সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
মেহনতি মানুষের প্রতিরোধ গড়ে তোলার ব্রিগেড
সুকান্ত কোঙার
রাজ্যে একটা গুন্ডাদের সরকার চলছে। সরকারি প্রকল্প ও অনুদানকেও নির্লজ্জভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে রাজনৈতিক স্বার্থে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধিতা করলে সরকারি অনুদান থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আর এই গুন্ডামিকে ব্যবহার করে লাগামহীন দুর্নীতি করা হচ্ছে। রাজ্যে এমন কোনও ক্ষেত্র নেই যেখানে দুর্নীতি নেই। পরীক্ষায় শূন্য পেলেও টাকার জোরে শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে- একেবারে অযোগ্যরাও এম ডি চিকিৎসক হচ্ছে। নারী নির্যাতন নিত্যকার ঘটনা। ধর্ষক এবং চোর-গুন্ডারা এই রাজ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়। সাজানো ঘটনা, মিথ্যা ঘটনা ইত্যাদি কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী ধর্ষকদের আড়াল করছেন।

সকলের জন্য কাজ, বাঁচার মতো মজুরি, ৬০ বছরের পরে বাঁচার মতো পেনশন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় উপযুক্ত মানের বিনামূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের ব্যবস্থা করা, জনগণের টাকায় তৈরি হওয়া রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থা বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে, রাজ্যে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে, অভয়ার বিচারের দাবিতে, নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে, কৃষকের ফসলের লাভজনক দামের দাবিতে, শ্রম কোডের মাধ্যমে ইউনিয়নবিহীন শিল্প গড়ে তোলার বিরুদ্ধে, রেলযাত্রী নিরাপত্তার দাবিতে, রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক বস্তি উচ্ছেদের বিরুদ্ধে, স্মার্ট মিটারের নামে বিদ্যুৎ বন্টনের বেসরকারিকরণের মাধ্যমে বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে সিআইটিইউ, সারা ভারত কৃষক সভা, সারা ভারত ক্ষেতমজুর ইউনিয়ন এবং বস্তি সংগঠনের ডাকে আগামী ২০ এপ্রিল ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। এই সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে খেটে খাওয়া মানুষের পক্ষ থেকে এবং সমগ্র জনগণের কাছে আবেদন করা হয়েছে এই সমাবেশে অংশগ্রহণের জন্য।
পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় যারা উৎপাদন করে তারাই সব কিছু থেকে বঞ্চিত। যাদের শ্রম ছাড়া পৃথিবী অচল তারাই খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি থেকে বঞ্চিত। স্বাধীনতার পর থেকে যারা দেশ পরিচালনা করেছেন তাদের নীতির ফলে ধনী আরও ধনী হয়েছে, গরিব আরও গরিব হয়েছে।
৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের অবসান ঘটে ২০১১ সালে। বামফ্রন্ট সরকারের অবসান ঘটানোর জন্য বিজেপি, কংগ্রেস, মাওবাদী সহ সমস্ত দক্ষিণপন্থী এবং অতি বামপন্থী দলগুলি ঐক্যবদ্ধ হয়ে বুর্জোয়া প্রচারযন্ত্রের সাহায্যে গভীর ষড়যন্ত্র করে। মমতা ব্যানার্জি বলেছিলেন, বামফ্রন্ট সরকারকে হঠানোর জন্য আরএসএসের সাহায্য নিতে তাঁর কোনও অসুবিধা নেই। অথচ তিনি রাজ্যের সংখ্যালঘু মানুষের মসিহা হিসাবে নিজেকে লাগাতারভাবে তুলে ধরে রাজ্যের সংখ্যালঘু মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। তিনি আরএসএস-এর কেন্দ্রীয় দপ্তর নাগপুরে গিয়ে আরএসএসকে দেশপ্রেমিক সংগঠনের সার্টিফিকেট দিয়েছেন এবং আরএসএস তাঁকে দেবী দুর্গা বলে সম্বোধন করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারকে সন্তুষ্ট করার জন্য গাজায় সংখ্যালঘু মানুষদের নিঃশেষ করার ঘটনায় তিনি একেবারেই নীরব। সীমাহীন ভন্ডামি।
১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস দলটি গঠিত হয়। কমরেড জ্যোতি বসু বলেছিলেন যে, কংগ্রেসের মধ্যেকার সবচেয়ে হিংস্র এবং সাম্প্রদায়িক অংশটি মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস দল গঠন করে। এই দলটি গঠনের ক্ষেত্রে আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদের ভূমিকা এবং আরএসএসের পরিকল্পনা ছিল। আমরা সকলেই জানি যে, ভারতে নিযুক্ত আমেরিকান রাষ্ট্রদূত প্যাট্রিক মইনিহান তাঁর বইয়ে লিখেছেন যে, ১৯৫৯ সালে কেরালায় ইএমএস নাম্বুদিরিপাদের নেতৃত্বে কমিউনিস্ট সরকারকে ভাঙার জন্য আমেরিকা অর্থ ব্যয় করেছিল এবং ১৯৭১ সালে যাতে তৃতীয় বারের জন্য জ্যোতি বসুর নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠিত না হয় তার জন্য কংগ্রেস নেত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হাতে টাকার থলি তুলে দেওয়া হয়েছিল। সাম্রাজ্যবাদী শক্তি এবং পৃথিবীর যে কোনও দক্ষিণপন্থী দল বা শক্তি বামপন্থীদের অগ্রগতি চায় না, চাইতে পারে না। কারণ বামপন্থীরা মেহনতি মানুষসহ আমজনতার স্বার্থে লড়াই করে। ওরা সাময়িকভাবে সফল হলেও আখেরে বামপন্থীদের অগ্রগতি রোধ করার ক্ষমতা কারওরই নেই।
বিগত ১৪ বছরে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের কাজের অভিজ্ঞতা এই কথাই বলছে যে, ৩৪ বছর ধরে বামফ্রন্ট সরকার পুঁজিবাদী ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ ক্ষমতা নিয়ে বিকল্প নীতির মাধ্যমে যে সাফল্যগুলি অর্জন করেছিল সেগুলিকে ধ্বংস করে চলেছে রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট যখন সরকার গঠন করে তখন আমাদের রাজ্য ছিল শিল্প, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একটি পিছিয়ে পড়া রাজ্য।
১৯৭০ এর দশকের আধা-ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসের অবসান ঘটিয়ে রাজ্যে বামফ্রন্ট সরকার গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনে। তৃণমূল কংগ্রেস সরকার গঠিত হওয়ার প্রথম দিন থেকেই রাজ্যে মেহনতি মানুষ সহ সাধারণ মানুষের গণতন্ত্র আক্রান্ত এবং আজ সেই গণতন্ত্র সম্পূর্ণভাবে বিপন্ন। মুখ্যমন্ত্রী গর্ব করে বলেন যে, তাঁর আমলে রাজ্যে কোনও ধর্মঘট করা যাবে না। তাঁর এই মনোভাবের কারণেই আমাদের রাজ্যে শিল্প মালিকেরা শ্রমিক বিরোধী ভূমিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে বেপরোয়া।
রাজ্যে একটা গুন্ডাদের সরকার চলছে। সরকারি প্রকল্প ও অনুদানকেও নির্লজ্জভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে রাজনৈতিক স্বার্থে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধিতা করলে সরকারি অনুদান থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আর এই গুন্ডামিকে ব্যবহার করে লাগামহীন দুর্নীতি করা হচ্ছে। রাজ্যে এমন কোনও ক্ষেত্র নেই যেখানে দুর্নীতি নেই। শিক্ষকদের পরীক্ষায় শূন্য পেলেও টাকার জোরে শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে- একেবারে অযোগ্যরাও এম ডি চিকিৎসক হচ্ছে। নারী নির্যাতন নিত্যকার ঘটনা। ধর্ষক এবং চোর-গুন্ডারা এই রাজ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়। সাজানো ঘটনা, মিথ্যা ঘটনা ইত্যাদি কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী ধর্ষকদের আড়াল করছেন।
রাজ্যে এমন একটি ক্ষেত্র নাই যেখানে দুর্নীতি নেই। ভারতবর্ষে এমন একটা রাজনৈতিক দল নেই যারা এত অল্প সময়ের মধ্যে দুর্নীতিতে হাত পাকিয়েছে। তৃণমূল দলের মধ্যে এমন নেতা ও কর্মী বিরল, যিনি দুর্নীতির কাদা মাখেননি। দুর্নীতির মাধ্যমে জনগণের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীরা। খুবই অল্প সময়ের মধ্যে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের বিপুল সম্পত্তি বৃদ্ধি হয়েছে। দুর্নীতির ভয়াবহতা প্রকাশ পায় যখন সদ্য তৈরি হওয়া ব্রিজ ভেঙে পড়ে, ঘুষ না দিলে ডাক্তারিতে ফেল করিয়ে দেওয়া হয়, চোখের সামনে মুমূর্ষু রোগীকে জাল ওষুধ দেওয়ার কথা জানতে পারলেও চিকিৎসক ভয়ে বলতে পারেন না- প্রতিবাদ করলে খুন হতে হচ্ছে। যারা জাতির মেরুদণ্ড সেই শিক্ষক নিয়োগে লাগামহীন দুর্নীতি চলছে- বামপন্থী আইনজীবীরা যাঁরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াই করছেন তাঁদের বিরুদ্ধে কুৎসা করা হচ্ছে।
রাজ্যে বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে যে পঞ্চায়েতি ব্যবস্থা কায়েম করেছিল তা আজ দুর্নীতির পঞ্চায়েতে পরিণত। পঞ্চায়েতের মাধ্যমে বামফ্রন্ট সরকার জনগণের হাতে যে ক্ষমতা দিয়েছিল তা আজ বিলুপ্ত। পৌরসভাগুলিরও একই হাল।
ভূমি সংস্কারের মাধ্যমে রাজ্যের বামফ্রন্ট সরকার ১১ লক্ষ একর জমি ৩০ লক্ষ গরিব মানুষের মধ্যে বিলি করে। তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে নতুন করে জমি বিলি করা তো দূরের কথা, বামফ্রন্ট সরকারের আমলে বন্টন করা জমি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। ব্যাপকভাবে বর্গা উচ্ছেদ হচ্ছে। বামফ্রন্ট সরকারের ৩৪ বছরে সেচসেবিত জমির পরিমাণ শতকরা ৩০ ভাগ থেকে বেড়ে শতকরা ৭৩ ভাগে পৌঁছায়। আজ বিদ্যুতের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে সেচ এলাকাভুক্ত জমির পরিমাণ কমেছে। বামফ্রন্ট সরকারের আমলে সমবায়ের মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদিত ফসল সঠিক সময়ে ন্যায্য দামে কেনা হত। আজ সমবায়গুলিকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করে তাকে ধ্বংস করা হয়েছে। ফলে বিপন্ন ক্ষেতমজুর ও কৃষক।
বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নেই, চিকিৎসা কেন্দ্রে নেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসক-চিকিৎসা কর্মী ও নার্স। এটা শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বেসরকারিকরণের পরিকল্পিত উদ্যোগ। কর্মচারীদের বিপুল পরিমাণ ডিএ বকেয়া আছে। পরিকল্পিত উদ্যোগ নিয়ে মূল্যবোধকে ধ্বংস করা হচ্ছে।
বামফ্রন্ট সরকারের আমলে সেচের বিকাশ, ভূমি সংস্কার এবং পঞ্চায়েতি ব্যবস্থার মাধ্যমে রাজ্যের মানুষের আর্থিক উন্নতি ঘটে, সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বাড়ে। এর উপর ভিত্তি করে শিল্পের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। বামফ্রন্টের আমলে প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়া সিঙ্গুরে টাটাদের কারখানাকে ধ্বংস করে পশ্চিমবঙ্গের বেকার যুবকদের সর্বনাশ করা হয়েছে। এই আমলে রাজ্যে ঘটা করে শিল্প সম্মেলন হয়, কিন্তু কারখানা হয় না। শিল্প বলতে এখানে বোমা শিল্প, ধর্ষণ শিল্প। হাজার হাজার শূন্য পদে কোনও নিয়োগ করা হচ্ছে না। রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের পরিকল্পিত উদ্যোগে আমাদের রাজ্যে ১০০ দিনের কাজ বন্ধ। রাজ্য থেকে দলে দলে বেকার যুবকেরা অন্য রাজ্যে কাজ করতে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
বামফ্রন্টের ৩৪ বছরে সাম্প্রদায়িক শক্তি কোনওদিন মাথা তুলতে পারেনি। আর আজ তৃণমূল কংগ্রেস পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করে এই রাজ্যে সাম্প্রদায়িক বিজেপিকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিধানসভায় বর্তমানে জনজীবনের সমস্যা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না, আলোচনা হচ্ছে ধর্ম নিয়ে। সামাজিক মাধ্যমে সাধারণ একটি কার্টুন শেয়ার করার কারণে শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্রকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব উগ্র সম্প্রদায়িক বক্তব্য রাখলেও তাদের বিরুদ্ধে ন্যূনতম কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। ইমাম ভাতা, মোয়াজ্জেম ভাতা, পুরোহিত ভাতা, দুর্গা পুজোয় বিপুল আর্থিক সাহায্য করা, সরকারি উদ্যোগে দিঘায় জগন্নাথ মন্দির তৈরি করা, ইদের নামাজে মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক বক্তব্য রাখা ইত্যাদি ঘটনার মধ্যে দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতার নীতিকে জলাঞ্জলি দেওয়া হচ্ছে এবং সাম্প্রদায়িক শক্তির মাটিকে উর্বর করা হচ্ছে। ধর্মের নাম করে রাজ্যে গুন্ডামি চলছে, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ তৈরি করা হচ্ছে। এগুলি সবই করা হচ্ছে জনজীবনের সমস্যাগুলিকে আড়াল করার জন্য। মেহনতি মানুষের আন্দোলন এবং আদর্শগত আলোচনা গড়ে তুলে উভয় সাম্প্রদায়িক শক্তিকে পরাস্ত করতে হবে।
তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির বোঝাপড়া দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। সারদা, নারদা, আর জি কর-এর ঘটনা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এটা প্রমাণিত।
রাজ্যের মানুষকে নিঃস্ব করে কিছু রিলিফ দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস চ্যাম্পিয়ন হওয়ার চেষ্টা করছে। সামাজিক সুরক্ষা কারও দয়ার দান নয়, এটা একটা অধিকার।
স্বৈরাচার এবং বুর্জোয়া প্রচার মাধ্যম শেষ কথা বলবে না, শেষ কথা বলবে জনগণ। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে এবং ব্রিগেড সমাবেশকে সফল করতে হবে। মেহনতি মানুষের জয় হবেই। মেহনতি মানুষের ঐক্য জিন্দাবাদ।
প্রকাশের তারিখ: ১৭-এপ্রিল-২০২৫
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
