Latest Edition

সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

সিপিসি-র বিংশতিতম কংগ্রেস

আর অরুণ কুমার
এই কংগ্রেসের গুরুত্ব আরো বেড়েছে এই কারণেও যেহেতু চীন একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ, যেখানে মাথাপিছু আয় ২০১২ সালের পরিমাণ থেকে দ্বিগুণ বেড়ে ১১,৮৯০ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। বর্ধিত আয় ও উন্নত স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার কল্যাণে চীনের জনগণের গড় আয়ু ২০২০ সালে পৌঁছেছে ৭৭.৯ বছরে বিশ্বের গড় আয়ুর চেয়ে ৫.২ বছর বেশি। এই সমস্ত কিছুই সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার শ্রেষ্ঠত্বের নিদর্শন এবং একারণেই নজর আকৃষ্ট করে।
 Twentieth Congress of the CPC
চীনের কমিউনিস্ট পার্টির বিংশতিতম কংগ্রেস ১৬-২২ অক্টোবর, ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়ে ২২ অক্টোবর সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সাপেক্ষে, গোটা পৃথিবী এই কংগ্রেসকে সাগ্রহে লক্ষ্য করেছে। ২০২১ সালে চীনের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ১৭.৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে (এক ট্রিলিয়ন মানে এক লক্ষ কোটি) পৌঁছে সারা পৃথিবীর মোট উৎপাদনের ১৮.৫ শতাংশের অংশীদারিত্ব অর্জন করেছে। গোটা পৃথিবীর ২.৬ শতাংশ বৃদ্ধির হারকে পেছনে ফেলে চীনের বার্ষিক বৃদ্ধি হয়েছে ৬.৬ শতাংশ হারে। ২০১৩-২১ সময়পর্বে আন্তর্জাতিক স্তরে অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে চীনের অবদান গড়ে ৩৮.৬ শতাংশ, যা জি-৭ গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত সমস্ত দেশের অংশীদারিত্বের যোগফলের চেয়েও বেশি। ২০২১ সালে এই স্থান অপরিবর্তিত থেকেছে বর্হিবাণিজ্য ৬.৯ ট্রিলিয়ন ডলারে বর্ধিত হওয়ার মধ্য দিয়ে।

এই কংগ্রেসের গুরুত্ব আরো বেড়েছে এই কারণেও যেহেতু চীন একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ, যেখানে মাথাপিছু আয় ২০১২ সালের পরিমাণ থেকে দ্বিগুণ বেড়ে ১১,৮৯০ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। বর্ধিত আয় ও উন্নত স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার কল্যাণে চীনের জনগণের গড় আয়ু ২০২০ সালে পৌঁছেছে ৭৭.৯ বছরে— বিশ্বের গড় আয়ুর চেয়ে ৫.২ বছর বেশি। এই সমস্ত কিছুই সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার শ্রেষ্ঠত্বের নিদর্শন এবং একারণেই নজর আকৃষ্ট করে।

গণতান্ত্রিক অনুশীলন

পার্টি কংগ্রেসের প্রস্তুতিপর্ব শুরু হয়েছিল ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এবং নভেম্বর ২০২১ থেকে জুলাই ২০২২ সময়পর্বে প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হয়। মতাদর্শ, রাজনৈতিক সততা, কর্মদক্ষতা, জীবনযাত্রা এবং কর্ম-সম্পাদনের কঠোর মাপকাঠি স্থির করা হয়েছিল প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ৯ কোটি ৬০ লক্ষ সদস্যের ৯৯.৫ শতাংশ এবং পার্টির প্রাথমিক স্তরের ৪৯ লক্ষ সাংগঠনিক শাখা এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। গোটা প্রক্রিয়া পাঁচটি পর্যায়ে বিভক্ত ছিল: পার্টি সদস্যদের দ্বারা প্রার্থী মনোনয়ন, মনোনীতদের পর্যালোচনা, জনসাধারণের মতামত সংগ্রহে প্রার্থী তালিকার জন বিজ্ঞপ্তি, সংশোধিত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ এবং প্রত্যেকটি নির্বাচক শাখা স্তরে চূড়ান্ত পর্যায়ের ভোট। এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে সহায়তা করার জন্যে, প্রতিটি পার্টি সদস্যের জন্যে নির্বাচনী ফ্লো-চার্ট দেওয়া হয়েছিল যাতে ছিল ৭টি বিভাগ ও ২৫টি পদক্ষেপ। ১৫ শতাংশেরও বেশি প্রার্থী এই প্রক্রিয়ায় অপসারিত হয়েছিলেন এবং একটি যোগ্যতা নির্ণায়ক সমিতি কঠোর পর্যালোচনা করেছে প্রতিটি নির্বাচিত প্রতিনিধিদের।

শি জিনপিং ছিলেন সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটির মনোনীত প্রার্থী এবং তিনি পার্টি কংগ্রেসে প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এসেছিলেন গুয়াংশি জুয়ান স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল থেকে। তিনি ও পলিটব্যুরোর স্থায়ী কমিটির অন্যান্য সদস্যরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন জাতিগত সংখ্যালঘু প্রধান সীমান্তবর্তী অঞ্চল, পুরোনো বিপ্লবী ঘাঁটি এলাকা এবং যে সমস্ত অঞ্চলে জাতীয় স্তরের উন্নয়ন সংক্রান্ত নীতির বাস্তবায়ন হচ্ছে— সেখান থেকে। তাঁরা প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন এমনটাই শুধু নয়, তাঁরা অংশ নিয়েছেন পার্টি কংগ্রেসের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের গ্রুপ আলোচনায়ও।

২,২৯৬ জন নির্বাচিত প্রতিনিধি কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন, যার মধ্যে ৭৭১ জন অর্থাৎ ৩৩.৬ শতাংশ ছিল গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র থেকে আসা। এর মধ্যে ১৯২ জন শ্রমিক, ৮৫ জন কৃষক এবং ২৬৬ জন পেশাজীবী ও প্রযুক্তিবিদ। নারী প্রতিনিধি ছিলেন ৬১৯ জন অর্থাৎ মোট প্রতিনিধিদের ২৭ শতাংশ, যা উনবিংশতিতম কংগ্রেসের তুলনায় ২.৮ শতাংশ বেশি। ৪০টি জাতিগত সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর প্রতিনিধি হিসেবে জাতিগত সংখ্যালঘু প্রতিনিধি ছিলেন ২৬৪ জন। প্রতিনিধিদের গড় বয়স ছিল ৫২.২ বছর এবং ৫৯.৭ শতাংশ প্রতিনিধির বয়স ৫৫ বৎসরের চেয়ে কম। ২,২২৪ জন অর্থাৎ মোট প্রতিনিধিদের ৯৬.৯ শতাংশ চীনের কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়েছে ১৯৭৮ সালের পরবর্তী সময়ে।

পার্টি কংগ্রেসের কার্যসূচিতে কেন্দ্রীয় কমিটি ও শৃঙ্খলা পর্যালোচনা বিষয়ক কেন্দ্রীয় কমিশন নির্বাচন ছাড়া ছিল কেন্দ্রীয় কমিটির কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত প্রতিবেদন, শৃঙ্খলা পর্যালোচনা বিষয়ক কেন্দ্রীয় কমিশনের প্রতিবেদন, পার্টি গঠনতন্ত্রের সংশোধনী নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ। কংগ্রেসের সূচনার আগের দিন অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় পার্টি কংগ্রেসে পেশ করার জন্যে বিদায়ী কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিবেদন, কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা পর্যালোচনা কমিশনের কাজের প্রতিবেদন এবং পার্টি গঠনতন্ত্রের সংশোধনী শীর্ষক তিনটি প্রতিবেদন গ্রহণ করা হয়।

শৃঙ্খলা পর্যালোচনা বিষয়ক কেন্দ্রীয় কমিশনের প্রতিবেদনে লক্ষ্য করা হয়েছে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে পার্টি যে দৃঢ়সংকল্প লড়াই চালাচ্ছে তাতে সুফল পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯তম পার্টি কংগ্রেসের পর থেকে দুর্নীতি বিষয়ক অভিযোগে ৭৪,০০০ মানুষের বিষয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে শাস্তিপ্রদান করা হয়েছিল। এর মধ্যে অভিযুক্তদের ৪৮ শতাংশ প্রথমবার অপরাধ করেছিল ১৮তম কংগ্রেসের আগেই এবং ১১.১ শতাংশ করেছে ১৯তম কংগ্রেসের পর। এতে বোঝা যায় অপরাধের হার ক্রমশ কমছে।

সিপিসি নেতৃত্বের লাগাতার প্রচেষ্টার ফলাফল হিসেবে, ২০২২ সালের গণ সমীক্ষায় ৯৭.৪ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস ব্যক্ত করেছে যে পার্টির পক্ষে নিবিড় ও কঠোর আত্মসংশোধন প্রক্রিয়া 'খুবই কার্যকর হয়েছে', যা ২০১২ সাল থেকে ২২.৪ বেশি। পার্টি কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের ব্যবসা সংক্রান্ত কাজকর্মের নজরদারি ২০১৫ সাল থেকে অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ৪,৭০০ জনেরও বেশি কর্মকর্তাদের স্ত্রী ও সন্তান সন্ততিদের ব্যবসা নিয়ন্ত্রিত করা হয়। পরবর্তী নজর দেওয়া হবে 'গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র ও অঞ্চলে' যাতে 'বাঘ তাড়ানো, মাছি মারা ও শেয়াল শিকার' করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে এই জটিল লড়াইয়ে জয়লাভ করা যায়।

গঠনতন্ত্র সংশোধন

১৯৮২ সালের পর থেকে পার্টি কংগ্রেসগুলির একটি নিয়মিত বৈশিষ্ট্য, গঠনতন্ত্রের সংশোধন। এটা করা হয়েছে 'তাত্ত্বিক উদ্ভাবনী এবং প্রয়োগগত পরিবর্তনের প্রয়োজনে'। এই সংশোধনীগুলিতে প্রতিফলন ঘটেছে 'সময়ের তাগিদ ও চীনের বাস্তবতার মানানসই মার্কসবাদের প্রয়োগের সাম্প্রতিক সাফল্যের' অন্তরালে থাকা 'কৌশলগত চিন্তাভাবনার'। চীনা পথে সমস্ত ক্ষেত্রে চীনের জাতীয় পুনরুজ্জীবনকে পার্টির কেন্দ্রীয় কর্তব্য হিসেবে সাব্যস্ত করে সংশোধিত পার্টি গঠনতন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

পার্টির মূল লক্ষ্য এবং প্রতিষ্ঠাকালীন শপথ, প্রধান প্রধান সাফল্য ও বিগত একশ বছরের ঐতিহাসিক সাফল্যকে পার্টির গঠনতন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবকে পার্টি কংগ্রেস অনুমোদন করেছে। পার্টির লড়াকু মনোভাব ও লড়াইয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে পার্টি গঠনতন্ত্রে নতুন একটি ঘোষণা যুক্ত করা হয়েছে।

গঠনতন্ত্রে আরেকটি প্রধান সংযোজনীতে এই নীতিগত দিকনির্দেশনা যুক্ত করা হয় যে, 'মূল সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যার অধীনে রাষ্ট্রায়ত্ত মালিকানা হচ্ছে মূল ভিত্তি এবং অন্য নানা ধরনের মালিকানা একযোগে বিকশিত হতে হবে, যে ব্যবস্থায় কাজের ভিত্তিতে বন্টন হবে মূল ভিত্তি, একইসঙ্গে পাশাপাশি থাকবে নানা ধরনের বন্টন ব্যবস্থা এবং সমাজতান্ত্রিক বাজার অর্থনীতি। এগুলোই একত্রিত রূপে চীনের সমাজতন্ত্রের মূল স্তম্ভ।’

পার্টির গঠনতন্ত্রের সংশোধনী এনে চীনকে সমস্ত দিকে একটি আধুনিক সমাজতান্ত্রিক মহান দেশ হিসেবে গড়ে তোলার দ্বিপর্যায় বিশিষ্ট কৌশলগত পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে— ২০২০ থেকে ২০৩৫ অবধি সমাজতান্ত্রিক আধুনিকীকরণ অর্জন এবং ২০৩৫ থেকে এই শতকের অর্ধ অবধি চীনকে এমন একটি আধুনিক সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসেবে গড়ে তোলা যা হবে একইসাথে সমৃদ্ধ, শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক, সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে উন্নত, সুসমন্বিত এবং সৌন্দর্যময়।

পার্টির গঠনতন্ত্র এছাড়াও সংশোধিত হয়েছে 'সামরিক বাহিনীতে রাজনৈতিক আনুগত্য বৃদ্ধি, সামরিক গণফৌজকে বিশ্বমানে উন্নীতকরণ, এক দেশ দুই ব্যবস্থার নীতি নিষ্ঠার সাথে কঠোরভাবে সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন, 'তাইওয়ানের স্বাধীনতা'র বিরুদ্ধে দৃঢ়তার সাথে বিরোধিতা ও প্রতিহত করা' সম্পর্কিত ধারা। আরো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, 'শান্তি, উন্নয়ন, ন্যায়, সুবিচার, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতায় অংশীদারিত্বের মূল্যবোধ এবং একটি মুক্ত, সামুদায়িক (ইনক্লুসিভ), পরিচ্ছন্ন ও সুশোভন পৃথিবী গড়ে তোলার লক্ষ্যে অগ্রসর হওয়া যেখানে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি, সর্বজনীন নিরাপত্তা ও  সর্বসাধারণের সমৃদ্ধি সুনিশ্চিত হবে'।

পার্টি সদস্যদের দায়িত্ব ও করণীয় সম্পর্কে গঠনতন্ত্রে আহ্বান জানিয়ে বলেছে, প্রত্যেক পার্টি সদস্যকে রাজনৈতিক বিচার, চিন্তা চর্চা ও প্রয়োগে সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা করতে হবে এবং 'চীনের বাস্তবতা ও বিদ্যমান সময়ের প্রয়োজনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ভাবে মার্কসবাদের অগ্রগতি ও পার্টির তত্ত্ব, দিশা, নীতি ও আদর্শ রূপায়ণে আরো স্বপ্রণোদিত ও সংকল্পবদ্ধ হতে হবে'।

পার্টি শৃঙ্খলা সম্পর্কিত ধারাগুলির সংশোধনী সর্বস্তরের পার্টি পদাধিকারীদের নির্দেশ দিয়েছে 'সুবিধা আদায়ের মানসিকতা ও অভ্যেসগুলির' বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে এবং কোনো পদাধিকারী যাতে দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ার ঔদ্ধত্য প্রদর্শন, সুযোগ সন্ধান বা ইচ্ছে পোষণ করতে না পারে তা সুনিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে। নতুন সময়ের প্রত্যাহ্বানের মুখোমুখি হতে পার্টি সদস্যদের জন্যে নতুন বাধ্যবাধকতা ও দায়দায়িত্বও নির্ধারিত হয়েছে। তারা অধ্যয়ন করছে পার্টির ইতিহাস; রাজনৈতিক সততা বজায় রাখতে শক্তিশালী করছে চেতনাবোধ; কেন্দ্রীয় কমিটির সমদর্শী হয়ে ভাবনা চিন্তা করছে বৃহত্তর পরিপ্রেক্ষিত থেকে এবং ঊর্ধ্বে তুল ধরছে 'কেন্দ্রীয় কমিটি ও সামগ্রিকভাবে পার্টির সর্বস্তরে শি জিনপিং-এর প্রধান ভূমিকা' এবং কেন্দ্রীয় কমিটির কর্তৃত্বকে।’

সার্বিকভাবে জনগণতন্ত্রের ব্যাপকতর, পূর্ণতর, সুবিস্তৃত প্রক্রিয়া বিকশিত করার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক নির্বাচন, মতবিনিময়, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তদারকির একটি পরিপক্ক ব্যবস্থা ও পদ্ধতি গড়ে তোলার লক্ষ্যেও পার্টির গঠনতন্ত্রে অতিরিক্ত ধারা সংযোজিত হয়েছে।

পিপলস ডেমোক্রেসি, ৩০ অক্টোবর, ২০২২
ভাষান্তর: শুভ প্রসাদ নন্দী মজুমদার

প্রকাশের তারিখ: ১৭-নভেম্বর-২০২২
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:


আপনার মতামত

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।



অন্যান্য মতামত:

Donate Now
আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
সমসাময়িক বিভাগে প্রকাশিত ২১১ টি নিবন্ধ
১৬-জুলাই-২০২৬

১৩-জুলাই-২০২৬

১৩-জুলাই-২০২৬

১২-জুলাই-২০২৬

২৯-জুন-২০২৬

২৮-জুন-২০২৬

২৭-জুন-২০২৬

১৭-জুন-২০২৬

১৭-জুন-২০২৬

১৬-জুন-২০২৬