সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
গদ্যকারের দায়
জাঁ পল সার্ত্র
ফরাসি নাট্যকার, ঔপন্যাসিক, দার্শনিক জাঁ পল সার্ত্র (১৯০৫-১৯৮০)-র What is Literature? বইটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সনে। এই বইয়ে চারটি প্রবন্ধ আছে : 'What is Writing?', 'Why Write?', 'For Whom Does One Write?' এবং 'Situation of the Writer in 1947'। প্রবন্ধগুলি প্যারিসের একাধিক পত্রিকায় আগে প্রকাশিত হয়েছিল। ১৯৫০ সালে বার্নার্ড ফ্রিখম্যান বইটির ইংরেজি অনুবাদ করেন। এই বই-এর প্রথম প্রবন্ধ থেকে নির্বাচিত অংশের বাংলা অনুবাদ, অবশ্যই ফ্রিখম্যান-এর অনুবাদের অনুবাদ —

এ কথা ঠিক যে কবিও লেখেন, আবার গদ্যকারও লেখেন, কিন্তু সত্যি বলতে এই দু-রকম লেখায় হস্ত-সঞ্চালন ছাড়া আর কোনও মিল নাই। দু'জনের জগৎ বস্তুত অ-সাক্ষাৎসম্ভব। এরকমও বলা যায় যে, একের পক্ষে যা আহ্লাদের, অপরের কাছে সেটাই পীড়ার কারণ। গদ্য জিনিসটা মুখ্যত 'ইউটিলিটেরিয়ান', অর্থাৎ, একটা-কোনো কাজ হাসিলের উপায় হিসেবেই তার যা কিছু গুরুত্ব। তিনিই গদ্যকার, যিনি উদ্দেশ্য সিদ্ধ করতে শব্দকে ব্যবহার করে থাকেন, যেমন মসিঁয়ে জ়ুরদঁ ব্যবহার করেছিলেন জুতো চাইবার জন্যে১, অথবা অ্যাডলফ্ হিটলার, পোল্যান্ড আক্রমণের জন্যে। তার মানে, গদ্যকার একজন বক্তাই আসলে; তিনি অভিহিত করেন, তিনি ব্যাখ্যা করেন, তিনি আদেশ করেন, তিনি প্রত্যাহার করেন, অধিগ্রহণ ও অনুপ্রবেশ করেন, করেন প্রার্থনা আর বিদ্রূপ, কটাক্ষ করেন অথবা জপান, ইঙ্গিতে। আর এই এত কিছু করার ফলাফল যদি হয় শূন্য, তাতে ঐ গদ্যকার— না, কবি হয়ে যান না, হন অকম্মা। এমন একজন কইয়ে, যিনি খামকা হাত-পা নাড়াচ্ছেন বটে, কিন্তু আসলে কিস্যু করছেন না। শব্দের শাঁস আর শব্দের খোল নিয়ে মাতামাতি অনেক হয়েছে, এখন সময় : সোজা কথাটা সোজাসুজি বলবার।
গদ্যের যিনি শিল্পী তিনি সততই আলাপমুখী; কেননা গদ্য স্বভাবতই কিছু-না-কিছু জানান দিতে চায়। অর্থাৎ, ‘শব্দ’ নিজেই এখানে উদ্দিষ্ট নয়, ‘শব্দ’ হল উদ্দিষ্ট ব্যাপারটির চিহ্নক/ ব্যাখ্যাতা-মাত্র। সুতরাং ‘শব্দ’ শ্রুতিমধুর না নিতান্ত কেঠো, বাক্য প্রীতিকর না বিরক্তিকর—গদ্য-রচনায় সেটা আদৌ বিবেচ্য নয়। জরুরি হচ্ছে, শব্দ সাজিয়ে মোদ্দা কথাটা 'পষ্ট করে' বোঝানো গেল কিনা। দেখবেন—তেমন করে বোঝাতে পারলে, একটি ‘শব্দ’ও যদি পাঠকের স্মরণে না-থাকে তবু সে রচনার বক্তব্যটা ঠিকই মনে থেকে রেখে দেবে।
প্রথম বুঝতে হবে, গদ্য আমাদের মনেরই একটা ঝোঁক, একরকম প্রবণতা। পল ভালেরি২ বলছেন, গদ্যের মুহূর্ত হল সেই সময়টা, যখন নজরের সামনে দিয়ে শব্দ পার হয়ে যায়, ঠিক যেমনটা ঘটে জ্বলন্ত সূর্যের সামনে দিয়ে কাচ সরালে। প্রবল বিপদের সম্মুখীন হলে মানুষ যা হোক একটা কিছু হাতে তুলে নেয়, তখন সে খতিয়ে দেখে না সেটা কাস্তে না কোদাল, বস্তুত, দেখার দরকারও নেই। দরকার যেটা, সেটা হল— শরীরের একটা বাড়, দরকার তখন মগডাল অব্দি পৌঁছতে পারা। এই অস্ত্রটি অনেকটা-যেন ছ'নম্বর আঙুল, তৃতীয় পদ, সোজা কথায় : যাতে কাজ মেটে, তাই। ভাষার ব্যাপারটাও একই রকম। ভাষা শামুকের খোল, ভাষা আরশোলার শুঁড়৩। শত্রুর আক্রমণ থেকে আমাদের তা রক্ষা করে, আবার অন্যের উপস্থিতির খবরটাও দেয়। ভাষা আমাদের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়, তৃতীয় চোখ– সেই চোখ দিয়ে আমরা উঁকি দিই প্রতিবেশীর পাঁজরের মধ্যিখানে। যেমন করে আমাদের শরীরের ভিতরেই আমাদের প্রাণ, তেমন করেই ভাষার ভিতর আমাদের স্থান। আর ‘নিছক ভাষা’র কারিকুরি অতিক্রম করে যখন তাকে একটা-কোনো কাজে খাটাই, তখনই আমরা টের পাই ভাষার অস্তিত্ব। হাত পা দিয়ে যখন কোনো কাজ করি, তখন যেমন বুঝতে পারি হাত-পা আমাদের আছে—এ-ও তেমনি। আর, ভাষা উপলব্ধি করি যখন অন্য লোকে তা ব্যবহার করে, ঘুষি খেয়ে যেমন বুঝি অন্য কারও হাত— তেমনি। তাহলে শব্দও দু-রকম। এক, যে শব্দে আমি থাকি; দুই, যে শব্দের সঙ্গে প্রায়শ আমার সাক্ষাৎ ঘটে। কিন্তু শব্দ যেমনই হোক না কেন, সক্রিয়তা তাতে উপ্ত থাকবেই– হয় অন্যের প্রতি আমার, অথবা আমার প্রতি অন্যের ক্রিয়া। তাহলে দাঁড়াল এই যে, শব্দ মানেই একটা বিশেষ ক্রিয়ার বিশেষ মুহূর্ত, এবং তার বাইরে সেই শব্দটির কোনো অস্তিত্ব নেই। কেবল অ্যাফাসিয়ার৪ মতো অসুখের ক্ষেত্রে পরিস্থিতির বোধ আর সেই অনুযায়ী আচরণ করবার ক্ষমতা আমাদের লুপ্ত হয়।
এই অ্যাপ্রাক্সিয়া (অর্থাৎ, কথা বুঝে সেই মতো কাজ করার অক্ষমতা)-র মূলেও যে ধ্বসগুলো ক্রিয়াশীল, ভাষার ধ্বসটাই তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রত্যক্ষ, সবচেয়ে স্পষ্ট। আর, গদ্য যদি একটা ফলপ্রসূ একটা কিছু করবার আয়ুধ-মাত্র হয়, নিরাসক্ত বাক্য নিয়ে কারবারের অধিকারী যদি হন কেবল-এবং-কেবলমাত্র কবিই, তাহলে নিশ্চয়ই গদ্যকারকে এ-ক'টি প্রশ্ন আমরা করতেই পারি–
১. আপনার রচনার উদ্দেশ্য কী?
২. আপনি এত কথা লিখে কোন কোন কাজ করতে চান?
আর —
৩. এই কাজগুলো করতে লেখালেখিটাই আপনার জরুরিতম বলে মনে হল কেন?
দেখুন, আর যাই হোক না কেন, গদ্য লেখার আদত লক্ষ্য কখনোই বিশুদ্ধ আত্মগত ভাবনা-বিলাস হতে পারে না। বোধ বা অন্তর্দৃষ্টি স্বভাবতই মূক, কিন্তু ভাষার উদ্দেশ্য সবসময়েই আলাপচারিতা। বোধটাকে নিজের কাছেই স্পষ্ট করবার জন্যে আপন খেয়ালে দু-কথা আপনি লিখে রাখতেই পারেন, আপনি ছাড়া আর কেউই সেই লেখা থেকে ঐ বোধ অব্দি পৌঁছতে পারবেন না। কিন্তু যখন আমরা বাক্য সাজাই, যখন লেখার ভাষা আরও স্পষ্ট আর বোধগম্য করতে চেষ্টা করি, তখন আমাদের বোধ অপরের মধ্যেও সঞ্চারিত করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি বলেই তা করি। তাই যদি হয়, তাহলে এই সিদ্ধান্তের কারণটাও লেখককে খতিয়ে দেখতে হবে। আমাদের তাত্ত্বিকদের এই ন্যূনতম কাণ্ডজ্ঞানটুকু আবার প্রায়শই লোপ পায়। উঠতি লেখকদের অবশ্য মাঝে-মাঝেই তাঁরা জিগ্যেস করেন (যা তাদের নিজেকে জিগ্যেস করবার কথা), ‘কী হে, তোমার আদৌ কিছু বলার আছে তো?’ ভাবুন, এর মানে হল: ততখানি জরুরি কোনো কথা কি তোমার বলার আছে যার ‘মূল্য’ কাগজ-কলম বাগিয়ে তোমার এই এত ঝঞ্ঝাট ঘাড়ে নেওয়ার সমতুল? এ কথা বলা মাত্রই কিন্তু স্বীকার করে নেওয়া হল, আমাদের অস্তিত্বের ঊর্ধ্বে গিয়ে ‘মূল্যবোধ’-এর একটা স্বরাট ব্যবস্থা আছে, লেখা/গদ্য সেই মূল্যটিকেই ছুঁতে/ ধরতে চাইছে।
তার পরের কথা, বোধ থেকে শব্দে পৌঁছনোর মুহূর্তে বিশুদ্ধ রীতিবাদীরা৫ একটা ভুল করে থাকেন। তাঁরা মনে করেন, শব্দ বুঝি মৃদুমন্দ বাতাসের মতো, তা বোধের উপর দিয়ে, চিন্তার উপর দিয়ে আলগা ভাবে খালি বয়ে যায়, আর লেখক নিছক এক সাক্ষী যে কিনা তাঁর নিরুপদ্রব চিন্তাগুলো শব্দ দিয়ে কেবল গুছিয়ে নেয়। ব্যাপার তা নয়। কথা লেখা মানেই সেটা একরকমের কর্মোদ্যোগ। যেই আপনি নাম দিলেন, শব্দ দিলেন, সেই মাত্র ‘জিনিস’টা গেল পাল্টে। তার এতাবৎকালের সকল সারল্য গেল ঘুচে।
যখনই আপনি কারও আচরণ নিয়ে একটা মন্তব্য করেন, সেইমাত্র লোকটার কাছে তা প্রকট হয়ে পড়ে; অর্থাৎ, সে নিজেকে দেখতে পায়। কিন্তু এখানেই মন্তব্যের অভিঘাত ফুরিয়ে যায় না। যেহেতু আপনি মন্তব্যটা, ধরুন জনসমক্ষেই করেছেন, সেই লোকটি জানে, যখন সে নিজেকে দেখেছে ঠিক তখনই অন্যেও তার দিকে তাকিয়েছে। ধরা যাক– তার কোনো ভঙ্গি বা মুদ্রাদোষ, ইতিপূর্বে যেটির সম্পর্কে সে ছিল সম্পূর্ণ উদাসীন, এখন– আপনার মন্তব্যের পরে– তা প্রকট হয়ে হাজির হল তার আর তার অগণিত দর্শকের চোখের সামনে; নিরপেক্ষ জনতাও হয়তো এর পর থেকে ঐ বৈশিষ্ট্য দিয়েই তাকে মনে রাখবে! অর্থাৎ, ঐ বৈশিষ্ট্য নতুন একটা মাত্রা পেয়ে গেল; এমনকী, অনেক অনেক দিন পরে কথাটা ফিরে মনে করাও হতে পারে। এত কিছুর পরে, কি মনে হয়, সেই ভদ্রলোক আর নিজের ঐ আচরণ সম্পর্কে একই রকমের উদাসীন থেকে যেতে পারবেন? এবারে, হয় সম্পূর্ণ সচেতন হয়ে, যা-করছি-বেশ-করছি ভেবে সে যা করছিল তা করেই যাবে। অথবা আর কখনো ও-কাজ করবে না। এই ভাবেই, বাক্য পরিস্থিতিকে পরিবর্তনের স্পৃহা প্রকাশ করে। 'পরিবর্তন চাই' সেটা জানি বলেই নিজের কাছে, অন্যের কাছে কথা পাড়ি। যেন পরিস্থিতিটার মূলে শব্দ বাগিয়ে দিয়ে জোর ধাক্কা দিতে চাই, পারি-তো এফোঁড়-ওফোঁড় করি, তার আদত চেহারাখানা মেলে ধরি সকলের চোখের সামনে। এই ভাবে, প্রতিটা শব্দ উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বস্থিতির সাথে আরও-আরও আমরা জড়িয়ে যাই, আর সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে একই ভাবে আমরাও একটু-একটু করে বিকশত হই, বিকশিত হতে হতে পা বাড়াই অনাগত ভবিষ্যের পথে।
হ্যাঁ, গদ্যকার সেই কর্মী যিনি ভাবনার পরের কাজটি করতে চান : উদ্ঘাটনের কাজ, জানান দেওয়ার কাজ। সুতরাং, এইবার তাকে আমরা দ্বিতীয় বার প্রশ্ন করব : 'দুনিয়ার কোন্ সত্যগুলো আপনি উদ্ঘাটন করতে চান? আর এই উদ্ঘাটনের মধ্যে দিয়ে আপনি ঠিক কোন্ কোন্ পরিবর্তন সাধিত করতে চান?' একজন সংযুক্ত, আসক্ত৬ লেখক ভালোই জানেন, শব্দই ক্রিয়া। জানেন পরিবর্তন ছাড়া উদ্ঘাটনের কোনো দ্বিতীয় উদ্দেশ্য নেই, থাকতে পারে না, পরিবর্তনের স্পৃহা থেকেই তার সত্যোদ্ঘাটনের সাধনা। জগত-জীবনের কোনো নিরপেক্ষ, নিরাসক্ত বর্ণনা তার উদ্দেশ্য কিছুতেই হতে পারে না। উপরন্তু, মানুষ ব্যাপারটাই এমন যে, তার প্রতি কেউই নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে না। এমনকি, হায়, ঈশ্বরও নন। যেমন ধরুন ঈশ্বর, যদি তিনি থেকে থাকেন, যেমনটা তাঁকে মায়াবাদীরা দেখেছেন সেটা কিন্তু মানুষের সঙ্গে সম্পর্কিত অবস্থাতেই দেখা। এবং ঈশ্বরও, যা বলছিলাম, কোনো পরিস্থিতিতেই পরিবর্তনীয়তার বাইরে গিয়ে কিছু দেখে উঠতে পারেননি। মাঝে-মাঝেই তিনি একে-তাকে পথর করছেন, এটা-সেটা ধ্বংস করছেন, অথবা নতুন কিছু খোদাই করছেন, যা ধ্বংস হয় না তাকে ভিতর থেকে কেবল পাল্টে-পাল্টে দিচ্ছেন।
মোট কথা, প্রেমে, ঘৃণায়, ক্রোধে, ভয়ে, আহ্লাদে, বিরক্তিতে, শংসায়, আশায়, হতাশায় মানুষ ও বিশ্ব নিজের সত্যকে উদ্ঘাটিত করে চলেছে নিরন্তর। নিঃসন্দেহে, আমাদের আসক্ত গদ্যকার মাঝারি মানের লেখক হতেই পারেন; এমনকি, তিনি নিজে জানেন যে নিতান্ত মাঝারি তাও হতে পারে; তবু লেখার সময়টুকু নিখুঁত ভাবে উদ্দেশ্য সিদ্ধিতে যারপরনাই তৎপর না-হলে তার চলে না। অতএব, সংশয় ঝেড়ে ফেলাই কর্তব্য। এবং, সমস্ত উচ্চাশা মিশিয়েই গদ্য-রচনায় হাত লাগানো উচিত। 'যদি তিন হাজার লোকে আমার লেখা পড়ে তাহলে তো বর্তে যাই'— এই না-ভেবে বরং তার ভাববার কথা, 'আমার লেখা যদি দুনিয়ার সব লোকে পড়ত, কী না হতে পারত!'
***
সে তো জানে, ব্যিস্ পাহাঁ৭ যেমন বলেছেন, শব্দ মানে 'ভর্তি পিস্তল'। শব্দ যেই উচ্চারিত হল, অমনি ছুটল সেই গুলি। চুপ থাকলেন তো কথা আলাদা। কিন্তু গুলিই যদি ছোঁড়েন, ছুঁড়তেই হবে তা লক্ষ্যভেদী তৎপরতায়। পুচকে ছোকরার মতো নিছক গুলির শব্দ শোনার আহ্লাদেই গুলি ছোঁড়া, উঁহু, গদ্য-লিখিয়ের কাজ নয়।
ভাষান্তর: সায়ন্তন সেন
টীকা
১. ফরাসি নাট্যকার মলিয়ের-এর 'Le Bourgeois gentilhomme' নাটকের চরিত্র। যদিও গবেষণা করে কেউ কেউ দেখিয়েছেন, জ়ুরদঁ নামে ঐ সময়ে ফ্রান্সে সত্যিই একজন ছিলেন।
২. পল ভালেরি (১৮৭১-১৯৪৫) ফরাসি কবি, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক। বারো বার নোবেলের জন্যে মনোনীত হয়েও একবারও পাননি, তবে এলিয়ট আর তার শিষ্যদের প্রভাবিত করে গেছেন। ৩. সার্ত্র শামুক বা আরশোলা-র কথা লেখেননি, লিখেছেন শুধু খোল আর শুঁড়।
৪. 'Aphasia is a disorder that results from damage to portions of the brain that are responsible for language' — National Institutes of Health
৫. ইংরেজিতে আছে 'stylists'।
৬. আসক্ত মানে 'অতিশয় লিপ্ত'-ও বটে, 'engaged'-এর বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে তাই 'সংযুক্ত'র পাশাপাশি এটিও ব্যবহার করেছি।
৭. ব্যিস্ পাহাঁ / Brice Parain (১৮৯৭-১৯৭১) একজন ফরাসি দার্শনিক। জ়ঁ লুক গোদার এবং এরিক রোমার-এর ছবিতে নিজের চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
প্রকাশের তারিখ: ২৩-জুন-২০২৩
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
