির সম্মিলিত লড়াইকে এমনভাবে অপরাধের আওতায় আনা হয়েছে যে সম্মিলিতভাবে বা ইউনিয়নের মাধ্যমে অভিযোগ দায়ের করাকেও ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১১১ ধারার অধীনে ‘সংগঠিত অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে যা জামিন অযোগ্য কারবাসের মত পুলিশী ব্যবস্থা অবধি গড়াতে পারে। এমনকী শ্রম কোড বাস্তবায়নের আগেই গেট সভা, দপ্তরে সভা, ইশতেহার বিতরণ, স্মারকপত্র পেশের মত গতানুগতিক ট্রেড ইউনিয়নের কাজকর্মকেও. বিশেষ করে সরকারি দপ্তরগুলিতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এটা শ্রমিকদের মধ্যে ভয়ভীতির একটা বাতাবরণ তৈরির পদক্ষেপ ছাড়া আর কিছু নয়।
শুধু শ্রমিক শ্রেণিরই কন্ঠরোধ করার প্রচেষ্টা চলছে না। বুদ্ধিজীবী, সংবাদকর্মী সহ সমস্ত অংশের মানুষ যাঁরাই সরকারের নীতির সমালোচনায় সোচ্চার হচ্ছেন, তাঁদেরকে হেনস্থা ও কারাবাসের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। সারা দেশ সাক্ষী থেকেছে কীভাবে তিনটি কৃষি আইনের বিরুদ্ধে সংগ্রামরত কৃষকদের বিরুদ্ধে কালিমালেপন, হেনস্থা ও আক্রমণ সংগঠিত হয়েছে। শাসক পক্ষ ইউএপিএ, পিএমএলএ এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতা সহ নানা ধরনের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থাবলী গ্রহণ করছে, যার মধ্যে ফুটে উঠছে নয়া ফ্যাসিবাদী চেহারা।
পুঁজিবাদের ব্যবস্থাগত সংকটের গভীরতা থেকেই জন্ম নিয়েছে এই পরিস্থিতি। ভারত সহ সারা বিশ্বের সমস্ত পুঁজিবাদী দেশেই শাসক শ্রেণি এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে শ্রমিক শ্রেণি ও অন্যান্য শ্রমজীবী অংশের কষ্টার্জিত অধিকার সহ প্রাথমিক গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকারের উপর আক্রমনের মাত্রা বাড়িয়ে চলেছে। মোদী সরকার নিজে এখনও শ্রম কোডের প্রজ্ঞাপন জারি না করলেও এই কোডের প্রজ্ঞাপনের জন্যে রাজ্য সরকারগুলিকে চাপ দিচ্ছে। বিজেপি, কংগ্রেস সহ ডিএমকে, আপ, তেলেগু দেশমের মত রাজনৈতিক দলগুলির নেতৃত্বাধীন বেশিরভাগ রাজ্য সরকার যারা নয়া উদারবাদে আস্থা রাখে তারা শ্রম আইন সংশোধন করছে। বেশিরভাগ রাজ্য সরকার শ্রম আইন সংশোধন করে নারীদের জন্যে রাত্রিকালীন কর্মপ্রহর, নির্দিষ্ট সময়সীমার নিযুক্তি চালু করেছে। প্রান্তিক স্তরের শ্রমিক নিয়োগ বৃদ্ধি ঘটিয়ে কারখানা আইন, চুক্তি শ্রমিক আইন এবং আইডি আইন প্রয়োগের বাতাবরণ তৈরি করে নিয়োগকর্তাদের অবাধ ক্ষমতা প্রদান করছে, যাতে তারা খেয়ালখুশিমত ‘নিয়োগ ও বরখাস্ত’ চালাতে পারে। একমাত্র কেরলের বামগণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সরকারই শ্রম আইনে শ্রমিক বিরোধী সংশোধনের প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছে।
এ ছাড়া, আরএসএস ও তাদের অঙ্গ সংগঠনগুলি তাদের হিন্দুত্বের কর্মসূচির মাধ্যমে শাসক শ্রেণিকে সহায়তা করছে। তারা শ্রমিক শ্রেণি ও সাধারণ মানুষের নজর জ্বলন্ত সমস্যাবলী ও নয়া উদারবাদ থেকে ঘুরিয়ে দিতে চায়, বস্তুত যার মধ্যেই নিহিত রয়েছে তাদের জীবন ও জীবিকার উপর নেমে আসা আক্রমণের মূল কারণটি। জঘন্য সাম্প্রদায়িক প্রচারের মাধ্যমে তারা মানুষের ঐক্য বিনষ্ট করে নয়া উদারবাদী আঘাতের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা সংগ্রামকে দুর্বল করতে চায়।
এই পটভূমিতেই ট্রেড ইউনিয়নগুলির যৌথ মঞ্চ দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। আগে স্থির হয়েছিল এই ধর্মঘট হবে ২০ মে, ২০২৫-এ, কিন্তু পহলগামে পর্যটকদের উপর সন্ত্রাসবাদী হামলার পরবর্তী ঘটনাবলী এবং ভারত পাকিস্তানের মধ্যে বর্ধিত সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে ৯ জুলাইকে ধর্মঘটের দিন হিসেবে পুনর্নির্ধারিত করা হয়।
আমাদের দেশে ঘোষিতভাবে নয়া উদারবাদের আত্মপ্রকাশের পর থেকে ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের তরফ থেকে এ যাবৎ মোট ২২টি দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়েছে। কিন্তু ৯ জুলাই, ২০২৫-এর সাধারণ ধর্মঘটকে সেই ধর্মঘটসমূহের অন্যতম পুনরাবৃত্তি হিসেবে দেখলে চলবে না। এটার সাথে যুক্ত হয়ে আছে শ্রমিক শ্রেণির মৌলিক অধিকারের প্রশ্ন- তাঁদের সংগঠন গড়ার অধিকার, তাঁদের যৌথ সংগ্রামের অধিকার এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলির অস্তিত্ব ও শ্রমিক শ্রেণির ঐক্য ও সংগ্রামের সাংগঠনিক অভিব্যক্তির প্রশ্ন। নয়া উদারবাদের আক্রমণ রুখে দেওয়ার তীব্রতর সংগ্রামের এক নতুন পর্যায়কে সূচিত করছে এই ধর্মঘট। তৃণমূল স্তর থেকে শ্রমিক কৃষকের ঐক্য সহ সমস্ত অংশের শ্রমজীবী জনগনের ঐক্য রচনা করার লক্ষ্যকে সামনে রেখে ধর্মঘট ও সাধারণ হরতালের প্রচার সংগঠিত হয়েছে। সমস্ত দিক দিয়ে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ নয়া উদারবাদী ব্যবস্থার বদল ঘটিয়ে শ্রমিক স্বার্থবাহী, জনস্বার্থবাহী নীতির ভিত্তিতে এক নতুন শাসন প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের সূত্রপাতই ঘটবে এই ধর্মঘটে।
ভাষান্তর: শুভপ্রসাদ নন্দী মজুমদার
প্রকাশের তারিখ: ০৭-জুলাই-২০২৫
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
