Latest Edition

সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

জোরদার হোক শ্রমিক-কৃষকের সংগ্রাম

বিজু কৃষ্ণান
২০১৮ সালে যখন কর্পোরেট গণমাধ্যমগুলি লালঝাণ্ডার সমাধিফলক লিখন নিয়ে ব্যস্ত, তখনই সবচেয়ে বেশি জঙ্গি লড়াইগুলি সংগঠিত হয়েছে সিআইটিইউ, সারা ভারত কৃষক সভা ও সারা ভারত খেতমজুর ইউনিয়নের নেতৃত্বে। ৯ আগস্ট ভারত ছাড়োর জয়ন্তীতে নিবিড় ঐক্যবদ্ধ প্রচারের পরবর্তী সময়ে জাতীয় সত্যাগ্রহ ও জেল ভরোর ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি দেশের পাঁচ লক্ষাধিক জায়গায় পালিত হয়। এর পরপরই এই তিনটি সংগঠনের প্রথম মিলিত কার্যক্রম হিসেবে সংসদ ভবনের সামনে বিশাল জমায়েত আয়োজিত হয়। ২০১৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর শ্রমিক-কৃষক মৈত্রীর মৌলিক নির্দেশক নীতির প্রতিফলন হিসেবে মজদুর কিষাণ সংঘর্ষ সমাবেশ সংগঠিত করা হয়।
Mazdoor-Kisan Sangharsh Rally

পুঁজিবাদের ক্রমবর্ধমান অন্তর্নিহিত সংকট, অভূতপূর্ব অতিমারি, এক দশকে দ্বিতীয়বার বিশ্বমন্দার পুনরাবির্ভাব (এমন এক ঘটনা যা বিগত আট দশকে দৃষ্টান্তহীন) — এই সমস্ত কিছুর মিলিত ফল এই সত্যই উন্মোচিত করছে যে নয়া উদারবাদের জমানায় দ্রুতগতিতে আমরা বর্বরতার দিকে অধোগমন করছি। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বৈষম্য, বেকারত্ব, দারিদ্র্য, ক্ষুধা এবং ব্যাধির বিষয়ে শাসকশ্রেণির হৃদয়হীন উদাসীনতা এবং অতিমারিকালে কর্পোরেট পুঁজির এক ক্ষুদ্রতম অংশের মুনাফা সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যেতে লাগামহীন তৎপরতা এই সন্দর্ভে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 

অতিমারির দু'বছরে আন্তর্জাতিক স্তরে বিশ্বের সবচেয়ে ধনাঢ্য ১ শতাংশ মানুষ অবশিষ্ট ৯৯ শতাংশের মোট সম্পদের দ্বিগুণ করায়ত্ত করেছে। ভারতে আমরা প্রত্যক্ষ করেছি, জনগণ যখন চরম ঋণগ্রস্ত, দারিদ্র, বেকাির ও ক্ষুধায় জর্জরিত হচ্ছে তখন কীভাবে বিজেপি সরকারের স্যাঙাৎ গোষ্ঠী ধনসম্পদের পাহাড় গড়ছিল। ভারতের মোট সম্পদের ৪০ শতাংশের বেশি অংশের মালিকানা রয়েছে জনসংখ্যার ১ শতাংশের হাতে। ভারতে মোট বিলিওনিয়ারের সংখ্যা ২০২১ সালে ১০২ থেকে বেড়ে ২০২২ সালে হয়েছে ১৬৬। এর চরম বৈপরীত্যে প্রায় ২৩ কোটি মানুষ, বিশ্বে সর্বোচ্চ, বসবাস করছে চরম দারিদ্রে। বর্বরতার দিকে অধোগমনের চূড়ান্ত প্রকাশ ছিল পরিযায়ী শ্রমিকদের গণপ্রস্থান ও অক্সিজেন ও ন্যূনতম স্বাস্থ্য পরিষেবার অভাবে গঙ্গায় ভেসে যাওয়া অগণিত মৃতদেহে, যদিও তখন কর্পোরেট ও সাম্প্রদায়িক শাসকগোষ্ঠী পিএম-কেয়ারের নামে কোটি কোটি টাকা তুলেছে এবং দেশের জাতীয় সম্পদ লুট করে, রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রের দখল ও অন্যান্য পন্থায় সরকারের স্যাঙাৎ শিল্পগোষ্ঠী বিপুল সম্পদের অধিকারী হয়েছে। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন গত ৮ বছরের বিজেপি সরকারের সময়কালে নজিরবিহীন সংখ্যায় দুর্দশাক্লিষ্ট কৃষক, খেতমজুর, দিনমজুর ও বেকার যুবকদের আত্মহত্যার ঘটনা পরিলক্ষিত হয়েছে এবং এই সংখ্যাটি ছিল বিপুল, ৪ লক্ষেরও বেশি। কৃষি সংকট ঘনীভূত হয়ে কৃষকদের সামনে অভাবগ্রস্ততা, উচ্ছেদ এবং চরমতম দুর্গতি নামিয়ে এনেছে। এই শোচনীয় পরিস্থিতি থেকে নজর ঘোরাতে তারা সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ, সংখ্যালঘু ও পশ্চাদপদ অংশের উপর আক্রমণের পথ গ্রহণ করেছে, যার সাম্প্রতিকতম দৃষ্টান্ত গোরক্ষার অছিলায় জুনেইদ ও নাসিরের নির্মম হত্যা। বিশ্বজুড়ে শ্রমিকশ্রেণি ও কৃষক সমাজ নয়া উদারবাদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। বিগত আট বছরে ভারতবর্ষও বড় বড় লড়াই-সংগ্রাম প্রত্যক্ষ করেছে এবং স্বৈরাচারী শাসকদের পিছু হটতে বাধ্য করে বিজয়ও অর্জন করেছে। 

বিগত আট বছরে সারা ভারত কৃষক সভা একক শক্তিতেও লড়াই সংগ্রামে শামিল হয়েছে এবং নতুন নতুন অঞ্চলে সংগ্রামকে বিস্তৃত ও প্রসারিত করতে সমর্থ হয়েছে। ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে সারা ভারত কৃষক সভার একক শক্তিতে সংগঠিত কিষাণ সংঘর্ষ জাঠা ও কিষাণ সংঘর্ষ সমাবেশ ছিল নরেন্দ্র মোদির সর্বনাশা নোটবন্দির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রথম সর্বভারতীয় প্রতিবাদ কর্মসূচি। রাজস্থানের কৃষক সংগ্রাম, নাসিক থেকে মুম্বই কিষাণ লংমার্চ বিজেপি সরকারকে পরাভূত করে দাবি আদায় করতে সফল হয়েছিল, যা বিজেপি সরকার অজেয় নয় এই বার্তাটি স্পষ্ট করে দেয়। এই লড়াইগুলি জনগণের মধ্যে আশার সঞ্চার ঘটায় এবং তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের জন্ম দেয়। সুনির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক ঐক্য গড়া এবং সম্মিলিত সংগ্রাম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সারা ভারত কৃষক সভা উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ করে। ভূমি অধিকার আন্দোলন সহ অগণিত লাগাতার সংগ্রামের জন্যেই নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত অর্ডিন্যান্স প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। এটাই ছিল ঐক্যবদ্ধ কৃষক আন্দোলনের তরফ থেকে লাভ করা কর্পোরেট ও সাম্প্রদায়িক স্বার্থের সরকারের সবচেয়ে বড় পরাজয়। সারা ভারত কৃষক সভা সহ ২৫০টি কৃষক সংগঠনের দাবিদাওয়া ভিত্তিক ঐক্যবদ্ধ মোর্চা সারা ভারত কিষাণ সংঘর্ষ সমন্বয় সমিতি ফসলের ন্যায্যমূল্য ও ঋণগ্রস্ততা থেকে মুক্তি অর্জনে ব্যাপক জমায়েত গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।  কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলির একজোট হওয়া এবং সুসংবদ্ধ লড়াই গড়ে তোলাও একটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। কৃষি শ্রমিক সংগঠনগুলিও সারা ভারত খেতমজুর ইউনিয়নের নেতৃত্ব প্রদানকারী ভূমিকাকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামে শামিল হয়েছে। 

কর্পোরেট-সাম্প্রদায়িক আঁতাতের এই সরকার ও তার নয়া উদারবাদী নীতির বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণি ও কৃষক সমাজের ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের লড়াই গড়ে তোলার একটি সচেতন উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছিল। এক দশকেরও বেশি সময়ের সংশ্লিষ্টতা, সম্মিলিত সিদ্ধান্তগ্রহণ এবং ঐক্যবদ্ধ মিলিত কার্যক্রমের ফলাফলেই উৎপাদক শ্রেণিসমূহের তিনটি শ্রেণিসংগঠন, সিআইটিইউ, সারা ভারত কৃষক সভা ও সারা ভারত খেতমজুর ইউনিয়নের লৌহদৃঢ় ঐক্য অর্জিত হয়েছে। সংগ্রামের প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপনমূলক বিবৃতি থেকে ঐক্যবদ্ধ শ্রেণিগত উদ্যোগ অথবা প্রতীকী সমর্থন থেকে স্বাধীনভাবে সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ- এই বিষয়টিতে প্রতিটি সংগঠন নিজস্ব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। 

২০১৮ সালে যখন কর্পোরেট গণমাধ্যমগুলি লালঝাণ্ডার সমাধিফলক লিখন নিয়ে ব্যস্ত, তখনই সবচেয়ে বেশি জঙ্গি লড়াইগুলি সংগঠিত হয়েছে সিআইটিইউ, সারা ভারত কৃষক সভা ও সারা ভারত খেতমজুর ইউনিয়নের নেতৃত্বে। ৯ আগস্ট ভারত ছাড়োর জয়ন্তীতে নিবিড় ঐক্যবদ্ধ প্রচারের পরবর্তী সময়ে জাতীয় সত্যাগ্রহ ও জেল ভরোর ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি দেশের পাঁচ লক্ষাধিক জায়গায় পালিত হয়। এর পরপরই এই তিনটি সংগঠনের প্রথম মিলিত কার্যক্রম হিসেবে সংসদ ভবনের সামনে বিশাল জমায়েত আয়োজিত হয়। ২০১৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর শ্রমিক-কৃষক মৈত্রীর মৌলিক নির্দেশক নীতির প্রতিফলন হিসেবে মজদুর কিষাণ সংঘর্ষ সমাবেশ সংগঠিত করা হয়। শ্রমিক শ্রেণি আহুত সাম্প্রতিক সাধারণ ধর্মঘটের বৈশিষ্ট্য ছিল একইদিনে কৃষক ও খেতমজুর সংগঠনগুলির ডাকে গ্রামীণ ভারত হরতালের ডাক। লাগাতার সংগ্রামের এই ধারা নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন স্বৈরাচারী কর্পোরেট-সাম্প্রদায়িক আঁতাতের বিজেপি সরকার বিরোধী এক বাতাবরণের জন্ম দিয়েছে। অতিমারি ও গৃহবন্দির সময়ে যখন সারা বিশ্ব ব্যাধির সংক্রমণে বিপর্যস্ত এবং যখন এক সর্বগ্রাসী ভয় গ্রাস করেছে সকলকে, তখন শ্রমিক শ্রেণির উদ্যোগকে নির্ভর করে গৃহবন্দি ঘোষণার এক মাসের মধ্যে এই তিনটি সংগঠন এগিয়ে এসে আর্থিক সহায়তা, খাদ্য সুরক্ষা, মনরেগার অধীনে কর্মসংস্থান, বেকার ভাতা, সর্বজনীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং সামাজিক সুরক্ষার দাবি উত্থাপন করে। 

বিজেপি সরকার অবশ্য এর মধ্যেই কর্পোরেট স্যাঙাৎদের বিপুল সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি কৃষক সমাজ ও শ্রমিক শ্রেণির উপর আক্রমণ নামিয়ে আনে। ভারতের কৃষিক্ষেত্রকে কর্পোরেটের হাতে তুলে দেওয়ার লক্ষ্যে তিনটি কর্পোরেট স্বার্থবাহী কৃষি আইন এবং দীর্ঘ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে অর্জন করা শ্রমিক শ্রেণির অধিকার কেড়ে নিতে চারটি শ্রমবিধি প্রণয়ন- মুনাফার যথেচ্ছ বৃদ্ধি এবং বাধাহীন লুন্ঠনের উদ্দেশ্য নিয়ে এই সবই আনয়ন করা হয় চরমতম অগণতান্ত্রিক পথে। এই পদক্ষেপ ভারতের সংবিধানের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মূলে কুঠারাঘাত করে। শ্রমিক ও কৃষকদের সাহসী ভূমিকায় এই পদক্ষেপ প্রতিহত করা সম্ভব হয়। কেন্দ্রীয় শ্রমিক ইউনিয়নগুলি ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর সাধারণ ধর্মঘট আহ্বান করে, পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট দাবি ভিত্তিক কৃষকদের ঐক্যমঞ্চ সংযুক্ত কিলান মোর্চা গ্রামীণ ভারত হরতাল ও দেশের রাজধানীর লাগোয়া অঞ্চল থেকে দিল্লি চলো অভিযানের ডাক দেয়। শ্রমিক শ্রেণি ও খেতমজুরদের সক্রিয় সমর্থন ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে ৩৮০ দিনের দীর্ঘ জেদী সংগ্রাম ও ৭৫০ জন কৃষকের শাহাদাতের পর বিজেপি সরকার বাধ্য হয় ক্ষমাপ্রার্থনা ও কৃষি আইনগুলি প্রত্যাহার করতে। সুতীব্র প্রতিরোধের মুখে তারা শ্রম বিধিগুলিও বাস্তবায়িত করতে অসমর্থ হয়। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা এবং কেন্দ্রীয় শ্রমিক ইউনিয়নগুলির মধ্যেকার সমন্বয় এবং লড়াইয়ের ক্ষেত্রে ঐক্য নির্মাণ এই বিজয় অর্জনের প্রধান কারণ। এটা উল্লেখযোগ্য যে বিদ্যুৎ আইনের সংশোধনীর প্রত্যাহারও সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা এবং শ্রমিক ইউনিয়নগুলির দাবির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল। বিশাখাপত্তনমের ভাইজাগ ইস্পাত কারখানার বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে সেখানকার শ্রমিকদের সংগ্রামে কৃষক সমাজের সমর্থন জ্ঞাপনও একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়। শাসক শ্রেণির আরো একটি পরাজয়ের ঘটনা ঘটে যখন মহারাষ্ট্রের বিদ্যুৎকর্মীরা বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার বেসরকারিকরণ ও আদানিদের হাতে হস্তান্তরের উদ্যোগ রুখে দেয়। 

২০২২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তালকাটোরা স্টেডিয়ামের এক বিশাল মজদুর কিষাণ মহা অধিবেশনে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে বহু লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকার রক্ষায় ৫ এপ্রিল ২০২৩ এক মজদুর কিষাণ সংঘর্ষ সমাবেশ সংগঠিত করা হবে। সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরা হবে নয়া উদারবাদী অর্থনৈতিক নীতি ও কর্পোরেট-সাম্প্রদায়িক আঁতাতের স্বৈরাচারী বিজেপি সরকারের কার্যকলাপকে। ২০২৩ সালের বিশেষ গুরুত্বকে মনে রেখে, এই সমাবেশকে দেখা হচ্ছে জাতীয় রাজনীতির মূল বিষয়গুলিকে ভিত্তি করে শ্রেণিগত দাবিদাওয়া নিয়ে লাগাতার লড়াই সংগ্রামের সূচনা এবং জনস্বার্থবাহী এক বিকল্পের বাতাবরণ তৈরির লক্ষ্যে। শ্রমিক ও কৃষকদের এ যাবৎকালের বৃহত্তম জমায়েত ঘটাতে লক্ষ লক্ষ মানুষকে সংগঠিত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। যাদের কাছে এখনও পৌছানো সম্ভব হয়নি, দেশের কোণে কোণে সেই জনসাধারণ ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে লড়াই সংগ্রামের বার্তা পৌছে দিতে সর্বাধিক সংখ্যক বাড়িতে পৌছানোর জন্যে যৌথভাবে নিরন্তর প্রচারাভিযান সংগঠিত হচ্ছে। 

৫ এপ্রিলের মজদুর কিষাণ সংঘর্ষ সমাবেশ কৃষক সমাজ ও শ্রমিক শ্রেণির জ্বলন্ত দাবিদাওয়াকে তুলে ধরবে। যেমন, সি২+৫০ শতাংশ স্তরে ন্যূনতম সমর্থন মূল্যের নিশ্চয়তা, অন্তত ২৬,০০০ টাকা ন্যূনতম মাসিক মজুরি, মনরেগার অধীনে ন্যূনতম ২০০ দিনের কাজ ও ৬০০ টাকা দৈনিক মজুরি, খাদ্য সুরক্ষা, বিদ্যুৎ আইনের সংশোধনীর প্রত্যাহার, সামাজিক সুরক্ষা পেনশন ইত্যাদি। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও রাজ্যগুলির যুক্তরাষ্ট্রীয় অধিকারের রক্ষায় হিন্দুত্ববাদী ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে তূর্যনিনাদ জানাবে এই সমাবেশ। নয়া উদারবাদী কর্পোরেট-সাম্প্রদায়িক শাসনের বিরুদ্ধে এক সংকল্পবদ্ধ মতাদর্শগত রাজনৈতিক প্রতি আক্রমণ ঘোষিত হবে এই সমাবেশে। এই সমাবেশ জনস্বার্থবাহী বিকল্পের লক্ষ্যে ব্যাপকতম ঐক্য গড়ে তোলার এক ভরবিন্দু হয়ে উঠবে এই সমাবেশ এবং জনগণের শত্রুদের চূড়ান্ত পরাজয়ের পথ খুলে দেবে।


প্রকাশের তারিখ: ৩০-মার্চ-২০২৩
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:


আপনার মতামত

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।



অন্যান্য মতামত:

একটি উদ্দীপক লেখা যা আজকের দিনের শ্রেণিসংগ্রাম কে স্পষ্ট ভাবে তুলে ধরেছে। এই রকম contemporary issueতে লেখাই চাই। বদলে এমন অনেক লেখা প্রকাশিত হচ্ছে যার ঐতিহাসিক মূল্য আছে কিন্তু আজকের দিনের concrete situation এর concrete analysis নেই। আজকের ঘটনাবলী র তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ বামপন্থী দের আরও বেশি কাজে লাগবে।
- nandan ray, ৩০-মার্চ-২০২৩


Excellent, wants to become a subscriber
- Arindam Das , ৩০-মার্চ-২০২৩


Donate Now
আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
শ্রমিক কৃষক বিভাগে প্রকাশিত ৫৩ টি নিবন্ধ
০৭-মার্চ-২০২৬

০১-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২৯-ডিসেম্বর-২০২৫

০২-ডিসেম্বর-২০২৫

০১-ডিসেম্বর-২০২৫

৩০-নভেম্বর-২০২৫

২৬-অক্টোবর-২০২৫

১২-সেপ্টেম্বর-২০২৫

০৮-জুলাই-২০২৫

০৭-জুলাই-২০২৫