সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
একটি প্রত্যয়ের নাম আমিরচাঁদ
বাসব বসাক
...এহেন মহতী কাজের কারনে যদি মৌলবাদের চাপে অপদার্থ প্রশাসনের অপ্রয়োজনীয় অতিসক্রিয়তায় জেল খাটতে হয় তবে তার থেকে লজ্জার ঘটনা আর কিই বা হতে পারে! এই ঘটনা, সন্দেহ নেই ভারতের সংবিধানের ওপর এক বড়সর আঘাতকেই সূচিত করে। পাশাপাশি মৌলবাদী শক্তি ও প্রোমোটাররাজের কাছে প্রশাসনের নির্লজ্জ আত্মসমর্পণের দলিল হয়ে ওঠে এই ঘটনা।

একদা নবজাগরণের পীঠস্থান এই বঙ্গভূমির নদীয়া জেলা সদর কৃষ্ণনগর শহরের অদূরে অতি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া যে অনভিপ্রেত ঘটনা নবজাগরণের মূল ভিতটিকেই এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে তা এককথায় অভূতপূর্ব এবং একই সঙ্গে প্রতিটি প্রগতিপন্থী ও বিজ্ঞানমনস্ক নাগরিকের কাছে গভীর লজ্জা, দূরপনেয় বিরক্তি ও চরম ক্ষোভের কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‘এখন আমার ক্ষুব্ধ হওয়ার সময় হল'
কি এমন ঘটেছিল এই সেদিন ফেব্রুয়ারির আট তারিখ কৃষ্ণনগর সদর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে কৃষ্ণনগরের এক নম্বর ব্লকের কোতোয়ালি থানা এলাকার অন্তর্গত সেনপুর গ্রামে? ওই গ্রামের এক স্বল্পশিক্ষিত ইসলাম ধর্মাবলম্বী মা রাবেয়া বিবি বেশ কয়েক বছর আগেই ১৭ অক্টোবর, ২০২৪ মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে ‘মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াবা'র তীব্র কাঙ্খা থেকে চক্ষুদানের অঙ্গীকারপত্রে সাক্ষর করেছিলেন। ওই দিন রাবেয়া বিবির বার্ধক্যজনিত কারনে স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটলে রীতিমাফিক চিকিৎসকের সাক্ষরিত মৃত্যু সংক্রান্ত শংসাপত্র পাওয়ার পর মায়ের ইচ্ছাকে যথোচিত মর্যাদা দিয়ে তাঁর পুত্র আমির চাঁদ শেখ অন্যান্য ভাইবোনদের সঙ্গে পরামর্শ ক্রমে মৃতা মায়ের চক্ষুদানের মতো মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং আইন মেনে অজয় কে মেমোরিয়াল আই কালেকশন সেন্টারের সহযোগিতায় মৃতা রাবেয়া দেবীর কর্ণিয়া সংগ্রহ ক'রে সরকারি বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে কর্নিয়াদুটি দান করেন।
বিজ্ঞানমনস্কতার ওপর নগ্ন আঘাত
গত আট ফেব্রুয়ারি মৃতা রাবেয়া দেবীর চক্ষুদান পর্ব মিটতে না মিটতেই শাসক দলের মদত পুষ্ট ডজন খানেক মৌলবাদী দুষ্কৃতি আমির চাঁদের বাড়িতে চড়াও হয় এবং আমিরচাঁদরা তাদের মায়ের কর্নিয়া থেকে কিডনি ও অন্যান্য দেহাংশ গোপনে চড়া দামে পাচার করে দিচ্ছেন এমন উদ্ভট প্রচার ক'রে গ্রামবাসীদের ক্ষেপিয়ে তোলে। শুরু হয় আমিরের বাড়িতে ভাঙচুর ও গোটা পরিবারের চরম হেনস্থা। এই সময় কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে অবতীর্ণ হয়ে আমির ও তার পরিবারের আরও চার সদস্যকে নিরাপত্তার কথা বলে থানায় নিয়ে যায়। ইতিমধ্যে শাসক ঘনিষ্ট বলে পরিচিত জনৈক রশিদ শেখ আমির চাঁদের বিরুদ্ধে মৃতা মায়ের দেহাংশ বিক্রির অভিযোগ এনে একটি অভিযোগ পত্র থানায় জমা দিলে রাত একটা নাগাদ থানার অন্যান্য পুলিশ কর্মীদেরকেও অবাক করে থানার প্রধান আধিকারিক অমলেন্দু বিশ্বাস, কি এক অজ্ঞাত কারনে আমিরচাঁদদের গ্রেপ্তার ক'রে হাজতে পোরেন এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩০৩(২), ৩৫১(২), ৩(২) এর মত একাধিক ধারায় চুরি, দুষ্কৃতিকারী কার্যক্রমের স্বাভাবিক প্রবণতা, সাধারণ কু-উদ্দেশ্য ইত্যাদি অভিযোগে মামলা রুজু করেন ও পরদিন তাদের স্থানীয় আদালতে তোলা হয়। সেখানে মহামহিম বিচারক মহোদয়, কেন কে জানে, বৃক্ক বা কিডনি পাচার হয়েছে কিনা তা যাচাই করতে রাবেয়া বিবির মৃতদেহ পোস্টমর্টেম করার এবং আমিরচাঁদদের চারদিনের জেল হেফাজতের অদ্ভুত নির্দেশ দেন। কিডনি চুরির ঘটনা ঘটে থাকলে মৃতার পেটে তার স্পষ্ট ক্ষত চিহ্ন যে থাকবেই এ কথা আদালতের কেন যে একবারও মনে হল না তা মহামান্য আদালতই জানেন। ফলে এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং গণদর্পন, বিজ্ঞানমঞ্চ, এপিডিআর সহ ছোট বড় প্রায় ৪০ টি বিজ্ঞান, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সংগঠন এই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামে। কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার বাইরে বিক্ষোভ সভার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন জেলা কেন্দ্রে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের ঝড় ওঠে। অবশেষে তিন দিন পর পোস্টমর্টেম রিপোর্ট কর্নিয়া ছাড়া কিডনিসহ বাকি সব অঙ্গই অক্ষত থাকার কথা নিশ্চিত করলে এবং রাবেয়া বিবি সাক্ষরিত চক্ষুদানের অঙ্গীকারপত্র ও বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজের দেওয়া কর্নিয়া দানের শংসাপত্রের ভিত্তিতে জামিন পান আমিরচাঁদরা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আমিরচাঁদ গত আট তারিখেই মায়ের সাক্ষরিত স্বেচ্ছা অঙ্গীকারপত্র এবং বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজের কর্নিয়া প্রাপ্তিপত্র দেখিয়েছিলেন। এতদসত্বেও শাসক আশ্রিত মৌলবাদী শক্তির কাছে মাথা নত ক'রে কোতোয়ালি থানার আধিকারিকের এহেন অতিসক্রিয়তা শুধু দুঃখজনকই নয়, সংবিধানের ৫১ এএইচ ধারারও পরিপন্থী যেখানে স্পষ্ট করেই বলা আছে বিজ্ঞানমনস্কতার প্রসার ও প্রচার প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক দায়িত্ব।
কেন এই আক্রমণ
মনে রাখা ভাল এই আমীর চাঁদ ওই এলাকারই একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কিশোরদের মুক্তমনা সংগঠন কিশোরভারতী থেকে শুরু ক'রে একাধিক বিজ্ঞান ও পরিবেশ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে পিছিয়ে পড়া সাধারণ গরীব সংখ্যালঘু মানুষের মধ্যে বিজ্ঞান ও পরিবেশ চেতনার বিকাশে দীর্ঘকাল ধরে ধারাবাহিক ভাবে আপোষহীন সংগ্রামে নিরত আছেন। অঞ্জনা ও জলঙ্গী নদী বাঁচাও আন্দোলনেরও তিনি অন্যতম অগ্রণী সংগঠক। ইদানিং অঞ্জনা নদীর তীরে শাসক তৃনমূলের মদতে চলছিল প্রোমোটার রাজের রমরমা। বছর খানেক আগে অঞ্জনা নদী ও তার পরিবেশ বাঁচাতে এলাকার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি পদযাত্রার মূল সংগঠক ছিলেন এই আমিরচাঁদই। ওই ঐতিহাসিক পদযাত্রার ফলে প্রশাসন কার্যত বাধ্য হয় অঞ্জনা তীরবর্তী একাধিক বেআইনি নির্মান ভেঙ্গে ফেলতে। স্বভাবতই শাসক তৃণমূল ও তার ঘনিষ্ট প্রোমোটারদের ক্ষোভ ছিলই আমিরের প্রতি। উপরন্তু সেনপুর গ্রামে নতুন ক'রে মসজিদ বানানোতেও তার সায় ছিল না এবং মসজিদ নির্মান তহবিলে অর্থ সাহায্য করতেও তার ঘোরতর আপত্তি ছিল। ফলে মৌলবাদী শক্তি সুযোগের অপেক্ষায় ছিলই। কিন্তু বাংলা জুড়ে যে প্রশ্নটা এই মুহূর্তে মানুষের মুখেমুখে ঘুরছে তা হল মৌলবাদের কাছে আত্মসমর্পণকারী কোতোয়ালি থানার পুলিশ আধিকারিকের ন্যক্কারজনক ভূমিকা। খবরে প্রকাশ আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগ না দিয়েই তিনি অতিসক্রিয়তা দেখিয়ে মধ্যরাতে গ্রেপ্তার করেছেন বিজ্ঞান চেতনার বিকাশে অগ্রণী সৈনিক আমিরচাঁদকে। শুধু তাই নয়, মৃতার চক্ষুদানের ইচ্ছাপত্রে তাঁর প্রত্যেক সন্তানের সাক্ষর বাধ্যতামূলক এমন হাস্যকর দাবি ক'রে তিনি প্রমান করেছেন Transplantation of Human Organ Act, 1994 (THOA, 1994) সম্পর্কে তাঁর চূড়ান্ত অজ্ঞতা। কেননা ১৯৯৪ সালের আইনে স্পষ্ট করেই বলা আছে চক্ষু বা যে কোনো অঙ্গদানের ক্ষেত্রে মৃতার জীবদ্দশায় করা অঙ্গীকারপত্র বাধ্যতামূলক না হলেও অঙ্গদানের আগে যে কোনো একজন নিকটাত্মীয়ের (next to kin) অনুমোদন কিন্তু আবশ্যিক। আর এইডস, হেপাটাইটিস বি ও সি, ক্যানসার, সেপ্টিসেমিয়া অথবা র্যাবিজ ভাইরাস সংক্রমণ বাদ দিয়ে ছানি পড়া থেকে অন্য আর যে কোনো সংক্রমণ থাকলেও মৃত্যুর ছ ঘন্টার মধ্যে যে কোনো বয়সের মৃতের কর্নিয়া সংগ্রহ করা যেতেই পারে। অবশ্য এই কর্নিয়া দান হতে হবে সম্পূর্ণ স্বেচ্ছামূলক ও ন্যায়সঙ্গত এবং দাতা ও গ্রহীতার পরিচয় গোপন রাখাটা বাধ্যতামূলক। তাই ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠে গেছে একি তার অজ্ঞতা প্রসূত উক্তি, নাকি শাসক ঘনিষ্ট মৌলবাদী শক্তির প্রতি দায়বদ্ধতা প্রসূত স্তাবকতা!
কর্নিয়া সংগ্রহ কেন প্রয়োজন
এই মুহূর্তে বিশ্বের মোট দৃষ্টিহীন মানুষের ২০ শতাংশেরই বাস ভারতে। সংখ্যাটা প্রায় ১ কোটি ২৫ লক্ষ। এদের মধ্যে এক পঞ্চমাংশ, মানে ২৫ লক্ষের অন্ধত্বের কারন কর্নিয়া জনিত ত্রুটি, যা কর্নিয়া প্রতিস্থাপন দ্বারা সহজেই সারিয়ে তোলা সম্ভব। ভারতে প্রতি বছর নতুন করে কর্নিয়া ত্রুটি জনিত অন্ধত্বের শিকার হন ২৫০০০ নতুন রোগী যাদের বেশির ভাগই শিশু ও যুবক। কেবল এ রাজ্যেই প্রয়োজন হয় গড়ে বছরে ১২০০০ কর্নিয়া। এ দেশে বছরে গড়ে মৃত্যু ঘটে ৮০ লক্ষ মানুষের অথচ কর্নিয়া সংগ্রহ সম্ভব হয় মাত্র গড়ে ১৫০০০ টি। অথচ ভারতে প্রথম আই ব্যাঙ্ক স্থাপিত হয়েছিল বিশ্বের প্রথম আই ব্যাঙ্ক স্থাপনের এক বছরের মধ্যেই ১৯৪৫ সালে চেন্নাইয়ে। আর প্রথম সফল কর্নিয়া প্রতিস্থাপন হয়েছিল ১৯৪৮ সালে। তবু আজও চক্ষুদান ততখানি জনপ্রিয় করা যায় নি এখনো। দাতার সাক্ষরিত অঙ্গীকারপত্র সংগ্রহেও আশানুরূপ অগ্রগতি হয়েছে এমনটা বলা যাবে না। ইদানিং সময়কালে সর্বোচ্চ চক্ষুদাতা পাওয়া গেছিল ২০১৭-১৮ সালে, মোট ৭১৭০০ জন। দুঃখজনক হলেও এটা সত্য যে আমাদের দক্ষিণের প্রতিবেশী দেশ ছোট শ্রীলঙ্কা এ বিষয়ে আমাদের থেকে এগিয়ে আছে অনেকটাই। চক্ষুদান ওদেশে এতটাই জনপ্রিয় যে প্রায়শই ওদেশ থেকে আমাদের আমদানি করতে হয় সংগৃহীত কর্নিয়া। মনে রাখতে হবে ভারতে, বিশেষত বাংলায় কর্নিয়া দানের জনপ্রিয়তার পিছনে এরাজ্যের জনবিজ্ঞান ও জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের ভূমিকা প্রশ্নাতীত। গণদর্পন বা পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের মত আরও কিছু সংগঠনের লাগাতার প্রয়াস ও আন্দোলন বর্তমান সময়কালে চক্ষুদান ও দেহদান সম্পর্কে জনগনের প্রভূত আগ্রহ সৃষ্টি করতে পেরেছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আমিরচাঁদ নিজেও একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্নিয়া সংগ্রাহক। এমন মানুষকে এহেন মহতী কাজের কারনে যদি মৌলবাদের চাপে অপদার্থ প্রশাসনের অপ্রয়োজনীয় অতিসক্রিয়তায় জেল খাটতে হয় তবে তার থেকে লজ্জার ঘটনা আর কিই বা হতে পারে! এই ঘটনা, সন্দেহ নেই ভারতের সংবিধানের ওপর এক বড়সর আঘাতকেই সূচিত করে। পাশাপাশি মৌলবাদী শক্তি ও প্রোমোটাররাজের কাছে প্রশাসনের নির্লজ্জ আত্মসমর্পণের দলিল হয়ে ওঠে এই ঘটনা।
জনতার দাবী
কোতোয়ালি থানার পুলিশ বিজ্ঞান মঞ্চ সহ একাধিক সংগঠনের নেতৃত্বকে কথা দিয়েছিলেন এক সপ্তাহর মধ্যেই তিনি তথাকথিত ভুয়ো অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তি নিশ্চিত করবেন। সেই সময়সীমা পার হতে চলেছে। যদি অভিযোগকারী এখনো গ্রেপ্তার না হয় তাহলে রাজ্য প্রশাসনের ওপর দায়িত্ব বর্তায় ওই আধিকারিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ক'রে চক্ষুদান ও দেহদানের পক্ষে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা। পাশাপাশি বিজ্ঞান ও জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলাটা আজ সময়ের দাবি। যে কোনো ধরনের মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠুক আমাদের শানিত বিজ্ঞান চেতনা। যুক্তিবাদের মশাল হাতে আমাদের চলার পথে এভাবেই বিজ্ঞানমনস্কতার আলোকদ্যূতি ছড়িয়ে দিক এমন অসংখ্য আমিরচাঁদ। আমরা যেন ঘুনাক্ষরেও বিস্মৃত না হই উনবিংশ শতকের মার্কিন লেখক সাংবাদিক ও চিন্তাবিদ্ জন জে চ্যাপম্যানের সেই চিরায়ত ও অমোঘ কথন, ‘যাবতীয় একনায়কতন্ত্রের ভিত্তিই হল কুসংস্কার’- ‘It is the old story: there has never been a despotism which did not rest upon superstition.’
প্রকাশের তারিখ: ২২-ফেব্রুয়ারি-২০২৬
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay







