Latest Edition

সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

তৃতীয় লং মার্চে মহারাষ্ট্রে কৃষকদের জয়

অশোক ধাওয়ালে
বিজেপির জনবিরোধী নীতিসমূহ এবং এই সরকারের কর্পোরেটমুখী নীতির বিরুদ্ধে চলা জঙ্গি সংগ্রামগুলিকে উদ্বুদ্ধ করবে তৃতীয় কৃষক লং মার্চের এই বিজয়। দিল্লিতে মজদুর-কিষাণ সংঘর্ষ র‍্যালির এক পক্ষকাল আগে অর্জিত এই বিজয় শ্রমিক-কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করবে আগামী দিনের লড়াইগুলিতে তাঁদের আরও বেশি বেশি সংখ্যায় সামিল হওয়ার জন্য।
Farmers long march and victory

১২ মার্চ ২০২৩। ওই দিন ১৫-দফা দাবি সনদ আদায়ের লক্ষ্য নিয়ে মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলার দিনদোরি থেকে মুম্বইয়ের উদ্দেশে শুরু হয় সারা ভারত কৃষক সভার লং মার্চ। ছ’দিন পর ১৮ মার্চ থানে জেলার ভাসিন্দে লং মার্চ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। কারণ মহারাষ্ট্র সরকার কৃষক সভার অনেকগুলি প্রধান দাবি লিখিতভাবে মেনে নেয়। এবং ১৭ মার্চ কৃষক সভার সঙ্গে চুক্তির বয়ান রাজ্য বিধানসভায় পেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। 

তিনটি কিষাণ লং মার্চ

মহারাষ্ট্রে কৃষক সভার নেতৃত্বে এটা ছিল তৃতীয় লং মার্চ। প্রথম এবং সবচেয়ে কার্যকর লং মার্চ ছিল নাসিক থেকে মুম্বই। সেইবার অর্থাৎ ২০১৮ সালের ৬-১২ মার্চ, পুরো সাতদিন ধরে চলেছিল লং মার্চ। দ্বিতীয় লং মার্চ ছিল মাত্র দুদিনের, নাসিক তহশিলেই, ২০১৯ সালের ২০-২১ ফেব্রুয়ারি। কারণ সেইবার রাজ্য সরকারের তিন মন্ত্রী লং মার্চের দ্বিতীয় দিনে কৃষক সভার নেতৃত্বকে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তৃতীয় লং মার্চ, দিনদোরি থেকে ভাসিন্দ, চলেছে ছ’দিন, ২০২৩ সালের ১২ থেকে ১৮ মার্চ। 

প্রথম দুটি লং মার্চের প্রস্তুতির জন্য সময় লেগেছিল অন্ততপক্ষে তিন সপ্তাহ। কিন্তু তৃতীয় লং মার্চের প্রস্তুতিতে সময় পাওয়া গেছে এক সপ্তাহেরও কম। চারপাশের পরিস্থিতির কারণেই এমনটা হতে পেরেছিল। হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম পড়ে যাওয়ায় বিপন্ন বোধ করেন কৃষকেরা। ফলে তৎক্ষণাৎ এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে কিছু একটা করা দরকার হয়ে পড়েছিল। আবার মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন শেষ হওয়ার কথা। অল্প সময়ের মধ্যে প্রস্তুতির কারণে স্বাভাবিকভাবেই এই লং মার্চে পদযাত্রীর সংখ্যা ততটা ব্যাপক হতে পারেনি। নাসিক থেকে প্রথম কিষাণ লং মার্চ যখন শুরু হয়েছিল তখন জড়ো হয়েছিলেন ২৫ হাজার কৃষক। লং মার্চ যখন মুম্বইয়ে শেষ হয় তখন সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছিল দ্বিগুণ, ৫০ হাজার। দিনদোরি থেকে তৃতীয় লং মার্চ শুরু হয়েছিল ১০ হাজার কৃষককে নিয়ে। ভাসিন্দে পৌঁছে সংখ্যাটা হয়েছিল ১৫ হাজার। তবে এই লং মার্চ একেবারে সঠিক সময়ে কৃষকদের জ্বলন্ত সমস্যাকে তুলে ধরতে পেরেছিল এবং মিডিয়ায় ভাল প্রচার পেয়েছিল।  

তিনটে লং মার্চেই জমায়েতের সিংহভাগে ছিলেন নাসিক জেলার আদিবাসী কৃষকেরা, এরপরেই ছিলেন থানে-পালঘর ও আহমেদনগর জেলার আদিবাসী কৃষকেরা। ওপরে যে চার জেলার নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সেখানকার আদিবাসী নন এমন কৃষকেরাও লং মার্চে যোগ দিয়েছিলেন। এছাড়া বিদর্ভ, মারাঠাওয়াড়া এবং পশ্চিম মহারাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি জেলার কৃষকেরাও লং মার্চে অংশ নিয়েছিলেন। প্রথম দুটি লং মার্চে এই সব অঞ্চলের কৃষকদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। আগেই বলা হয়েছে, তৃতীয় লং মার্চে প্রস্তুতির সময় ছিল কম। তিনটি লং মার্চেই আদিবাসী মহিলা কৃষক, ও যুবরা বিশাল সংখ্যায় যোগ দিয়েছিলেন। 

১২ মার্চ রাতেই নাসিক জেলার বিভিন্ন তহশিল থেকে এবং মহারাষ্ট্রের অন্যান্য জেলা থেকে নাসিক শহরের ঠিক বাইরে মাহসরুল ময়দানে কৃষকেরা জড়ো হতে শুরু করেন। হাজার হাজার লাল টুপি, লাল পতাকা, লাল ব্যানারে বর্ণময় হয়ে ওঠে পদযাত্রা। সে কারণে মারাঠি সংবাদমাধ্যগুলির ব্যানার হেডলাইন হয়েছিল লাল ভাদাল (‌লাল ঝড়)‌ আসছে। দিনদোরি চকে এসে কৃষকেরা ক্ষোভে রাস্তায় পেঁয়াজ, টমেটো, বেগুন, আলু  ও অন্য শাকসবজি রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলতে শুরু করেন। সবজির দাম ক্রমাগত নিচে নেমে যাওয়াটাই ছিল তাঁদের ক্ষোভের উৎস। কৃষকদের ক্ষোভপ্রকাশের সেই সব স্মরণীয় মুহূর্তকে ক্যামেরায় ধরে রেখেছে মিডিয়া। 

১৩ ও ১৪ মার্চ কিষাণ লং মার্চ এগিয়ে যায় আগ্রা-নাসিক-মুম্বই জাতীয় সড়ক ধরে নাসিক জেলার মধ্যে দিয়ে। এরপর রাতে লং মার্চ পৌঁছে যায় ইগাতপুরির কাছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা ঘণ্টাদেবী এলাকায়। সারাদিন রোদে ভাজা ভাজা হয়ে পুড়ে হেঁটেছিলেন কৃষকেরা। আশ্চর্যের ব্যাপার হল, এত কষ্টের পরেও আদিবাসী কৃষক রমণী ও পুরুষদের উৎসাহে ভাটা পড়েনি। ফলে সেদিন অনেক রাত পর্যন্ত তাঁরা গান ও যৌথ আদিবাসী নাচের আয়োজন করেন। আর এসবের মধ্যে দিয়ে প্রতি পদে ফুটে উঠেছিল শাসন ক্ষমতায় থাকা সরকার ও কৃষকবিরোধী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে তাঁদের ক্রোধ। 

১৫ মার্চ সকালে আঁকাবাঁকা, সর্পিল পথের জন্য বিখ্যাত কাসারা ঘাট ধরে এগোতে থাকে লং মার্চ। এই রাস্তার একদিকে উঁচু পাহাড়, অন্যদিকে গভীর উপত্যকা। এরপর নাসিক জেলা ছেড়ে লং মার্চ ঢুকে পড়ে থানে জেলায়। ঘাট এলাকায় একেবারে স্তব্ধ হয়ে দেখার মতো দারুন সুন্দর লং মার্চের ছবি তোলে ইলেকট্রিনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই সব ছড়িয়ে পড়ে গোটা দেশে। এমনকি সোশাল মিডিয়ার সমস্ত বিভাগও তাদের যথাসাধ্য করেছে। ১৬ মার্চ পদযাত্রীরা পৌঁছে যান থানে জেলার ভাসিন্দের ইদগা ময়দানে। তখন পায়ে হেঁটে মুম্বই আর মাত্র তিন দিনের পথ। 

‌‌রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা

২০১৮ সালের কিষাণ লং মার্চ আশ্চর্যজনক মাত্রায় সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলের সমর্থন পেয়েছিল। সেই বিষয়টা জানা ছিল শিণ্ডে-ফড়নবিশ সরকারের। ফলে তৃতীয়বারের কৃষক লং মার্চ দেখে সরকার নার্ভাস বোধ করছিল। ১২ মার্চ রাতেই রাজ্যের প্রবীণ মন্ত্রী দাদা ভুসে নাসিকে এআইউকেএস প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা বলেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিণ্ডে এবং উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ ঘোষণা করেছিলেন যে, তাঁরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে, ১৪ মার্চ বেলা ৩টেয় রাজ্য বিধানসভায় কৃষক সভার প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করবেন। ১৪ মার্চ সারা রাজ্যের লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারী ও স্কুলশিক্ষক ধর্মঘট শুরু করেন। তাঁদের দাবি ছিল পুরনো পেনশন স্কিম ফিরিয়ে আনতে হবে। এছাড়াও ছিল আরও দাবি। এরই মধ্যে রাজ্য সরকার হঠাৎ করে এআইকেএসের সঙ্গে ১৪ তারিখের বৈঠক পিছিয়ে ১৫ তারিখ করে দেয়। 

এর উত্তরে মুম্বইয়ের দিকে আরও এগিয়ে চলে এআইকেএসের লং মার্চ।  জানিয়ে দেন, ১৫ তারিখের বৈঠকে তারা যোগ দেবেন না। পাল্টা দাবি তোলে, পদযাত্রীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য মন্ত্রীদেরই আসতে হবে। এর জেরে দুই মন্ত্রী দাদা ভুলে ও অতুল সেভ নিজেরা এসে লং মার্চে অংশ নেওয়া কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং অনুরোধ করেন আআইকেএস প্রতিনিধিরা যেন ১৬ মার্চ বিকেলে বিধানসভা ভবনে এসে মুখ্যমন্ত্রী, উপমুখ্যমন্ত্রী, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রী এবং আধিকারিকদের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ আলোচনায় অংশ নেন। কৃষক সভার নেতৃত্ব এই আলোচনায় যেতে রাজি হন, তবে তাঁরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন যতক্ষণ না সন্তোষজনক কোনও চুক্তি হচ্ছে ততক্ষণ মুম্বই অভিমুখে কৃষকদের লং মার্চ জারি থাকবে। 

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণে ১৬ মার্চ কৃষক সভার ১৬ জনের এক প্রতিনিধি দল মুম্বইয়ে রাজ্য বিধানসভা চত্বরের মধ্যে রাজ্য সরকারের সঙ্গে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বৈঠক করেন। এই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ৬ জন মন্ত্রী, মুখ্যসচিব, এবং বেশ কয়েকটি দপ্তরের সচিবও। সেদিন রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনায় কৃষক সভার তরফে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক জে পি গাভিট, অশোক ধাওয়ালে, অজিত নাওয়ালে, উদয় নারকার, বিধায়ক বিনোদ নিকোলে, ডি আর কারাড, উমেশ দেশমুখ, সুভাষ চৌধুরী, ইরফান শেখ, অরুণ আদে, কিরণ গাহালা, মোহন যাদব, রমেশ চৌধুরী, ইন্দ্রজিৎ গাভিট, হীরামন গাভিট এবং মঞ্জুলা বাঙাল। আলোচনা ইতিবাচক হয় এবং রাজ্য সরকার কৃষকদের ১৫ দফা দাবি সনদের অধিকাংশই মেন নেয়।

তবে এআইকেএস কিষাণ লং মার্চ প্রত্যাহারে রাজি হয়নি। বরং ঠিক হয় থানে জেলার ভাসিন্দে বসে পড়ে চলবে গণ অবস্থান। যতক্ষণ না দুপক্ষের বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের মিনিটস বিধানসভার টেবিলে পেশ হবে এবং সব জেলার আধিকারিকদের কাছে সেই সব সিদ্ধান্ত কার্যকর করার নির্দেশ যতক্ষণ না পাঠানো হবে, ততক্ষণ ভাসিন্দ ছেড়ে যাবেন না কৃষকেরা। কৃষক সভার এই দৃঢ় সিদ্ধান্তের ফলে ১৭ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভাতেই ১৫ মিনিটের ভাষণে বৈঠকে গৃহীত সব সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে বাধ্য হন। সেই সব সিদ্ধান্তসমূহের সরকারি কপি ১৮ মার্চ পাঠানো হয় কৃষক সভার কাছে। একইভাবে এই সিদ্ধান্তমসূহ সব জেলায় এবং আরও নিচুতলার কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেওয়া হয় সরকারের তরফে। এই রকম উল্লেখযোগ্য জয়ের পর, শুরুর ৬ দিন পর, তৃতীয় কিষাণ লং মার্চ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। 

এই মার্চের দ্বিতীয় দিনে একটা মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ৫৮ বছরের কৃষক পুণ্ডলিক অম্বাদাস যাদব লং মার্চের একেবারে শুরু থেকে পথ হাঁটছিলেন। তাঁর বাড়ি নাসিক জেলার দিনদোরি তহশিলের মাভডি গ্রামে। লং মার্চ চলাকালীন অসুস্থ হয়ে থানে জেলার শাহপুরের সরকারি হাসপাতালে তিনি মারা যান। সেখানেই তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল। এই ঘটনা একটা বড় ধাক্কা। এজন্য জে পি গাভিট রাজ্য সরকারের কাছে তৎক্ষণাৎ ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। এই কৃষক শহিদের পরিবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ৫ লক্ষ টাকার এক্সগ্রাশিয়া পেমেন্টের কথা ঘোষণা করতে হয়।  

অভিন্দন কৃষক সভার

তৃতীয় কিষাণ লং মার্চ সাফল্যের সঙ্গে বিজয় অর্জন করায় মহারাষ্ট্রের কৃষকদের অভিনন্দন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় এআইকেএস। কৃষক সভা এই বিষয়ে যে বিবৃতি জারি করেছে তা শেষ হয়েছে এইভাবে, ‘২০১৮ সালে কৃষক সভার নেতৃত্বে কিষাণ লং মার্চ সাধারণ মানুষের কল্পনাকে উজ্জীবিত করেছিল এবং তৎকালীন বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে কৃষকদের সব দাবি মেনে নিতে বাধ্য করে সব ধরনের গণতান্ত্রিক শক্তির মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলেছিল। এবং ২০২৩ সালে গরিব কৃষকেরা, যাদের একটা বড় অংশ আদিবাসী, এবং নেতৃত্ব দিয়েছেন মহিলারা, আবারও তাঁরা শিবসেনা-বিজেপি সরকারকে মাথা নত করতে বাধ্য করেছেন। তাঁদের দাবি সরকারকে মেনে নিতে হয়েছে। বিজেপির জনবিরোধী নীতিসমূহ, এবং এই সরকারের কর্পোরেটমুখী নীতির বিরুদ্ধে চলা জঙ্গি সংগ্রামগুলিকে উদ্বুদ্ধ করবে তৃতীয় কৃষক লং মার্চের এই বিজয়। দিল্লিতে মজদুর কিষাণ সংঘর্ষ সমাবেশের এক পক্ষকাল আগে অর্জিত এই বিজয় শ্রমিক-কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করবে আগামী দিনের লড়াইগুলিতে তাঁদের আরও বেশি বেশি সংখ্যায় সামিল হওয়ার জন্য।


ভাষান্তর: সুচিক্কণ দাস 


প্রকাশের তারিখ: ০৩-এপ্রিল-২০২৩
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:


আপনার মতামত

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।



অন্যান্য মতামত:

২০১৮ সালের নাসিক থেকে মুম্বাই বানিজ্য নগরীতে জমায়েত, সাধারণ মানুষ সহ সেলিব্রেটি, ডাব্বাওয়ালাদের, হোটেল, মোটেল, রেস্টুরেন্ট ও ব্যাপারি বাড়ির অনুষ্ঠানের উদ্বৃত্ত খাদ্য সামগ্রী সংগ্রহ, চার চাকার চালক সহ বিনামূল্যে ও পারিশ্রমিকে, সাথে পদযাত্রিদের সাত দিনের পদযাত্রায় পা ফেটে রক্ত বেরিয়ে!! সর্ব স্তরের মানুষ নুতন পাদুকা সরবরাহ এবং মুম্বাই বানিজ্য নগরীতে জমায়েত স্থলে সুশৃঙ্খল কমরেডদের ‌ভুমিকা, চিকিৎসকদের চিকিৎসা ও সেবা স্বরনীয়। আমি এর সাক্ষী থাকার ও প্রত্যক্ষ করেছি ও শরিক!! এক কথায় ‌ অসাধারণ অনবদ্য মনমুগ্ধকর আপ্লুত। পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি বাসী ‌, আমার প্রিয় সমিতি রাজ্য কো-অডিনেশন কমিটির দপ্তরে বলেছি অভিজ্ঞতার কথা, ডাব্বা ওয়ালাদের ভুমিকা এই কৃষক, কৃষি শ্রমিক ৩৬৫ দিন হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন করে বাঁচতে সাহায্য ‌করছে, আমারা একদিন এই কৃষক ও কৃষি শ্রমিকদের খাওয়াতে হবেই!! কি দৃঢ়তা, চেতনা!!
- মিহির কুমার রায় , ০৩-এপ্রিল-২০২৩


২০১৮ সালের নাসিক থেকে মুম্বাই বানিজ্য নগরীতে জমায়েত, সাধারণ মানুষ সহ সেলিব্রেটি, ডাব্বাওয়ালাদের, হোটেল, মোটেল, রেস্টুরেন্ট ও ব্যাপারি বাড়ির অনুষ্ঠানের উদ্বৃত্ত খাদ্য সামগ্রী সংগ্রহ, চার চাকার চালক সহ বিনামূল্যে ও পারিশ্রমিকে, সাথে পদযাত্রিদের সাত দিনের পদযাত্রায় পা ফেটে রক্ত বেরিয়ে!! সর্ব স্তরের মানুষ নুতন পাদুকা সরবরাহ এবং মুম্বাই বানিজ্য নগরীতে জমায়েত স্থলে সুশৃঙ্খল কমরেডদের ‌ভুমিকা, চিকিৎসকদের চিকিৎসা ও সেবা স্বরনীয়। আমি এর সাক্ষী থাকার ও প্রত্যক্ষ করেছি ও শরিক!! এক কথায় ‌ অসাধারণ অনবদ্য মনমুগ্ধকর আপ্লুত। পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি বাসী ‌, আমার প্রিয় সমিতি রাজ্য কো-অডিনেশন কমিটির দপ্তরে বলেছি অভিজ্ঞতার কথা, ডাব্বা ওয়ালাদের ভুমিকা এই কৃষক, কৃষি শ্রমিক ৩৬৫ দিন হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন করে বাঁচতে সাহায্য ‌করছে, আমারা একদিন এই কৃষক ও কৃষি শ্রমিকদের খাওয়াতে হবেই!! কি দৃঢ়তা, চেতনা!!
- মিহির কুমার রায় , ০৩-এপ্রিল-২০২৩


Donate Now
আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
শ্রমিক কৃষক বিভাগে প্রকাশিত ৫৩ টি নিবন্ধ
০৭-মার্চ-২০২৬

০১-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২৯-ডিসেম্বর-২০২৫

০২-ডিসেম্বর-২০২৫

০১-ডিসেম্বর-২০২৫

৩০-নভেম্বর-২০২৫

২৬-অক্টোবর-২০২৫

১২-সেপ্টেম্বর-২০২৫

০৮-জুলাই-২০২৫

০৭-জুলাই-২০২৫