সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
অন্যরকম ইতিহাস (দ্বিতীয় পর্ব)
শ্রীমন্তী রায়
দেশভাগ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় মানুষ সর্বস্ব হারিয়েছিল। ফলে ন্যায্য কারণেই তার স্মৃতি প্রধানত গড়ে উঠেছিল হিংসা, বিভাজন, রক্তপাতকে কেন্দ্র করে। আবার এটাও সত্যিই যে, সংখ্যায় অল্প হলেও ওই চরম দুঃসময়ে মানুষ মানুষকে সাহায্য করেছিল। এই সাহায্যকারী মানুষগুলো যারা নিজেরা হিংসার আশ্রয় না নিয়ে অন্য মানুষদের বাঁচিয়েছিলেন শুধু সাহসের উপর ভর করে, তাদের কথা বারে বারে মনে করিয়ে দিতে হবে। সেই ইতিহাসকে ভুলে যেতে দেওয়া যাবে না।

প্রথম পর্বের পর
অস্বীকার করার উপায় নেই যে দাঙ্গার প্রাথমিক অভিঘাতে, ব্যাপকতায়, নৃশংসতার ফলে কম্যুনিস্ট নেতা ও পার্টি সদস্যরাও বিহ্বল হয়ে পড়েছিলেন। হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় লিখেছিলেন, “নইলে ৪৬’সালের ১৬ই অগাস্ট অমন অপ্রস্তুতভাবে কেন আমাদের দেখতে হল তিনদিন ব্যাপী দানবীয় তাণ্ডব, কেন মাঝে মাঝে শান্তি মিছিলের করুণ উপস্থিতি ছাড়া প্রবল হস্তক্ষেপের উপায় খুঁজে পাইনি।” কিন্তু তার সঙ্গে এটাও স্বীকার করতে হবে যে ওই পরিস্থিতিতেও বামপন্থীরা সচেতনভাবে শান্তি মিছিল এবং শান্তি আবেদন প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কম্যুনিস্ট পার্টি, আরএসপি, ডেমোক্র্যাটিক ভ্যানগার্ড, ফরোয়ার্ড ব্লক সবাই এই উদ্যোগে সামিল হয়েছিলেন নিজেদের সাধ্যমত। ১৭ অগাস্ট একদিকে যেমন প্রচারিত হয়েছিল শান্তিরক্ষার জন্য সব দলের নেতাদের আবেদন, অন্যদিকে স্বাধীনতা পত্রিকায় তৎকালীন পার্টি সম্পাদক ভবানী সেন দলের কর্মীদের এই বলে আহ্বান জানান যে – ক) আত্মঘাতী গৃহযুদ্ধ থেকে কলকাতার উন্মত্ত নাগরিকদের ফেরান, কংগ্রেস –লীগ – কম্যুনিস্ট নেতারা পাড়া ও মহল্লায় সকল সম্প্রদায়ের সহিত একত্রে শান্তিবাহিনী গঠন করার যে নির্দেশ দিয়েছেন সেই অনুযায়ী কাজ করুন। খ) নিজের নিজের পাড়াকে একত্র হয়ে রক্ষা করতে হবে এবং বাইরের কোনরকম উত্তেজনা বা প্ররোচনায় যাতে নিজের পাড়ার শান্তিভঙ্গ না হয় সেদিকে যেন কর্মীরা খেয়াল রাখেন। গ) প্রত্যেককে নিজের পাড়ার আহতদের সেবার ভার, নিরাশ্রয়দের আশ্রয় দেওয়া ও নিঃস্বদের সাহায্য এবং উপবাসীদের খাদ্য দেওয়ার চেষ্টা করার কথা বলা হয় । এবং সর্বোপরি ঘ) যেখানে যা ঘটনা ঘটছে তা সঙ্গে সঙ্গে স্বাধীনতা অফিসে জানানোর কথা এবং গুজব ও আতঙ্কের বিরুদ্ধে কর্মীদের প্রচার চালানোর কথাও বলা হয়।
সরোজ মুখোপাধ্যায়ের লেখা থেকে জানা যায় যদিও লালঝাণ্ডা হাতে কম্যুনিস্টরা এলাকায় এলাকায় বেরিয়ে পড়েছিলেন – কিন্তু জঘন্য নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে সর্বতোভাবে থামানো যায়নি। কিন্তু এই ইতিহাস অস্বীকার করা যাবে না যে, তারা অন্তত তাদের সাধ্যমত চেষ্টা করেই গিয়েছিলেন। একদল মুসলিম যুবক যখন ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়ের বাড়ি আক্রমণ করেছিলেন কম্যুনিস্ট নেতা মনসুর হাবিব মুসলিম জনতাকে সাহসের সঙ্গে এই আক্রমণ বন্ধ করতে, এই ভ্রাতৃঘাতী সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকতে আবেদন জানিয়েছিলেন। এতে তারা সাময়িকভাবে নিরস্তও হয়েছিল।
রাজেন্দ্রলাল স্ট্রিট ও ওয়ার্ড ইন্সটিউট স্ট্রিট এর হিন্দু বাসিন্দারা মানিকতলা ব্রিজের উপরতলার মুসলমানদের আক্রমণ প্রতিহত করেছিলেন। কম্যুনিস্ট কর্মীরাও পাড়ার যুবকদের সহযোগিতায় পাড়া রক্ষা করেছিলেন এবং বাগমারীর মুসলমান মহল্লার সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মত অবস্থা বজায় রেখেছিলেন। ট্যাংরা অঞ্চলে স্থানীয় ডাক্তার প্রাণকৃষ্ণ গাঙ্গুলির বাড়ি যখন আক্রান্ত হয়েছিল তখন আলি মহম্মদের নেতৃত্বে অনেক মুসলমান শ্রমিক তার বাড়িটিকে রক্ষা করেছিলেন। যদিও পরবর্তীতে এখানে বহিরাগতরা এসে দাঙ্গা বাধিয়েছিল। খিদিরপুরে ইন্দ্রজিত গুপ্ত, জলি কল, জুড়ান গাঙ্গুলি, সুজাত আলি মজুমদার, মাখন চট্টোপাধ্যায়, অমুল্য চক্রবর্তী ও জাহাজী ইউনিয়নের নেতা ফয়েজ আমেদ, সোনা মিঞা, কংগ্রেস নেতা রাসবিহারী মুখোপাধ্যায় ও চন্দ্রশেখর আঢ্য মিলিতভাবে শান্তি স্কোয়াড গঠন করেছিলেন। যদিও তাঁরা সম্পূর্ণ ভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেননি। নারকেলডাঙ্গায় রেলশ্রমিকদের নিয়ে মিছিল করেছিলেন জ্যোতি বসু। কম্যুনিস্ট পার্টির পত্রিকা স্বাধীনতায় আবেদন জানানো হয়েছিল “ভাইয়ে ভাইয়ে লড়াই এখনই বন্ধ করুন…… আসুন আমরা সকলে একত্রে আমাদের সেই পুরনো কলিকাতা, হিন্দু-মুসলমানের কলিকাতা ব্রিটিশ আধিপত্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ কলিকাতাকে ফিরাইয়া আনি।” তবে, দাঙ্গা প্রতিরোধের অন্যতম মানদণ্ড হয়ে থাকবে টাওয়ার লজ বোর্ডিং হাউসকে রক্ষার সময় কমরেড সালে আহমেদের বীরত্বের ঘটনা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও রশিদ আলি দিবসের অন্যতম নেতা সালে আহমেদ হিন্দু বোর্ডারদের বাঁচাবার জন্য বুক চিতিেয় দাঁড়িয়ে দাঙ্গাকারীদের আহ্বান জানান তাকে ছুরি মেরে ভিতরে ঢোকার জন্য। সঙ্গে এসে দাঁড়ান তার রুমমেট মহম্মদ এবং আরেকজন মুসলিম বোর্ডার মতিন। এই প্রতিরোধের জেরে দাঙ্গাকারীরা ফিরে যায় এবং চল্লিশজন হিন্দু বোর্ডারদের নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়া হয় । 
জলি কল
ফলে এই পরিস্থিতিতেও একটা অংশ, সংখ্যার বিচারে যারা সংখ্যালঘু, তাঁরা নিজেদের বিচক্ষণতা, মনুষ্যত্ববোধ বিসর্জন দেননি, এর সবরকম উপকরণ মজুত থাকা সত্ত্বেও। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল আজ যখন ৪৬’ এর দাঙ্গা নিয়ে চারপাশে এত আলোচনা চলছে, তখন একজনেরও এদের কথা, এইসব ঘটনার কথা বলার প্রয়োজন মনে হল না।
আসলে দাঙ্গার কারণ, বর্ণনা, ব্যাখা, ফলাফল যত নিবিড়ভাবে তুলে ধরা হয় , দাঙ্গা প্রতিরোধের ঘটনা বৌদ্ধিক অথবা ব্যক্তিগত আলোচনার পরিসরেই ঘোরাফেরা করে, তার বাইরে এসে পৌছায় না। এগুলি নৃশংসতার ঘটনার তুলনায় সংখ্যায় অল্প হলেও এসবের গুরুত্ব অপরিসীম। সেই সময়ে যারা শুধুমাত্র “মানুষ” হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাদের মানসিক দৃঢ়তা ঠিক কোন পর্যায়ে ছিল এখন তার অনুমান করা অসম্ভব। কারণ সেই পরিস্থিতিতে স্রোতের বিরুদ্ধে যাওয়া মানে নিজের গোষ্ঠীর কাছেই বিশ্বাসঘাতক তকমা লাভ করা, নিজের জীবন বিপন্ন করা, একঘরে হয়ে যাওয়া। এই জাতীয় ঘটনা তখন সংবাদপত্রের হেডলাইন হতে পারেনি ঠিকই। কিন্তু এই ঘটনাগুলিই ‘মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ’ এই উদ্ধৃতির ভার বহন করেছিল।
আমরা স্মৃতিকে যতই ব্যক্তিগত বিষয় বলে মনে করি না কেন, আদপে যে “স্মৃতি” নিজেকে ইতিহাস বলে দাবি করে, মরিস হালবোয়াক্সের ধারনা অনুযায়ী তার অনেকটাই আসলে গোষ্ঠীবদ্ধ স্মৃতি। আমাদের স্মৃতি গড়ে ওঠার পেছনে যেমন কাজ করে মনস্তাত্ত্বিক কাঠামো, ঠিক একইসাথে জড়িত থাকে স্মৃতি সংরক্ষণের সমাজতাত্ত্বিক কাঠামো তথা রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। মনস্তাত্ত্বিক দিক দিয়ে দেখলে দেখা যাবে মানুষ ইতিবাচক অভিজ্ঞতার চেয়ে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা মনে রাখে বেশি। যে কোনও নেতিবাচক ঘটনাগুলির সাথে মিশে থাকে আবেগের নানা রূপ, ভয়, ক্ষতি, বেদনা, অসহায়তা, কষ্ট যা মানুষের মনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে ; আবেগ যত বেশি তীব্র হয় স্মৃতিও তত বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়। অন্যদিকে সহযোগিতাকে ইতিবাচক অভিজ্ঞতার উপাদান মনে করে নিতান্তই স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া হয়, তাকে আলাদাভাবে কোনও স্মৃতিতে ধরে রাখার আর প্রয়োজনবোধ হয় না এবং তা ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে যায়। 
হলবোয়াক্স সমাজতাত্ত্বিক কাঠামোর মধ্যে দিয়ে স্মৃতি গড়ে ওঠবার কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আমরা অধিকাংশ সময়ে ‘ঐতিহাসিক স্মৃতি’ এবং ‘সমষ্টিগত স্মৃতি’কে এক ভেবে নিই। কিন্তু এদুটি আসলে এক নয়। ঐতিহাসিক স্মৃতি ‘ইতিহাস’ কে বস্তুনিষ্ঠ আকারে সংরক্ষণ করার চেষ্টা করে। তার জন্য গবেষণা, তথ্যপ্রমাণ, দলিল-দস্তাবেজ, তখনকার প্রেক্ষাপট, বিভিন্ন উপাদানের সাহায্য সে নেয়। কিন্তু সমষ্টিগত স্মৃতি গড়ে ওঠে একটি নির্দিষ্ট সামাজিক কাঠামোর মধ্যে। এর সাথে একদিকে যেমন জড়িয়ে থাকে সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠান যেমন পরিবার, ধর্ম, শ্রেণি, রাষ্ট্র ইত্যাদি ; অন্যদিকে জড়িয়ে থাকে মানুষের আবেগ যা চর্চার মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাহিত হয় । আমার রাষ্ট্র, ধর্ম, পরিবার এই সামাজিক কাঠামোগুলি বহু ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। আমি যখন বলি “মনে আছে’ বা ‘ভুলিনি’ তা সবসময় আমার প্রত্যক্ষ ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার অংশ নয় , বরং অন্যদের স্মৃতির অংশ যার আমি পুনরাবৃত্তি করি। আমি ঐতিহাসিক স্মৃতির বোঝা সমষ্টিগত স্মৃতির মাধ্যমে ধরে রাখার চেষ্টা করি যেখানে আমি কীভাবে মনে রাখলাম তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে আমরা কীভাবে মনে রাখলাম। হলবোয়াক্স বলেছিলেন, সমষ্টিগত স্মৃতি অধিকাংশ ক্ষেত্রে বর্তমানের প্রয়োজন অনুযায়ী অতীতকে সাজায়, অতীতকে স্মরণ করা হয় বর্তমানের চোখ দিয়ে। সমাজ কিছু জিনিস মনে রাখে, কিছু জিনিস ভুলে যায় এবং সেটি নির্ভর করে আমি যে গোষ্ঠীর সদস্য তারা কোন বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে তার উপর। ফলে যে স্মৃতিকে সমষ্টিগত স্মৃতির সঙ্গে বর্তমানে সে মেলাতে পারে না, সেই স্মৃতিই ধীরে ধীরে বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যায়।
📲 এখন এক ক্লিকেই মার্কসবাদী পথ আপনার হোয়াটস অ্যাপে
এটা মেনে নেওয়া ভাল যে এই নামহীন সাধারণ মানুষদের সাহসের কথা, বামপন্থীদের এই অবদানের কথা, বামপন্থীরা ছাড়া বিস্তারিত ভাবে বলার লোক বড়ই কমে আসছে। তাই এই ঘটনাগুলিকে বারবার করে তুলে ধরার দায়িত্বও বামপন্থীদের নিতে হবে যাতে অন্ততপক্ষে এই ইতিহাস বিস্মৃতির অন্তরালে চলে না যায়।
দেশভাগ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় মানুষ সর্বস্ব হারিয়েছিল। ফলে ন্যায্য কারণেই তার স্মৃতি প্রধানত গড়ে উঠেছিল হিংসা, বিভাজন, রক্তপাতকে কেন্দ্র করে। আবার এটাও সত্যিই যে, সংখ্যায় অল্প হলেও ওই চরম দুঃসময়ে মানুষ মানুষকে সাহায্য করেছিল। এই সাহায্যকারী মানুষগুলো যারা নিজেরা হিংসার আশ্রয় না নিয়ে অন্য মানুষদের বাঁচিয়েছিলেন শুধু সাহসের উপর ভর করে তাদের আমরা ভুলে গেলাম। কবি শঙ্খ ঘোষের লেখা ধার করে তাই বলতে হয় “আমাদের চেতনা ক্রমে অস্পষ্ট করে সাহায্যের হাত…… / লোকে ভুলে যেতে চায় সহজেই ভোলে। তাই এইসব ঘটনা নিয়ে সিনেমা তো দূরস্থান, স্বল্প দৈর্ঘ্যর ওটিটি করার কথাও কারোর মনে হয় না ।
ইতিহাস আসলে আমাদের বারবার শেখানোর চেষ্টা করে, আমাদের কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয়। কিন্তু আমরা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিই না , বরং তা দিয়ে বর্তমানের “ন্যায্যতা” প্রমাণ করার চেষ্টা করে যাই । ধর্মীয় লাইনের উপর ভিত্তি করে সংগঠিত ক্ষেত্রের রাজনৈতিক দাবাখেলার পরিণাম যে কী ভয়ানক হতে পারে তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ ৪৬’ এর দাঙ্গা। ফলে সেই ইতিহাস আমরা কীভাবে পড়ব , তার থেকে কী শিক্ষা নেব এই সবকিছুই পুনর্বিবেচনা করার সময় এসেছে। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমরা শুধু ঘৃণার উত্তরাধিকার দিয়ে যাব কি না তা ভাববারও সময় এসেছে। এটা মনে রাখা ভালো “ Silence ensures that History repeats itself” .
তথ্যসূত্র:
Calcutta the stormy Decades, edited by Tanika Sarkar and Sekhar Bandyopadhyay. Routledge 2018.
Towards Freedom – Documents on the Movement for Independence in India 1946 (part -1) edited by Sumit Sarkar, Oxford University Press 2007
ইতিহাসের দিকে ফিরে ছেচল্লিশের দাঙ্গা – সন্দীপ বন্দোপাধ্যায়। র্যাডিকাল, কলকাতা ২০০০।
সেদিনের কথা – মণিকুন্তলা সেন, থীমা, কলকাতা ২০১০ ।
উত্তাল চল্লিশ অসমাপ্ত বিপ্লব – অমলেন্দু সেনগুপ্ত । পার্ল পাবলিশার্স, কলকাতা ১৯৫৭ ।
প্রকাশের তারিখ: ০৫-ডিসেম্বর-২০২৫
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
