সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নিবন্ধের খোঁজ
এখানে আপনি লেখক, নিবন্ধের বিষয়, তথ্য, প্রকাশের তারিখ দিয়ে বিভিন্নভাবে খুঁজতে পারেন, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই খোঁজা যাবে।
কুমার রাণা
মার্কসের চিন্তায় স্বাস্থ্যের কোনো হাতে-গরম, স্বয়ংসম্পূর্ণ তত্ত্ব পাওয়া যায় না। কিন্তু তাঁর রচনার বিভিন্ন স্তর একত্রে পড়লে স্বাস্থ্যকে বোঝার একটি শক্তিশালী পদ্ধতি পাওয়া যায়। সেই পদ্ধতি আমাদের রোগের দৃশ্যমান লক্ষণ থেকে তার সামাজিক উৎপত্তির দিকে নিয়ে যায়; ব্যক্তির দেহ থেকে কর্মস্থল, পরিবার, বাসস্থান, পরিবেশ ও রাষ্ট্রনীতির দিকে দৃষ্টি প্রসারিত করে; এবং চিকিৎসার প্রাপ্যতার প্রশ্নকে সম্পদ ও ক্ষমতার বণ্টনের প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করে।
...more০৩-সেপ্টেম্বর-২০২৬
কুমার রাণা
১৩-জুন-২০২৬
কুমার রাণা
এটি রাষ্ট্রশক্তির প্রকৃতিকে স্পষ্ট করে। এটা ঠিক যে, রাষ্ট্রকে এমন একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে, যা প্রতিদ্বন্দ্বী স্বার্থগুলির মধ্যে মধ্যস্থতা করে, জনকল্যাণ করে এবং আইনের শাসনকে বজায় রাখে। গণতান্ত্রিক তত্ত্বে, রাষ্ট্র তার বৈধতা অর্জন করে নাগরিকদের সম্মতি ও যোগদান থেকে। কিন্তু বাস্তবত ক্ষমতা কয়েকজনের হাতেই কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়ে, আর এই মধ্যস্থতামূলক ভূমিকাগুলো আর অবশিষ্ট থাকে না। রাষ্ট্র বস্তুত প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কম, বরং নিয়ন্ত্রণের এক যন্ত্র হিসেবেই মূলত কাজ করে। ...more
১৭-এপ্রিল-২০২৬
কুমার রাণা
এটি কেবল একটি রাজনৈতিক অবস্থান নয়; এটি এক ধরনের বিশ্ব-দৃষ্টিভঙ্গি— যা অন্যায়কে প্রত্যাখ্যান করে, সমতার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকে এবং বিকল্প ভবিষ্যতের সম্ভাবনার প্রতি উন্মুক্ত। ...more
০৪-এপ্রিল-২০২৬
কুমার রাণা
আজ যখন উন্নয়নের নামে বন উজাড় হচ্ছে, নদী শুকিয়ে যাচ্ছে, ভাষা বিলুপ্ত হচ্ছে— তখন বিরসার কণ্ঠ আমাদের মনে করিয়ে দেয়: “যে-সমাজ প্রকৃতিকে ভুলে যায়, সে-সমাজ নিজেকে ধ্বংস করে।” এখানে কোথাও আমরা শুনতে পাই— যাঁর রচনার সঙ্গে বিরসার পরিচয় না-থাকা— কার্ল মার্কসের কথার প্রতিধ্বনি: কেউই এ-পৃথিবীর মালিক নয়, আমরা অছি মাত্র। তাই বিরসাকে ‘প্রতীক’ বানিয়ে, পুঁজির নেতৃত্বে এবং আগ্রাসনে তাঁর ভাবনাকে অকার্যকর করার যে-দুষ্কর্ম চলছে তাকে উদ্ঘাটিত ও প্রতিহত করাটা আজকের সুস্থ রাজনীতির অন্যতম প্রধান কর্মসূচি। ...more
১৫-নভেম্বর-২০২৫
কুমার রাণা
যে সামাজিক বৈষম্য থেকে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে নানা অভাব তৈরি করে ও সেগুলোকে জীইয়ে রাখে, সেই অভাবগুলো থেকে উৎপন্ন অস্বাস্থ্যের সুযোগ নিয়ে বৈষম্যগুলোকে বাড়িয়ে তোলা হয়। যেমন, একজন মিড ডে মিল কর্মী জন্মজাত অপুষ্টি এবং কঠোর পরিশ্রম ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দীর্ঘ শ্রমের কারণে সহজেই অসুখের শিকার হন। এবার, সেই অসুখের চিকিৎসার জন্য তাঁকে প্রায়শই টাকা খরচ করতে হয়, যা তাঁর কাছে থাকে না। ...more
২৩-ডিসেম্বর-২০২৪
কুমার রাণা, অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়, অনিতা অগ্নিহোত্রী
কিন্তু উন্নয়নকে কীভাবে দেখব... এইখানে তো সদর্থে বামপন্থী রাজনীতির একটা মস্ত বড় ভূমিকা আছে। বস্তুত বামপন্থী রাজনীতি ছাড়া এইটা আর কেউ করবে না। একদল তাদের শাসকের জায়গায় থেকে কীভাবে এই ব্যবস্থাটাকে লালন করে যাওয়া যায় তার জন্য লড়ছে। আর, পশ্চিমবঙ্গে সংসদীয় প্রধান বিরোধী দল যারা, তাদের রাজনীতিতে তো এই কথাগুলোই কখনও উঠবে না। তাদের রাজনীতি তো অন্য রাজনীতি। সেটা তো সমস্ত পরিচয়কে ধর্মীয় পরিচয়ের খোপে রেখে কীভাবে ভাগটা করা যায়... * ...more
২৩-ফেব্রুয়ারি-২০২৪
কুমার রাণা, অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়, অনিতা অগ্নিহোত্রী
কোন্ পথে বাংলা? কোন্ পথে বাংলার সমাজ, অর্থনীতি, রাজনীতি?— সন্দেশখালির ঘটনার পর মার্কসবাদী পথের পক্ষ থেকে আমরা শুনতে চেয়েছি সমাজ নিয়ে যাঁরা সিরিয়াস চিন্তাভাবনা করেন, তাঁদের মতামত। আলোচনায় অনিতা অগ্নিহোত্রী। যাঁর লেখা গল্প, উপন্যাসের সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। আছেন অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়। সাংবাদিক। দুই বাংলার মানুষের কাছেই যিনি একটি পরিচিত নাম। আছেন কুমার রাণা। দীর্ঘদিন গবেষণার কাজে যুক্ত। খোলামনে আলোচনা করেছেন ওঁরা। ওঁরা নিজেরা। পশ্চিমবাংলার রাজনৈতিক বুদ্ধি-চর্চায় যে পঙ্কিল আবর্ত তৈরি হয়েছে— তাকে কীভাবে স্বচ্ছ ধারায় পরিণত করা যায়, মার্কসবাদী পথের পক্ষ থেকে এটি তারই একটি বিনম্র প্রয়াস মাত্র। মতামত আলোচকদের একান্তই নিজস্ব। ...more
২২-ফেব্রুয়ারি-২০২৪
কুমার রাণা, অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়, অনিতা অগ্নিহোত্রী
শান্তনু দে: কোন পথে বাংলা। কোন পথে বাংলার সমাজ-সংস্কৃতি-অর্থনীতি-রাজনীতি। সন্দেশখালির ঘটনার পর মার্কসবাদী পথের পক্ষ থেকে আমরা শুনতে চেয়েছি সমাজ-কে নিয়ে যাঁরা সিরিয়াস চিন্তা-ভাবনা করেন তাঁদের মতামত। আমাদের মধ্যে আছেন অনিতা অগ্নিহোত্রী, যাঁর লেখা গল্প উপন্যাসের সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত, যেখানে তিনি তুলে ধরেছেন প্রান্তজনের কথা, খেটে খাওয়া মানুষের কথা। আছেন অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়। সাংবাদিক, দুই বাংলার মানুষের কাছেই যিনি সমান পরিচিত নাম। আছেন কুমার রাণা। দীর্ঘদিন গবেষণার কাজের সঙ্গে যুক্ত। নিয়মিত কলাম লেখক। যখনই আমরা লেখা চেয়েছি কখনও নিরাশ করেননি। আজ খোলামেলা আলোচনা করবেন ওঁরা নিজেরা। পশ্চিমবাংলার রাজনৈতিক বুদ্ধিচর্চায় যে পঙ্কিল আবর্ত তৈরি হয়েছে তাকে কীভাবে স্বচ্ছ ধারায় পরিণত করা যায়, মার্কসবাদী পথ-এর পক্ষ থেকে এটি তারই একটি বিনম্র প্রয়াস। আপনাদের সবাইকে স্বাগত। শুনব আমরা। মতামত আলোচকদের একান্তই নিজস্ব।* ...more
২২-ফেব্রুয়ারি-২০২৪
কুমার রাণা, অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়, অনিতা অগ্নিহোত্রী
কোন্ পথে বাংলা? কোন্ পথে বাংলার সমাজ, অর্থনীতি, রাজনীতি?— সন্দেশখালির ঘটনার পর মার্কসবাদী পথের পক্ষ থেকে আমরা শুনতে চেয়েছি সমাজ নিয়ে যাঁরা সিরিয়াস চিন্তাভাবনা করেন, তাঁদের মতামত। আলোচনায় অনিতা অগ্নিহোত্রী। যাঁর লেখা গল্প, উপন্যাসের সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। আছেন অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়। সাংবাদিক। দুই বাংলার মানুষের কাছেই যিনি একটি পরিচিত নাম। আছেন কুমার রাণা। দীর্ঘদিন গবেষণার কাজে যুক্ত। খোলামনে আলোচনা করেছেন ওঁরা। ওঁরা নিজেরা। পশ্চিমবাংলার রাজনৈতিক বুদ্ধি-চর্চায় যে পঙ্কিল আবর্ত তৈরি হয়েছে— তাকে কীভাবে স্বচ্ছ ধারায় পরিণত করা যায়, মার্কসবাদী পথের পক্ষ থেকে এটি তারই একটি বিনম্র প্রয়াস মাত্র। মতামত আলোচকদের একান্তই নিজস্ব। ...more
২১-ফেব্রুয়ারি-২০২৪
কুমার রাণা
বিপদটা ভারতকে কেবল হিন্দু-রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা নয়, সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্রের মতো ধারণাগুলোর অবলুপ্তি নয়, বিপদটা ভারতবাসীর স্বাধীন দেশের নাগরিক অস্তিত্বের। কেবল মুসলমান নিধন নয়, কেবল নীচু জাতের লোক, নারী, আদিবাসী ও সভ্যতায় বিশ্বাসী মানুষের ওপর অত্যাচারই নয়, অত্যাচারটা নেমে আসছে সমগ্র মানব সমাজের ওপর। যে উগ্র দক্ষিণপন্থা আজ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধ, নরসংহার, ক্ষুধা, অপুষ্টি, অশিক্ষার মতো বর্বরতাকে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক নিয়মে পরিণত করে তুলছে, ভারতের একক প্রভুত্ববাদী বর্বরতা সেই মানববিদ্বেষী পরিকল্পনাটিকে বাস্তব ও সর্বব্যাপী করে তুলছে। ...more
০৬-ডিসেম্বর-২০২৩
কুমার রাণা
রাজনীতির প্রখর তাপে পুড়ছে জুনমাস। এ ঋতুতে চলছে গণতন্ত্রের নিধন। অথচ, মানুষ স্বভাবতই পরাঙ্মুখ হতে নারাজ। তাই, রাজ্য জুড়ে নানা দমন-পীড়নের মাঝেও এক চাপিয়ে দেওয়া ভবিতব্যের বিরুদ্ধে অনেকে মিলে ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করে চলেছেন। সেই কাজে, দুর্দিনের বিরুদ্ধে মানুষের পূর্ণতার সংগ্রামের স্মৃতিগুলিকে স্মরণে রাখাও একটা কাজ। বিশ্ব-গণতন্ত্রের জন্য পরম মূল্যবান এমনই তিনটি, ভিন্ন ভিন্ন কালের জুন মাসের শেষ সপ্তাহে ঘটা, স্মৃতির স্মরণ। ...more
২৯-জুন-২০২৩
কুমার রাণা
কার্ল মার্কসকে নিয়ে মানুষের এত অনন্ত আগ্রহ কেন? তাঁর জীবন নিয়ে প্রথম লেখা শুরু হয় তাঁর মৃত্যুর অব্যবহিত পরে, ১৮৮৫ সালে। লেখক গুস্তাভ গ্রস। তার পর একের পর এক জীবনী বেরিয়েছে – কোনোটাতে মার্কস ঈশ্বর, কোনোটাতে দানব, কোনোটাতে তাঁর চিন্তার ওপর জোর, কোনোটাতে তাঁর ব্যক্তিজীবনের খুঁটিনাটি নিয়ে, কেউ লিখেছেন দলীয় বা দার্শনিক অবস্থান থেকে, আবার কারো লেখায় উঠে এসেছে নির্মোহ বিশ্লেষণ। ওপরে যে জীবনীগ্রন্থগুলোর সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেওয়া হল, তা কেবল মার্কসের জীবন নিয়ে লেখা বইএর ভগ্নাংশ মাত্র। কিন্তু, যেটা স্পষ্ট তা হল, মানুষের আগ্রহের ভাণ্ডারে মার্কস দারুণভাবে উপস্থিত। তিনি বীর ছিলেন না, দুর্দান্ত খেলোয়াড় ছিলেন না, নাট্যকার বা অভিনেতা ছিলেন না, সাম্রাজ্যের অধীশ্বর বা তার পৃষ্ঠপুষ্ট আমলা-মন্ত্রী ছিলেন না। তা সত্ত্বেও মানুষ তাঁকে জানতে চায়, কারণ মানুষ তার নিজের ইচ্ছা-অনিচ্ছা-আশা-আকাংক্ষায়, মার্কসের চিন্তার প্রতিফলন দেখতে পায়, সে যা হতে চায়, মার্কস সেই হওয়াটা নিয়ে ভেবেছিলেন: ...more
০৫-মে-২০২৩
কুমার রাণা
এমন একটা সমাজে যেখানে জাতিগত নিপীড়নের কারণে মানুষের স্বাভাবিক গতি ও উন্নতি রুদ্ধ হয়, সেখানে তার সামনে দুটো পথ থাকে। একটা হল, সমবেত হয়ে এই নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই করা, এবং যে ব্যবস্থা এই নিপীড়নের জন্ম দেয় তাকে উৎখাত করে নতুন, সকলের জন্য সমমর্যাদাপূর্ণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। আর দ্বিতীয়টা হল, নিজেদের জন্য এই নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার অধিকারী অংশের— এলিট ক্লাবের— সদস্যতা জোগাড় করে ফেলা। দুটো প্রক্রিয়াই কঠিন। কিন্তু স্পষ্ট জেনে রাখা দরকার, দুটো প্রক্রিয়া শুধু স্বতঃবিচ্ছিন্নই নয়, ঘোর পরস্পরবিরোধী। একটা মানুষকে সম্মুখপানে নিয়ে চলে, অন্যটা পশ্চাতে। ...more
১৬-এপ্রিল-২০২৩














