সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

নিবন্ধের খোঁজ

এখানে আপনি লেখক, নিবন্ধের বিষয়, তথ্য, প্রকাশের তারিখ দিয়ে বিভিন্নভাবে খুঁজতে পারেন, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই খোঁজা যাবে।

লেখক
প্রকাশকাল -
বিষয়/লেখক/কিওয়ার্ড
আপনি খুঁজছেন এমন নিবন্ধ যার লেখক/লেখিকা: [সীতারাম ইয়েচুরি - Sitaram Yechury],
অক্টোবর বিপ্লব: ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে তার অনপনেয় স্বাক্ষর ৩
সীতারাম ইয়েচুরি

October Revolution Imprint on freedom struggles III

অক্টোবর বিপ্লবের প্রত্যক্ষ অনুপ্রেরণায় কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠার প্রভাব এতটাই সুদূরপ্রসারী ছিল যে, ভারতে বলশেভিক অভ্যুত্থানের আশঙ্কায় ব্রিটিশরাজ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল! ভারতে সদ্য গড়ে ওঠা কমিউনিস্ট আন্দোলনকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকরা একের পর এক ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। এর মধ্যে ছিল পেশোয়ার ষড়যন্ত্র মামলা (১৯২২–২৩), কানপুর ষড়যন্ত্র মামলা (১৯২৪), পরবর্তীকালে বিখ্যাত মিরাট ষড়যন্ত্র মামলা সহ কমিউনিস্টদের নিপীড়ন করার উদ্দেশ্যে দায়ের করা আরও বহু অনুরূপ মামলা...

...more

১৪-অক্টোবর-২০২৬

অক্টোবর বিপ্লব: ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে তার অনপনেয় স্বাক্ষর ২
সীতারাম ইয়েচুরি

October Revolution Imprint on freedom struggles II

১৯৩০ সালের ২১ জানুয়ারি, দ্বিতীয় লাহোর ষড়যন্ত্র মামলায় বিচার চলাকালীন আদালতকক্ষ থেকেই ভগৎ সিং ও তাঁর সহযোদ্ধারা নিম্নলিখিত টেলিগ্রামটি পাঠিয়েছিলেন— “লেনিন দিবসে মহান লেনিনের আদর্শকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদের সকলকে আমরা আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। রাশিয়া যে মহান পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে, আমরা তার সাফল্য কামনা করি। আন্তর্জাতিক শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে আমরা একাত্মতা প্রকাশ করি। সর্বহারা শ্রেণি জয়ী হবে, পুঁজিবাদ পরাজিত হবে। ধ্বংস হোক সাম্রাজ্যবাদ।”

...more

১৩-অক্টোবর-২০২৬

অক্টোবর বিপ্লব: ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে তার অনপনেয় স্বাক্ষর ১
সীতারাম ইয়েচুরি

October Revolution Imprint on freedom struggles

ঔপনিবেশিক শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামকে আরো তীব্র করে তোলার ক্ষেত্রে কৃষক ও শ্রমিক শ্রেণিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করেছিল অক্টোবর বিপ্লব। অক্টোবর বিপ্লবের অব্যবহিত পরেই, ঔপনিবেশিক বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষের গণআন্দোলনের এক অভূতপূর্ব জোয়ার দেখা গিয়েছিল – ১৯১৯ সালে ইজিপ্টের অভ্যুত্থান, ১৯১৯-এর ১লা মার্চে কোরিয়ার আন্দোলন, ১৯২০ সালে ইরাকের বিদ্রোহ এবং মঙ্গোলিয়ার ১৯২১ সালের অভ্যুত্থান, যার ফলস্বরূপ মঙ্গোলিয়ায় বিশ্বের দ্বিতীয় সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯১৯ সালে চীনে শুরু হওয়া ৪ঠা মে-এর আন্দোলন ১৯২১ সালে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি গঠনে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ভারতেও ১৯১৯-২০ সাল নাগাদ ব্যাপক শ্রমিক শ্রেণির আন্দোলন মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছিল।

...more

১২-অক্টোবর-২০২৬

তাঁর কর্মকাণ্ড এখন আরও প্রাসঙ্গিক
সীতারাম ইয়েচুরি

His work is even more relevant today
বুদ্ধদার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল সময়ের চাহিদা— শিল্পায়ন করা এবং বাংলার যুবসমাজ যারা তুলনামূলকভাবে শিক্ষায় এগিয়ে থাকা তাদের কর্মসংস্থানের বন্দোবস্ত করা, এটা আজ প্রমাণিত হয়েছে। সেই সুযোগ না-থাকায় বর্তমানে বিভিন্ন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যকই বাংলার। ...more

২৮-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

মতাদর্শের প্রশ্নে
সীতারাম ইয়েচুরি

motadorsher proshne
কমরেড সীতারাম ইয়েচুরি পার্টির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার অনেকদিন আগে থেকেই তাঁর বহু লেখার বাংলা অনুবাদ মার্কসবাদী পথ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এই বইয়ে রয়েছে মার্কসবাদী পথ-এ প্রকাশিত তাঁর লেখাগুলির মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া এমন কিছু রচনা, যেখানে একজন মার্কসবাদীর মতাদর্শগত বোঝাপড়াই মুখ্য। সাধারণভাবে মতাদর্শের প্রশ্নে এবং বিশেষভাবে বামপন্থী মতাদর্শের ব্যাপারে যুক্তিনির্ভর ও নির্মোহ বিশ্লেষণের যে নমুনা কমরেড ইয়েচুরির নিবন্ধগুলিতে পাওয়া যায়, তা দুই মলাটে ধরে রাখতেই এই উদ্যোগ। যাতে মতাদর্শ-চর্চার ক্ষেত্রে আজ ও আগামিকালের সৈনিকদের কিছু সুবিধা হয়। কমরেড ইয়েচুরির দীর্ঘদিনের বন্ধু, সঙ্গী ও সহযোদ্ধা প্রকাশ কারাতের লেখা মুখবন্ধটিতে তাঁর যে সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন ফুটে উঠেছে সেটিও খুব মূল্যবান। কমরেড ইয়েচুরির কাজের প্রতি মার্কসবাদী পথ-এর অভিবাদন হিসেবেই এই ক্ষুদ্র রচনা সংকলন। সম্পাদনা করেছেন শুভ্রজ্যোতি দে, অনল পাল, আব্দুল কাফি। ...more

২০-নভেম্বর-২০২৪

ভারত@৭৫
সীতারাম ইয়েচুরি

India at 75
য়াত কমরেড সীতারাম ইয়েচুরি। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-র সাধারণ সম্পাদক। ছিলেন মার্কসবাদী পথের নিয়মিত লেখক। প্রথম লেখা ১৯৯৪, ফেব্রুয়ারি সংখ্যায়, ‘মাও জে দঙয়ের বিপ্লবী কমকাণ্ড’। তারপর লিখেছেন কুড়িটির বেশি প্রবন্ধ। ‘বর্তমান ভারতীয় রাজনীতিতে জাতপাত ও শ্রেণি’ থেকে ‘বিজেপি: এখন নয়, কখনোই নয়’। ‘বিশ্বায়নের বিকল্প সমাজতন্ত্র’ থেকে ‘গণসংগ্রামের মধ্যে দিয়েই গড়ে উঠবে বাম ও গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট’। পত্রিকায় শেষ লেখা ২০২২, আগস্ট সংখ্যায়, ‘ভারত @ ৭৫’। ...more

১২-সেপ্টেম্বর-২০২৪

মোদীর ভাষণ মানুষের কাছে শোনাচ্ছে আজগুবির মতো
সীতারাম ইয়েচুরি

Modi's speech sounds like gibberish to people
চার-দফা নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। আজ পঞ্চম-দফা ভোটের পথে দেশ। নির্বাচনী প্রচারে মোদী ও বিজেপি প্রতিদিনের জীবন-জীবিকার ইস্যু থেকে মানুষের নজর ঘোরাতে চেষ্টা করছেন। কিন্তু সে কাজে তাদের সাফল্য মিলছে না। বলছেন সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। আরও বলেছেন, ভোটদাতারা এখন কথা বলছেন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে। প্রতিদিনের সমস্যাগুলি নিয়ে। এখন যা পরিস্থিতি, তাতে স্রেফ টিঁকে থাকার জন্যই ৯০ শতাংশ মানুষকে ধার করতে হচ্ছে। গত শতকের নয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকে কোয়ালিশন বা জোট গঠনের কাজে একেবারে প্রথম সারিতে রয়েছেন তিনি। চার-দফা ভোটের পর এবারের লোকসভা নির্বাচন সম্পর্কে তাঁর মূল্যায়ণ এক সাক্ষাৎকারে দ্য হিন্দু পত্রিকাকে জানিয়েছেন ইয়েচুরি। ...more

২০-মে-২০২৪

মোদী-শাসনে বিপন্ন সংবিধান, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা
সীতারাম ইয়েচুরি

Constitution democracy and secularism under threat in Modi rule
মোদী জমানায় সংবিধানের চারটি বুনিয়াদি স্তম্ভকে পরিকল্পিতভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছে। সেই চারটি স্তম্ভ হল ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব, যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ও সামাজিক ন্যায়। সাধারণতন্ত্রের ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক চরিত্রকে বদলে দিয়ে এই দেশকে তীব্রভাবে অসহিষ্ণু, ঘৃণা ও হিংসাভিত্তিক স্বৈরতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী ধরনের হিন্দুত্ব রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করার প্রয়াস চালানো হচ্ছে। বিজেপির সেই প্রয়াসের বিরুদ্ধেই এই নির্বাচন। ভোট পর্ব শুরুর ঠিক আগে ফ্রন্টলাইন পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একথা বলেছেন সিপিআই (এম) সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। ...more

২৮-এপ্রিল-২০২৪

আরএসএস ও গান্ধী হত্যা
সীতারাম ইয়েচুরি

RSS and assasination of Mahatma
এবিষয়ে সকলেই একমত যে গান্ধী হত্যার জন্য দায়ী ছিল সাভারকারের নেতৃত্বাধীন হিন্দু মহাসভার একটা উগ্রপন্থী শাখা।  ১৯৪৮ সালের জানুয়ারি মাসে যখন গান্ধীজিকে হত্যা করা হল, তখন এই ষড়যন্ত্রের মাথা হিসাবে সাভারকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ঘটনাচক্রে গান্ধী হত্যার বিচারে তিনি রেহাই পেয়েছিলেন। সেটাও হতে পেরেছিল এই মামলার রাজসাক্ষীর বিবৃতির সঙ্গে অন্যান্য প্রমাণাদির অসঙ্গতির কারণে, যদিও সেটা ছিল ফৌজদারি দণ্ডবিধির একটা টেকনিক্যাল পয়েন্ট মাত্র। সর্দার প্যাটেল ছিলেন অত্যন্ত উচ্চমানের ফৌজদারি আইনজীবী। তবে তিনিও ব্যক্তিগতভাবে সাভারকারের অপরাধ বিষয়ে নিশ্চিত ছিলেন। না হলে তিনি নিজেই সাভারকারকে বিচারের কাঠগড়ায় তুলতে দিতেন না। সর্দার প্যাটেল খুব স্পষ্টভাষায় জওহরলাল নেহরুকে বলেছিলেন, ‘সরাসরিভাবে সাভারকারের অধীনে থাকা হিন্দু মহাসভার একটা উগ্রপন্থী শাখা এই ষড়যন্ত্রের সলতে পাকিয়েছিল এবং ষড়যন্ত্র যাতে শেষ পর্যন্ত সফল হয় সেজন্য তৎপর ছিল। ...more

৩০-জানুয়ারি-২০২৩