Latest Edition

সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

জাতীয় শিক্ষা নীতি ও পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষা পরিচালন ব্যবস্থা– একটি সর্বনাশা চালচিত্র (১)

তনয় কান্তি রায়, সুপ্রিয় বসু
মিড ডে মিল আমাদের বুনিয়াদি শিক্ষার সঙ্গে তা ওতপ্রোত জড়িত এখন। নতুন করে এই প্রকল্পের নাম হয়েছে PM-POSHAN। এমনকী বুনিয়াদি শিক্ষায় এনইপি বলছে দুপুরের খাবারের সঙ্গে সকালের জলখাবারও দিতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিলের বরাদ্দ চাল ছাড়া ৬.৭৮ টাকা প্রতি ছাত্র। জিনিসপত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া, গ্যাসে রান্না করা, এবং সেই জ্বালানির খরচ মাষ্টারমশাই দিদিমনিদের পকেট থেকে না-দিলে কোনোভাবেই চালানো সম্ভব নয়। সপ্তাহে একদিন শিশুদেরকে গোটা ডিম দিতে হবে। শেষ ২-৩ মাস ধরে প্রতি ডিমের দাম  ৮ টাকা। কোথা থেকে এই টাকা আসবে তার কোনো দিশা নেই কোথাও। বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে গিয়ে স্কুলে স্কুলে কিচেন গার্ডেন করতে হবে এমন নিদান দিয়ে দেওয়া হয়েছে শিক্ষা নীতিতে। কিন্তু এই কাজটাও কী তাহলে ওই শিক্ষকদেরকেই করতে হবে!
National Education Policy and Primary Education System in West Bengal part I

বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিগত অভিমুখ, ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মূলে আঘাত করা। ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষা নীতি এমনই এক প্রবল প্রচেষ্টা। শিক্ষা রাজ্য তালিকায় থাকলেও  অনায়াসে সে ব্যাপারে খবরদারী করার আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ এই জাতীয় শিক্ষানীতি। আজকের ভারতবর্ষে নয়া জাতীয় শিক্ষা নীতি (এনইপি) প্রাথমিক শিক্ষাকে নতুন ভাবনা চিন্তা ও প্রশ্নের সামনে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। কোথাও যেন শিক্ষার অধিকার আইনকে (আরটিই) সংস্কার করে বেসরকারি পথে হাঁটার নীতি নেওয়া হয়েছে। আমাদের রাজ্য এই শিক্ষা নীতির অনেকাংশকে মেনে নিয়েও কয়েকটি স্থানে ফারাক রেখে একটি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য শিক্ষা নীতি প্রকাশ করেছে। বিদ্যালয় শিক্ষার কাঠামোয় শুধু এই দুই শিক্ষা নীতির যে পার্থক্য আমরা দেখতে পাই— জাতীয় শিক্ষা নীতিতে বিদ্যালয় শিক্ষা কাঠামোকে ৫+৩+৩+৪ এইভাবে ভাগ করা হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গীয় শিক্ষা কাঠামোয় বহুদিন ধরে চলে আসা ৫+৪+২+২ কাঠামোতেই আস্থা রেখে রাজ্য শিক্ষা নীতি প্রস্তাবিত হয়েছে। এনইপি-২০২০-তে বলা হয়েছে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্রের সাথে যুক্ত থাকবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকবে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি। পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত এটা কার্যকর হয়নি, তবে যেদিন থেকে এটা শুরু হবে সেদিন থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও দ্রুত হ্রাস পাবে। কারণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিকাঠামো যতটুকু আছে অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্রে তার সিকিভাগও নেই। এমনকি বহু অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্রের নিজস্ব ঘর পর্যন্ত নেই। নিজস্ব অভিজ্ঞতায় দেখেছি, পশ্চিম মেদিনীপুরের বেশ কিছু অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্রে বাচ্চাদের অভিভাবকেরা পাঠান না সাপের ভয়ে। তাই বাস্তব বুদ্ধিতেই দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্রে পাঠানোটা বিপর্যয়ের নামান্তর। এই কাঠামোর পার্থক্য ছাড়া দুই শিক্ষা নীতির দর্শনে তেমন কোনো গুরুতর ফারাক চোখে পড়ে না। তাই আমরা যখন জাতীয় শিক্ষানীতির কথা আলোচনায় উল্লেখ করব মোটামুটিভাবে ধরে নিতে হবে তা রাজ্যের শিক্ষানীতির জন্যেও সমানভাবে প্রযোজ্য দু-একটা ব্যতিক্রম ছাড়া। 

আমাদের আলোচনার কেন্দ্রে রাখা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বুনিয়াদি শিক্ষার বর্তমান হালচাল। বুনিয়াদি শিক্ষা বলতে উপরিউক্ত কাঠামোর প্রথম পাঁচ বছর এবং পরবরতী পর্যায়ের তিন বছর, এই হল সর্বমোট ১১ বছর বয়স্ক শিশুর বুনিয়াদি শিক্ষার পরিসর। এই বুনিয়াদি শিক্ষার হাল আজকের পশ্চিমবঙ্গে ঠিক কোন্‌ জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে সেটা একবার দেখা দরকার। খবরে প্রকাশ গত দশ বছরে প্রায় আট হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গেছে। এএসইআর রিপোর্ট দেখিয়েছে ২০১৮ থেকে ২০২২ সালে, কোভিড পরবর্তীকালে সরকারি বিদ্যালয়ে ৬ থেকে ১৪ বছরের ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হওয়ার প্রবণতা বেড়েছিল উল্লেখযোগ্য হারে (৮৮.১ শতাংশ থেকে ৯২.২  শতাংশ)। কিন্তু ২০২৪ সালে তা আবার নেমে দাঁড়িয়েছে ৮৯.৬ শতাংশ। এমনকি বিদ্যালয়ে না-যাওয়া শিশুর সংখ্যা ২০২২ সালে যেখানে ছিল ৪.৯ শতাংশ, ২০২৪ সালে এই সংখ্যা আরও কিছুটা বেড়ে হয়েছিল ৫.৪ শতাংশ। এই রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে শ্রেণি কক্ষ–শিক্ষক অনুপাত ২০২২ সালে যা ছিল ৬৩.৪ এখন তা হয়েছে ৫৭.৪ শতাংশ।

এএসইআর সমীক্ষা রিপোর্ট ২০২৪ আরও যা তথ্য তুলে ধরল ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতের ব্যাপারে তা মোটামুটিভাবে এরকম— ২০১০ সালে পশ্চিমবঙ্গে যেখানে ২৬ জন ছাত্র প্রতি একজন শিক্ষক ছিল, ২০২৪ সালে তা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৫ জন ছাত্র প্রতি একজন শিক্ষক আছে। কিন্তু রাজ্য সরকারের বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তর যে তথ্য দিচ্ছে তা একেবারেই ভিন্ন। তাদের দাবি ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত পশ্চিমবঙ্গে বেশ ভালো (৩২:১)। এমনকি তাদের দাবি শিক্ষানীতিতে উল্লেখ্য ৩০:১, এই অনুপাতের থেকেও ভালো আমাদের রাজ্যের প্রাথমিক সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষক-ছাত্র/ছাত্রী অনুপাত। এই তথ্য বিভ্রমের কারণ বোঝা যায় একক শিক্ষক নির্ভর বিদ্যালয় আর একজনও ছাত্র নেই এমন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিসংখ্যানের দিকে নজর দিলে। একটি তথ্য বলছে ৩২৫৪টি বিদ্যালয়ে একজনও ছাত্র নেই কিন্তু শিক্ষক আছে যথেষ্ঠ। পাশাপাশি ৬৩৬৬টি এমন বিদ্যালয় আছে যেখানে ১০০ জনের বেশি ছাত্র-ছাত্রী থাকলেও শিক্ষক সংখ্যা মাত্র এক। এখানে আরও একটি প্রশ্ন জাগে এই যে জাতীয় শিক্ষা নীতি অনুসারে ৩০ জন ছাত্র পিছু একজন শিক্ষক থাকলেই সেটা হল আদর্শ ব্যবস্থা। তাহলে ৫০ জন ছাত্র যদি কোনো স্কুলে থাকে তাহলে শিক্ষা নীতি অনুসারে দুজন শিক্ষক থাকলেই যথেষ্ঠ। এখানেই প্রশ্নটা ওঠে, একটা স্কুলে ৫টি শ্রেণি থাকে তাহলে দুজন শিক্ষক দিয়ে কীভাবে সেই স্কুল চলবে। একজন শিক্ষক কীভাবে একই সময়ে একাধিক শ্রেণিতে পড়াবেন! তাহলে দাবিটা এটা হতেই পারে যে ন্যূনতম ৫ জন শিক্ষক ছাড়া আদর্শ স্কুল চালানো যাবে না। জাতীয় শিক্ষা নীতি অনুসরণ করলে পর্যাপ্ত শিক্ষকের প্রয়োজন বিদ্যালয়ে। যেখানে শিক্ষকেরা হলেন সমস্ত কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে, সেখানে আমাদের রাজ্যে এই শিক্ষক অপ্রতুলতা শিক্ষা নীতির বিসমিল্লায় গলদ চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। শুধু অপ্রতুলতাই নয়, নিয়মিত শিক্ষকদের ইন সার্ভিস ট্রেনিং একেবারেই হয় না। এটা শুধু পশ্চিমবঙ্গের চালচিত্র নয়, গোটা দেশেই প্রতি সাতটির মধ্যে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাত্র একজন শিক্ষক আছে। এর সঙ্গে আছে প্রাথমিক শিক্ষকদের দিয়ে নানা ধরনের কাজ করিয়ে নেওয়ার সরকারি প্রবণতা। এমনিতেই সরকারি কর্মী অপ্রতুল, যার ফলে বিশাল সংখ্যক প্রাথমিক শিক্ষকদের যুক্ত রাখতে হয় নির্বাচনের কাজে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বর্তমানের এসআইআর-এর কাজ। এমনকি পুলিশের নাকা চেকিং, বিডিও অফিসের কাজ সর্বত্রই প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষকদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর সঙ্গে মিড ডে মিল থেকে বিদ্যালয়ের নির্মাণ সমস্ত হিসাব নিকাশের কাজও করতে হয়। এর মধ্যেই এবার নির্দেশ এসেছে আগামী এপ্রিল মাস থেকে জনগণনার কাজও করতে হবে ওই প্রাথমিক শিক্ষকদের। এই পরিস্থিতিতে তথাকথিত হলিস্টিক অ্যাপ্রোচ (Holistic Approach) কীভাবে রক্ষিত হবে, কখন তারা পড়ানোর কাজ করবেন, সে-ব্যাপারে তেমন কোনো দিশা কোথাও নেই।

পাঠদানের সময়সীমা নিয়ে ইদানিং নানারকম আলোচনা রাস্তাঘাটে শোনা যায়। অনেকেই বলেন অকারণে গ্রীষ্মের অতিরিক্ত ছুটির সংখ্যা বৃদ্ধি করে পাঠদানের দিন সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। অনেকে বলছেন প্রয়োজনে গ্রীষ্মকালীন ছুটি না-দিয়ে প্রাতঃকালীন স্কুল করার ব্যবস্থা করা হোক। আগে বছরে গড়ে বিদ্যালয়ের কাজের দিন ছিল মোটামুটি ভাবে ২৪০ দিন। আর পরীক্ষা এবং বিদ্যালয়ের নানা কর্মকাণ্ড বাদ দিলে পাঠদানের সময় পাওয়া যেত বছরে প্রায় ২২০ দিনের মতো। বর্তমানে জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী বিদ্যালয়ের পাঠদানের দিনসংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ১৮০ দিন। পশ্চিমবঙ্গে এই সংখ্যাটা এখন দাঁড়িয়েছে বছরে ২০০ দিনের মতো। অর্থাত্‍ পড়াশোনার সময় কমেছে। এবং শিক্ষানীতি বলছে এটাই নির্দিষ্ট আদর্শ সময়সীমা হওয়া উচিত পাঠদানের। তাই আমাদের রাজ্যে শুধু শুধু বিদ্যালয় বন্ধ করে পড়াশোনার বিস্তর ক্ষতি হচ্ছে এমনটা জাতীয় শিক্ষানীতি অন্তত ভাবছে না।

মিড ডে মিল আমাদের বুনিয়াদি শিক্ষার সঙ্গে তা ওতপ্রোত জড়িত এখন। নতুন করে এই প্রকল্পের নাম হয়েছে PM-POSHAN এমনকী বুনিয়াদি শিক্ষায় এনইপি বলছে দুপুরের খাবারের সঙ্গে সকালের জলখাবারও দিতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিলের বরাদ্দ চাল ছাড়া ৬.৭৮ টাকা প্রতি ছাত্র। জিনিসপত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া, গ্যাসে রান্না করা, এবং সেই জ্বালানির খরচ মাষ্টারমশাই দিদিমনিদের পকেট থেকে না-দিলে কোনোভাবেই চালানো সম্ভব নয়। সপ্তাহে একদিন শিশুদেরকে গোটা ডিম দিতে হবে। শেষ ২-৩ মাস ধরে প্রতি ডিমের দাম  ৮ টাকা। কোথা থেকে এই টাকা আসবে তার কোনো দিশা নেই কোথাও। বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে গিয়ে স্কুলে স্কুলে কিচেন গার্ডেন করতে হবে এমন নিদান দিয়ে দেওয়া হয়েছে শিক্ষা নীতিতে। কিন্তু এই কাজটাও কী তাহলে ওই শিক্ষকদেরকেই করতে হবে! বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষার্থী ভর্তি, তিনটে টার্মিনাম এভোলিউশন-এর নম্বর তোলা, তাদের রিপোর্ট কার্ড-এ মন্তব্য লেখা, যা একজন শিক্ষার্থীর জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভবিষ্যতের জন্যে, প্রমোশন দেওয়া, স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট দেওয়া, এমনকি প্রতিমাসে ডিপিএসসি-তে যে রিটার্ন পাঠানো হয় সবটাই অনলাইনে করতে হয় কিন্তু অধিকাংশ বিদ্যালয়ে কম্পিউটারের ব্যবস্থা নেই, ইন্টারনেট তো দুরস্ত।

তথ্যসুত্র- 
১। Aparna Bhattacharya and Joydeep Sarkar (2023): Empty Classrooms and Rapidly Closing Schools Spell Doom for Bengal's Children, The Wire…. access on 5th January, 2026 https://thewire.in/education/bengal-schools-closing-down-education
২। ASER Centre. (2024). Annual Status of Education Report (Rural) 2023. New Delhi: Pratham
৩।  Teacher-student ratio to be key factor in merger of West Bengal govt schools, Times of India , Jan 13, 2025
 http://timesofindia.indiatimes.com/articleshow/117210225.cms?utm_source=contentofinterest&utm_medium=text&utm_campaign=cppst 
৪। Sharukh Mandal(2025): Declining Quality Of Primary Education In West Bengal: Challenges And Solutions, IJCRT | Volume 13, Issue 12 December 2025
৫। Jean Drèze,Rikesh Choudhary,Reetika Khera (2023) : Data | One in seven Indian primary schools run by a lone teacher, The Hindu, July 07, 2023 , access on 08.01.2026 https://www.thehindu.com/data/data-one-in-seven-indian-primary-schools-run-by-a-lone-teacher/article66881043.ece 

শেষ পর্ব আগামীকাল


প্রকাশের তারিখ: ২৫-মার্চ-২০২৬
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:


আপনার মতামত

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।



অন্যান্য মতামত:

Donate Now
আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নির্বাচন ২০২৬ বিভাগে প্রকাশিত ৭২ টি নিবন্ধ
০৪-এপ্রিল-২০২৬

০৩-এপ্রিল-২০২৬

০৩-এপ্রিল-২০২৬

০২-এপ্রিল-২০২৬

০১-এপ্রিল-২০২৬

০১-এপ্রিল-২০২৬

৩১-মার্চ-২০২৬

৩০-মার্চ-২০২৬

২৮-মার্চ-২০২৬

২৭-মার্চ-২০২৬