Latest Edition

সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

মমতার সংখ্যালঘু উন্নয়নের স্বরূপ

গৌতম রায়
মুসলমান সমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নতির লক্ষ্যে আজ পর্যন্ত একটাও সঠিক পদক্ষেপ মমতা নেননি। অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মুসলমান সমাজে আধুনিক শিক্ষা প্রসারে মমতা প্রকৃতপক্ষে কোনও ভূমিকা পালন করেননি। ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা ঘিরে বহু আকাশ ছোঁয়া প্রতিশ্রুতি মমতা দিয়েছিলেন ক্ষমতায় আসার আগে। মমতার পনেরো বছরের শাসনকালে পশ্চিমবঙ্গের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার মতোই মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাও প্রায় ধ্বংসের মুখে।
The nature of Mamata's minority development

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পনেরো বছরের শাসনে পশ্চিমবঙ্গে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা কেমন আছেন? সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের পরামর্শেই মমতা নিজেকে মুসলমান সমাজের মসীহা হিসেবে তুলে ধরতে শুরু করেছিলেন, নাকি এই পরামর্শ তাঁকে আরএসএস দিয়েছিল— এই তর্কে না গিয়ে প্রথমেই যেটা বলতে হয়, ক্ষমতায় আসবার জন্যে দাবার ঘুঁটির চাল হিসেবে মমতা বেছে নিয়েছিলেন সংখ্যালঘু মুসলমানদের।

বামফ্রন্ট সরকার তার সীমাবদ্ধ ক্ষমতার মধ্যেই মুসলমান সমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নতির লক্ষ্যে দৃঢ় সংকল্পিত ছিল। কিন্তু বামফ্রন্ট সরকার, মুসলমান সমাজের উন্নতির মানে কখনোই মনে করতো না, কেবলমাত্র ধর্মীয় অনুসঙ্গের মধ্যে ডুবে থাকলেই মুসলমানদের উন্নতি হবে। ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের মুসলমান সমাজেরই স্বঅর্জিত টাকা দিয়ে, সরকার মুসলমানদের উন্নতি করছে— এমন ভাঁওতাবাজির পথেও বামফ্রন্ট সরকার কখনো হাঁটেনি।

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে দ্বিতীয় ইউপিএ সরকারের মন্ত্রী হিসেবে মুসলমানদের উন্নতির লক্ষ্যে মমতা এমন কিছু আজগুবি রাজনৈতিক স্টান্ট দিতে শুরু করলেন, যেগুলি সাংবিধানিক স্বীকৃতি তো দূরের কথা, সেগুলি সংবিধান সম্মত-ও নয়। যেমন, তখন মমতা বলেছিলেন; রেলের পক্ষ থেকে তিনি কেবলমাত্র মুসলমানদের জন্যে হাসপাতাল তৈরি করে দেবেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করে দেবেন ইত্যাদি। কিন্তু ভারতীয় সংবিধানে কেবলমাত্র ধর্মীয় ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে এই ধরণের কোনও প্রতিষ্ঠান গড়া সম্ভব নয়। নাগরিক স্বার্থে, ধর্মকে ব্যবহার করে এই ধরণের কথা বলা, ভারতীয় সংবিধান মোতাবেক উস্কানিমূলক কথার পর্যায়ভুক্ত।

মমতা, বামফ্রন্ট সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে মুসলমান সমাজের আস্থা অর্জনে নিজের সঙ্গী করেন একটা বড় অংশের মুসলমান ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের। ওইসব ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের মধ্যে কতজন প্রকৃতপক্ষে ধর্মপ্রাণ ছিলেন, সেদিন বামপন্থীদের তোলা সেই প্রশ্ন, আজ দিনের আলোর মত সত্য হয়ে উঠেছে। ইমামতি’র একটা ধর্মীয় পরম্পরাগত ঐতিহ্য আছে। মমতা, বামফ্রন্টকে উৎখাত করতে এমন একজনকে নিয়ে মুসলমান সমাজকে ধোঁকা দিতে নেমেছিলেন, যার ইমামতি নিয়েই মুসলমান সমাজের ভিতরে বহু প্রশ্ন ছিল। দ্বিধা ছিল। সংশয় ছিল।

কলকাতার টিপু সুলতান মসজিদের যে ইমামকে মমতা ‘শাহি’ ইমাম বলে পরিচিত করেছিলেন, যাঁর পিতা ছিলেন রেলকর্মী। ইমামতির যে ধারাবাহিকতার বিষয়টি ইসলামে অনুসরণ করা হয়, মমতার সেই ‘শাহি’ ইমাম, বরকতির তা ছিল না। সেদিন মহম্মদ সেলিম বলেছিলেন- কেবল পরোটা দিয়ে আর মমতার চলছে না। তাই সে এখন ‘মোগলাই’ পরোটা নিয়ে এসেছে।

যাকে সামনে রেখে মুসলমান সমাজকে প্রতিশ্রুতির নামে ধোঁকা দেওয়ার কাজটা মমতা আরএসএসের নির্দেশে শুরু করেছিল, টিপু সুলতান মসজিদের সেই ইমাম বরকতিকে, মমতা ক্ষমতায় আসবার কিছুকাল পরে মুসলমান সমাজই ইমাম পদ থেকে সরিয়ে দেয়। ভারতীয় সংবিধান বহির্ভূত বিষয়গুলিকে প্রতিশ্রুতির আকারে তুলে ধরে একজন মুসলমানকে দিয়েই, মুসলমান সমাজের সঙ্গে মমতার এই প্রতারণা সেই সমাজেরই বরিষ্ঠ মানুষজনেরা কোনও অবস্থাতেই মেনে নিতে পারেননি।

কেবল ওই তথাকথিত ‘শাহী’ ইমাম, বরকতিই নয়। গ্রামেগঞ্জে বহু সাধারণ মুসলমান ধর্মীয় মানুষজনদের ভুল বুঝিয়ে মমতা এমনভাবে নিজের দলের হয়ে প্রচারে ব্যবহার করেছেন, যার ফলে মুসলমান সমাজের অভ্যন্তরেই একটা পারস্পরিক লড়াইয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মুসলমানকে নিজেদের মধ্যে লড়িয়ে দেয়ার এই কৌশল মমতা আত্মস্থ করেছেন আরএসএসের কাছ থেকে। সঙ্ঘের প্ল্যান মাফিক এই কাজে মমতা অনেকটা এগিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত মুসলমান সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ বুঝতে পেরেছেন, তাঁদেরকে দাবার ঘুঁটি করে কী ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করতে চাইছে মমতা। তাই আজ মুসলমান সমাজ মমতার এই রাজনৈতিক শঠতা বুঝতে পেরে একটা বড় রকমের দূরত্ব তৈরি করেছে মমতা এবং তাঁর দল থেকে।

ক্ষমতায় আসবার অল্প কিছুদিন পরেই ওয়াকফের টাকায় মমতা, ইমাম-মোয়াজ্জিনদের নামমাত্র কিছু ভাতা দিতে শুরু করে। ওয়াকফের টাকা মুসলমানের নিজস্ব অর্জন। কিন্তু ইমাম-মোয়াজ্জিনদের সেই ওয়াকফের টাকা দিয়েই ভাতা দেয়ার বিষয়টাকে মমতা এমন ভাবে প্রচার করেন যাতে সাধারণ মানুষ মনে করেন, সরকারি কোষাগার থেকে ভাতার টাকা দেওয়া হচ্ছে।

মমতা কেবলমাত্র তাঁর নিজের বা দলের কিংবা সরকারের সাফল্য তুলে ধরতেই এই প্রচার করেননি। তাঁর ওই প্রচারের উদ্দেশ্য ছিল বিভাজনের রাজনীতিকে উসকে দেওয়া, যাতে আরএসএসের রাজনৈতিক সংগঠন বিজেপি, ভোট রাজনীতিতে সুবিধা করে ওঠে। এই কাজ মমতা করেছিলেন ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে, তাঁর প্রাণভ্রমরা আরএসএসের রাজনৈতিক সংগঠন বিজেপিকে কেন্দ্রে ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করতে। মমতার রাজনৈতিক অস্তিত্ব তৈরিতে হিন্দু সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিবাদি সংগঠন আরএসএসের বিশেষ ভূমিকা আছে। সঙ্ঘের রাজনৈতিক সংগঠন বিজেপিকে তাই পশ্চিমবঙ্গের বুকে পা রাখবার জায়গা মমতা সেই গত শতকের নয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকেই প্রত্যক্ষ ভাবে করে দিচ্ছেন।

২০১৪ সালে একক গরিষ্ঠতা নিয়ে সঙ্ঘের রাজনৈতিক সংগঠন বিজেপি কেন্দ্রে সরকার তৈরি করবার আগেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-সহ অন্যান্য অনেকের বদান্যতায় ক্ষমতায় এসেই মমতা ইমাম ভাতা প্রবর্তনের মধ্যে দিয়ে হিন্দু সাম্প্রদায়িক শিবিরের বিভাজনের রাজনীতিকে শাঁসে-জলে জোরদার করে তোলে। যার পরিণতিতে ‘১৪ র লোকসভা ভোটের আগেই এই রাজ্যে প্রবল হয়ে ওঠে পুরোহিত ভাতার দাবি। খুব মৃদু স্বরে শোনা যেতে থাকে খ্রিস্টান ধর্মযাজকদের ভাতার বিষয়টিও। 

আরএসএসের পরামর্শে মমতা একদিকে ধর্মের রাজনৈতিক আবর্তে ডুবিয়ে দেয় গোটা মুসলমান সমাজকে। অপর দিকে ধর্মের ভিত্তিতে এক একটি সম্প্রদায়কে চিহ্নিত করে, বিভাজনের রাজনীতিকে উসকে দিতে শরাণাপন্ন হয় ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহারের একটা নগ্ন পর্যায়ে। সাধারণ মানুষকে ভুলিয়ে দেয় রুটি-রুজির লড়াই। ভুলিয়ে দেয়, বেঁচে থাকবার তাগিদকে। মানুষকে ভুলিয়ে দেয় তার মানবসত্তা। মানুষকে মেলে ধরতে সচেষ্ট করে তোলা হয় কেবলমাত্র তার ধর্মীয় পরিচয়ের নিরিখে। 

ওয়াকফের টাকায় মমতার ইমাম, মোয়াজ্জিনদের ভাতা দেয়ার পিছনে মুসলমান সমাজের ভালো করবার কোনও ইচ্ছে কাজ করেনি। কাজ করেছিল, সর্বস্তরের হিন্দু সমাজের ভিতরে মুসলমানদের ঘিরে একটা বিভাজনের পরিবেশ তৈরি করা। মমতা, মুসলমানদের বেশি সুযোগ দিচ্ছেন, মুসলমানদের ঘিরে মমতারই তৈরি মিথ্যার ফানুসে বিশ্বাসী হয়ে, হিন্দু সমাজের একটা অংশ যাতে নিজেদের বঞ্চিত বলে মনে করেন, সেটাই ছিল মমতার উদ্দেশ্য। হিন্দু সমাজের বড় অংশের এই মনস্তাত্ত্বিক প্রতিফলন যাতে বিজেপির ভোটের বাক্সে যায়— সেই ব্যবস্থাটাকে পাকা করতেই, মুসলমানের উন্নতির নামে, তাঁদের আর্থ-সামাজিক উন্নতির কথা না ভেবে, কিছু ধর্মীয় আবর্তে থাকা মানুষকে, তাঁদেরই হকের টাকায় ভাতা দিয়ে, তাঁদের সর্বনাশের পথটা চূড়ান্ত করেছিলেন মমতা।

এছাড়াও মুসলমান সমাজে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের যাতে ধর্মীয় নেতৃত্বে থাকা মানুষদের প্রতি একটা ঈর্ষা, বিরক্তি তৈরি হয়, যার জেরে মুসলমান, মুসলমানের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে, তাঁদের নিজেদের মধ্যে একটা লড়াইয়ের মানসিকতা তৈরি হয়, মুসলমানদের মধ্যে একটা গৃহযুদ্ধের পরিবেশ তৈরি হয়— এই ইমাম-মোয়াজ্জিন ভাতার পিছনে সেটাও ছিল মমতার উদ্দেশ্য। হিন্দু সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদী শক্তিকে পায়ের তলায় জমি করে দিতে, তাদের সঙ্গে অভিন্ন শ্রেণি স্বার্থে অবস্থান করা মুসলিম সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদী শক্তিও যাতে গায়ে গতরে বেড়ে ওঠে— এসবও ছিল মমতার গোপন অ্যাজেন্ডা।

মুসলমান সমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নতির লক্ষ্যে আজ পর্যন্ত একটাও সঠিক পদক্ষেপ মমতা নেননি। অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মুসলমান সমাজে আধুনিক শিক্ষা প্রসারে মমতা প্রকৃতপক্ষে কোনও ভূমিকা পালন করেননি। ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা ঘিরে বহু আকাশ ছোঁয়া প্রতিশ্রুতি মমতা দিয়েছিলেন ক্ষমতায় আসার আগে। মমতার পনেরো বছরের শাসনকালে পশ্চিমবঙ্গের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার মতোই মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাও প্রায় ধ্বংসের মুখে। হুগলীর শতাব্দী প্রাচীন হুগলী মাদ্রাসা মমতার ক্ষমতায় আসার অব্যবহিত পর থেকেই বন্ধ।

মাদ্রাসা শিক্ষার যে আধুনিকীকরণ, বিজ্ঞানমুখী পাঠক্রম বামফ্রন্ট সরকারের আমলে ঘটেছিল, মমতার পনেরো বছরের শাসনকালে তার উন্নতি তো দূরের কথা, সবটাই প্রায় ধ্বংসের মুখে। সরকার অনুমোদিত মাদ্রাসার পরিবর্তে অ-অনুমোদিত খারিজি মাদ্রাসার প্রতি মমতার পক্ষপাতিত্ব ছিল। ওই খারিজি মাদ্রাসাগুলোর সরকারি অনুমোদন ঘিরে অনেক গগনচুম্বী প্রতিশ্রুতি মমতা দিয়েছিলেন। গত পনেরো বছরে ওইসব অ-অনুমোদিত মাদ্রাসাগুলির মধ্যে একটিও সরকারি স্বীকৃতি পায়নি। সেসব মাদ্রাসার শিক্ষকেরা আজ মমতার মিথ্যে প্রতিশ্রুতির শিকার। কিছু কিছু অ-অনুমোদিত মাদ্রাসার শিক্ষকদের সামান্য কিছু আর্থিক সহায়তা সরকারের পক্ষ থেকে করা হতো। মমতা, যিনি নিজে সংখ্যালঘু উন্নয়ন দপ্তরের ও মন্ত্রী, ওইসব অননুমোদিত মাদ্রাসা শিক্ষকদের ভাতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি পালন না করে আজ এমন একটা অবস্থা তৈরি করেছেন, যার দরুন সেইসব শিক্ষকেরা দিনের পর দিন কলকাতা শহরের বুকে অবস্থান বিক্ষোভ পালন করছেন। তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার ভেঙে দিতে মমতার সরকারের পুলিশ সব রকমের জুলুম চালিয়ে যাচ্ছে সর্বশক্তি দিয়ে।

মমতার পনেরো বছরের শাসনে রাজ্যের প্রায় প্রতিটি মাদ্রাসার বাড়িগুলো আছে। সেগুলোতে নীল সাদা রঙ হয়েছে। সেই রঙের বরাত পেয়েছে তৃণমূলের লোকেরা। কিন্তু ছাত্রদের পঠনপাঠনের উপযোগী সমস্ত রকমের পরিকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। ইস্কুলের বেঞ্চ, চেয়ার-টেবিল সবই প্রায় ধ্বংসস্তুপ। নিজেকে মুসলমান সমাজের মসীহা হিসেবে তুলে ধরতে এই মমতাই মাদ্রাসা ঘিরে ক্ষমতায় আসবার আগে বহু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ক্ষমতায় এসে, মুসলমানদের সব সমস্যার সমাধান করে দিয়েছি— এই দম্ভোক্তি করে চলেছেন।

গোটা রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে যেমন তৃণমূল কংগ্রেস ধ্বংস করে দিয়েছে, তেমনই মাদ্রাসা শিক্ষার ধ্বংস ও তাদের দ্বারাই ঘটেছে। মাদ্রাসা শিক্ষাকে ঘিরে এমন একটা পরিবেশ গত পনের বছরে মমতা তৈরি করেছেন, যাতে বিভাজনের রাজনীতিই শক্তিশালী হয়েছে। মুসলমান সমাজের উন্নতির নাম করে মাদ্রাসা শিক্ষা ঘিরে গত পনেরো বছর ধরে মমতা ধারাবাহিক অসত্য কথা বলে চলেছে। ফলে মুসলমান সমাজ ঘিরে একটা ঈর্ষার পরিবেশ তৈরির কাজটা হিন্দুত্ববাদী শক্তি খুব সফল ভাবেই করতে পেরেছে গত পনেরো বছর ধরে।


প্রকাশের তারিখ: ২৭-এপ্রিল-২০২৬
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:


আপনার মতামত

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।



অন্যান্য মতামত:

Donate Now
আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নির্বাচন ২০২৬ বিভাগে প্রকাশিত ৯১ টি নিবন্ধ
২৭-এপ্রিল-২০২৬

২৬-এপ্রিল-২০২৬

২১-এপ্রিল-২০২৬

২০-এপ্রিল-২০২৬

১৯-এপ্রিল-২০২৬

১৮-এপ্রিল-২০২৬

১৭-এপ্রিল-২০২৬

১৬-এপ্রিল-২০২৬

১৪-এপ্রিল-২০২৬

১৩-এপ্রিল-২০২৬