Latest Edition

সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

জাতীয় শিক্ষা নীতি ও পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষা পরিচালন ব্যবস্থা– একটি সর্বনাশা চালচিত্র (২)

তনয় কান্তি রায়, সুপ্রিয় বসু
তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির জন্য আমাদের পরিবেশ বইটি যেন আদ্যোপান্ত একটি নামাবলী। গল্পের ছলে বিষয় পড়াতে গিয়ে বিষয়গুলি বাদ চলে গেছে বেমালুম, দুনিয়ার বাচ্চাদের নাম দিয়ে ভরিয়ে রাখা হয়েছে। যেহেতু ইতিহাস, ভূগোল বা বিজ্ঞান বলে আলাদা কোনো বই নেই সেহেতু  পরিবেশ নাম দিয়ে এই বইতে একটা জগাখিচুড়ি বিষয় থাকার কথা। কিন্তু সেই সমস্ত বিষয়ও সেভাবে নেই যা আছে তা হল বাচ্চাদের হরেক চরিত্রের নাম দিয়ে গল্পের অবতারণা। অঙ্কের বই বলতে আমাদের ধারণা ছিল অনুশীলনী কিন্তু বর্তমানে আমার গণিত বইটিতে প্রয়োজনীয় অনুশীলনী একেবারেই নেই। কিছু শিক্ষক মনে করেন মৌলিক সংখ্যা, যৌগিক সংখ্যা, পারস্পরিক মৌলিক সংখ্যা, ঐকিক নিয়ম ইত্যাদি যথাযথভাবে দেওয়ার প্রয়োজন আছে, যা এই বইটিতে অভাব আছে।
National Education Policy and Primary Education System in West Bengal part I

প্রথম পর্বের পর্ব

এবারে আসা যাক পঠন পাঠনের প্রসঙ্গে। সিবিসিএস বা অন্যান্য কেন্দ্রীয় বোর্ডগুলি মূলত জাতীয় শিক্ষা নীতির ভাবধারায় এনসিইআরটি পাঠ্যপুস্তক সংস্কার করে এই কাজ করছে। আমাদের রাজ্যও কম বেশি এনসিইআরটি-কেই অনুসূরণ করছে নানাভাবে কিছু অদল বদল ঘটিয়ে। প্রথমেই আলোচনায় আসে ভাষা শিক্ষা প্রসঙ্গ। এনইপি-তে প্রস্তাবিত আছে প্রথম ভাষা সর্বদা মাতৃভাষা হওয়া আবশ্যক কিন্তু আমাদের রাজ্য শিক্ষা নীতিতে এরকম কোনো স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া নেই। আর পশ্চিমবঙ্গে কটি ভাষা ছোটোবেলা থেকে শেখা উচিত এই নিয়ে নানা বিতর্ক বহুকাল ধরেই বিদ্যমান। প্রশ্ন হল কেমন হচ্ছে এই বুনিয়াদি স্তরে ভাষা শিক্ষা, সেটাও প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে আলোচনার একটা নান্দীমুখ হওয়া প্রয়োজন।

ভাষা শিক্ষায় বুনিয়াদি স্তরেই একটা বদল এসেছে। বর্ণপরিচয় এখন আর পাঠ্যসূচিতে নেই। বিদ্যাসাগর মহাশয় মনে করতেন বর্ণ থেকে শব্দ গঠন তারপরে বাক্য গঠন শেখানোটাই দস্তুর হওয়া উচিত। যাকে বলা হত আরোহী পদ্ধতি। আর ২০১২ সালে প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রশিক্ষণে ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এডুকেশন (DE Ed) শেখালেন উল্টো পদ্ধতি— বাক্য থেকে বর্ণ শেখানো— যাকে বলা হল অবরোহী পদ্ধতি। কিন্তু ইন সার্ভিস ট্রেনিং বর্তমানে একেবারেই না-থাকায় কোনোভাবেই এই পদ্ধতি যথাযথ অনুশীলন করা সম্ভব হচ্ছে না— এমনটাই জানালেন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একটা অংশ।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির পাঠক্রম তৈরি হয়েছে একেবারে প্রান্তিক শ্রেণি প্রথম প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে। এনএফএইচএস-৫-এর তথ্য বলছে প্রায় ৮৫ শতাংশ পশ্চিমবঙ্গীয় ঘরে এখন মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। ফলে ছোটোবেলা থেকে ফোন আর ইন্টারনেটের সৌজন্যে বাচ্চাদের স্বাভাবিক বোঝাপড়া অনেকটা বেড়ে যাচ্ছে। সেখানে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য যে কুটুম কাটাম বা মজারু বইগুলি আছে সেগুলি পাঁচ বছরের বাচ্চাদের জন্যে নেহাতই তুচ্ছ। অন্তত অভিভাবকদের কাছে এমনটাই মনে হচ্ছে, বিশেষ করে আধা-শহর বা মফস্বল এলাকায়। ফলে অভিভাবকরা মনে করছে সরকারি স্কুলে বাচ্চা পাঠিয়ে পড়াশোনা ঠিকঠাক হচ্ছে না। 

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির  আমার বই-টিতে একই সাথে বাংলা ইংরেজি ও গণিত রয়েছে। এক মলাটে সমস্ত বিষয় গুঁজে দেওয়ার ফলে মাষ্টারমশাইরা পড়েছেন মহা বিপদে। সরকারি কোনো নির্দেশিকা সেভাবে নেই, কীভাবে পড়াতে হবে যার ফলে কেউ পড়াচ্ছেন পৃষ্ঠা ধরে ধরে, আবার কেউ পড়াচ্ছেন বিষয় ধরে। যেখানে একজন শিক্ষক হয়তো সবটাই পড়াচ্ছেন পৃষ্ঠা ধরে ধরে, সেখানে ছাত্র-ছাত্রীরা কিছুদিন শুধুই বাংলা বা গণিত পড়ছে। যার ফলে প্রতিদিন তিনটে বিষয় পড়া সম্ভব হচ্ছে না তাদের। তাই দরকার বিষয় ভিত্তিক পৃথক পৃথক বই। তাছাড়া শিশুদের বাংলা উচ্চারণ শেখানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এই বইতে রাখা ভীষণভাবে প্রয়োজন।

তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির জন্য আমাদের পরিবেশ বইটি যেন আদ্যোপান্ত একটি নামাবলী। গল্পের ছলে বিষয় পড়াতে গিয়ে বিষয়গুলি বাদ চলে গেছে বেমালুম, দুনিয়ার বাচ্চাদের নাম দিয়ে ভরিয়ে রাখা হয়েছে। যেহেতু ইতিহাস, ভূগোল বা বিজ্ঞান বলে আলাদা কোনো বই নেই সেহেতু  পরিবেশ নাম দিয়ে এই বইতে একটা জগাখিচুড়ি বিষয় থাকার কথা। কিন্তু সেই সমস্ত বিষয়ও সেভাবে নেই যা আছে তা হল বাচ্চাদের হরেক চরিত্রের নাম দিয়ে গল্পের অবতারণা। অঙ্কের বই বলতে আমাদের ধারণা ছিল অনুশীলনী কিন্তু বর্তমানে আমার গণিত বইটিতে প্রয়োজনীয় অনুশীলনী একেবারেই নেই। কিছু শিক্ষক মনে করেন মৌলিক সংখ্যা, যৌগিক সংখ্যা, পারস্পরিক মৌলিক সংখ্যা, ঐকিক নিয়ম ইত্যাদি যথাযথভাবে দেওয়ার প্রয়োজন আছে, যা এই বইটিতে অভাব আছে। 

বাংলা বইয়ের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যাবে অনেকরকম উর্বর ভাবনার চাষ। যেমন ঈশপের গল্প শিশুদের আকৃষ্ট করে, কিন্তু এখানে ঈশপের গল্পের বদলে ঈশপের জীবনী দেওয়া রয়েছে। অধিকাংশ গল্প বা কবিতাই শিশুদের আকৃষ্ট করার মতো মনে হয় না। একটি গল্প আছে যার নাম ‘গাছেরা কেন চলাফেরা করে না’। এইটি একটি অদ্ভুত অবৈজ্ঞানিক আজগুবি গল্প। সেখানে বলা আছে গাছেরা একসময় চলাফেরা করতে পারত, এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ঘুড়ে বেড়াত, এমনকি তাদের ডালপালায় জড়িয়ে জিনিসপত্র এদিক ওদিক করতেও পারত। শহরায়ণের গুঁতোয় এখন আর তারা হাঁটা চলার সুযোগ পায় না। ত্রৈলোক্যনাথের মজা এই গল্পে নেই কিন্তু অশিক্ষার পাঠ অনায়াসেই বাচ্চাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া যাবে। 

এবার আসা যাক মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনায়। এনইপি-২০২০ প্রাথমিক শিক্ষার মূল্যায়নকে যান্ত্রিক রোট লার্নিং থেকে সামগ্রিক ৩৬০ ডিগ্রী মূল্যায়নে রূপান্তরিত করার কথা বলে। মূল পরিবর্তনগুলির মধ্যে রয়েছে গ্রেড-৩, ৫ এবং ৮-এ লো-স্টেকের বার্ষিক পরীক্ষা, গ্রেড-৩-এ ফাউন্ডেশনাল লিটারেসি অ্যান্ড নিউমারেসি-এর উপর জোর দেওয়া, স্ব/সহকর্মী/শিক্ষক/অভিভাবকদের ইনপুটগুলি ব্যবহার করা, এবং পোর্টফোলিও এবং ট্র্যাকের জন্য ট্র্যাকিং টুলের মতো দক্ষতাভিত্তিক কাজের সাথে গঠনমূলক মূল্যায়নকে একীভূত করা।

২০১৩ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষায় Continuous and Comprehensive Evaluation (CCE) চালু হয়। এটি একটি মূল্যায়ন পদ্ধতি। ক্লাস রুমের পর্যবেক্ষণ এবং বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা। পাঁচটি সূচকের মাধ্যমেই এই পর্যবেক্ষণগুলো করা হত। এর উদ্দেশ্য হল এনইপি-২০২০ ও আরটিই-২০১৯-এর নীতিগুলোকে বাস্তবায়িত করা। পাঁচটি সূচক হল এইরকম—  Participation, Experimentation, Application, Cooperation and Knowledge। এই পাঁচটি নিয়ে Peacock Card A এবং এই পাঁচটি সূচকের অবজারভেশনগুলো কম্পাইল করে Peacock Card B তৈরি হয়। এগুলো দিয়ে প্রস্তুতিকালীন মূল্যায়ন করা হত অর্থাৎ Formative Evaluation CCE-এর মধ্যে থাকা এই A ও B কার্ডের বদলে বর্তমানে এসেছে Holistic Progress Report Card (HPRC)। এতে আছে জ্ঞানগঠনকালীন মূল্যায়ন (Formative Evaluation)।  প্রতি phase-এর প্রথম তিন মাসে এই প্রক্রিয়া চলবে। দুটি condition-এর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এই প্রক্রিয়া চলবে। 

২০২৪ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে প্রথম ও দ্বিতীয় ও তৃতীয় সার্বিক মূল্যায়নের বিষয় ছিল— সমন্বয় সাধনে সক্ষমতা, সংযোগ স্থাপনে সক্ষমতা, সমস্যার সমাধানে সক্ষমতা, মানসিক ও শারীরিক সমন্বয়। দৈনন্দিন পড়াশোনার বিষয় এবং মূল্যায়নের নির্দিষ্ট বিষয়ের শিরোনাম ভিন্ন হওয়ায় অধিকাংশ অভিভাবকরা বুঝতে না-পারার দরুন, তারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তাই ২০২৫ থেকে আবার মূল্যায়নের শিরোনামে পঠিত বিষয়গুলির নাম ফিরে এসেছে।

যে কোনো প্রকল্পের নেপথ্যে থাকে একটা নীতিগত অবস্থান আর একটা অর্থনৈতিক বাস্তবতা। কেন্দ্রীয় স্তরে শিক্ষায় বরাদ্দ বহু বছর ধরেই অবহেলিত। ১৯৬৮ সালে কোঠারি কমিশন বলেছিল শিক্ষায় দেশের সম্মিলিত জিডিপির ৬ শতাংশ খরচ করতে হবে। কিন্তু ২০১৫ সালে কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রায় ৩.৫ শতাংশ ছিল শিক্ষা খাতে বরাদ্দ আর ২০২৫-২৬-এ এই বরাদ্দ নেমে এসেছে ২.৫ শতাংশ অর্থনৈতিক বাস্তবতা যদি এরকম করুণ হয় তাহলে নীতিগত অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়। কেন্দ্রীয় সরকার উর্বর ভাবনায় স্বপ্নে ঘি ঢেলে শিক্ষা নীতির যে কলেবর রচনা করেছে তার পরিকাঠামোর জন্যে যে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন সেই অনুযায়ী বরাদ্দ নামমাত্র। তার মানে কী সরকার এই শিক্ষা নীতি বেসরকারি পুঁজির কথা মাথায় রেখে রচনা করেছে! এরপর আর একটি বিষয় হয়তো বা ভাবনার বিষয়, তা হল এনইপি বেশ স্পষ্ট করেই বলছে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে বিশেষ শিক্ষা অঞ্চল (Special Education Zone) তৈরি করা হবে। এটি হবে সরকারের সঙ্গে এন জি ও, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এবং অন্যান্য স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে। এই অভিপ্রায় কী প্রায়শ শোনা পিপিপি মডেলের আর একটি নামকরণ! তাহলে কী ‘শিক্ষা অধিকার’ এই ধারণাকে সমূলে উপড়ে ফেলে ‘শিক্ষা পণ্য’ এই ধারণায় পৌছনোর লক্ষ্যেই এই শিক্ষা নীতির অবতারণা। প্রতিটা গ্রামে প্রতিটা প্রান্তিক অঞ্চলে অবৈতনিক শিক্ষাকে সার্বিকভাবে পৌছনোর লক্ষ্যে একদিন যে সর্বশিক্ষা অভিযান (SSA) শুরু হয়েছিল, সেই যাত্রাকে স্তব্ধ নতুন নামকরণ হয়েছে সমগ্র শিক্ষা স্কিম (SSS)। তাহলে যা ছিল অভিযান তা হল স্কিম। অভিযানের মধ্যে অধিকার বুঝে নেওয়ার, জয় করবার একটা সদর্থক স্পর্ধা থাকে কিন্তু স্কিম তো সরকারের ইচ্ছা নির্ভর দান মাত্র, আর একটা সরকারি প্রকল্প। এই নামবদলের প্রক্রিয়াতেই মনে হয় সর্বনাশের একটা পাঠক্রম রচিত হয়ে যাচ্ছে এই জাতীয় শিক্ষা নীতির হাত ধরে।

তথ্যসুত্র- 
৬। Anushree Parekh & Shraddha Iyer (2025) : NEP 2020: Leveraging Outcomes-Based Financing to Accelerate Learning, ORF India, https://www.orfonline.org/expert-speak/nep-2020-leveraging-outcomes-based-financing-to-accelerate-learning 


প্রকাশের তারিখ: ২৬-মার্চ-২০২৬
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:


আপনার মতামত

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।



অন্যান্য মতামত:

খুব গুরুত্বপূর্ন বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। এই বিষয় নিয়ে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা মহাশয় মহাশয়ারা বুঝতে পারছেন না কিভাবে শুরু ও শেষ করবেন। একমাত্র উপায় কেন্দ্রে এবং রাজ্যস্তরে এখুনি নিয়োগকর্তার পরিবর্তন।
- সুকান্ত চৌধুরী।, ২৬-মার্চ-২০২৬


জিনিস সংযোজন ও বিয়োজনের প্রয়োজনীয়তা আছে।
- Akash Das, ২৭-মার্চ-২০২৬


প্রাক প্রাথমিক থেকে প্রাথমিক স্তরে জাতীয় শিক্ষা নীতির যে স্তর টুকু টার্গেট করেছে তা বেসরকারি স্কুলের টার্গেট এর থেকে অনেকটা পিছিয়ে l মজারু আর কুটুমকাটাম সারা বছর ধরে প্রাকপ্রাথমিক স্তরের পাঠণীয় বিষয় হিসাবে খুবই নিম্নমানের, এর উন্নয়ন প্রয়োজন l বাকি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর বই গুলোর মান ভালো তবে অনুশীলনী ভিত্তিক হওয়াটা প্রয়োজনীয় বলে মনে হয় l তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর পরিবেশ বই গুলোতে বড্ডো বেশিই গল্প করে রেখেছে আর ঐ গল্পে বন্ধুদের নামের ক্ষেত্রে ধর্ম ভিত্তিক নামকে এতো হাইলাইট করেছে যে যা অপ্রয়োজনীয় লাগে l আমাদের পরিবেশ বইটির যে জায়গা গুলোতে গল্প কম বা গল্প করা নেই সেই জায়গা গুলো ছাত্রছাত্রীরা পড়তে ভালোবাসে,বুঝতে আনন্দ পায় শিক্ষক শিক্ষিকারা পাঠ দান করেও আনন্দ পায় l অযথা গল্প শোনার ইচ্ছা বা সময় সব সময় সবার থাকেনা এটা লেখকের মাথায় রাখা উচিত বলেই মনে হয় l বাকি বাংলা বেশ উন্নত গণিত (অনুশীলনী আরও বেশি হওয়া দরকার),ইংলিশ বেশ উন্নত ও অন্যান্য বই গুলো বেশ ভালো l
- দোলন মুখার্জী পাল , ২৮-মার্চ-২০২৬


খুব সুন্দরভাবে বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতি অভিভাবকদের বিশ্বাস হারিয়ে যাওয়া এবং শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে না পাঠানো স্পষ্ট প্রমাণ করে এই শিক্ষা নীতির মধ্যে গলদ রয়েছে।
- Abdul Aziz , ২৮-মার্চ-২০২৬


Donate Now
আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নির্বাচন ২০২৬ বিভাগে প্রকাশিত ৭২ টি নিবন্ধ
০৪-এপ্রিল-২০২৬

০৩-এপ্রিল-২০২৬

০৩-এপ্রিল-২০২৬

০২-এপ্রিল-২০২৬

০১-এপ্রিল-২০২৬

০১-এপ্রিল-২০২৬

৩১-মার্চ-২০২৬

৩০-মার্চ-২০২৬

২৮-মার্চ-২০২৬

২৭-মার্চ-২০২৬